ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রক্ষক যদি ভক্ষক হয়ে যায়, বাস্তবে কোনো সুফল দেখা যায় না: চরমোনাই পীর


রক্ষক যদি ভক্ষক হয়ে যায়, বাস্তবে কোনো সুফল দেখা যায় না: চরমোনাই পীর

রক্ষক যদি ভক্ষক হয়ে যায়, তখন আলোচনা টেবিলের সীমাবদ্ধ থেকে যায়, বাস্তবে তার কোনো সুফল দেখা যায় না, এবং ভবিষ্যতে আশা করা কঠিন বলেও মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম।

সোমবার (৮ জুন) সকালে, রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের আগামী অর্থবছরের বাজেট ও জনগণের প্রত্যাশা’ বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এই মন্তব্যটি করেন।

চরমোনাই পীর বলেন, দেশের জনগণের জন্য যেই বাজেট তৈরি করা হয়ে থাকে, সেটি যদি জনগণের দোরগড়ায় পৌঁছানো না হয়, তবে প্রকৃত সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। স্বাধীনতা উত্তর যে সরকারকে দেখা হয়েছে এবং বর্তমান সরকারকে যে দেখছে, তা হচ্ছে ব্যতিক্রম, কারণ বর্তমান সরকার এসেছে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। ইতিহাস বলছে, বৈষম্য দূরীকরণ ও হকদারের পাওনা নিশ্চিত করতে যেই অভ্যুত্থান, সেটি কখনো ভুলবেন না। যারা দেশ নিয়ে ভাবেন, যে নীতি আদর্শ ও আকাঙ্ক্ষা আপনারা ধারণ করেছিলেন, সেটিকে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হননি।

আরও পড়ুন: নাহিদ ইসলাম: সরকারের ভারত গোপন আঁতাতের অভিযোগ

তিনি আরো বলেন, শরিয়াহ নীতি আদর্শের প্রচলন না হলে আলোচনা করবো কিন্তু এর ফল পাওয়ার আশা করবো না। যারা দেশের পরিচালনায় আছেন, তারা আমানতদার, কিন্তু আপনারা রক্ষক ভক্ষক সেজে দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ান করেছেন।

সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, যে বাজেট উপস্থাপন করা হচ্ছে, ২৬-২৭ অর্থবছরে বাজেট ঘোষণা করার ফলে প্রতিটি জনগণের মাথায় প্রায় ১৪০০০০ টাকার মতো ঋণের বোঝা বিদেশের কাছে থাকবে, এটি হতে পারে না। এটি পরিবর্তিত হতে হবে। তাই সবার একসাথে হয়ে জনগণের চাওয়া-পাওয়ার লক্ষ্যে অগ্রসর হতে হবে।

গাজী আতাউর রহমানের পরিচালনায় গোলটেবিল বৈঠকে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, চর্চার সম্পাদক সোহরাব হাসান, বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ, ইসলামী আন্দোলনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা গোলাম মসীহ, জ্যেষ্ঠ প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মুসাদ্দিক বিল্লাহ আল মাদানী, প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন: বিএনপি সরকার শেখ হাসিনার তিন সংসদকে অবৈধ ঘোষণা করেনি : নাহিদ ইসলাম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
সংসদে অভিযোগ

বিদেশে ৯৪ শতাংশ নারী শ্রমিক যৌন নির্যাতনের শিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ পি.এম


বিদেশে ৯৪ শতাংশ নারী শ্রমিক যৌন নির্যাতনের শিকার

জাতীয় সংসদে অভিযোগ উঠে যে, বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি নারী শ্রমিকদের একটি বৃহৎ অংশ যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। এই বিষয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সংসদ সদস্যরা মহিলা কর্মীদের নিরাপত্তা ও অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর এই বিষয়ে জানিয়েছেন, প্রবাসীদের অভিযোগ ও সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৬১৩৫ নম্বরে টোল-ফ্রি হটলাইন ব্যবহারের জন্য চালু করা হয়েছে। এছাড়া, বিভিন্ন মধ্যপ্রাচ্যের দেশে সেফ হোম পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে, এজেন্সির সহযোগিতা ছাড়া সরাসরি কর্মী প্রেরণের জন্য ‘অ্যাডভান্স পুল’ গঠনের পূর্ব পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনকালে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য তুলে ধরেন।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য মারদিয়া মমতাজ সম্পূরক প্রশ্নের সুযোগ নিয়ে জানান, ২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিন লাখেরও বেশি নারী শ্রমিক বিদেশে গেছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই নিরাপত্তাহীনতা, বেতন বঞ্চনা এবং চুক্তি লঙ্ঘনের শিকার হচ্ছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিশেষভাবে প্রায় ৯৪ শতাংশ নারী শ্রমিক যৌন নির্যাতনের শিকার হয়।

নারী কর্মীদের জন্য ২৪ ঘণ্টার হটলাইন, সেফ হোম, বীমা সুবিধা এবং নিয়োগকর্তা যাচাইয়ের মতো সুরক্ষা ব্যবস্থাগুলি আরও জোরদার করা হবে কিনা, এটি জানতে চান ওই সংসদ সদস্য।

প্রতিমন্ত্রী এ বিষয়ে জবাবে বলেন, বিদেশে অবস্থানকারী নারী শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশে ১৬১৩৫ নম্বরে একটি টোল-ফ্রি হটলাইন পরিচালিত হচ্ছে যেখানে প্রবাসীরা যেকোনো অভিযোগ কিংবা সমস্যা সম্পর্কে জানানোর সুযোগ পাচ্ছেন। অভিযোগ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোও নিয়মিত সহায়তা দিয়ে থাকে।

তিনি বলেন, অতীতে বহু দেশের সাথে শ্রমবিষয়ক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) না থাকলেও, এখন নতুন চুক্তি হচ্ছে। এরফলে শ্রমিকদের অধিকার, সামাজিক সুরক্ষা এবং কর্মক্ষেত্রে হয়রানির ঘটনায় প্রতিকার চাওয়া সহজ হয়েছে।

সেফ হোম প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, সৌদি আরবে বাংলাদেশের দুটি সেফ হোম রয়েছে। এছাড়াও, ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য কয়েকটি দেশে সেফ হোম পরিচালনা করা হচ্ছে। নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরে আসা নারী কর্মীর সংখ্যা আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। তিনি বলেন, আমরা এখন নারী কর্মীদের বিদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে অনেক বেশি সতর্ক। কর্মপরিবেশ, সামাজিক সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মানদণ্ড নিশ্চিত হওয়ার পরেই তাদের পাঠানো হচ্ছে।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়ে নূরুল হক নূরু বলেন, আমরা একটি অ্যাডভান্স পুল গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করছি। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশের নিয়োগকর্তারা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরাসরি কর্মী নিতে পারবেন। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের ভূমিকা কমে যাবে এবং মন্ত্রণালয়ের সরাসরি তদারকি বাড়বে।

এদিকে, বিতর্কিত প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে বিরোধী দলের আরেক সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ প্রবাসী শ্রমিকদের দুর্ভোগ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি মন্তব্য করেন, দেশের অর্থনীতিতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখা এই মানুষগুলো বিদেশে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের হয়রানি ও প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সফরের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, অনেক শ্রমিক তাদের সবকিছু হারিয়ে দেশে ফিরছেন। প্রবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চান তিনি।

প্রতিমন্ত্রী নূরুল হক নূরু এই বিষয়ে জানান, বিদেশে বাংলাদেশি শ্রমিকদের সুরক্ষা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সরকার দূতাবাস কেন্দ্রীয় সেবা জোরদার করেছে। পাশাপাশি আইনি সহায়তা, অভিযোগ নিষ্পত্তি এবং নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করার জন্য নানা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি সবচেয়ে বেশি, দায়ী আগের সরকার’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ পি.এম


‘ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি সবচেয়ে বেশি, দায়ী আগের সরকার’

গত পাঁচ বছরে দেশে বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তার মধ্যে ভারতের সঙ্গে সর্বাধিক ঘাটতি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। এছাড়া, তিনি আগের সরকারের ভুল নীতির জন্য এই বাণিজ্য ঘাটতির দায়ভার নিয়েছেন।

সোমবার (৮ জুন) জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সরকারি দলের সদস্য জসীম উদ্দিন আহমেদের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব তথ্য উল্লেখ করেন।

খন্দকার আবদুল মুক্তাদির মন্তব্য করেছেন যে, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। এর সঙ্গে সার্কভূক্ত দেশসমূহ আফগানিস্তান, ভুটান ও পাকিস্তানের সঙ্গেও বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, আগের সরকারের ভুল নীতির কারণে বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন যে, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে মূল্যবৃদ্ধি, ডলার সংকট এবং আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতিও এই ঘাটতির কারণে ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলেছে।

তিনি উল্লেখ করেন যে, জ্বালানি, খাদ্য এবং শিল্প কাঁচামাল আমদানির উচ্চ ব্যয় এবং রপ্তানির তুলনায় ধীর প্রবৃদ্ধি এসব কারণে বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধির প্রধান কারণ।

সংসদে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১৬ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার, ২০২১-২২ অর্থবছরে ২৮ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২৭ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ২১ দশমিক ৫০ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২৪ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলার।

একই সময়ে, দেশের রপ্তানি আয় ও আমদানির চিত্রও তুলে ধরেন মন্ত্রী। সে অনুযায়ী, গত ৫ বছরে রপ্তানি আয় ছিল যথাক্রমে ৪৫ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার, ৬০ দশমিক ৯৭ বিলিয়ন ডলার, ৫৩ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলার, ৫১ দশমিক ১১ বিলিয়ন ডলার এবং ৫৫ দশমিক ১৯ বিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, আমদানি ব্যয় ছিল যথাক্রমে ৬১ দশমিক ৬০ বিলিয়ন ডলার, ৮৯ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার, ৭৮ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার, ৭২ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার এবং ৭৯ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলার।

বর্তমান সরকার বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে এবং রপ্তানি বৃদ্ধি করতে ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ ২০২টি দেশে পণ্য রপ্তানি করেছে। তবে মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৪ শতাংশই তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত থেকে এসেছে। এই নির্ভরতা কমাতে সরকার অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতে প্রণোদনা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়াও, চামড়া, পাট, কৃষিপণ্য, ওষুধ, আইসিটি, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, হিমায়িত খাদ্য ও মাছ এবং প্লাস্টিক খাতে রপ্তানিকারকদের ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে বন্ড সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, রপ্তানি বৈচিত্র্য আনতে ‘ওয়ান ডিস্ট্রিক্ট ওয়ান প্রোডাক্ট (ওডিওপি)’ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যার আওতায় ৬৪ জেলার মধ্যে ১৪টি পণ্য চিহ্নিত করা হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, মালয়েশিয়া, তুরস্ক ও নিউজিল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে এফটিএ সইয়ের তৃতীয় দফা আলোচনা ২০২৬ সালের আগস্টে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হলেন জ্যোৎস্না খাতুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৬ পি.এম


ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হলেন জ্যোৎস্না খাতুন

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬- এর চূড়ান্ত মূল্যায়নে ঢাকা বিভাগের শ্রেষ্ঠ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন জ্যোৎস্না খাতুন। ঢাকা বিভাগীয় বাছাই কমিটি প্রকাশিত অফিশিয়াল ফলাফলে তার এই অনন্য শ্রেষ্ঠত্বের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি গোপালগঞ্জ জেলার ইতিহাসে প্রথম কর্মকর্তা, যিনি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হিসেবে এই গৌরবময় ও শীর্ষ সম্মান অর্জন করলেন।

গত ৩ জুন প্রাথমিক শিক্ষা পদক বিভাগীয় বাছাই কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় উপপরিচালক মো. আবদুল আজিজ স্বাক্ষরিত ফলাফলে এই তথ্য জানানো হয়।

জেলায় শিক্ষার আধুনিকায়ন, ঝরে পড়া রোধ এবং অনন্য দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই শ্রেষ্ঠত্বের মুকুটে ভূষিত করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো অর্জিত এই বিভাগীয় শ্রেষ্ঠত্বে বর্তমানে গোপালগঞ্জের শিক্ষাঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশংসার জোয়ার বইছে।

বিভাগীয় এই অনন্য অর্জনে অনুভূতি ও অভিব্যক্তি প্রকাশ করে শ্রেষ্ঠ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জ্যোৎস্না খাতুন বলেন, ‘যেকোনো রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি কাজের গতি, সততা ও দায়িত্ববোধকে অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয়। গোপালগঞ্জ জেলায় যোগদানের পর থেকেই আমার প্রধান লক্ষ্য ছিল শিশুদের জন্য একটি আনন্দময় ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা। এই ঐতিহাসিক গৌরব শুধু আমার একার নয়; এটি জেলার সব শিক্ষা কর্মকর্তা, শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মচারী ও অভিভাবকদের যৌথ প্রচেষ্টার ফসল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আজীবন পরম নিষ্ঠার সঙ্গে গোপালগঞ্জ জেলাসহ দেশের প্রাথমিক শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়ন এবং একটি স্মার্ট ও আলোকিত প্রজন্ম গড়তে কাজ করে যেতে চাই।’

জ্যোৎস্না খাতুন ২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হিসেবে গোপালগঞ্জে যোগদান করেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি জেলার প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের সঠিক ব্যবহার এবং শিক্ষকদের পেশাগত মান বৃদ্ধিতে বৈপ্লবিক ভূমিকা রাখতে শুরু করেন।

১৯৯৭ সালের ১২ এপ্রিল উপজেলা শিক্ষা অফিসার হিসেবে তিনি তার চাকরিজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ ২৯ বছরের পেশাদারিত্ব এবং মাঠপর্যায়ের কাজের সুগভীর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি আজ ঢাকা বিভাগের মধ্যে শীর্ষস্থান অধিকার করে গোপালগঞ্জবাসীর জন্য এই অনন্য গৌরব বয়ে এনেছেন।

জ্যোৎস্না খাতুনের যুগান্তকারী এ সাফল্যে জেলা শিক্ষা অফিস, বিভিন্ন উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা ও শিক্ষক সমাজসহ গোপালগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত হয়েছেন। জানিয়েছেন শুভেচ্ছা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে বিশেষ অভিযানে ১১ জন গ্রেফতার, উদ্ধার ইয়াবা ও গাঁজা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৬ পি.এম


বরিশালে বিশেষ অভিযানে ১১ জন গ্রেফতার, উদ্ধার ইয়াবা ও গাঁজা

বরিশাল মহানগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। গত ২৪ ঘণ্টায় মহানগরীর চারটি থানা ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) পৃথক অভিযানে মাদক উদ্ধারসহ মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বিএমপি মিডিয়া সেল সূত্রে জানা যায়, ৭ জুন ২০২৬ তারিখে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে নগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১৯ পিস কথিত ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদকদ্রব্যসহ দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এছাড়া গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত দুইজন আসামিকে আটক করা হয়। একই সঙ্গে নিয়মিত ও পূর্বের বিভিন্ন মামলায় আরও সাতজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সব মিলিয়ে অভিযানে মোট ১১ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানাগুলোতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিএমপি জানিয়েছে, নগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%