মোঃ উজ্জ্বল মিয়া, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
০৯:০৫ পি.এম
নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার নারান্দিয়া দাখিল মাদ্রাসার নবনিযুক্ত অ্যাডহক কমিটির সভাপতি সালাহ উদ্দিন আহমেদ নওয়াবকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) মাদ্রাসার একটি শ্রেণিকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।
পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপারিনটেনডেন্ট মো. শহিদুল্লাহ খান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাদ্রাসার শিক্ষক মোশারফ হোসেন।
অনুষ্ঠানে নবনিযুক্ত সভাপতি সালাহ উদ্দিন আহমেদ নওয়াবকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এ সময় মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদনে সালাহ উদ্দিন আহমেদ নওয়াবকে নারান্দিয়া দাখিল মাদ্রাসার অ্যাডহক কমিটির সভাপতি মনোনীত করা হয়। গত ১১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বোর্ড থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। অনুমোদিত কমিটির মেয়াদ প্রথম সভার তারিখ থেকে পরবর্তী ছয় মাস।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন অভিভাবক সদস্য মো. আনিছুর রহমান, সাধারণ শিক্ষক সদস্য মো. আজাহারুল ইসলাম এবং সদস্যসচিব হিসেবে মাদ্রাসার সুপার বা ভারপ্রাপ্ত সুপার।
প্রজ্ঞাপনে কমিটিকে প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়ন, পরীক্ষার ফলাফল উন্নত করা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা প্রকাশ করেন, নবনিযুক্ত সভাপতি সালাহ উদ্দিন আহমেদ নওয়াবের নেতৃত্বে মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা, পরীক্ষার ফলাফলে ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জন এবং একটি সুন্দর শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে নতুন কমিটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা তাঁদের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল আহমেদকে ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গি থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ সংক্রান্ত একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়লে গোবিন্দগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ডের তথ্য অনুযায়ী, বুলবুল আহমেদকে বালিয়াডাঙ্গি থানা থেকে ক্লোজড করা হয়েছে। এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গি থানায় কর্মরত একজন কর্মকর্তার মাধ্যমে তথ্যটির সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার কথা জানা গেছে।
তবে ঠিক কী কারণে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সম্প্রতি তিনি বালিয়াডাঙ্গি থানায় যোগদান করেছিলেন। ফলে তার প্রত্যাহারের পেছনে কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।
এদিকে, অন্য কোনো জেলার অভিযোগের সঙ্গে এ প্রত্যাহারের সম্পর্ক রয়েছে কি না, সে বিষয়েও কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে প্রত্যাহারের প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যেতে পারে।
বিঃদ্রঃ প্রত্যাহারের কারণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক তথ্য নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো অভিযোগ বা অনুমানকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।g
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ইলিশ সম্পদ রক্ষায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ। আজ ১৪ অক্টোবর ২০২৬ দিনব্যাপী পরিচালিত এই অভিযানে প্রায় ২০ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমি রানী বল-এর উপস্থিতিতে উদ্ধারকৃত সব জাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রজনন সুরক্ষা ও অভয়াশ্রম রক্ষায় ঝালকাঠির নদীগুলোতে নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে এ অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নদীপথের বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ও মাছ ধরার সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করার পাশাপাশি অভিযানকালে উদ্ধার হওয়া প্রায় ১২ কেজি ইলিশ মাছ স্থানীয় একটি কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমি রানী বল জানান, "ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। মা ইলিশ ও জাটকা রক্ষায় সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।
নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধ এবং ইলিশের প্রজনন নিরাপদ রাখতে আমাদের এই অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
অভিযান পরিচালনাকালে স্থানীয় মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাখাল বুরুজ ইউনিয়নের আমতলী বাজারে আঃ রহিম সাহেবের দোকানে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে মোঃ রফিকুল ইসলাম, তাঁর ছেলে ফরহাদসহ প্রায় ১৫ জনের বিরুদ্ধে।
এ অভিযোগের বিষয়ে সরেজমিনে অনুসন্ধানে যায় তালাশ বিডির স্টাফ রিপোর্টার। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মোঃ রফিকুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে ফরহাদ।
অভিযুক্ত ফরহাদ জানান, পূর্বে একটি খেলাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে রাগারাগি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে এবং এতে উভয় পক্ষের লোকজন আহত হন বলে তিনি দাবি করেন। তবে দোকানে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক বলে দাবি করেন তিনি।
তাঁরা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বণিক সমিতিতে বিচার দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে রাখাল বুরুজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ডিউক চৌধুরীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, শুক্রবার জুমার নামাজের পর উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ করা হয়নি বলে জানা গেছে।
তালাশ বিডির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে: অভিযোগ ও পাল্টা বক্তব্যের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও প্রমাণের ভিত্তিতেই ঘটনার সত্যতা নির্ধারিত হওয়া উচিত।
সত্যের সন্ধানে, নিরপেক্ষ সংবাদে—তালাশ বিডি।
#তালাশবিডি #গোবিন্দগঞ্জ #আমতলী_বাজার #গাইবান্ধা #স্থানীয়_সংবাদ
ভাষা আরও নিরপেক্ষ ও আইনি করুন
অভিযোগ ও বক্তব্য আলাদা করুন
শিরোনামটি আরও সংক্ষিপ্ত করুন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নেত্রকোনায় সাত বছর ধরে শিশুদের পাঠদান, চিঠিতে প্রশংসা ও সহযোগিতার আশ্বাস তারেক রহমানের
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে পড়াশোনা শেষ করে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে চাকরি করেছেন। কাজ করেছেন জনতা ব্যাংকেও। ৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হয়েও প্রচলিত পেশাগত পথ ছেড়ে বেছে নিয়েছেন শিশুদের শিক্ষকতা। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে কাজ করে যাওয়া নায়লা সারাফের এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন নায়লা সারাফ। তাঁর ব্যতিক্রমী উদ্যোগের প্রশংসা করে একটি চিঠি দেন প্রধানমন্ত্রী। এতে নায়লা সারাফকে তাঁর কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাসও দেওয়া হয়।
নায়লা সারাফ গত সাত বছর ধরে নেত্রকোনা সদর উপজেলার পঞ্চাননপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছেন। শিশুদের পাঠদান সহজ ও আকর্ষণীয় করতে নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন শিক্ষাসামগ্রী ও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করেন তিনি। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শেখার সুযোগ বাড়ানো এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদানকে আরও কার্যকর করাই তাঁর উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রীর চিঠিতে বলা হয়, নায়লা সারাফের মতো মানুষের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ অন্যদেরও দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসার গুরুত্ব তুলে ধরে তাঁর কাজের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রকৌশলী ও ব্যাংক কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও শিশুদের শিক্ষাদানকে বেছে নেওয়া নায়লা সারাফের এই পথচলা শিক্ষা ও সমাজের কল্যাণে নিবেদিত মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ