প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছোট সোনামণিদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে লাখ লাখ নিমগাছ কিভাবে সবুজ ছায়া প্রদান করছে, সেই ঐতিহাসিক সত্য ঘটনা গল্প আকারে শোনান। সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে সারা দেশে একযোগে ২৯ হাজারেরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি নিজে একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন এবং উপস্থিত শিশু-কিশোরদের উদ্দেশ্যে গল্পটি বলেন।
সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে আমরা এখানে একটি নিমগাছ রোপণ করলাম। এই নিমগাছ নিয়ে তোমাদের একটি সত্যিকারের ঘটনা বলি। তোমরা যারা ছোট বন্ধুরা আছো, নিশ্চয়ই আরাফাতের ময়দানের নাম শুনেছ। এখন যদি তোমরা আরাফাতের ময়দানের ছবি দেখো, সেখানে অনেক গাছ লাগানো দেখতে পাবে।
সেই গাছগুলো আসলে সব নিমগাছ। প্রধানমন্ত্রী তিনটি বিষয় উল্লেখ করেন। তিনি জানান, আজ থেকে প্রায় ৫০ বছর আগে সেখানে কোনো গাছ ছিল না। ১৯৭৮ সালের দিকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ওমরাহ পালন করতে গিয়ে আরাফাতের ময়দান দেখে তৎকালীন সৌদি বাদশাহকে বলেছিলেন, এটি এত ফাঁকা কেন? এখানে গাছ লাগালে হজ করতে আসা হাজিরা গরমে গাছের নিচে সুন্দরভাবে বসতে পারতেন।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, তখন সৌদি বাদশাহ বলেছেন, মরুভূমিতে তো কোনো গাছ হবে না, আমরা কী গাছ লাগাব? এরপর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের সাথে আলোচনা করে বের করেন যে সেখানে নিমগাছ বেঁচে থাকতে সক্ষম হবে।
পরে তিনি বাংলাদেশ থেকে প্রায় এক লাখ নিমগাছের চারা সৌদি আরবে পাঠিয়েছিলেন। সৌদি সরকার পরবর্তীতে সেই চারা থেকে কলম করে আজ আরাফাতের ময়দানে লাখ লাখ নিমগাছ তৈরি করেছে, এই বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন আরাফাতের ময়দানে গেলে যে গাছগুলো দেখা যায়, সেগুলো সবই বাংলাদেশের নিমগাছ। সবচেয়ে মজার বিষয় হলো, সৌদি আরবের মানুষ কিন্তু সেগুলোকে নাম দেয়নি নিমগাছ। তারা সেটিকে ‘জিয়া ট্রি’ নামে চেনে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন