ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ ইরানকে লক্ষ্য করা হয়নি: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী


‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ ইরানকে লক্ষ্য করা হয়নি: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ন্যাটো জোটের সম্মিলিত প্রতিরক্ষাবিষয়ক ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের সাথে তুলনা করেছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত দিক থেকে মক্কা চুক্তি ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের মতোই হতে পারে। পাশাপাশি, ফিদান স্পষ্ট করে বলেন, চুক্তিটির লক্ষ্য হচ্ছে ইরান নয়।

শনিবার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন আনাদোলু এজেন্সির ‘এডিটরস ডেস্ক’ অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাকান ফিদান বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে এই চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হতে পারে। তাঁর মতে, এই চুক্তিটির লক্ষ্য হচ্ছে কোনো নির্দিষ্ট দেশকে হুমকি দেওয়া নয়; বরং সম্মিলিত প্রতিরক্ষার মাধ্যমে অঞ্চলে স্থায়ী স্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা।

ফিদান আরও বলেন, চুক্তিতে কোনো অভিন্ন হুমকির উল্লেখ করা হয়নি। বরং এমনটা বলা হয়েছে, যদি কোনো দেশ চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী তিন দেশের ওপর হামলা না করে, তাহলে তাকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ধরা হবে না। তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান সম্প্রসারণবাদী দেশ হিসেবে পরিচিত নয়। তারা নিজেদের সীমান্ত, সমস্যা এবং উন্নয়নের বিষয়গুলো নিয়েই বেশি মনোযোগী এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চান।

আরও পড়ুন: পারস্য উপসাগরে মাইনের আঘাতে দ্বিতীয় সুপারট্যাঙ্কারে ভয়াবহ আগুন

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সামরিক সক্ষমতা ও কাজের ধরন ভিন্ন হলেও তিনটি দেশের একত্রিত হওয়া একটি প্রতিরক্ষামুখী জোটে পরিণত হতে পারে। এই জোটের উদ্দেশ্য হচ্ছে আক্রমণ চালানো নয়; বরং সদস্য দেশগুলোর সম্ভাব্য হামলা ঠেকানোর জন্য প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানো।

তিনি আরও জানান, চুক্তিটি আইনগত, রাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং তুরস্ক এতে কোনো সমস্যা দেখতে পাচ্ছে না। ফিদান আবারও বলেন, চুক্তির লক্ষ্য হচ্ছে ইরান নয়।

ফিদান জানান, ভবিষ্যতে এই জোটকে তিন দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রয়োজনে অন্যান্য দেশকেও এর আওতায় আনা হতে পারে। তাঁর মতে, প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের দৃষ্টিভঙ্গি হচ্ছে—এই উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত করা।

চুক্তির অধীনে হামলার শিকার হওয়া কোনো সদস্য দেশ প্রয়োজন অনুযায়ী গোয়েন্দা তথ্য, রসদ, গোলাবারুদ বা সামরিক ইউনিটসহ অন্যান্য সহায়ক সরঞ্জাম চাইতে সক্ষম হবে। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে জোটের সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক ও সামরিক কাঠামো।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মধ্যে তেলের দাম বেড়ে ১১০ ডলারে পৌঁছেছে

ফিদান বলেন, তিন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সেনাপ্রধানদের নিয়ে একটি যৌথ রাজনৈতিক ও সামরিক কমিটি তৈরি করা হয়। এ ছাড়াও সৌদি আরবে একটি স্থায়ী সচিবালয় প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে যৌথ মহড়া, প্রশিক্ষণ, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, লজিস্টিক সহায়তা এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে প্রযুক্তি বিনিময়ের বিষয়গুলোতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য নিরাপত্তার দায়িত্বে আঞ্চলিক দেশগুলোর নিজেদের মালিকানা বা ‘রিজিওনাল ওনারশিপ’ অভিজ্ঞান। তাঁর মতে, বাইরের শক্তির আধিপত্যের পরিবর্তে আঞ্চলিক দেশগুলোর নিজেদের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়নের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করা হওয়া উচিত।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার (৭ আগস্ট) তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তান ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করে। আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন তিন সুন্নি মুসলিম দেশের এই জোট এমন একটি পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠিত হলো, যেখানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রফতানিকারক দেশগুলোও ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

চুক্তির বিষয়ে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তিন দেশের সম্মিলিত প্রতিরোধব্যবস্থা শক্তিশালী করাই এর মূল উদ্দেশ্য। চুক্তিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।

আরও পড়ুন: ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাহাড়ে সম্প্রীতি বজায় রাখতে তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৭ পি.এম


পাহাড়ে সম্প্রীতি বজায় রাখতে তৎপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালি ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, আনসারসহ অন্যান্য সংস্থাগুলো নিয়মিত টহল ও অভিযান জোরদারের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সম্প্রীতি সভা, ক্রীড়া আয়োজনসহ নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

আজ ৯ আগস্ট বিশ্ব আদিবাসী দিবস। এই দিবসটি ঘিরে তিন পার্বত্য জেলা বান্দরবান, রাঙামাটি ও খাগড়াছড়িতে যাতে কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সম্প্রতি পার্বত্য জেলার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনকালে দেখা গেছে যে, পাহাড়ে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নানা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত বলেন, "প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের আন্তরিক প্রচেষ্টায় জেলায় সম্প্রীতি বজায় রয়েছে।"

সংশ্লিষ্টরা জানান, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের নিয়ে নিয়মিত সম্প্রীতি সভার আয়োজন করা হয়। এসব সভায় সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা অংশ নেন, যাতে ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি বড় ধরনের বিরোধ বা বিশৃঙ্খলায় রূপ না নেয়।

এছাড়া, পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থার উদ্যোগে বিভিন্ন সময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে পারস্পরিক পরিচয়, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সহাবস্থান বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, "খাগড়াছড়িতে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বসবাস করেন। তাদের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।" তিনি আরও বলেন, "পূর্বাঞ্চলে পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও তারা কাজ করছেন।"

বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের মাধ্যমে এখানকার মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

পাঠশালা সিএইচটি গবেষণা কেন্দ্রের সমন্বয়ক মোহাম্মদ কাউছার উল্লাহ বলেন, "সম্প্রীতি বাড়াতে সেনাবাহিনীসহ সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সব জনগোষ্ঠীর মধ্যে মেলবন্ধন আরও বাড়ানো প্রয়োজন।"

শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য বাঙালি ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা জরুরি।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা বলেন, "সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সদস্যরা আন্তরিকভাবে কাজ করছেন।"

স্থানীয়রা জানান, সেনাবাহিনী সম্প্রীতি রক্ষার পাশাপাশি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। বিভিন্ন সময় বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা ক্ষেত্রেও নানা সহযোগিতা করা হচ্ছে।

দুর্গম এলাকায় যেখানে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা পাওয়া কঠিন, সেখানে সেনাবাহিনীর চিকিৎসা দল গিয়ে চিকিৎসা ও বিনামূল্যে ওষুধ সরবরাহ করে। গুরুতর অসুস্থ রোগীদের দুর্গম এলাকা থেকে হাসপাতালে নিয়ে আসতেও সহযোগিতা করা হয়। এমনকি নিয়মিত টহলের সময়ও প্রয়োজন অনুযায়ী স্থানীয়দের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক কার্যক্রম পাহাড়ে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্প্রীতি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি ন্যাটোর মতোই: তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:০৯ পি.এম


মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি ন্যাটোর মতোই: তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

তুরস্ক, পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ কৌশলগতভাবে ন্যাটোর অনুচ্ছেদ ৫ (আর্টিকেল ৫) ভিত্তিক পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির সমান।

এমন বক্তব্যটি শনিবারে জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তবে তিনি দাবি করেছেন যে, এই চুক্তি ইরানকে লক্ষ্য করে করা হয়নি।

ফিদান আরও বলেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলছেন যে, তিনি এই জোটের পরিধি বাড়াতে চান এবং মিসরসহ আরও কয়েকটি দেশ এতে যোগ দেওয়ার সম্ভাব্য প্রার্থী হতে পারে।

আঞ্চলিক শক্তিগুলো শুক্রবার ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষর করেছে। তথ্য অনুযায়ী, সুন্নি মুসলিম দেশগুলোর এই মিত্ররা আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন অবস্থায় রয়েছে, যেখানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রফতানিকারক দেশগুলোকে আঘাত করছে।

এক যৌথ বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, এই চুক্তির উদ্দেশ্য যেকোনও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধব্যবস্থা শক্তিশালী করা। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনও একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন আনাদোলু এজেন্সিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ফিদান বলেন, নতুন এই জোট ইরান বা অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত নয়। বরং এটি তিন মিত্র দেশের নিরাপত্তার প্রতি সাধারণভাবে পারস্পরিক সমর্থনের অঙ্গীকার হিসেবে কাজ করবে।

তিনি আরও বলেন, যদি কোনও হামলার ঘটনা ঘটে, তবে মিত্র দেশগুলো একে অপরের সঙ্গে আলোচনা করে তারা কী মাত্রায়, কেমন ধরনের এবং কোন পদ্ধতিতে সহায়তা চাইবে, তা নির্ধারণ করবে। যদিও কোনও সদস্যদেশ আক্রান্ত না হলে, কোনও দেশকে হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।

ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনীর অধিকারী তুরস্ক জানিয়েছে, এই চুক্তিটি অন্যান্য আঞ্চলিক দেশের জন্যও উন্মুক্ত এবং এটি বিদ্যমান কোনও জোটের বিকল্প হিসেবে কাজ করার উদ্দেশ্যে করা হয়নি।

ফিদান আরো বলেন, “ন্যাটো একটি বিশাল সামরিক জোট, যেখানে ৩২টি দেশ রয়েছে। আমরা এখানে তিনটি দেশ নিয়ে শুরু করেছি এবং আমাদের খুবই বিনয়ী কিন্তু বাস্তবধর্মী পদক্ষেপ নিতে হবে।”

তিনি উল্লেখ করেছেন, চুক্তিটি চূড়ান্ত করার প্রচেষ্টা দুই বছর আট মাস ধরে চলছিল।

তিনি আরও জানিয়েছেন, ন্যাটোর অভ্যন্তরে থাকা ব্যবস্থা অনুসারে, মন্ত্রীদের একটি কমিটি এই জোটের অংশ হিসেবে গঠন করা হবে। তাছাড়া, সৌদি আরবে একটি সাধারণ সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। তবে জোটের কার্যক্রম পরিচালনার বিস্তারিত বিষয়গুলো প্রথম কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

তিনি জানিয়েছেন, “আমাদের প্রেসিডেন্টের লক্ষ্য হলো, আমরা যেন তিনটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকি; বরং এই জোটের ছাতার নিচে সব আঞ্চলিক দেশকে একত্রিত করে এর পরিধি বাড়াই।”

তিনি আরও বলেন, কিছু কৌশলগত বিষয় সমাধান হয়ে গেলে মিসরও এই চুক্তিতে যোগ দিতে পারে। সূত্র: রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা ছেড়েছেন ১ লাখ ৭৮ হাজার মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১০ পি.এম


ভয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা ছেড়েছেন ১ লাখ ৭৮ হাজার মানুষ

 

এক সময়ে গোটা বিশ্বের সব মানুষের ছিল। মানুষ এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে ঘুরে বেড়াতো।

তারপর মানুষই নিজেদের সুবিধামত সীমানা দিয়ে বিশ্বকে ভাগ করেছে। তবে কাজের খোঁজে, ভাগ্য বদলাতে মানুষের ঘুরে বেড়ানোর অভ্যাস কখনোই বদলায়নি। অনুন্নত এলাকার মানুষ উন্নত এলাকায় যেতে চান।

যদিও অর্থনৈতিক কারণে সীমানা পেরুতে চাওয়া মানুষগুলোর জন্য সময়টা খুবই খারাপ যাচ্ছে।

তীব্র জাতীয়তাবাদের উত্থানে অনেক দেশেই অভিবাসন বিরোধী চরমপন্থা বিকশিত হচ্ছে। ইউরোপ-আমেরিকা দূরের কথা, এমনকি অভিবাসন বিরোধী সহিংস বিক্ষোভ দক্ষিণ আফ্রিকাকেও অভিবাসীদের জন্য অনিরাপদ করে তুলেছে।

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন ঠেকাতে নানা কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছেন। সম্প্রতি ৭০ থেকে ৮০ হাজার মানুষ ছিটমহল সিউটা দিয়ে মরক্কো থেকে স্পেনে ঢোকার চেষ্টা চালায়।

তাতে অন্তত ১১১ জন মারা যান। এ নিয়ে ইউরোপ তথা বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। শেনজেন চুক্তি ভেঙে ইতালি স্পেনের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দেয়।

তবে গত জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসন বিরোধী বিক্ষোভ এখন সহিংস আকার ধারণ করেছে। যদিও সেদিকে বিশ্বের নজর নেই খুব একটা।

একে তো বিক্ষোভ, তার ওপর সেই বিক্ষোভের চাপে সরকারের অভিবাসন বিরোধী কঠোর অভিযান—সব মিলিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা এখন শুধু অভিবাসী নয়, সব বিদেশী নাগরিকদের জন্যই অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। গত এপ্রিল থেকে বর্তমানে ১ লক্ষ ৭৮ হাজারেরও বেশি অভিবাসী ভয়ে বা বাধ্য হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা ছেড়ে গেছে। আকস্মিক এই গণ-স্থানান্তরে বহু শিশু, অসুস্থ ও প্রবীণ মানুষ বিপাকে পড়েছেন।

গত জানুয়ারি থেকেই উগ্র জাতীয়তাবাদী সংগঠন ‘মার্চ ফর মার্চ’ এবং ‘অপারেন দুদুলা’ অভিবাসনবিরোধী আওয়াজ তুলতে শুরু করে।

এপ্রিল-মে মাসে নানা কর্মসূচিতে আন্দোলন চাঙা হয়েছে। ৩১ জুন দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়ার শেষ সময় বেধে দিয়ে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দেয় আন্দোলনকারীরা।

৩০ জুনের পর থেকে বিক্ষোভকারীরা ‘ডোর টু ডোর’ অভিযান শুরু করেছে। তারা ঘরে ঘরে গিয়ে হামলা চালাচ্ছে। দোকানপাট ভাঙচুর করছে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন দিচ্ছে। মানুষের ওপর হামলা চালাচ্ছে। এমনকি বৈধ বিদেশী নাগরিকরাও তাদের হামলার শিকার হচ্ছেন। এসব হামলায় অনেকে মারা গেছেন। কিন্তু ঠিক কতজন মারা গেছেন, তার সঠিক হিসাব পাওয়া মুশকিল।

দক্ষিণ আফ্রিকার বাইরে থেকে প্রাপ্ত একটি হিসাব অনুযায়ী, মোজাম্বিক সরকারের দাবি, দক্ষিণ আফ্রিকায় এই ধরনের হামলায় তাদের ১১ জন নাগরিক নিহত হয়েছেন। নাইজেরিয়া ও ঘানাও তাদের কিছু নাগরিক নিহত হওয়ার দাবি করেছে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকা এই সংখ্যার সত্যতা নিয়ে আপত্তি তুলে বলেছে যে, এর মধ্যে কিছু মৃত্যু ডাকাতির মতো সাধারণ অপরাধের সঙ্গে জড়িত, অভিবাসনবিরোধী বিক্ষোভের সঙ্গে নয়।

আফ্রিকার মধ্যে সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা। সর্বশেষ আদমশুমারি অনুযায়ী, দক্ষিণ আফ্রিকার মোট ৬ কোটি ২০ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা ছিল ২৪ লাখ।

কিন্তু আন্দোলনকারীদের দাবি, দেশটিকে অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা আরো অনেক বেশি।

আফ্রিকার মধ্যে সবচেয়ে সমৃদ্ধ হলেও দক্ষিণ আফ্রিকায় রয়েছে তীব্র বৈষম্য। সম্পদ কুক্ষিগত গুটিকয়েক গোষ্ঠির হাতে। দক্ষিণ আফ্রিকায় বেকারত্বের হার ৩২ দশমিক ৭ ভাগ, যা গোটা বিশ্বের মধ্যে অন্যতম শীর্ষে।

বিক্ষোভকারীদের দাবির মধ্যে রয়েছে যে, নথিপত্রহীন অভিবাসীরা কম বেতনের কাজগুলো লুফে নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার উচ্চ বেকারত্বের হার আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধার ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

দশকের পর দশক ধরে, দক্ষিণ আফ্রিকা অন্যান্য আফ্রিকান দেশ থেকে আসা লাখ লাখ অভিবাসীকে খামার, রেস্তোরা, নির্মাণ খাতসহ বিভিন্ন কম বেতনের কাজে আকৃষ্ট করেছে। বেকার যুবকদের এই ক্ষোভকে সামনে রেখেই উগ্র জাতীয়তাবাদীরা আন্দোলনকে উস্কে দিতে পেরেছে।

উগ্র জাতীয়তাবাদের পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকায় রয়েছে উগ্র বিদেশ-বিদ্বেষ (জেনোফোবিয়া)। এসব সব মিলিয়েই এবারের আন্দোলন উগ্র ও সহিংস রূপ ধারণ করেছে। ‘ডোর ডু ডোর’ অভিযানের পাশাপাশি প্রতি বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে আন্দোলনকারীরা। অভিবাসীদের দেশ ছাড়তে সময়সীমা বেধে দেওয়াকে বেআইনী বললেও সরকার আন্দোলনের চাপে অভিবাসনবিরোধী কঠোর অভিযান শুরু করেছে।

সব মিলিয়ে দলে দলে মানুষ দক্ষিণ আফ্রিকা ছেড়ে যাচ্ছে।

গত কিছু মাসে কত মানুষ দক্ষিণ আফ্রিকা ছেড়ে গেছেন তার সঠিক হিসাব পাওয়াও কঠিন। কারণ এসব অধিকাংশই অবৈধভাবে দক্ষিণ আফ্রিকায় ছিলেন। তাদের আসাটাও অবৈধ পথে হয়েছে, যাওয়ার পথও ভিন্ন নয়।

এমনকি যেসব দেশে ফিরে গেছে, তাদের হিসাব থেকে একটি ধারণা পাওয়া যায়।

দক্ষিণ আফ্রিকার দেশ জিম্বাবুয়ের দাবি, গত মে মাস থেকে ১ লাক ১৫ হাজারেরও বেশি মানুষ ফিরে এসেছে। মালাউইতে ফিরে গেছেন ৫৬ হাজারেরও বেশি মানুষ। অন্যদিকে নাইজেরিয়া, ঘানা, মোজাম্বিক ও লেসোথো জানিয়েছে, তাদের দেশেও গড়ে এক হাজার করে মানুষ ফিরে এসেছেন। দক্ষিণ আফ্রিকা এই সপ্তাহে জানিয়েছে, গত এপ্রিল মাস থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১৯ হাজার মানুষকে সরকারিভাবে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

হঠাৎ করে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের স্থানান্তরের ফলে কিছু উদ্বেগজনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে মানবাধিকার ও অধিকার বিষয়ক সংগঠনগুলো জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে হাজার হাজার শিশুর স্কুল থেকে আকস্মিক বিদায় নেওয়া এবং এইচআইভি আক্রান্ত রোগীদের জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া।

ইউনিসেফ এবং জাতিসংঘের শিশু অধিকার কমিটি এক যৌথ বিবৃতিতে ফিরে আসা অভিবাসীদের মধ্যে থাকা শিশুদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংস্থা দুটি জানিয়েছে, হঠাৎ করে কোনো নথিপত্র ছাড়া এবং সমন্বয়হীনভাবে স্থানান্তরের কারণে এই শিশুরা সহিংসতা, শোষণ, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং মানসিক ট্রমার চরম ঝুঁকিতে রয়েছে।

কিছু দেশ সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ না করলেও মালাউই জানিয়েছে যে, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফিরে আসা নাগরিকদের মধ্যে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুর সংখ্যাই প্রায় ৪ হাজার।

একটি বেসরকারি সংস্থার হিসাব মতে, জুলাই মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত জিম্বাবুয়েতে ফিরে আসাদের মধ্যে ১১ হাজারেরও বেশি শিশু রয়েছে। জিম্বাবুয়ে সরকার স্কুলগুলোকে ফিরে আসা শিশুদের সঙ্গে কোনো বৈষম্য না করা এবং তাদের ভর্তির ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছে।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও সাহায্য সংস্থাগুলো জানিয়েছে, অনেক অভিবাসী কোনো ওষুধ বা চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিপত্র ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে পালিয়ে এসেছেন। ফলে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি এইচআইভি সংক্রমণ হারের এই অঞ্চলে রোগীদের জীবন রক্ষাকারী এইচআইভি চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস জিম্বাবুয়ের বেইটব্রিজ সীমান্ত চৌকিতে তাঁবু বসিয়ে অস্থায়ী ক্লিনিক স্থাপন করেছে। সেখানে জীবন রক্ষাকারী এইচআইভি এবং অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদী রোগের ওষুধ না পেয়ে চরম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়া মানুষদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা অভিবাসীদের ওপর যেকোনো ধরনের সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। পাশাপাশি অভিবাসন আইন কার্যকরের ক্ষেত্রে সরকারের ব্যর্থতার কথাও স্বীকার করেছেন। তিনি সীমান্ত সুরক্ষায় আরো উন্নত প্রযুক্তি ও জনবল নিয়োগ, দ্রুত বহিষ্কারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে নতুন অভিবাসন আদালত গঠন এবং নথিপত্রহীন অভিবাসীদের কাজে নিযুক্ত করার ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির অঙ্গীকার করেছেন।

তবে এই পরিস্থিতির কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে অন্যান্য আফ্রিকান দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, যেখানে অন্য দেশগুলো দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে জেনোফোবিয়া ছড়ানোর অভিযোগ করছে। আগামী অক্টোবরে আফ্রিকান ইউনিয়নের সভার আলোচ্যসূচিতে দক্ষিণ আফ্রিকার এই অভিবাসীবিরোধী ও জেনোফোবিক সমস্যাটিকে অন্তর্ভুক্তির জোর দাবি জানিয়েছিল ঘানা। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকা সেটি আটকে দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুষ্টিয়ায় ফলের দোকানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:১১ পি.এম


কুষ্টিয়ায় ফলের দোকানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

কুষ্টিয়া শহরের পৌরবাজারের ফলের দোকানের সামনে থেকে সাদ্দাম (৪০) নামে এক শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গভীর রাতে চুরির উদ্দেশ্যে বন্ধ ফলের দোকানে প্রবেশ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তার মৃত্যু ঘটে।

রবিবার সকালে পৌরবাজারের আয়েশা ফল ভান্ডার এবং আদর্শ ফল ভান্ডারের সামনে থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সাদ্দাম কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার একজন বাসিন্দা। তিনি পৌরবাজারে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন বলেও জানা যায়।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রাতে পৌরবাজারের আয়েশা ফল ভান্ডার এবং আদর্শ ফল ভান্ডার দোকানগুলি বন্ধ ছিল। রাতের কোনো এক সময় সাদ্দাম ওই দুই দোকানে প্রবেশের চেষ্টা করে। তাদের ধারণা, ইঁদুর বৈদ্যুতিক তার কেটে ফেলায় সেখানে বিদ্যুৎ প্রবাহিত ছিল। অন্ধকারের কারণে বিষয়টি বুঝতে না পেরে তিনি বিদ্যুতায়িত তারের সংস্পর্শে আসলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে। পরে রবিবার সকালে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা যখন দোকান খুলতে আসেন, তখন মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশের কাছে খবর দেন। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি কবির হোসেন মাতুব্বর জানিয়েছেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%