ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

আর্তেতা-ইরাওলা: ২৯ বছর আগে সতীর্থ, আজ তারা প্রতিদ্বন্দ্বী


আর্তেতা-ইরাওলা: ২৯ বছর আগে সতীর্থ, আজ তারা প্রতিদ্বন্দ্বী

শৈশবে একই ক্লাবে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের, একসঙ্গে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তখনকার দিনগুলোতে কে জানত, একদিন তারা ইংলিশ ফুটবলের দুই শক্তিশালী ক্লাবের ডাগআউটে দাঁড়িয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠবেন! মিকেল আর্তেতা এবং আন্দোনি ইরাওলার কাহিনী এমনই।

স্পেনের সান সেবাস্তিয়ানের অপেশাদার ফুটবল ক্লাব আন্তিগুয়োকোতে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত একসঙ্গে কাটিয়েছেন আর্তেতা ও ইরাওলা। ২৯ বছর আগে যারা সতীর্থ ছিলেন, তারা এখন ফুটবল জগতের পরিচিত দুই কোচ। একজন আর্সেনালের দায়িত্বে, অন্যজন লিভারপুলের।

শৈশবের সেই পথচলা তাদেরকে একই পথে রাখেনি। খেলোয়াড়ি জীবনে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন উভয়েই। পরবর্তীতে কোচিংয়ে এসে গড়েছেন আলাদা পরিচয়। বর্তমানে আর্তেতা আর্সেনালের হয়ে প্রিমিয়ার লিগ জয়ী কোচ হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে, ইরাওলাও নিজের কোচিং দক্ষতার মাধ্যমে ইংলিশ ফুটবলে একটি স্থান তৈরি করেছেন।

আরও পড়ুন: আর্সেনাল ১৪ বছর পর অ্যানফিল্ডে লিভারপুলকে হারিয়ে শীর্ষে

সময় তাদের সম্পর্কের সমীকরণকে কতটা বদলে দিয়েছে! একসময় যারা একই দলের হয়ে মাঠে নামতেন, এখন তাদের লড়াই হচ্ছে ডাগআউটে কৌশলগতভাবে। শৈশবের বন্ধুত্বের স্মৃতিগুলো পেছনে ফেলে, এখন তাদের লক্ষ্য হলো নিজ নিজ দলকে জয়ী করা।

লিভারপুল-আর্সেনাল হাই ভোল্টেজ ম্যাচে প্রথম গোলটি করেছেন কাই হাভার্টজ। ছবি: রয়টার্স

অ্যানফিল্ডে কিছুক্ষণ আগে লিভারপুল ও আর্সেনাল খেলতে নেমেছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৬ মিনিটে কাই হাভার্টজের গোলে এগিয়ে গেছে আর্তেতার আর্সেনাল।

আরও পড়ুন: ১৪ বছর পর অ্যানফিল্ডে লিভারপুলকে হারিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ল্যাবএইড হাসপাতালে মোস্তফা জামাল হায়দারকে দেখতে গেলেন রাষ্ট্রপতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৭ পি.এম


ল্যাবএইড হাসপাতালে মোস্তফা জামাল হায়দারকে দেখতে গেলেন রাষ্ট্রপতি

জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর)-এর চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা জামাল হায়দার বর্তমানে ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি দেখতে সেখানে যান।

রাষ্ট্রপতি এ সময় মোস্তফা জামাল হায়দারের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

এছাড়াও, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. জাহিদ, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর)-এর মহাসচিব কাজী মোহাম্মদ নাহিদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার জুবায়ের হায়দার এবং দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণধর্ষণের অভিযোগে কিশোরী মিথিলা আক্তারের মৃত্যু, অভিযুক্তদের নাম ভিডিওতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৭ পি.এম


গণধর্ষণের অভিযোগে কিশোরী মিথিলা আক্তারের মৃত্যু, অভিযুক্তদের নাম ভিডিওতে

ফরিদপুরের মধুখালীতে স্কুলে যাওয়ার পথে কিশোরীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। লোকলজ্জার ভয়ে ওই কিশোরী হারপিক খেয়ে আত্মহননের পথ বেছে নেয়। ঘটনার প্রায় দেড় মাস পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে ওই কিশোরী। মৃত্যুর আগে এক ভিডিওতে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে অভিযুক্তদের নাম বলে গেছেন ওই কিশোরী, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

এ ঘটনার পর থানা পুলিশের দ্বারস্ত হলেও অভিযোগ উঠেছে যে তারা মামলা নিচ্ছে না।

সতেরো বছরের কিশোরী মিথিলা আক্তার। পারিবারিক সিদ্ধান্তে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের কাবিনও হয়েছিল। কিন্তু একদিন স্কুলে যাওয়ার পথে তাকে জোরপূর্বক তুলে নেয় তিন যুবক। এরপর নির্জন নদীর তীরে নিয়ে করা হয় গণধর্ষণ। এমন পাশবিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে তাৎক্ষণিক আত্মহননের চেষ্টা করেন। পরে প্রায় দেড়মাস পর মৃত্যুর কাছে হার মানতে হয়েছে তাকে।

মেয়ের এমন মৃত্যুতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বাবা হান্নান শেখ এবং অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী মা জেসমিন খাতুনও।

জানা যায়, গত ১৪ সেপ্টেম্বর সকাল ৭ টার দিকে স্কুলে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়েছিল মিথিলা। স্কুলে যাওয়ার পথে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে এসে পাশ্ববর্তী মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামের রাফি শেখ (২১), রায়নগর গ্রামের রাহুল শেখ (২০), সায়মন বিশ্বাস (২০) জোরপূর্বকভাবে তাকে তুলে নিয়ে যায়। পরিবারের সদস্যরা এমন খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে গেলেও খুঁজে পায়নি তাদের।

এরপর মাগুরার শ্রীপুর থানাধীন নাকোল গ্রামের মধুমতি নদীর নির্জন স্থান মাটিকাটা ঘাট নামক এলাকায় নিয়ে তিন যুবক ধর্ষণ করেন কিশোরীকে। সহযোগীতা করে সোহাগ শেখ (২০) নামের আরেক যুবক। একপর্যায়ে তাদের হাত থেকে ছুটে গিয়ে মধুমতি নদীতে ঝাপ দেয় মিথিলা। তাৎক্ষণিক স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে ফোন দেন এবং ঘটনাস্থলে এসে মিথিলাকে উদ্ধার করে নাকোল পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান।

অভিমানে পুলিশ ফাঁড়ির বাথরুমে গিয়ে সেখানে থাকা বিষাক্ত হারপিক পান করে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে কিশোরী। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশের সহযোগিতায় মাগুরা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয় এবং পরদিন উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে ১১ দিন চিকিৎসা শেষে বাড়িতে নিয়ে যায় পরিবারের সদস্যরা। এরপর থেকে শারীরিক নানা জটিলতা নিয়ে বাড়িতে রেখেই চিকিৎসা চলছিল তার। এতে কঙ্কালসারে পরিণত হয় তার শরীর। গত ২৬ অক্টোবর দিবাগত রাত একটার দিকে বাড়িতেই মারা যায় মিথিলা। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। পরে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় থানা পুলিশের দ্বারস্ত হলেও অভিযোগ উঠেছে যে তারা মামলা নিচ্ছে না।

এদিকে মৃত্যুর আগে এক ভিডিওতে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে গেছেন ওই কিশোরী, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে বলতে শোনা যায়, তাকে মোটরসাইকেলে জোড়পূর্বক তুলে নিয়ে যায় রাফি শেখ, রাহুল শেখ, সায়মন বিশ্বাস। সহযোগীতা করে সোহাগ শেখ।

সরেজমিনে রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে মিথিলাদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় শোকে স্তব্দ হয়ে আছে পরিবারের সদস্যরা। মেয়ের এমন মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন বাবা হান্নান শেখ এবং অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী মা জেসমিন খাতুনও। প্রতিবেশীরা বাড়িতে ভিড় করছে।

কোথাও বিচার না পেয়ে সাংবাদিকদের দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মিথিলার মা জেসমিন খাতুন। তিনি বলেন, ‘আমরা কম ঘুরি নাই। একটা সন্তান যহন হারায় যায় তারা কি বইস্যা থাহে? কিন্তু এই পুলিশ-দারোগা, যারা অপরাধী তাঁদের শাস্তি দেয় না, খালি ওগো টাহার দরকার, ওগোতো মা-বোন নাই! দুই থানায়তে কেস নিলো না ক্যাম্মায়ে (কেমনে)? কেস নেবে না কেন বলেন? আপনি যে অপরাধী, আপনার শাস্তি নাই? যার মৃত্যু অয়ে গ্যাছে- কেস (মামলা) না নিয়ে তাগের বাড়ি পাঠায় দেয় ক্যাম্মায়ে? তাইলে পুলিশ কত লাখ টাহা খাইছে বোঝেন!’

মিথিলার মা জেসমিন খাতুনের ভাষ্যমতে, এ ঘটনার পর পরিবারের সদস্যদের থানায় ডেকে নেন মধুখালী থানা পুলিশ। পরে তাদের শ্রীপুর থানায় পাঠানো হয়। সেখানে মামলা না নিয়ে জোরপূর্বক একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর রেখে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

তিনি বলেন, ‘শ্রীপুর থানায় গেলে ওসি মেলা লিখিত নেয় এবং জোর করে একটা কাগজে সই রাইখ্যা দেয়। আর ওসি বলল, কেস ময়নাতদন্তের পর অবে, এহন অবিনা (হবে না)। মনে অচ্ছে উনি (ওসি) প্রাইভেট পড়াচ্ছে। তখন থানায় সোহাগ ও রাফির পরিবারের লোকজনও ছিল। পরে মামলা না নিয়ে আমাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। এরপর থেকে কোনো থানায়ই মামলা নিচ্ছে না। আমার মাইয়্যাডাকে এভাবে মাইর‌্যা ফেলছে, বিচারডা কি কোথাও পাব না।’

মিথিলার ভগ্নিপতি বিপ্লব শেখ অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার শ্যালিকাকে তুলে নেয়ার তিন মাস আগে অন্য জায়গা কাবিন হয়েছিল। এতে ওর মামাতো ভাই ক্ষিপ্ত হয়, কারণ সে বিয়ে করতে চেয়েছিল। এরপর পরিকল্পনা অনুযায়ী রাফির সাথে যোগাযোগ করে এই ঘটনা ঘটায়।’

তিনি আরও বলেন, মিথিলা সুস্থ হওয়ার পর ঘটনাটি আমাদের জানিয়েছিল। এরপর ওর ভবিষ্যতের স্বার্থে বা নতুন বিয়ে হওয়ায় আমরাও কোথাও জানায়নি। কিন্তু মিথিলা এসব মেনে নিতে না পেরে শেষ পর্যন্ত চলে গেল। আমরা এই চারজনের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।

মিথিলার বাবা হান্নান শেখ বলেন, ‘কোনো থানাই মামলা নিচ্ছে না। সরকারের কাছে দাবি আমার মেয়ের মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে মামলা নেয়া হোক। আমার মেয়ের হত্যাকারীদের বিচার চাই।’

যা বলছে পুলিশ :

শ্রীপুর থানা পুলিশের তথ্যমতে, রাফি শেখের সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মিথিলার। এর মধ্যে মিথিলার অন্যত্র বিয়ে হয়। এর জের ধরে ১৪ সেপ্টেম্বর মধুমতি নদীর মাটিকাটা ঘাট এলাকায় দুজনে দীর্ঘ সময় গল্প করে এবং নদীতে ঝাপ দেয়। যা ঘাটে থাকা রফিকুল মাঝি দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের জানায়। পরে স্থানীয় ফাঁড়ির পুলিশ উদ্ধার করে নিয়ে যায় এবং এক পর্যায়ে বাথরুমে গিয়ে হারপিক খেয়েছিল মিথিলা।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওলি মিয়া বলেন, এ ঘটনায় আমরা একটি তদন্ত প্রতিবেদন করেছি। তদন্তে ওই ঘাট এলাকায় ধর্ষণের শিকার হয়েছে এমন আলামত পাওয়া যায়নি। কারণ, ঘাটটির আশপাশে ঝোপঝাড় নেই এবং ফাঁকা। তাছাড়া সেখানে মানুষের যাতায়াত এবং সার্বক্ষণিক মাঝি থাকে। তারা কেউ এ ধরনের দৃশ্য দেখেনি। তবে অন্য কোথাও ধর্ষণ করেছে কি-না সেটা আমার জানা নেই।

তিনি আরও বলেন, ‘মেয়েটিকে যখন উদ্ধার করা হয় তখন ধর্ষণের কথা জানায়নি। এমনকি দেড়মাসেও কেউ জানায়নি। তার মৃত্যুর পর একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে পরিবার, যা রহস্যজনক। খবর পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরা ফাঁড়িতে আসলে অভিভাবকদের জিম্মায় দেয়া হয়। এসময় ফাঁড়ির বাথরুমে গিয়ে হারপিক খায় কিশোরী। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তবে ধর্ষণের বিষয়টি পুলিশকে জানায়নি ওই কিশোরী।’

তিনি আরো জানান, যেহেতু চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার বাড়ি মধুখালীতে মারা গেছে, সে কারণে মধুখালী থানা ব্যবস্থা নিবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুকদেব রায় বলেন, ঘটনাটি জানার পর শ্রীপুর থানায় যোগাযোগ করি এবং থানার ওসি পরিবারকে পাঠিয়ে দিতে বলে। এরপর তারা শ্রীপুরে গেলে একটি অপমৃত্যুর মামলা নেয়া হয়। পরবর্তীতে জানতে পেরেছি মেয়েটি ধর্ষণের শিকার হয়েছিল। কিন্তু দেড়মাস আগের ঘটনাটি আমাদেরকে কেউ জানায়নি। তবে এ বিষয়ে পরিবার লিখিত অভিযোগ দিলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তবে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী ভূইয়া রতন বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগ থানা নিতে বাধ্য। অভিযোগ নেয়ার পরে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবে পুলিশ। তবে থানা অভিযোগ না নিলে আদালতেও মামলা দায়ের করতে পারবেন ভুক্তভোগীর পরিবার।

মিথিলা আক্তার ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নের রাজধরপুর গ্রামের হান্নান শেখের মেয়ে। সে স্থানীয় কাজী সিরাজুল ইসলাম স্কুল এন্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পূর্বধলায় মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সভা, গঠন হলো নির্মূল কমিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ উজ্জ্বল মিয়া নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:২৮ পি.এম


পূর্বধলায় মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সভা, গঠন হলো নির্মূল কমিটি

 নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার নয়া পাড়া গ্রামে মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় মাদক নির্মূলে পুলিশ ও এলাকাবাসীর সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় মাদকের ভয়াবহতা, এর সামাজিক ও পারিবারিক ক্ষতিকর প্রভাব এবং মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে শাস্তির বিধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে এলাকায় মাদকের বিস্তার রোধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিতভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।

সাবেক ইউপি সদস্য মহসিন মোড়লের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান, থানার সেকেন্ড অফিসার রফিকুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল রাহিত, সাংবাদিক হাবিবুর রহমান, ডা. সিরাজুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বক্তারা বলেন, মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে নয়, বরং একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়। তাই মাদক নির্মূলে শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর নির্ভর না করে পরিবার, সমাজ ও স্থানীয় সচেতন নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সভা শেষে পুলিশ ও এলাকাবাসীর সম্মিলিত উদ্যোগে নয়া পাড়া গ্রামে একটি মাদক নির্মূল কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা এলাকায় মাদকবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টি, মাদকসংক্রান্ত অপরাধ প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা এবং সামাজিকভাবে মাদক নির্মূলে কাজ করবেন বলে সভায় জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নড়াইলে অনলাইন প্রতারণা ও জুয়ার অভিযোগে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন ও একাধিক সিমসহ ৪ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নড়াইল প্রতিনিধি

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৫০ পি.এম


নড়াইলে অনলাইন প্রতারণা ও জুয়ার অভিযোগে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন ও একাধিক সিমসহ ৪ জন গ্রেফতার

নড়াইলে ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন ও একাধিক সিমসহ ৪জন অনলাইন প্রতারক ও জুয়াড়ি গ্রেফতার


নড়াইলে অনলাইন প্রতারণা ও জুয়ার অভিযোগে একটি ল্যাপটপ, দু’টি কি-বোর্ড, ছয়টি মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন কোম্পানির ১৯টি সিমসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার (১ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আলাউদ্দীন।

তিনি জানান, জেলা গোয়েন্দা শাখা নড়াইলের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোপাল চন্দ্র মÐল ও এসআই তোফায়েল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা শনিবার গভীর রাতে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।
 
এরা হলেন-নড়াইলের কালিয়া উপজেলার যাদবপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম মারুফ শেখের ছেলে সোহানুর রহমান সোহেল (৩২), একই গ্রামের (যাদবপুর) গ্রামের শামসুর শেখের ছেলে ইয়ামিন শেখ (৩৮), একই উপজেলার খড়রিয়া উত্তরপাড়ার হেদায়েত ইসলামের ছেলে রিফাত হোসেন (৩৫) এবং নড়াইল সদরের কলোড়া গ্রামের কাশেম আলীর ছেলে মুসা কাজিম বকুল আলী (৩২)।

গ্রেফতারকৃতরা ‘পদ্মার টাটকা ইলিশ’, ‘মিশরীয় মুরগি সেল বাজার’, ‘বেবি বাইক সপ বিডি’, ‘মাই মোবাইল শপ’, ‘কলম প্যাকেজিং জব’, ‘ইলেকট্রনিক ফ্যান’সহ বিভিন্ন নামে ফেসবুক পেজ পরিচালনা করে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে এক থেকে দুই বছর ধরে অনলাইনে প্রতারণা করে আসছে বলে প্রাথমিক ভাবে জানিয়েছেন তারা। ফেসবুকে পেজ খুলে বিভিন্ন চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে স্বল্প মূল্যে পণ্য দেওয়ার কথা বলে ক্রেতার কাছ হতে টাকা হাতিয়ে নিত প্রতারকচক্রটি।

ডিবি পুলিশের ওসি মো: আলাউদ্দীন আরও জানান, গ্রেফতারকৃত চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ল্যাপটপ, কি-বোর্ড, মোবাইল ফোন ও সিম জব্দ তালিকা করা হয়েছে। এসব ডিভাইস অনলাইন প্রতারণা ও জুয়ার কাজে ব্যবহৃত করত গ্রেফতারকৃতরা
 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%