ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জয়পুরহাটে জেলা পরিষদের কার্যক্রম পর্যালোচনা সভা


জয়পুরহাটে জেলা পরিষদের কার্যক্রম পর্যালোচনা সভা

জয়পুরহাটে জেলা পরিষদের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা সংক্রান্ত মাসিক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভাটি সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

 

সভায় সভাপতিত্ব করেছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা। মূল সমন্বয় ও পরিচালনা করেছেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা সংক্রান্ত কমিটির সদস্য-সচিব সরকার মোহাম্মদ রায়হান।

আরও পড়ুন: পিরোজপুরের কৃষকরা ভাসমান কৃষির মাধ্যমে বদলে দিচ্ছেন দৃশ্যপট

 

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম তালুকদার, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী উম্মে রোমান খান জনি, জয়পুরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাশপিয়া তাসরিন, ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা চৌধুরী, কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আরা, আক্কেলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক উর রহমান এবং জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মুশফিকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।

 

সভায় মূলত পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বিশেষ বরাদ্দ, জেলা পরিষদের জমি লীজ সংক্রান্ত বিষয়, শহরের জিরো পয়েন্ট পাঁচুর মোড়ে মার্কেট নির্মাণ ও উন্নয়ন, এবং জেলা পরিষদের অন্যান্য মার্কেটের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ। সভায় বক্তারা জেলা পরিষদের সম্পদসমূহের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং জেলার উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলো দ্রুত ও মানসম্মতভাবে সম্পন্ন করার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন: সিলেটে ৯ মাসে সড়কে ঝরেছে ২৮৮ প্রাণ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিমগাছ নিয়ে সোনামণিদের গল্প শোনালেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২৪ পি.এম


নিমগাছ নিয়ে সোনামণিদের গল্প শোনালেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছোট সোনামণিদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে লাখ লাখ নিমগাছ কিভাবে সবুজ ছায়া প্রদান করছে, সেই ঐতিহাসিক সত্য ঘটনা গল্প আকারে শোনান। সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে সারা দেশে একযোগে ২৯ হাজারেরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি নিজে একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন এবং উপস্থিত শিশু-কিশোরদের উদ্দেশ্যে গল্পটি বলেন।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে আমরা এখানে একটি নিমগাছ রোপণ করলাম। এই নিমগাছ নিয়ে তোমাদের একটি সত্যিকারের ঘটনা বলি। তোমরা যারা ছোট বন্ধুরা আছো, নিশ্চয়ই আরাফাতের ময়দানের নাম শুনেছ। এখন যদি তোমরা আরাফাতের ময়দানের ছবি দেখো, সেখানে অনেক গাছ লাগানো দেখতে পাবে।

সেই গাছগুলো আসলে সব নিমগাছ। প্রধানমন্ত্রী তিনটি বিষয় উল্লেখ করেন। তিনি জানান, আজ থেকে প্রায় ৫০ বছর আগে সেখানে কোনো গাছ ছিল না। ১৯৭৮ সালের দিকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ওমরাহ পালন করতে গিয়ে আরাফাতের ময়দান দেখে তৎকালীন সৌদি বাদশাহকে বলেছিলেন, এটি এত ফাঁকা কেন? এখানে গাছ লাগালে হজ করতে আসা হাজিরা গরমে গাছের নিচে সুন্দরভাবে বসতে পারতেন।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, তখন সৌদি বাদশাহ বলেছেন, মরুভূমিতে তো কোনো গাছ হবে না, আমরা কী গাছ লাগাব? এরপর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের সাথে আলোচনা করে বের করেন যে সেখানে নিমগাছ বেঁচে থাকতে সক্ষম হবে।

পরে তিনি বাংলাদেশ থেকে প্রায় এক লাখ নিমগাছের চারা সৌদি আরবে পাঠিয়েছিলেন। সৌদি সরকার পরবর্তীতে সেই চারা থেকে কলম করে আজ আরাফাতের ময়দানে লাখ লাখ নিমগাছ তৈরি করেছে, এই বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন আরাফাতের ময়দানে গেলে যে গাছগুলো দেখা যায়, সেগুলো সবই বাংলাদেশের নিমগাছ। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, সৌদি আরবের মানুষ কিন্তু সেগুলোকে নাম দেয়নি নিমগাছ। তারা সেটিকে ‘জিয়া ট্রি’ নামে চেনে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুন্সীগঞ্জ পৌর শিশু পার্কের কাজ শেষের নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


মুন্সীগঞ্জ পৌর শিশু পার্কের কাজ শেষের নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক

মুন্সীগঞ্জ পৌর শিশু পার্কের নির্মাণাধীন কাজ পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী।

সোমবার (২৯ জুন) পরিদর্শনের সময়ে তার সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরীফ উল্যাহ, মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার কর্মকর্তা, প্রকৌশলী, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক নির্মাণাধীন শিশু পার্কের সার্বিক অগ্রগতি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং চলমান কাজের গুণগত মান নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি প্রকল্পের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে নির্মাণকাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের বিলম্ব না হওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দেন।

এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রকৌশলী ও প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ব্যাপক মতবিনিময় করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে টেকসই ও গুণগত নির্মাণ নিশ্চিত করে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশনাও তিনি দেন। একইসঙ্গে তিনি নির্মাণকাজের প্রতিটি ধাপে নিয়মিত তদারকি ও মান নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণে হোমনায় শুরু হলো টিকাদান কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২৫ পি.এম


জলাতঙ্ক নিয়ন্ত্রণে হোমনায় শুরু হলো টিকাদান কর্মসূচি

হোমনা পৌরসভায় কুমিল্লার এই মাসের শুরুতেই পাগলা কুকুরের কামড়ে দুই দিনে অন্তত ৩০ জন আহত হওয়ার ঘটনার পর, আজ সোমবার থেকে ব্যাপক টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। তখন পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডে কুকুরের আক্রমণে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল এবং হাসপাতালে ভ্যাকসিন সংকটের কারণে আক্রান্তদের বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হয়েছিল। এই জনদুর্ভোগ ব্যাপারে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের বিশেষ নজরে কাড়ে। তার প্রেক্ষিতে আজ থেকে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে কুকুরের টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এই বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে। উপজেলার সুরক্ষায় প্রায় ৮০০ কুকুরকে এই ভ্যাকসিনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। কার্যক্রমটি দ্রুত সম্পন্ন করতে মাঠে নেমেছে দুইটি বিশেষ টিম, প্রতিটি দলে ২ জন ডগ ক্যাচার ও ১ জন ভ্যাকসিনেটর কাজ করছেন। প্রশাসনের নেওয়া এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় আতঙ্কিত বাসিন্দারা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, মাসের শুরুর ঘটনার পর জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শফিকুল আলম জানান, দক্ষ ডগ ক্যাচার ও ভ্যাকসিনেটরদের নিয়ে দুইটি টিম মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছে। সুপরিকল্পিতভাবে এই টিকাদান সম্পন্ন করে কুকুরের মাধ্যমে জলাতঙ্ক ছড়ানোর ঝুঁকি পুরোপুরি দূর করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মা-তিন মেয়ে হত্যা, তদন্তে পুলিশ, কাটেনি রহস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:২৭ পি.এম


মা-তিন মেয়ে হত্যা, তদন্তে পুলিশ, কাটেনি রহস্য

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বাসায় ঢুকে মা ও তিন মেয়েকে নৃশংসভাবে হত্যা করার ঘটনায় একাধিক দিন অতিক্রান্ত হলেও পুলিশ হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো উদ্ঘাটন করতে পারছে না। এই হত্যাকাণ্ডের পর স্থানীয় জনগণের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা-গুঞ্জন পদ্ধতিগতভাবে চলমান রয়েছে, তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো একটি বিষয়ে নিশ্চিত হতে চাচ্ছে না। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে বলে জানায় পুলিশ।

সোমবার সন্ধ্যায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনো সুস্পষ্ট নয়। বিভিন্ন বিক্ষিপ্তভাবে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। ঘটনার পর চট্টগ্রাম বিভাগের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান ও জেলা পুলিশ সুপার আবু তারেক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। রায়পুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল মান্নানকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিভিন্ন দিক যাচাই করে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলমান আছে।

এদিকে শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া। তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িক কোনও বিষয় নয়। তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের দাঙ্গা বা সম্প্রীতি বিনষ্টের সুযোগ দেওয়া হবে না। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যদি অন্য কেউ জড়িত থাকে, তবে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

শুক্রবার নিহত পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য জুনাইদ ইসলাম সিফাত অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। একই দিন বিকেলে রায়পুরে প্রথম জানাজার পর কুমিল্লার হোমনা উপজেলার লটিয়া গ্রামে দ্বিতীয় জানাজার শেষে রাতে শাহিনুর বেগম ও তার তিন মেয়ের মরদেহ দাফন করা হয়। অন্যদিকে গণপিটুনিতে নিহত অন্তর মজুমদারের মৃত্যুর ঘটনায়ও অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। স্বজনরা মরদেহ নিতে রাজি না হলে পরে দূর সম্পর্কের এক চাচাতো ভাইয়ের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করে পুলিশ।

ঘটনার পরে স্থানীয়দের মধ্যে বিভিন্ন প্রশ্ন প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। একজন ব্যক্তির পক্ষে দিনের বেলায় চারজনকে হত্যা করা সম্ভব কি না, আটক হওয়ার পর অন্তরের নিজেকে নির্দোষ দাবি, ঘটনার সময় অন্য কাউকে জড়িত থাকার প্রশ্ন ওঠেছে, অথবা হত্যার পেছনে লুটপাট বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না—এসব বিষয় তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে।

নিহত শাহিনুর বেগমের ভাই ছানা উল্যা দাবি করেন, বোনের স্বর্ণালংকার লুটের উদ্দেশ্যেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। কিন্তু অন্য কেউ জড়িত কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। অন্য দিকে, নিহত পরিবারের একমাত্র জীবিত সদস্য জুনাইদ ইসলাম সিফাত বলেন, ঘটনাটি টাকা বা স্বর্ণালংকার লুটের উদ্দেশ্যে হতে পারে। কারণ তাদের বাড়ির ভাড়ার টাকা মা’র কাছে জমা হতো। তিনি আরও জানান, কয়েক মাস আগে ভবন ছেড়ে যাওয়ার পর অন্তরকে আর সেখানে আসতে দেখেননি।

স্থানীয় ব্যবসায়ী ও রায়পুর বণিক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম মুরাদ বলেন, একজন মানুষের পক্ষে চারজনকে হত্যা করতে পারবে কি না, এমন বিষয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে একটি ধোঁয়াশা রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না তা তদন্তে বেরিয়ে আসা উচিত। রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তবে যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো বিষয়ে মন্তব্য করা সম্ভব নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%