বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৫:২৬ পি.এম
চট্টগ্রাম, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যমান অবকাঠামো ও সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, বন্ধ ও উৎপাদন কার্যক্রমে পিছিয়ে থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের বস্ত্র ও পাটশিল্পের দীর্ঘ ঐতিহ্য এবং বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হলে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামো, জনবল এবং উৎপাদন সক্ষমতার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা আবশ্যক। শিল্প খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করতে হবে।
আজ বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের আমিন জুট মিলস ও এশিয়াটিক কটন মিলস পরিদর্শনকালে তিনি উক্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক কার্যক্রম, বিদ্যমান অবকাঠামো, উৎপাদন সক্ষমতা এবং উন্নয়নের সম্ভাবনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি চট্টগ্রামের নো ভিউ গেস্ট হাউসও পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মিল দু’টির বর্তমান অবস্থা, কার্যক্রম এবং বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন। এ সময় বস্ত্র ও পাট খাতের উন্নয়ন, শিল্পসম্পদের কার্যকর ব্যবহার এবং উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
তিনি বলেন, পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী অর্থকরী ফসল এবং পরিবেশবান্ধব প্রাকৃতিক তন্তু হিসেবে বিশ্ববাজারে এর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। অন্যদিকে, বস্ত্র ও টেক্সটাইল খাত দেশের শিল্পায়ন, রপ্তানি আয় এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এ দুটি খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে দেশীয় শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানো এবং প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকার উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলা প্রয়োজন।
শরীফুল আলম আরো বলেন, শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বিদ্যমান সম্পদের কার্যকর ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর বাস্তব অবস্থা পর্যালোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে শিল্প খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় শিল্পসম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা, উৎপাদনমুখী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট করপোরেশন ও কর্মকর্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন (বিজেএমসি)-এর চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কবির উদ্দিন সিকদার, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশন (বিটিএমসি)-এর চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুর, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : চলতি বছরে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ২ হাজার ৯৮৩ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করেছেন, যা জেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার, দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. বোরহান উদ্দিনের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বাসসকে এর সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি আরও জানান, রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার এসএসসি পরীক্ষায় বৃত্তি প্রাপ্তদের তালিকা আজ বৃহস্পতিবার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট-এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সরকারি নিয়ম ও নীতিমালা অনুযায়ী শর্ত-সাপেক্ষে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে তালিকাভুক্ত নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২ হাজার ৯৮৩ জনকে বৃত্তি প্রদান করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৮৫ জন মেধাবৃত্তি এবং ২ হাজার ৫৯৮ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছেন।
বৃত্তি প্রাপ্তরা বোর্ডের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী তাদের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বৃত্তি লাভ করবেন।
দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ইলিয়াস আহমেদ বাসসকে জানিয়েছেন, এসএসসি পরীক্ষায় বৃত্তি প্রাপ্তদের তালিকা তাদের মেধার ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে পড়াশোনায় আরও উৎসাহিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার জন্য একটি অনন্য গৌরব ও আনন্দের মুহূর্ত নিয়ে এসেছেন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন আল্লামা যাইনুল আবেদিন (দামাত বারাকাতুহুম)। তিনি পবিত্র মক্কার কাবা শরিফের গিলাফের (কিসওয়া) একটি অংশ হাদিয়া হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
আল্লামা যাইনুল আবেদিন মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের পুরাতন চর চাষী গ্রামের বাসিন্দা। পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফের একটি অংশ হাদিয়া হিসেবে পাওয়ার এই ঘটনা গজারিয়া এবং পুরো মুন্সিগঞ্জ জেলায় আনন্দের আবহ সৃষ্টি করেছে।
ইসলাম ধর্মের সবচেয়ে পবিত্র স্থান পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফের অংশ হাদিয়া হিসেবে পাওয়াকে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মানুষ গজারিয়ার জন্য অত্যন্ত বরকতময় ও গর্বের বিষয় হিসেবে দেখছেন।
এদিকে, আল্লামা যাইনুল আবেদিনের এই অর্জনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় সুধীসমাজে অভিনন্দন ও শুভকামনা জানানো হচ্ছে। এলাকাবাসী তাঁর এই সম্মাননা প্রাপ্তিতে আনন্দ প্রকাশের পাশাপাশি তাঁর দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করেছেন।
বিশিষ্ট এই আলেমে দ্বীনের এমন প্রাপ্তিতে গজারিয়ার মানুষের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি ছড়িয়ে পড়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের আসামে এক হাজার ১০০ মুসলিম পরিবারকে উচ্ছেদ করা এবং বহু মসজিদ গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে খেলাফত মজলিস। সংগঠনটি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়।
গত বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পুরানা পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে এই নিন্দা জানানো হয়।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ এবং পরিচালনা করেন মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের। নেতারা বলেন, বনভূমি দখলমুক্ত করার নামে আসামের বিজেপিদলীয় মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বাংলাভাষী মুসলমানদের ঘরবাড়ি থেকে বেছে বেছে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁদের ইবাদতের স্থান মসজিদসমূহও ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। যাদের ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, তারা ভারতের স্বাধীনতার পূর্ব থেকেই সেখানে বসবাস করে আসছেন।
এছাড়া, যেসব মসজিদ ভাঙা হয়েছে, তার মধ্যে বেশ কিছু মসজিদ অর্ধশতাব্দী আগে নির্মিত। এমনকি দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের কাছে প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো একটি মসজিদ বন্ধ করার অপচেষ্টাও চলছে। নেতারা অভিযোগ করেন, এভাবে সারা ভারতে মুসলমানদের জানমাল ও মসজিদ-মাদ্রাসার বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে নির্মূল অভিযান চালানো হচ্ছে।
খেলাফত মজলিস নেতারা আরো বলেন, ভারতের মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিজেপি ও আরএসএসের সাম্প্রদায়িক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এসব কর্মকাণ্ড নাগরিক অধিকার ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। তারা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে ধর্মীয় উৎসব পালনে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছে, অথচ ভারত সরকার তাদের সংখ্যালঘু মুসলমানদের জীবন ও সম্পদ ধ্বংসে মেতে উঠেছে। নেতারা ভারত সরকারকে অবিলম্বে মুসলিম নির্যাতন ও নির্মূল অভিযান বন্ধ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন; অন্যথায় এই রাষ্ট্রকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে।
বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমির মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন, মুহাম্মদ মুনতাসির আলী, ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, অধ্যাপক মো. আবদুল জলিল, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাহাব উদ্দিন আহমদ খন্দকার, মুফতি আবদুল হক আমিনী, নুর হোসেন, হাফেজ মাওলানা নূরুল হক, মাওলানা সাইফুদ্দিন আহমদ, ড. আবু মুসাইব, মাওলানা ফারুক আহমদ ভূঁইয়া, আমির আলী হাওলাদার, মাওলানা রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : কিশোর গ্যাং, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ১১ জেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আজ চট্টগ্রাম রেঞ্জ পুলিশ কার্যালয়ের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত মামলায় ৬৪ জন, পূর্ববর্তী মামলায় ৪৪ জন, পুলিশ অ্যাক্ট ৩৪ ধারায় ১৬ জন, ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় ২৩ জন, কার্যবিধির ১৫১ ধারা ও অন্যান্য আইনে সাত জন, পরোয়ানা মূলে ৯২ জন, সাজা পরোয়ানা মূলে ৯ জন রয়েছেন।
এছাড়া, মাদক মামলায় ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন মাদক বহনকারী এবং ২৯ জন মাদকসেবী। নিয়মিত ও অন্যান্য মামলায় ২৪ মাদক ব্যবসায়ীসহ অভিযানে মোট ৫৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মাদক বিরোধী অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২০ জনকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং ১ হাজার ৪৫০ টাকা অর্থদণ্ড আদায় করা হয়েছে। এ সময় ১৭টি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযানে ৬ হাজার ৬৯ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৫১০ লিটার চোলাইমদ, ১০ কেজি ১৯০ গ্রাম গাঁজা, ১০ বোতল বিদেশী মদ ও ২৮ বোতল স্কাফ সিরাপ উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সাত জন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। জেলাভিত্তিক গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে চট্টগ্রামে ৪ জন, কুমিল্লায় এক জন এবং নোয়াখালীতে দুই জন রয়েছেন।
অন্যদিকে, কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে ৬৯ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৬ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং ২৩ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জেলা ভিত্তিক আটককৃত কিশোর গ্যাং সদস্যের সংখ্যা: চট্টগ্রাম ২৩, কক্সবাজার ১২, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছয়, নোয়াখালী আট জন, লক্ষ্মীপুর ছয় জন, রাঙ্গামাটি দুই জন, খাগড়াছড়ি ১২ জন।
জনস্বার্থে পরিচালিত এ বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ