শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪২ এম
ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়ার আগে বাংলাদেশ আরও দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতির আবেদন করেছে। দেশটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অতিরিক্ত সময় পেলে মসৃণ ও টেকসই উত্তরণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে, পাশাপাশি উত্তরণ-পরবর্তী অর্থনীতিকে আরও সক্ষম ও অভিঘাতসহনশীল করে তোলা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বার্ষিক বৈঠকে বক্তব্য রাখেন। ঢাকায় পাওয়া এক বার্তায় বিষয়টি জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশের এই অনুরোধ বর্তমানে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বিবেচনার পর্যায়ে রয়েছে, এ কারণে এলডিসি গ্রুপের অব্যাহত সমর্থন কামনা করেন হুমায়ুন কবির।
তিনি উল্লেখ করেন, এলডিসি থেকে উত্তরণে সক্ষমতা বজায় রাখা, গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার বাস্তবায়ন এবং মসৃণ উত্তরণ কৌশল কার্যকর করার জন্য অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন।
দোহা কর্মসূচির মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনার প্রেক্ষাপটে তিনি এলডিসিগুলোর জন্য ছয়টি অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন।
এগুলোর মধ্যে রয়েছে সরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) কমে যাওয়ার প্রবণতা রোধ, সহজ শর্তে অর্থায়নের সুযোগ বৃদ্ধি, বাজারে প্রবেশাধিকার উন্নত করা এবং অভিযোজন ও ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় পূর্বানুমেয় জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা।
অবৈধ আর্থিক প্রবাহ মোকাবিলা ও পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধারের জন্য আরও জোরালো আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে শিল্পায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তিতে সহায়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা, ঋণের চাপ, ওডিএ কমে যাওয়া, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতা এবং জলবায়ু সংকট আমাদের সক্ষমতার পরীক্ষা নিচ্ছে।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, এলডিসিগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এখনো ৭ শতাংশের লক্ষ্যমাত্রার নিচে রয়েছে। ২০২৬ সালে প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৫ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ‘থ্রি-আর’ কৌশল- রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন- টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে গ্রহণ করা হয়েছে।
এলডিসি গ্রুপের চেয়ার হিসেবে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য নেপালকে ধন্যবাদ জানান তিনি। সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের পর নেপালের প্রতি সংহতি প্রকাশের পাশাপাশি পরবর্তী চেয়ার হিসেবে গাম্বিয়াকে স্বাগত জানান হুমায়ুন কবির।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ ১০৯ জনকে গ্রেফতার করেছে, যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।
আজ ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গতকাল বুধবার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ ৩৩ জন, আদাবর থানা পুলিশ ২৬ জন, তেজগাঁও থানা পুলিশ ২৩ জন, শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ১৪ জন, হাতিরঝিল থানা পুলিশ ৭ জন এবং তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ ৬ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতদের নামের তালিকায় রয়েছে- ওলিল (২৫), মো. ইউসুফ (৩২), মো. তারেক (১৮), মো. মামুন (৩৩), মো. সোহাগ মোল্লা (২৫), মো. চাষার (৬৭), মো. সজীব মণ্ডল (২৩), মো. লিটন (৩৫), মো. সোহেল হোসেন (২৭), মো. শামিম (২৭), মো. রুসেল রানা (৩১), কামরুল ইসলাম (৩২), আলকামুল রেজভী আহম্মেদ, মো. বাবু (৩২), মো. নূরুল ইসলাম গাজী বাবু (৫৫), মো. ইদ্রিস (৫৫), মো. সিরাজুল ইসলাম খোকন (৩১), মো. শাকিল (২৩), মো. রানা (২৮), লিউল ইসলাম হৃদয় (২৩), মো. শফিকুল ইসলাম লিটন (৩৭), মো. মাসুদ রানা (৩০), মো. সাজু মিয়া (২৫), হ্যাপি বেগম (৩৮), ইসমাইল হোসেন রানা (৩৫), মো. হৃদয় (২২), আ. হাকিম (২৪), মো. ইমরান হোসেন (১৯), মো. কাজল (৩৭), মো. বাপ্পী (১৯), মো. সবুজ (২২), মো. জালাল (৪২), মোহাম্মদ আলী (২৮), হারুন (৪৪), মো. ইমন (২৬), মিজানুর (৩০), রমজান (২০), মো. সোহাগ (২১), রাকিবুল হাসান নাছিফ (২১), মো. সাগর (২৩), মো. আল আমিন (১৯), মো. শাকিল হোসেন (২২), মো. সাদ্দাম হোসেন (২৪), শাহাদত (২৩), মো. রুস্তম বয়াতী (২৪), মো. হৃদয় (২৩), সাদিকুল ইসলাম (৩৩), মো. সুমন (২৫), মো. সোহেল রানা (২৯), মো. রুবেল (২৮), মো. রিফাত (১৯), মো. শফিকুল হোসেন (২৩), মো. মেহেদী হাসান মিজান (২৪), মো. ইয়াছিন মান্নান (২৬), মো. রনি আলম (৩৪), মো. রাসেল (২৪), মো. শাহিন (২০), আ. ছালাম খান, মো. আনিল (২৯), মায়া বেগম (৪৫), রতন হাওলাদার, মো. ফিরোজ আহমেদ, মো. শাহিন (২০), মো. রাসেল (২৬), মো. আ. রাজ্জাক (৩০), মো. নাজমুল মৃধা (২২), মো. ওমর (২৫), মো. বশির রাকিব (২৫), মো. শামীম (২৪), মো. রাব্বি শামীম (২১), রানা (২৬), শামীম ভূঁইয়া (৩৫), মো. বাদশা (১৮), মো. আসলাম (৪০), মো. বাপ্পী হাওলাদার (২১), মো. নিরব হোসেন (২০), রতন খান (২৫), মো. আকতার হোসেন (৩২), নাদিম (২৫), সালমান রহমান ওরফে রিমন (৩৮), কে. এইচ. এম জাবীর রেজা শুভ (৪৫), মো. রাজু (৩০), মো. মেহেদী হাসান, মো. আমির হোসেন (৩৬), মো. খোকন (৩২), মো. আরাফ (২০), প্রমিতাল মাজিদ (২৩), মো. রাজিব হোসেন (১৯), মো. রুমেল (১৯), মো. সাইদুর রহমান (২২), মো. সাকিব (২২), মহিউদ্দিন আরিফ (৩৬), মো. রতন হোসেন (৩০), মো. হাসান মিয়া (৪৩), মো. জসিম বেপারী (৩৫), মো. রকি (২১), মো. সুমন (২৫), বিশ্বজিত কর্মকার (২৪), মো. ওয়াসিম মিয়া, মো. শামীম হোসেন মাঝি (৩৪), মো. জামাল (২৬), মো. শান্ত মিয়া (২২), মো. সোহাগ (৩৮), মো. রাজীব (২৮), মো. শরিফুল ইসলাম রঞ্জু (৩৮), সাগর (২৬), মো. হোসেন (২৮), মো. বাবুল মৃধা ও মোছা. মেরিনা বেগম।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের জকিগঞ্জ থানার ডাকাতি মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল আহাদকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে এসআরবি -৯।
সোমবার, সিলেটের শাহপরান (রহ.) থানাধীন নয়াগাঁও চৌধুরীপাড়া পরগনা বাজার এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৯-এর একটি অভিযানে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আব্দুল আহাদ জকিগঞ্জ থানার চাঁনপুর এলাকার বাসিন্দা এবং তিনি আব্দুল মানিকের পুত্র।
এসআরবি জানায়, গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে সিলেট জেলার জকিগঞ্জ থানায় মামলা নং-০৬, জিআর-০৬/১৩, যা ১৭ জানুয়ারি ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে দণ্ডবিধির ৩৯৫ ধারায় দায়ের করা হয়। আদালত ওই মামলায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। তিনি দীর্ঘ সময় ধরে পলাতক ছিলেন।
গ্রেপ্তার আসামিকে সিলেট জেলার জকিগঞ্জ থানায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।
এসআরবি জানিয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সংঘবদ্ধ ও গুরুতর অপরাধ দমন, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শ্রীমঙ্গলে উপজেলা পর্যায়ে আন্তঃক্লাব বিতর্ক, চিত্রাঙ্কন ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে কিশোর-কিশোরী ও যুবদের নেতৃত্ব, আত্মবিশ্বাস, সৃজনশীলতা ও যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) মৌলভীবাজার সড়কের গ্র্যান্ড তাজ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি সেন্টারে ঝঅণ-খঊঅউ প্রকল্পের আওতায় এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করে ঊউটঈঙ ইধহমষধফবংয, যা ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট এফেয়ার্স (আইডিয়া) আয়োজিত।
প্রতিযোগিতায় উপজেলার ৮টি অফড়ষবংপবহঃ ্ ণড়ঁঃয ঈষঁন-এর বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জনকারী কিশোর-কিশোরী ও যুবরা অংশগ্রহণ করেন। তারা বিতর্ক, বক্তৃতা, চিত্রাঙ্কন, গল্প বলা, সংগীত ও নৃত্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। আইডিয়ার প্রকল্প সমন্বয়কারী মো. মানুন ইসলাম অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইডিয়ার প্রজেক্ট অফিসার সুমাইয়া খন্দকার এবং মীর মো. তৌহিদুর রহমান।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, কিশোর-কিশোরী ও যুবদের মধ্যে যুক্তিভিত্তিক চিন্তা, জনসম্মুখে বক্তব্য প্রদান, সৃজনশীলতা, দলগত কাজ ও সামাজিক বিষয়ে অংশগ্রহণের দক্ষতা বাড়ানোই এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি, বিভিন্ন ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে পরিচিতি, পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিযোগিতায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, কিশোর-কিশোরীদের অধিকার ও দায়িত্ব, মেয়েদের শিক্ষা ও নেতৃত্ব, নিরাপদ কমিউনিটি, জলবায়ু পরিবর্তন, মাদকমুক্ত সমাজসহ বিভিন্ন সামাজিক সচেতনতামূলক বিষয় গুরুত্ব পায়। শ্রীমঙ্গলের ৮টি চা-বাগানের ১২ থেকে ২৪ বছর বয়সী ৪৬ জন প্রতিযোগী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করা হয়। পরে অংশগ্রহণকারী ও আয়োজকদের নিয়ে গ্রুপ ছবি তোলা হয় এবং মধ্যাহৃভোজে অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাতের সময় তখন ১০টা ৩৫ মিনিট। শহরের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য বের হয়েছেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিয়াউর রহমান। তার সঙ্গে ছিলেন শ্রীমঙ্গল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্লাবন পাল এবং যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা অসীম কুমার কর।
শহর পরিদর্শনের সময় তারা ভিক্টোরিয়া স্কুল মাঠে যান। মাঠের গ্যালারির সামনে ও পিছনের অন্ধকারে কয়েকজন কিশোর ও তরুণকে বসে থাকতে দেখা যায়। তাদের মধ্যে কেউ কেউ মোবাইল ফোন ব্যবহার করছিল। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি দেখে কিছু কিশোরের মধ্যে অস্বস্তি দেখা দেয়, আবার কেউ কেউ সেখান থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করে।
গভীর রাতে অন্ধকার জায়গায় বসে থাকার কারণ জানতে চাইলে সন্তোষজনক কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। কিছু কিশোর প্রতিশ্রুতি দেয় যে ভবিষ্যতে তারা আর এভাবে রাতের বেলায় অন্ধকারে বসে থাকবে না। একজন জানায়, সে ওই স্থানে আজই প্রথমবার এসেছে এবং পরে নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করে। তবে তাদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ইউএনও ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাদের বুঝিয়ে বলেন, গভীর রাতে অযথা বাইরে না থেকে পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে। পরে তাদের নিজ নিজ বাসায় ফিরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয় এবং সেখান থেকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের শহরের রাতের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শনের সময় ভিক্টোরিয়া স্কুল মাঠে এ দৃশ্য দেখা যায়। শহরের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম দেখতে গিয়ে কিশোর-তরুণদের এমন অবস্থায় পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় অন্ধকার ও নির্জন স্থানে কিশোরদের অবস্থান তাদের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে অভিভাবকদের আরও সচেতন হওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, কিশোর-তরুণদের ভুল পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে আইন প্রয়োগই যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন সচেতনতা, অভিভাবকের নজরদারি এবং প্রশাসনের মানবিক ভূমিকা। অন্ধকারে নয়, আলোর পথেই এগিয়ে যাক আগামী প্রজন্ম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ