ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

তুরস্কের সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন ড. শফিকুর রহমান


তুরস্কের সম্মেলনে যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন ড. শফিকুর রহমান

বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা ছেড়ে তুরস্কের ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দিতে রওনা হয়েছেন। তিনি বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তুরস্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।

ডা. শফিকুর রহমান সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন, যা ‘সেকেন্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন বাংলাদেশ স্টাডিজ’ নামে পরিচিত। সম্মেলনের প্রতিপাদ্য বিষয় হলো ‘বাংলাদেশ ২.০-এর সংস্কারের বহুমাত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং তুরস্ক-বাংলাদেশের সহযোগিতার নতুন দিগন্ত’ এবং এটি ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

সম্মেলনটি ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয় ও সেন্টার ফর পলিসি অ্যান্ড সোশ্যাল রিসার্চ (সিপিএসআর) যৌথভাবে আয়োজন করছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, সম্মেলনটি ৯ ও ১০ অক্টোবর ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। এতে বাংলাদেশ, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক, কূটনীতিক, গবেষক এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করবেন।

আরও পড়ুন: ডিসেম্বরের আগে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে একটি মহল: প্রধানমন্ত্রী

সম্মেলনের আলোচনায় বাংলাদেশের সংস্কারপ্রক্রিয়া, ‘বাংলাদেশ ২.০’, শাসন ও নীতিনির্ধারণ, মানবাধিকার, টেকসই উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জলবায়ু সহনশীলতা এবং তুরস্ক-বাংলাদেশ সম্পর্কের মতো বিষয়গুলোর উপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। আয়োজকদের প্রকাশিত কর্মসূচিতে এসব বিষয়কে আলোচনার ক্ষেত্র হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সম্মেলন শেষে ডা. শফিকুর রহমান সউদী আরবে যাবেন এবং সেখানে পবিত্র ওমরাহ পালন করবেন। সফর শেষে আগামী ১১ অক্টোবর সকালে তিনি দেশে ফেরার পরিকল্পনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধে আট মাসে ৮১ যুদ্ধবিমান-ড্রোন-হেলিকপ্টার খুইয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৮ পি.এম


ইরান যুদ্ধে আট মাসে ৮১ যুদ্ধবিমান-ড্রোন-হেলিকপ্টার খুইয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে আট মাসের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ৮১টি যুদ্ধবিমান, সামরিক ড্রোন ও হেলিকপ্টার হারিয়েছে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই সমরযানের মধ্যে এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল, এফ-৩৫এ লাইটনিং-২, এ-১০ থান্ডারবোল্ট-২, ই-৩ সেন্ট্রি, এমকিউ-৯ রিপারসহ বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধবিমান এবং সামরিক উড়োজাহাজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসের গবেষণা সংস্থা কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিসের (সিআরএস) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

সিআরএসের হালনাগাদ হিসাব অনুযায়ী, গত মে মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পূর্ববর্তী সংস্করণে মার্কিন সমরযানের ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যা ৪২টি ছিল। তবে সর্বশেষ হিসাবে এই সংখ্যা বেড়ে ৮১টিতে দাঁড়িয়েছে। তবে মে মাসের পর যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে ৩৯টি সমরযান হারিয়েছে—এমনটি বোঝায় না। নতুন তথ্য পাওয়া এবং আগে নথিভুক্ত না হওয়া ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা তালিকায় যুক্ত হওয়ায় এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সিআরএস জানিয়েছে, তাদের এই হিসাব চূড়ান্ত নয়। নতুন তথ্য পাওয়া গেলে কিংবা আগে রিপোর্ট না হওয়া ক্ষয়ক্ষতির বিষয় শনাক্ত হলে তালিকায় পরিবর্তন আসতে পারে। এছাড়া তালিকায় থাকা সব উড়োজাহাজ যে স্থায়ীভাবে ধ্বংস হয়েছে, তাও নয়; কিছু ক্ষতিগ্রস্ত বিমান মেরামতের পর আবার সামরিক কাজে ফিরেছে।

সর্বশেষ তালিকায় সবচেয়ে বেশি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের সংখ্যা রয়েছে। নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্যবহৃত এই ড্রোনের অন্তত ৪৫টি হারানো বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তালিকায় আরও রয়েছে ১২টি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল, দুটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট-২ এবং একটি এফ-৩৫এ লাইটনিং-২ যুদ্ধবিমান।

এফ-১৫ই যুদ্ধবিমানগুলোর কিছু ক্ষতির ঘটনা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে সিআরএস। ২ মার্চ কুয়েতের আকাশে নিজেদের বাহিনীর ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ারে’ তিনটি এফ-১৫ই ভূপাতিত হয়। ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চলাকালে আরও একটি এফ-১৫ই ধ্বংস হয়। এছাড়া সেপ্টেম্বরে জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে ইরানের হামলায় আটটি এফ-১৫ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মার্চে ইরানের হামলার সময় একটি এফ-৩৫এ লাইটনিং-২ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও পরে সেটি মেরামত করে পুনরায় সামরিক কার্যক্রমে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। ফলে সিআরএসের ৮১টির তালিকাকে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাওয়া সমরযানের সংখ্যা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির তালিকায় একটি এমকিউ-৪সি ট্রাইটন, তিনটি এমকিউ-১ সিরিজের ড্রোন, একটি এএইচ-৬৪ অ্যাপাচি, চারটি এএইচ-৬ লিটল বার্ড এবং একটি এমএইচ-৬০ সিহক হেলিকপ্টারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি ই-৩ সেন্ট্রি ও এমসি-১৩০জে কমান্ডো-২-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ উড়োজাহাজও ক্ষতিগ্রস্ত বা হারানোর তালিকায় রয়েছে।

বিশেষ করে ই-৩ সেন্ট্রির ক্ষতি মার্কিন বাহিনীর জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। এই উড়োজাহাজ আকাশপথে নজরদারি, আগাম সতর্কতা এবং কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এর মাধ্যমে যুদ্ধক্ষেত্রে আকাশ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং বিভিন্ন সামরিক ইউনিটের মধ্যে সমন্বয় করা হয়।

সিআরএসের হিসাব অনুযায়ী, আট মাসে মার্কিন সমরযানের এই ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক মূল্যও বড়। ক্ষতিগ্রস্ত বা হারানো যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও হেলিকপ্টারসহ বিভিন্ন সামরিক উড়োজাহাজ প্রতিস্থাপন ও মেরামতে যুক্তরাষ্ট্রকে বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হবে।

সিআরএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধের পরিস্থিতি পরিবর্তন এবং নতুন তথ্য প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে মার্কিন সমরযানের ক্ষয়ক্ষতির এই সংখ্যা আরও বাড়তে বা পরিবর্তিত হতে পারে। ফলে ৮১টি উড়োজাহাজের হিসাবকে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্য তথ্যের ভিত্তিতে পাওয়া সর্বশেষ সংখ্যা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেই ইসরায়েলে ৭ অক্টোবরের স্মরণসভা পালিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৯ পি.এম


গাজায় ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেই ইসরায়েলে ৭ অক্টোবরের স্মরণসভা পালিত

ইসরায়েল ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের সামরিক হামলার তৃতীয় বার্ষিকী পালন করেছে। গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এটি প্রথম বার্ষিকী, যা আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের তিন সপ্তাহ আগে উদযাপিত হচ্ছে। নিহতদের স্মরণ ও স্বজনদের শ্রদ্ধা জানিয়ে এই দিনটি পালন করা হলেও গাজা উপত্যকায় মানবিক সংকট ও অনিশ্চয়তা এখনো বিদ্যমান রয়েছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর সকাল ৬টা ২৯ মিনিটে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস গাজা সীমান্ত অতিক্রম করে দক্ষিণাঞ্চলীয় ইসরায়েলি লোকালয়ে একযোগে রকেট, বন্দুক ও গ্রেনেড নিয়ে আক্রমণ চালায়। ইসরায়েলি সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ওই হামলায় ১,২২১ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে গাজায় জিম্মি হিসেবে নিয়ে যাওয়া হয়, যাদের মধ্যে ৪৪ জন আগেই মারা যান। হামলার স্থানগুলোর মধ্যে নোভা মিউজিক উৎসবে ৩৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হন এবং কিবুটজ কাফার আজায় ৬৪ জন অধিবাসী প্রাণ হারান।

নিহতদের স্মরণে একই সময়ে বিভিন্ন স্থানে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। তবে সাম্প্রতিক তেল আবিবগামী একটি বিমানে ব্যর্থ হামলা এবং সম্ভাব্য হামলার গোয়েন্দা তথ্যের কারণে বার্ষিকী কেন্দ্র করে দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় স্মরণসভায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, গাজায় আর কখনোই হামাসের শাসন চলতে দেওয়া হবে না। ৭ অক্টোবরের হামলায় জড়িত ব্যক্তি ও জিম্মিকারীদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।

হামাসের হামলার জবাবে শুরু হওয়া ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে এ পর্যন্ত গাজায় ৭৪,২০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং পুরো ছিটমহল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সংঘাতটি পরবর্তী সময়ে লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইরান পর্যন্ত বিস্তৃত হলেও গাজার পরিস্থিতি এখনো অমীমাংসিত।

যদিও বর্তমানে যুদ্ধবিরতি চলছে, তবুও গাজার প্রায় ৬০ শতাংশের বেশি এলাকা ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং তারা এখনো বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকেও ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ১,৪৩০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। পুনর্গঠন কাজ আটকে থাকায় এবং ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় লাখ লাখ ফিলিস্তিনি তাঁবু বা অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে অমানবিক জীবনযাপন করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে কয়লাখনি সম্প্রসারণ বন্ধ, জলবায়ু ক্ষতি বিবেচনায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:০৯ পি.এম


অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে কয়লাখনি সম্প্রসারণ বন্ধ, জলবায়ু ক্ষতি বিবেচনায়

অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ আদালত জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি যথাযথভাবে বিবেচনা না করার কারণে নিউ সাউথ ওয়েলসের মাউন্ট প্লেজ্যান্ট কয়লাখনি সম্প্রসারণের অনুমোদন বাতিলের সিদ্ধান্তকে বহাল রেখেছেন। বুধবার ৩-২ সংখ্যাগরিষ্ঠ রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, প্রকল্প থেকে নির্গত গ্রিনহাউস গ্যাস কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত আরোপের বিষয়টি পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষকে বিবেচনা করতে হবে।

এটি অস্ট্রেলিয়ার হাইকোর্টে পৌঁছানো প্রথম জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত মামলা। পরিবেশবাদী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সংগঠনগুলো বলছে, এই রায়ের ফলে ভবিষ্যতে জীবাশ্ম জ্বালানি প্রকল্প অনুমোদনের সময় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে আরও গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে। তবে আদালতের রায়টি সব ধরনের জীবাশ্ম জ্বালানি প্রকল্পের জন্য একই ধরনের বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করেনি।

মাউন্ট প্লেজ্যান্ট কয়লাখনিটি নিউ সাউথ ওয়েলসের হান্টার ভ্যালির মাসওয়েলব্রুকের কাছে অবস্থিত। খনিটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ম্যাক এনার্জি (MACH Energy) খনিটির কার্যক্রম ২০৪৮ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর পাশাপাশি বার্ষিক কয়লা উৎপাদন প্রায় দ্বিগুণ করার অনুমোদন চেয়েছিল। ২০২২ সালে নিউ সাউথ ওয়েলসের ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্ল্যানিং কমিশন প্রকল্পটির অনুমোদন দেয়।

এর বিরুদ্ধে আইনি লড়াই শুরু করেন অবসরপ্রাপ্ত বিজ্ঞান শিক্ষক ওয়েন্ডি ওয়েলস এবং টনি লোনারগান। তারা স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠন ডেনম্যান অ্যাবারডিন মাসওয়েলব্রুক স্কোন হেলদি এনভায়রনমেন্ট গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাদের যুক্তি ছিল, কয়লা উত্তোলন ও পরে তা পোড়ানোর ফলে যে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হবে, তার জলবায়ুগত প্রভাব প্রকল্প অনুমোদনের সময় বিবেচনা করা প্রয়োজন।

মামলার মূল প্রশ্ন ছিল, কয়লা উত্তোলনের পর বিদেশে পোড়ানোর ফলে সৃষ্ট ‘স্কোপ-৩’ নির্গমনও প্রকল্পটির পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়নের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত কি না। আদালতের নথি অনুযায়ী, প্রকল্পটির মোট গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের প্রায় ৯৮ শতাংশই এই ধরনের নির্গমনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

হাইকোর্টের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতিরা মনে করেন, এসব নির্গমন কমানোর জন্য কী ধরনের শর্ত আরোপ করা যেতে পারে, তা নিউ সাউথ ওয়েলসের পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষ যথাযথভাবে বিবেচনা করেনি। ফলে খনি সম্প্রসারণের অনুমোদন আইনসম্মত হয়নি।

মামলার আবেদনকারী ওয়েন্ডি ওয়েলস বলেন, "কয়লা উত্তোলন করে বিদেশে পাঠানোর পর তা পোড়ানোর ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি হবে, অথচ সেই ক্ষতির সঙ্গে স্থানীয় জনগণের কোনো সম্পর্ক নেই, এমনটি ধরে নেওয়া যায় না।" টনি লোনারগান বলেন, "এই রায় কয়লা উত্তোলন রাতারাতি বন্ধ করে দিচ্ছে না, তবে জলবায়ু ক্ষতি উপেক্ষা করে খনি অনুমোদনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আইনি পরিবর্তন এনেছে।"

ম্যাক এনার্জি আদালতের সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, তারা আদালতের সিদ্ধান্ত মেনে নিচ্ছে এবং মাউন্ট প্লেজ্যান্ট খনির দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম চালু রাখার জন্য তাদের হাতে থাকা বিকল্পগুলো নিয়ে কাজ করবে।

অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের অন্যতম বড় কয়লা ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানিকারক দেশ। তাই মাউন্ট প্লেজ্যান্ট মামলার রায় ভবিষ্যতে দেশটির জীবাশ্ম জ্বালানি প্রকল্পের অনুমোদন প্রক্রিয়ায় জলবায়ু প্রভাব কীভাবে বিবেচনা করা হবে, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। তবে কোন প্রকল্পে রায়ের প্রভাব কতটা পড়বে, তা সংশ্লিষ্ট আইন ও প্রতিটি প্রকল্পের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। তথ্যসূত্র:

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদালতের নির্দেশে দুই বছর পর সেলিম খান ও শান্ত খানের মরদেহ উত্তোলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১২:১০ পি.এম


আদালতের নির্দেশে দুই বছর পর সেলিম খান ও শান্ত খানের মরদেহ উত্তোলন

সেলিম খান, যিনি আলোচিত ইউপি চেয়ারম্যান, এবং তার পুত্র চিত্রনায়ক শান্ত খানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে এই মরদেহগুলি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের খান বাড়ির পারিবারিক কবরস্থান থেকে মরদেহ দুটি উত্তোলন করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যয় হাশেম এবং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) চাঁদ মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আদালতের নির্দেশনা পাওয়ার পর ময়নাতদন্তের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের আবেদন করা হয়। জেলা প্রশাসকের অনুমোদনের পর আদালতের নির্দেশে মরদেহ উত্তোলনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

সেলিম খান চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন এবং তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করতেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনা ও পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান ‘শাপলা মিডিয়া’র স্বত্বাধিকারী ছিলেন। তার পুত্র শান্ত খান চলচ্চিত্রে অভিনয় করতেন।

সেলিম খানের বিরুদ্ধে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি অধিগ্রহণসহ বিভিন্ন বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ ছিল। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও রাজস্ব ফাঁকিসহ একাধিক মামলা থাকার কথাও জানা যায়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দিন সন্ধ্যায় এলাকা ছাড়ার চেষ্টা করার সময় জনতার পিটুনিতে সেলিম খান ও তার ছেলে শান্ত খান নিহত হন। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করে। ওই মামলার তদন্ত ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আদালত কবর থেকে মরদেহ দুটি উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%