মোহাম্মদ নূর স্টাফ রিপোর্টার
০২:২৪ পি.এম
সুনামগঞ্জ-সিলেট মহাসড়কের ওয়েজখালী এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাওয়া একটি পচা দুর্গন্ধযুক্ত কুকুরের দেহ নিজ হাতে মাটিচাপা দিয়ে মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ, পিপিএম।
মঙ্গলবার ( ১১ আগস্ট) সকালে এই মানবিক ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় একদিন আগে ওয়েজখালী এলাকায় যানবাহনের সাথে ধাক্কা লেগে একটি কুকুরের মৃত্যু হয়। মৃত কুকুরটি ব্যস্ত সড়কের ওপর পড়ে থাকায় প্রচণ্ড গরমে পচে গিয়ে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল। এ সময় রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী পথচারীরা নাকে হাত দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করছিলেন। দীর্ঘক্ষণ ধরে সড়কে মৃতদেহটি পড়ে থাকলেও কেউ তা অপসারণের কোনো উদ্যোগ নেননি।
আজ সকালে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ সিভিল ড্রেসে একটি বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানে রওয়ানা দিয়েছিলেন। পথিমধ্যে ওয়েজখালী এলাকায় পৌঁছালে সড়কের ওপর জটলা এবং দুর্গন্ধের বিষয়টি তার চোখে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি গাড়ি থামিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে নামেন।
সড়কে মৃত কুকুরটির করুণ অবস্থা দেখে তিনি বিন্দুমাত্র দ্বিধা না করে নিজের অভিযানে যাওয়া অফিসার ও সঙ্গীয় ফোর্সকে সাথে নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে পড়েন। এরপর কাউকেই ডেকে কোনো নির্দেশ না দিয়ে তিনি নিজেই এগিয়ে যান এবং পরম মমতায় নিজ হাতে মৃত কুকুরটিকে তুলে সড়কের পাশের একটি নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান। পরে সেখানে মাটি খুঁড়ে কুকুরটিকে সসম্মানে মাটিচাপা দেন তিনি।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি রতন শেখ পিপিএম বলেন,পুলিশ শুধু অপরাধ দমন বা আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্যই নয়, মানুষের পাশাপাশি যেকোনো মুক ও বধির প্রাণীর প্রতিও আমাদের সমান দায়িত্ব রয়েছে। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় দেখলাম একটি মৃত কুকুর পচে গিয়ে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছিল এবং সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছিল। একজন মানুষ ও পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে এটি আমার নৈতিক দায়িত্ব মনে করেছি। কোনো জীব মারা যাওয়ার পরও যেন এভাবে অবহেলায় পড়ে না থাকে এবং পরিবেশ দূষিত না হয়, সেটির প্রতি আমাদের সবারই সচেতন হওয়া উচিত।
পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার এমন মানবিক ও নজিরবিহীন উদ্যোগ দেখে উপস্থিত স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও পথচারীরা অভিভূত হন। সাধারণ পথচারী ও স্থানীয়রা জানান, একজন পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও সড়কের পরিবেশ রক্ষা এবং মৃত একটি প্রাণীর প্রতি এমন সংবেদনশীল আচরণ সত্যিই প্রশংসনীয়। ওসি রতন শেখের এই মহৎ কাজ এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং সর্বস্তরের মানুষের মাঝে প্রশংসিত হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো সময় ভারত সফরে যেতে পারেন।’
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্যটি ব্যক্ত করেন।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘বিমসটেকের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। ভারতের পক্ষ থেকেও আলাদাভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রী যেকোনো সময় ভারতে যেতে পারেন।’
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘বন্ধু পাল্টানো যায়, কিন্তু প্রতিবেশী পাল্টানো যায় না।’ তিনি আরও জানান, দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে যোগাযোগ ও কথাবার্তা হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং (র)-এর একজন প্রতিনিধি ঢাকায় এসেছেন। দুই দেশের গোয়েন্দা প্রধানদের মধ্যে বৈঠক হতে পারে। ‘র’ প্রধানের বাংলাদেশ সফর গোপন কোনো বিষয় নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বললেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এখন নতুন আঙ্গিকে হবে। গত ১৭ বছর যেভাবে দুই দেশের সম্পর্ক পরিচালিত হয়েছে, তার বাইরে গিয়ে সমতার ভিত্তিতে নতুনভাবে সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে।
শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকার সময় ভারতীয় কোন সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানকে বাংলাদেশে কাজ করতে দেওয়া হবে না বলেও জানান তথ্য উপদেষ্টা। তিনি আরও বলেন, ‘এখন থেকে সবকিছু স্বাধীন, সার্বভৌম ও আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে আলোচনার মাধ্যমে করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছিল যে, জনপ্রিয় অভিনেতা হাসান মাসুদ অভিনয় ছেড়ে দিয়েছেন। তবে তিনি জানান, বিষয়টি পুরোপুরি সত্য নয়। আবারও অভিনয়ে ফিরতে প্রস্তুত তিনি যদি ভালো গল্প ও পছন্দের চরিত্র পেলে।
এক অনুষ্ঠানে হাসান মাসুদ জানান, গত দুই বছর ধরে তিনি নাটক বা সিনেমায় কাজ করছেন না। তিনি আরো জানিয়েছেন, হজ সম্পন্ন করার পর ধর্মীয় অনুশাসনের প্রতি আরও বেশি মনোযোগী হয়েছেন। তার এই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন আলোচনা শুরু হয়। অনেকেই ধারণা করেন, অভিনয় থেকে হয়তো স্থায়ীভাবে তিনি সরে দাঁড়িয়েছেন।
তবে পরবর্তী একটি সাক্ষাৎকারে হাসান মাসুদ বিষয়টি পরিষ্কার করেন। তিনি জানান, অভিনয় ছাড়ার কোনো সিদ্ধান্ত তিনি নেননি। মূলত ভালো কনটেন্ট না পাওয়ার কারণে দীর্ঘদিন অভিনয়ের বাইরে ছিলেন। অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্য যথাযথভাবে ব্যাখ্যা করতে না পারায় ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
মাসুদ বলেন, যদি গল্প পছন্দ হয় এবং মনের মতো কাজের প্রস্তাব আসে, তবে তিনি আবার অভিনয়ে ফিরতে আগ্রহী। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, অভিনয়কে বিদায় জানানোর কোনো পরিকল্পনা তার নেই।
ধর্মচর্চা ও অভিনয় দুইটিকে কখনোই পরস্পরের সঙ্গে সাংঘর্ষিক মনে করেন না হাসান মাসুদ। ২০০০ সাল থেকেই তিনি নিয়মিত নামাজ পড়েন। তিনি জানান, শুটিংয়ের সময়ও পরিচালকরা তাকে নামাজ আদায়ের জন্য প্রয়োজনীয় বিরতি দিতেন।
মাসুদ বলেন, কাজের পাশাপাশি ধর্মীয় নিয়ম-কানুন মেনেও চলা সম্ভব। উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান, হজ থেকে ফেরার পর ইতোমধ্যে দুটি বিজ্ঞাপনের কাজ তিনি শেষ করেছেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ক্যাডেট হিসেবে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। এরপর সাংবাদিকতায় যুক্ত হন। ২০০৩ সালে মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ব্যাচেলর’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি অভিনয়ে অভিষেক করেন।
এরপর ‘হাউসফুল’, ‘গ্র্যাজুয়েট’, ‘বিহাইন্ড দ্য সিন’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে পরিচিতি পান হাসান মাসুদ। অভিনয়ের পাশাপাশি ২০০৬ সালে প্রকাশিত হয় তার একটি একক গানের অ্যালবামও।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের সংসদ ভবন থেকে বের হওয়ার সময়ে বলিউড অভিনেত্রী এবং সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাওয়াতের সাজ সকলের নজর আকর্ষণ করেছে। তিনি হালকা নীল রঙের রেশমের শাড়ি, সাদা ব্লাউজ এবং হালকা রঙের জুতা পরে ছিলেন। তবে তার পোশাকের চেয়েও বেশি আলোচনা হয়েছে তার দামি ব্যাগ এবং হাতঘড়ি নিয়ে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে এ বিষয়টি জানানো হয়েছে।
বর্ষাকালীন সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সম্প্রতি কঙ্গনাকে সংসদ ভবন থেকে বের হতে দেখা যায়। তিনি ভারতের মণিপুরের একটি ব্র্যান্ডের তৈরি হালকা নীল রঙের রেশমের শাড়ি পরেন, যার সঙ্গে সাদা ব্লাউজ এবং হাতির দাঁতের মতো হালকা রঙের জুতাও ছিল।
কঙ্গনার সাজের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ ছিল তার হাতে থাকা দামি ব্যাগটি। তিনি একটি হার্মেসের বারকিন ব্যাগ বহন করছিলেন। টোগো চামড়ার তৈরি এই ব্যাগটির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৩৫ লাখ রুপি, যা বাংলা টাকায় ৪৫ লাখ ৩৫ হাজার ৬৩৪ টাকা (১ রুপী = ১.৩০ টাকা হিসেবে) হয়ে দাঁড়ায়।
টোগো চামড়া বানানো হয় বাছুরের চামড়া দিয়ে। এর বিশেষত্ব হলো এটি নরম এবং উঁচু দানাদার গঠন বিশিষ্ট। এই চামড়া সহজেই আঘাত সহ্য করে এবং পানির প্রভাব কম পড়ে। এর পাশাপাশি এটি হালকা এবং টেকসই হওয়ায় বিলাসবহুল ব্যাগের মানের জন্য জনপ্রিয়।
কঙ্গনার হাতের ঘড়িটিও সবার নজর কাড়ে। তার হাতে ছিল রোলেক্সের লেডি-ডেটজাস্ট ঘড়ি। বাদামি রঙের ডায়ালের এই ঘড়িটির আনুমানিক মূল্য ২১ লাখ রুপি, যা বাংলা টাকায় ২৭ লাখ ২১ হাজার ৩৮০ টাকা (১ রুপী = ১.৩০ টাকা হিসেবে) হয়ে যায়।
রোলেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ডেটজাস্ট ঘড়ির যাত্রা শুরু হয় ১৯৪৫ সালে। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলা, পানি প্রতিরোধী এবং তারিখ দেখানোর সুবিধা সম্বলিত ঘড়ি ছিল। পরে ১৯৫৩ সালে এতে বিশেষ কাচ যুক্ত করা হয় যাতে তারিখটি বড় করে দেখা যায়।
কঙ্গনার সাজে আরও একটি গুড আর্থের ছাপা নকশার ছাতা বিদ্যমান ছিল। এর দাম প্রায় ৬ হাজার ১০০ রুপি, যা বাংলা টাকায় ৭ হাজার ৯০৪ টাকা (১ রুপী = ১.৩০ টাকা হিসেবে) হয়ে যায়। ছাতাটিতে ভারত মহাসাগর থেকে অনুপ্রাণিত নকশা ব্যবহার করা হয়েছে, বাইরের অংশে বিশেষ ছাপ এবং ভেতরের অংশে তীরচিহ্নের মতো নকশা রয়েছে।
সব মিলিয়ে কঙ্গনার ব্যাগ, ঘড়ি এবং ছাতার মূল্য প্রায় ৫৬ লাখ রুপি। দামি অনুষঙ্গের সঙ্গে তার পরিমিত পোশাকের এই সমন্বয় কঙ্গনার উপস্থিতিকে সংসদ চত্বরে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি লক্ষ্যে প্রযুক্তি উন্নয়ন কেন্দ্র বা গ্লোবাল সার্ভিস সেন্টার স্থাপন করার জন্য ভিসার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিসার এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট স্টিফেন কার্পিন সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে এ আহ্বান জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি শাহাদাৎ স্বাধীন এ তথ্য জানান।
সাক্ষাৎকালে স্টিফেন কার্পিন বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণে ভিসার আগ্রহের কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে কাজ করার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।
ভিসার এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট জানান, বাংলাদেশে যেসব ব্যাংক হিসাবধারী কার্ড ব্যবহারের আওতায় নেই, তাদের কার্ড ব্যবহারে উৎসাহিত করতে এবং ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বাড়াতে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার মাধ্যমে ভিসা কাজ করতে চায়।
স্টিফেন কার্পিন বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা আরও নিরাপদ, সহজ ও দ্রুত করার বিষয়েও ভিসা কাজ করতে আগ্রহী।
সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন লেনদেন সহজ করার জন্য মেট্রোরেল, টোল প্লাজা ও এক্সপ্রেসওয়েসহ বিভিন্ন সরকারি ও জনসেবামূলক ব্যবস্থায় ভিসা কার্ড ব্যবহারের সুযোগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।
বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি ও ক্রিয়েটিভ ইকোনমির বিকাশে অবদান রাখতে ভিসা আগ্রহী বলেও জানান স্টিফেন কার্পিন।
বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের বৈদেশিক আয় নিরাপদ ও সহজে দেশে আনার জন্য কার্যকর ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রক্রিয়া নিয়েও এ সময় কথা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবা ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বেসরকারি খাতের অংশীদারত্বকে স্বাগত জানান। তিনি বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিসার মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এবং ভিসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ