শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:২৪ এম
বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঝটিকা মিছিল করেছে। এ সময় একটি পটকা বিস্ফোরিত হয়। বুধবার বিকেলে নগরীর কাশিপুরের বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের নিকটবর্তী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ, এসআরবি ও ডিবি পুলিশের সদস্যরা খবর পেয়ে ওই এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার বিকেলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২০/২৫ জনের একটি গ্রুপ কাশিপুর মার্কাস মসজিদ এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের ব্যানার নিয়ে ঝটিকা মিছিল বের করে। তারা সরকার বিরোধী বিভিন্ন শ্লোগান দিয়ে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় ২/৩টি মোটরসাইকেলে এসে কয়েক যুবক একটি পটকা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে মিছিলকারী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিভাগীয় কমিশনার অফিসের পশ্চিম পাশের সড়ক দিয়ে দ্রুত চলে যায়।
বরিশাল মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার জানান, "কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিল থেকে একটি পটকা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে"। তিনি বলেন, "খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দোয়ারিকা এলাকার আশিটি পরিবারের বাসিন্দারা সরকারি আশ্রয়ণের ঘর পেয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছেন না। যাতায়াতের জন্য সেখানে কোনো স্থায়ী সড়ক নেই, ফলে জোয়ারের সময় চারিপাশ পানিতে তলিয়ে যায়। এই অবস্থায় বাসিন্দাদের ঘর থেকে বের হতে পানির মধ্য দিয়ে হাঁটতে হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাসিন্দাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য প্রায় চার বছর আগে একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু দুই বছরের মধ্যেই সেটি ভেঙে যায়। এরপর দুই বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও সেখানে স্থায়ী যাতায়াত ব্যবস্থা তৈরি হয়নি। এর ফলে প্রতিদিনই দুর্ভোগে চলাচল করতে হচ্ছে আশ্রয়নের বাসিন্দাদের। সুগন্ধা নদীর তীরে দুটি আশ্রয়ন প্রকল্পে রয়েছে আশিটি ঘর। এসব ঘর থেকে বের হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সড়ক নেই। একটি ইটভাটার ভেতর দিয়ে বের হওয়ার পথ থাকলেও গেট বন্ধ থাকায় অনেক সময় পানির মধ্য দিয়ে চলাচল করতে হয়। অন্যদিকে, ছোট একটি খাল পার হয়ে স্থানীয় কয়েকটি বাড়ির ভেতর দিয়ে মূল সড়কে ওঠার সুযোগ থাকলেও সেখানে নানা বিড়ম্বনার মুখে পড়তে হয় বাসিন্দাদের। আশ্রয়নের বাসিন্দা মো. ইলিয়াস (৫০) বলেন, "রাস্তা না থাকায় প্রতিদিনই নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। রাস্তার জন্য বিভিন্নজন বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কিন্তু বাস্তবে তা আলোর মুখ দেখেনি।"
রফিকুল ইসলাম বলেন, "একসময় মোগো জমি-জায়গা, ঘরবাড়ি-সবই আছিল। নদীভাঙনে হেইসব কিছু হারাইছি। চাইর বছর আগে সুগন্ধা নদীর পারে দোয়ারিকা আশ্রয়নে দুই শতক জাগা আর একখান ঘর পাইছি। কিন্তু চলাচলের কোনো রাস্তা নাই। জোয়ার আইলেই চারপাশ পানিতে ডুইবা যায়।"
তিনি আরও বলেন, "চার বছর আগে যাতায়াতের লাইগ্যা একখান কাঠের পুল বানাইয়া দিছিলো। কিন্তু দুই বছরের মধ্যেই হেইডা ভাইঙ্গা গেছে। হেইরপর থেইকা প্রায় দুই বছর ধইরা মোগো খুব কষ্ট কইরা চলাফেরা করতে হয়। পানির মইধ্যে, মানুষের জমির ওপর দিয়া চলাফেরা করি। জোয়ার আইলে কষ্ট আরও বাড়ে। ঘর থেইক্যা বাহির হইতে গেলেও অনেক ঝামেলা পোহাইতে হয়। নদী সব কাইড়া নিছে। এহন আশ্রয়নের ঘর পাইছি ঠিকই, কিন্তু রাস্তা না থাকায় এহনও কপালে সুখ নাই।"
শুধু রফিকুল ইসলাম নন, আশ্রয়নের অন্যান্য বাসিন্দারাও একই ধরনের দুর্ভোগের কথা জানিয়ে বলেন, আশ্রয়ন প্রকল্পে প্রায় ৮০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের প্রতিদিন খালের পানি মাড়িয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। বাবুগঞ্জ সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রবিউল ইসলাম বলেন, "আমাদের এখান থেকে বের হওয়ার জায়গা নেই। একটা কাঠের পুল ছিল, সেটাও নষ্ট হয়ে গেছে। স্কুলে যেতে হলে মূল সড়কে ওঠার আগে পানির মধ্য দিয়ে যেতে হয়। অনেক সময় জামা-কাপড় হাতে নিয়ে যেতে হয়। আমরা সরকারের কাছে একটি রাস্তার জন্য আবেদন করছি।" আশ্রয়নের বাসিন্দা শেফালী বেগম বলেন, "আমরা অসুস্থ হলে কোলে করে রাস্তায় নিতে হয়। একটা ভ্যান নিয়েও হাসপাতালে যাওয়ার অবস্থা নেই। কিছুদিন আগে আমি অসুস্থ হলে চার-পাঁচজন মিলে কাঁধে করে আমারে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেছে।"
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, জোয়ারের পানি বাড়লে আশ্রয়ন প্রকল্পের চারপাশ ডুবে যায়। এতে শিশু, শিক্ষার্থী, নারী ও বয়স্কদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি হয়। বিশেষ করে জরুরি প্রয়োজনে কোনো রোগীকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।
সূত্রমতে, ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্প-২-এর আওতায় ২০২১ সালে বাবুগঞ্জ উপজেলার দোয়ারিকা এলাকায় ৮০টি পরিবারকে দুই শতক করে জমি ও ঘর দেওয়া হয়। সরকারি অর্থায়নে নির্মিত এসব ঘর সুগন্ধা নদীর তীরে দুটি আশ্রয়ন প্রকল্পে স্থাপন করা হয়েছে। ঘর নির্মাণের পর বাসিন্দাদের যাতায়াতের জন্য তৎকালীন উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রায় ২০০ ফুট দীর্ঘ একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করা হয়। কয়েক বছরের মধ্যেই সেটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর নতুন করে স্থায়ী যাতায়াত ব্যবস্থা তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সুমন সিকদার বলেন, "রাস্তা না থাকায় আশ্রয়নের বাসিন্দারা কষ্টে যাতায়াত করছে বলে জানতে পেরেছি। আমি বিষয়টি ইউএনওকে অবহিত করবো এবং সরেজমিনে পরিদর্শন করে যথাসম্ভব যাতায়াতের ব্যবস্থা করবো।"
বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমা উল হুসনা বলেন, "বিষয়টি আমি আপনাদের কাছ থেকেই অবহিত হলাম। আশ্রয়নের ৮০টি পরিবারের জন্য কেন রাস্তা করা হয়নি, সে বিষয়টি সরেজমিনে গিয়ে দেখে যতো দ্রুত সম্ভব উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দীর্ঘ দুই বছর পর ইউরোপের দেশ ক্রোয়েশিয়া থেকে ছুটিতে বাংলাদেশে আসা বিশিষ্ট সাংবাদিক ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)-এর কোষাধ্যক্ষ জি.এম জসিম হাসানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করেছেন তার দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা। বুধবার দিবাগত রাতে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)-এর বরিশাল জেলা উত্তর কমিটির পক্ষ থেকে সংগঠনের কার্যালয়ে তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। এ সময় সাংবাদিক জি.এম জসিম হাসানকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিয়েছেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোকন আহমেদ হীরা, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন তালুকদার, বিএমএসএফ'র বরিশাল জেলা উত্তর কমিটির সভাপতি এস.এম মিজান, সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহামুদসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ও সহকর্মীরা।
প্রিয় সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন পর দেখা হওয়ায় সেখানে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সহকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সাংবাদিক জি.এম জসিম হাসান।
তিনি অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, "দীর্ঘদিন পর দেশে ফিরে সহকর্মীদের কাছ থেকে এমন আন্তরিকতা ও ভালোবাসা পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও আপ্লুত।" সহকর্মীদের এই ভালোবাসা ও আন্তরিকতা যেন সবসময় অটুট থাকে-এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকরা তার সুস্থতা, দীর্ঘায়ু ও কর্মজীবনের সাফল্য কামনা করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়ার আগে বাংলাদেশ আরও দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতির আবেদন করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অতিরিক্ত সময় পেলে মসৃণ ও টেকসই উত্তরণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, পাশাপাশি উত্তরণ-পরবর্তী অর্থনীতিকে আরও সক্ষম ও অভিঘাতসহনশীল করে তোলা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বার্ষিক বৈঠকে বক্তব্য রাখেন। ঢাকায় পাওয়া এক বার্তায় বিষয়টি জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশের এই অনুরোধ বর্তমানে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বিবেচনার পর্যায়ে রয়েছে, এ কারণে এলডিসি গ্রুপের অব্যাহত সমর্থন কামনা করেন হুমায়ুন কবির।
তিনি উল্লেখ করেন, এলডিসি থেকে উত্তরণে সক্ষমতা বজায় রাখা, গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার বাস্তবায়ন এবং মসৃণ উত্তরণ কৌশল কার্যকর করার জন্য অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন।
দোহা কর্মসূচির মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনার প্রেক্ষাপটে তিনি এলডিসিগুলোর জন্য ছয়টি অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন।
এগুলোর মধ্যে রয়েছে সরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) কমে যাওয়ার প্রবণতা রোধ, সহজ শর্তে অর্থায়নের সুযোগ বৃদ্ধি, বাজারে প্রবেশাধিকার উন্নত করা এবং অভিযোজন ও ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় পূর্বানুমেয় জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা।
অবৈধ আর্থিক প্রবাহ মোকাবিলা ও পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারের জন্য আরও জোরালো আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে শিল্পায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তিতে সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, ঋণের চাপ, ওডিএ কমে যাওয়া, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতা এবং জলবায়ু সংকট আমাদের সক্ষমতার পরীক্ষা নিচ্ছে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এলডিসিগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এখনো ৭ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রার নিচে রয়েছে। ২০২৬ সালে প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৫ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ‘থ্রি-আর’ কৌশল- রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন- টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে গ্রহণ করা হয়েছে।
এলডিসি গ্রুপের চেয়ার হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য নেপালকে ধন্যবাদ জানান তিনি। সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর নেপালের প্রতি সংহতি প্রকাশের পাশাপাশি পরবর্তী চেয়ার হিসেবে গাম্বিয়াকে স্বাগত জানান হুমায়ুন কবির।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ১০৯ জনকে গ্রেফতার করেছে, যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।
আজ ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গতকাল বুধবার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ ৩৩ জন, আদাবর থানা পুলিশ ২৬ জন, তেজগাঁও থানা পুলিশ ২৩ জন, শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ১৪ জন, হাতিরঝিল থানা পুলিশ ৭ জন এবং তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ ৬ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতদের নামের তালিকায় রয়েছে- ওলিল (২৫), মো. ইউসুফ (৩২), মো. তারেক (১৮), মো. মামুন (৩৩), মো. সোহাগ মোল্লা (২৫), মো. চাষার (৬৭), মো. সজীব মণ্ডল (২৩), মো. লিটন (৩৫), মো. সোহেল হোসেন (২৭), মো. শামিম (২৭), মো. রুসেল রানা (৩১), কামরুল ইসলাম (৩২), আলকামুল রেজভী আহম্মেদ, মো. বাবু (৩২), মো. নূরুল ইসলাম গাজী বাবু (৫৫), মো. ইদ্রিস (৫৫), মো. সিরাজুল ইসলাম খোকন (৩১), মো. শাকিল (২৩), মো. রানা (২৮), লিউল ইসলাম হৃদয় (২৩), মো. শফিকুল ইসলাম লিটন (৩৭), মো. মাসুদ রানা (৩০), মো. সাজু মিয়া (২৫), হ্যাপি বেগম (৩৮), ইসমাইল হোসেন রানা (৩৫), মো. হৃদয় (২২), আ. হাকিম (২৪), মো. ইমরান হোসেন (১৯), মো. কাজল (৩৭), মো. বাপ্পী (১৯), মো. সবুজ (২২), মো. জালাল (৪২), মোহাম্মদ আলী (২৮), হারুন (৪৪), মো. ইমন (২৬), মিজানুর (৩০), রমজান (২০), মো. সোহাগ (২১), রাকিবুল হাসান নাছিফ (২১), মো. সাগর (২৩), মো. আল আমিন (১৯), মো. শাকিল হোসেন (২২), মো. সাদ্দাম হোসেন (২৪), শাহাদত (২৩), মো. রুস্তম বয়াতী (২৪), মো. হৃদয় (২৩), সাদিকুল ইসলাম (৩৩), মো. সুমন (২৫), মো. সোহেল রানা (২৯), মো. রুবেল (২৮), মো. রিফাত (১৯), মো. শফিকুল হোসেন (২৩), মো. মেহেদী হাসান মিজান (২৪), মো. ইয়াছিন মান্নান (২৬), মো. রনি আলম (৩৪), মো. রাসেল (২৪), মো. শাহিন (২০), আ. ছালাম খান, মো. আনিল (২৯), মায়া বেগম (৪৫), রতন হাওলাদার, মো. ফিরোজ আহমেদ, মো. শাহিন (২০), মো. রাসেল (২৬), মো. আ. রাজ্জাক (৩০), মো. নাজমুল মৃধা (২২), মো. ওমর (২৫), মো. বশির রাকিব (২৫), মো. শামীম (২৪), মো. রাব্বি শামীম (২১), রানা (২৬), শামীম ভূঁইয়া (৩৫), মো. বাদশা (১৮), মো. আসলাম (৪০), মো. বাপ্পী হাওলাদার (২১), মো. নিরব হোসেন (২০), রতন খান (২৫), মো. আকতার হোসেন (৩২), নাদিম (২৫), সালমান রহমান ওরফে রিমন (৩৮), কে. এইচ. এম জাবীর রেজা শুভ (৪৫), মো. রাজু (৩০), মো. মেহেদী হাসান, মো. আমির হোসেন (৩৬), মো. খোকন (৩২), মো. আরাফ (২০), প্রমিতাল মাজিদ (২৩), মো. রাজিব হোসেন (১৯), মো. রুমেল (১৯), মো. সাইদুর রহমান (২২), মো. সাকিব (২২), মহিউদ্দিন আরিফ (৩৬), মো. রতন হোসেন (৩০), মো. হাসান মিয়া (৪৩), মো. জসিম বেপারী (৩৫), মো. রকি (২১), মো. সুমন (২৫), বিশ্বজিত কর্মকার (২৪), মো. ওয়াসিম মিয়া, মো. শামীম হোসেন মাঝি (৩৪), মো. জামাল (২৬), মো. শান্ত মিয়া (২২), মো. সোহাগ (৩৮), মো. রাজীব (২৮), মো. শরিফুল ইসলাম রঞ্জু (৩৮), সাগর (২৬), মো. হোসেন (২৮), মো. বাবুল মৃধা ও মোছা. মেরিনা বেগম।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ