ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাঘায় পদ্মার ১৫টি চরে দুই সপ্তাহ পর আবারও পানি বৃদ্ধি


বাঘায় পদ্মার ১৫টি চরে দুই সপ্তাহ পর আবারও পানি বৃদ্ধি

রাজশাহীর বাঘার পদ্মার মধ্যে ১৫টি চরে চরে দুই সপ্তাহ পর আবারও পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাস্তার উপরে পানি প্রবাহিত হতে দেখা যায়।

এ সম্পর্কে চকরাজাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক গোলাম মোস্তফা জানান, দুই সপ্তাহ আগে পদ্মার পানি কমে গিয়েছিল। শনিবার থেকে আবারও পানি বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। এর মধ্যে পাকা রাস্তা ডিঙিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। রাস্তার উপরে হাটু পানি জমে রয়েছে। এই পানি মাড়িয়ে মানুষ চলাচল করছে। কালিদাসখালী চরের কলেজ পড়ুয়া ছাত্র মিলন খান বলেন, "প্রকৃতির সাথে লড়াই করে চরে বসবাস করতে হচ্ছে। পানির মধ্যে দিয়ে অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলতে হয়। আবারও পদ্মায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আতঙ্কের মধ্যে আছি।"

চকরাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জগলু শিকদার জানান, গত কয়েক বছরের মধ্যে পদ্মার ভাঙনে প্রায় সহ-্রাধিক বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার, বিজিবি ক্যাম্প, হাজার হাজার বিঘা আবাদি ও অনাবাদি জমি পদ্মার গর্ভে চলে গেছে। এই ভাঙনে গৃহহারা হয়েছে হাজারো পরিবার। পদ্মার চরের মধ্যে ১৫টি চর নিয়ে চকরাজাপুর ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়েছে। পদ্মায় পানি আবারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে।

আরও পড়ুন: আলফাডাঙ্গায় প্রবাসী আকাশ মিয়ার বিরুদ্ধে বানোয়াট কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ করায় একই পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে জখম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মান্দায় ধানগাছ পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


মান্দায় ধানগাছ পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে মামলা, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ

নওগাঁর মান্দায় জমিতে আগাছানাশক স্প্রে করে ধানগাছ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন এবং প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। মামলার নম্বর হলো ৯৬৯সি/২৬ (মান্দা)।

ভুক্তভোগী সাইদুর রহমান, যিনি কশব ইউনিয়নের চকসিদ্ধেশ্বরী গ্রামের বাসিন্দা, মামলায় একই গ্রামের জামাল হোসেন, আলমগীর হোসেন, আব্দুল কাদের সাজু, এবাদ আলীসহ মোট আটজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, চকসিদ্ধেশ্বরী মৌজায় ১৩ শতক জমি মামলার প্রথম আসামির বাবা তয়েজ উদ্দিনের সঙ্গে সাইদুর রহমান বিনিময়পত্র দলিল সম্পাদন করে ৩৬ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন। গত বোরো মৌসুমে ওই সম্পত্তি নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে, রাতের অন্ধকারে ওই জমির বোরো ধান পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

মামলার বাদী সাইদুর রহমান অভিযোগ করেছেন যে, এবারে আমন মৌসুমে ওই জমিতে স্বর্ণা-৫ জাতের ধানের চাষ করা হয়েছে। একই বিরোধের কারণে গত ১৯ সেপ্টেম্বর রাতে আগাছানাশক দিয়ে ওই জমির ধান পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এই ঘটনায় নওগাঁ আদালতে জামাল হোসেন, আলমগীর হোসেনসহ আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

অভিযুক্ত জামাল হোসেন এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, ‘কে বা কারা রাতের অন্ধকারে আগাছানাশক দিয়ে ধান পুড়িয়ে দিয়েছে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে আমাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে আমরা জড়িত নই।’

মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী জহুরুল ইসলাম (১) জানিয়েছেন, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য পিবিআইকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে, অভিযোগের জবাব দিল এনপিসিবিএল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৪ পি.এম


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে, অভিযোগের জবাব দিল এনপিসিবিএল

বাংলাদেশের প্রথম এবং সবচেয়ে ব্যয়বহুল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত প্রস্তুতির পর্যায়ে রয়েছে। প্রথম ইউনিটের কমিশনিং কার্যক্রমে প্রেসার অপারেটেড রিলিফ ভালভ (পিওআরভি/পিওএসভি)-এর ১৬ মেগাপাসকেল চাপের পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (৩ অক্টোবর) দ্বিতীয় ইউনিটের পারমাণবিক জ্বালানির প্রথম চালানও দেশে এসে পৌঁছেছে। এই অবস্থায় প্রকল্পের ব্যয়, নিরাপত্তা, প্রশাসন এবং কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে নতুন অভিযোগ ও নেতিবাচক প্রচারণা সামনে এসেছে।

প্রকল্পটির শুরু থেকেই পারমাণবিক ভীতি, ব্যয় এবং কর্মকর্তা-বিশেষজ্ঞদের ভূমিকা নিয়ে নানা অভিযোগ ও প্রচারণা চলমান রয়েছে। সর্বশেষ এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিনিয়র পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ ড. জাহেদুল হাসানের বিরুদ্ধে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাধিক অভিযোগ প্রকাশিত হচ্ছে। প্রকল্পের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এসব প্রচারণাকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন রূপপুরে কর্মরত প্রকৌশলী, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনেকেই।

এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাসানের সাথে সোমবার (৫ অক্টোবর) যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, "সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে গঠনমূলক সমালোচনা ও জবাবদিহি গুরুত্বপূর্ণ।" তবে তিনি উল্লেখ করেন, অসম্পূর্ণ তথ্য কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্তকে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে উপস্থাপন করলে প্রকল্পের প্রশাসনিক কাঠামো ও বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে।

তিনি বিভিন্ন অভিযোগের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, পরিসংখ্যান, সরকারি আদেশ, পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত ও অভ্যন্তরীণ অডিটের তথ্য তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, প্রচারিত কিছু বক্তব্যে প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব ও ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের মধ্যে যথাযথ পার্থক্য করা হয়নি। ক্ষমতা এক ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত থাকার অভিযোগের বিষয়ে ড. জাহেদুল বলেন, প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন সময়ে তাঁকে উচ্চতর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। জুন ২০২৫ থেকে তিনি এনপিসিবিএলের পূর্ণকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং এ পদের জন্য নির্ধারিত বেতন-ভাতা গ্রহণ করছেন। একই সময়ে একাধিক পদের জন্য পৃথক বেতন গ্রহণের অভিযোগ সঠিক নয় এবং সরকারি নীতিমালার পরিপন্থি বলেও তিনি দাবি করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত পরিচালনা পর্ষদ, সংশ্লিষ্ট কমিটি ও ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় নেওয়া হয়।

জনবল ও প্রশিক্ষণ সম্পর্কিত প্রচারিত তথ্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি জানান, এনপিসিবিএলে মোট ১ হাজার ৯২২ জন নিয়োগ পেয়েছেন। এর মধ্যে ৯৯৭ জন বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মধ্যে ২৭ জন প্রতিষ্ঠান ছেড়েছেন, যা মোট প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবলের প্রায় ২ দশমিক ৭ শতাংশ। ড. জাহেদুল হাসানের দাবি, গ্রেড ১৬ থেকে ১৯-এর প্রায় ১০০ কর্মীর প্রতিষ্ঠান ত্যাগকে বিশেষায়িত পারমাণবিক জনবলের প্রস্থান হিসেবে দেখানো ঠিক নয়। তাঁদের মধ্যে অ্যাটেনডেন্ট ও টেকনিশিয়ানসহ বিভিন্ন পদে কর্মরত ব্যক্তিরা ছিলেন। তাই মোট কর্মী প্রস্থান ও বিশেষায়িত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জনবলের প্রতিষ্ঠানত্যাগ পৃথকভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

উচ্চতর পদে দায়িত্ব অর্পণ নিয়েও ব্যাখ্যা দেন এনপিসিবিএল এমডি। তাঁর বক্তব্য, শপ ম্যানেজার ও ডেপুটি শপ ম্যানেজারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত ক্ষমতাপ্রাপ্ত বোর্ড কমিটি নেয়। ব্যবস্থাপনা পরিচালক এককভাবে এসব পদে কাউকে নিয়োগ বা দায়িত্ব দিতে পারেন না। ফলে বিদ্যমান কর্মীদের উচ্চতর দায়িত্ব অর্পণকে ব্যক্তিগত নিয়োগ বা একক সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখানো প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। কমিশনিং কার্যক্রম সম্পর্কেও তিনি দায়িত্বের বিভাজন তুলে ধরেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, রূপপুর প্রকল্পের মালিক বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (বিএইসি), আর এনপিসিবিএল বিদ্যুৎকেন্দ্রের অপারেটিং অর্গানাইজেশন। ফলে কমিশনিং-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত, কার্যক্রম বা বিলম্বকে সরাসরি এনপিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে উপস্থাপন করা যথাযথ নয়।

রাশিয়ায় কর্মকর্তাদের জন্য অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়ার বিষয়েও ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ড. জাহেদুল হাসান বলেন, এ ব্যবস্থা তাঁর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে নেওয়া হয়নি। তৎকালীন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিবের সভাপতিত্বে নেওয়া প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে রাশিয়ায় অবস্থানরত পরিদর্শকদের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়। ভাড়া ও অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা প্রকল্পের জেনারেল কন্ট্রাক্টর জেএসসি এটমস্ট্রয়এক্সপোর্ট (এএসই) করে। ড. জাহেদুল হাসান জানান, বিভিন্ন সময়ে মোট ৪১ জন কর্মকর্তা এসব অ্যাপার্টমেন্টে অবস্থান করেছেন এবং তাঁদের জন্য সরকারি আদেশ (জিও) জারি করা হয়েছিল। একই সময়ে তাঁরা হোটেল ভাতা গ্রহণ করেননি বলেও জানান। বাসা ভাড়ার ৭৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগকে অমূলক ও ভিত্তিহীন দাবি করে তিনি বলেন, অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ, বাস্তবায়ন ও অর্থ পরিশোধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা এবং পরবর্তী অডিট বিবেচনায় না নিয়ে এর দায় ব্যক্তিগতভাবে তাঁর ওপর চাপানো তথ্যগতভাবে সঠিক নয়। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বিষয়টি পরবর্তীতে ছয় সদস্যের একটি অভ্যন্তরীণ অডিট দলের মাধ্যমে পরিদর্শন করা হয়। দলের নেতৃত্বে ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব। বাংলাদেশ দূতাবাসের রাশিয়াস্থ দুই কর্মকর্তাও এতে অংশ নেন। অডিট প্রতিবেদনটি মন্ত্রণালয়ে দাখিল করা হয় বলে তিনি জানান।

ড. জাহেদুল হাসান বলেন, রূপপুর বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রকল্প। এ ধরনের প্রকল্প নিয়ে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে অফিস আদেশ, পরিচালনা পর্ষদ ও কমিটির সিদ্ধান্ত, সরকারি আদেশ, অডিট প্রতিবেদন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন। রূপপুর বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ চূড়ান্ত পর্যায়ে অবস্থান করছে, তাই প্রকল্পটির নিরাপত্তা, দক্ষ জনবল, কমিশনিং ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা নিয়ে তথ্যভিত্তিক আলোচনা এবং স্বচ্ছতা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষের বাড়িতে চুরি, তদন্ত শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৪৫ পি.এম


ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষের বাড়িতে চুরি, তদন্ত শুরু

ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এস এম রবিউল ইসলাম এবং কলেজের উপাধ্যক্ষ হাফিজা খাতুনের বাড়িতে একটি দুর্র্ধষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা বাড়ি থেকে নগদ প্রায় ৭ লাখ টাকা, ৬ থেকে ৭ ভরি স্বর্ণালংকার এবং একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে গেছে। চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে ঈশ্বরদী হাসপাতাল সড়কে অবস্থিত বাড়িতে গিয়ে চুরির বিষয়টি দেখতে পান রবিউল ইসলামের জামাতা এবং ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক কাজী তানভীর মাহাতাব রাসেল।

এস এম রবিউল ইসলামের ভায়রা এবং ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল ওমর সুমার খান জানান, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে এস এম রবিউল ইসলাম বর্তমানে ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ কারণে বাড়িটি অনেকটা ফাঁকা ছিল। সোমবার বিকেলে চিকিৎসক কাজী তানভীর মাহাতাব রাসেল বাড়িতে গিয়ে দরজা খোলা দেখতে পান। তবে দরজায় ভাঙচুরের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চোরেরা চাবি দিয়ে তালা খুলে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেছে।

তিনি আরও জানান, চুরি হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে নগদ প্রায় ৭ লাখ টাকা, আনুমানিক ১৭ লাখ টাকা মূল্যের ৬ থেকে ৭ ভরি স্বর্ণালংকার এবং প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন। ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, চুরির খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কয়রার মানসিক ভারসাম্যহীন আমজাদ ১০ দিন ধরে নিখোঁজ, সন্ধান চান সন্তানরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:৫০ পি.এম


কয়রার মানসিক ভারসাম্যহীন আমজাদ ১০ দিন ধরে নিখোঁজ, সন্ধান চান সন্তানরা

খুলনার কয়রা উপজেলার শিমলারআইট খেজুরডাঙ্গা গ্রামের বয়োবৃদ্ধ ও মানসিক ভারসাম্যহীন আমজাদ হোসেন মোল্লা ১০ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন, কারণ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। তার সন্তানরা বাবাকে ফিরে পেতে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।

পরিবারের সূত্রে জানা যায়, শিমলারআইট খেজুরডাঙ্গা গ্রামের মৃত রুহুল আমিন মোল্লার ছেলে আমজাদ হোসেন মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। তিনি খুব অল্প কথা বলেন। গত ২৫ সেপ্টেম্বর, তিনি বাড়ি থেকে অন্তাবুনিয়া বাজারে যাওয়ার কথা বলে বের হন। এরপর থেকে তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। আত্মীয়-স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজের সময় আমজাদ হোসেনের পরনে ছিল একটি ফতুয়া ও লুঙ্গি। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, বয়সের ভারে তিনি শারীরিকভাবে দুর্বল।

নিখোঁজ আমজাদ হোসেনের ছেলে জাকারিয়া বলেন, “আমার বাবা মানসিকভাবে অসুস্থ এবং খুব বেশি কথা বলতে পারেন না। ১০ দিন ধরে তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় আমরা খুব দুশ্চিন্তায় আছি। যদি কোনো সহৃদয় ব্যক্তি আমার বাবাকে কোথাও দেখতে পান বা তার সন্ধান পান, তাহলে দয়া করে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।” তিনি আরও জানান, কেউ আমজাদ হোসেনের সন্ধান পেলে ০১৯৫২৩৪১৩৬৪ নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। বাবাকে ফিরে পাওয়ার আশায় পরিবারের সদস্যরা এখন পথ চেয়ে আছেন। একজন অসহায় বয়োবৃদ্ধ মানুষের সন্ধানে স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছে পরিবার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%