০৮:৪৭ পি.এম
গত জুন মাসে হওয়া যুদ্ধবিরতির পরে, লেবাননের ওপর ইসরায়েল সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে।
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর দুটি পৃথক বিমান হামলায় অন্তত তিনটি শিশুসহ মোট ১১ জন নিহত হয়েছে এবং ১৯ জন আহত হয়েছে।
শনিবার ভোরে আনসার গ্রামের উপকণ্ঠে একটি বাড়িতে প্রথম হামলাটি চালানো হয়। ঐ হামলায় বাড়িটি পুরোপুরি ধসে যায়, যার ফলে সাতজনের মৃত্যু ঘটে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আর কেউ বেঁচে আছে কি না, তা জানতে উদ্ধারকর্মীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
আরও পড়ুন: আরাকান আর্মির হাতে রোহিঙ্গাদের দাস বানিয়ে শোষণ, জমি দখল ও জাতিগত নিধন
এই হামলার কয়েক ঘণ্টা পরে, দেইর আল-জাহরানি শহরের আরেকটি বাড়িতে দ্বিতীয় হামলাটি পরিচালিত হয়। এতে দুজন নিহত হয় এবং নয়জন আহত হন। এছাড়াও, নাবাতিহ শহরে একটি মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা চালিয়েছে, তবে চালকের অবস্থা সম্পর্কে কিছু নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
হামলার পর নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার আশঙ্কায়, মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে উত্তরের দিকে পালাতে শুরু করেছে। এর ফলে নাবাতিহ ও এর আশপাশের সড়কগুলোতে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়েছে। তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, আলী তাহের এলাকায় তাদের সৈন্যদের ওপর হিজবুল্লাহর হামলার জবাবে আনসার ও নাবাতিহ এলাকায় হিজবুল্লাহর অবকাঠামোতে আঘাত হানা হয়েছে।
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম এই হামলাকে ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নিহত সাতজন এবং শিশু-নারীরা কোনো সামরিক লক্ষ্যবস্তু বা অবকাঠামো ছিলেন না। অপরদিকে, হিজবুল্লাহও এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে কড়া জবাব দেবার হুমকি দিয়েছে। পাশাপাশি, তারা লেবানন সরকারের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের স্বার্থ রক্ষার অভিযোগ তুলেছে।
গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতার পর লেবাননে সহিংসতা অনেকটা কমে গিয়েছিল। তবে সম্প্রতি ইসরায়েলের এই বিক্ষিপ্ত হামলায়, সাধারণ মানুষের মৃত্যু এবং বাড়িঘর ধ্বংসের ঘটনা আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে।
আরও পড়ুন: ইনজেকশনের ভয় দূর করতে অভিনব 'স্টিকি প্যাচ' উদ্ভাবন, ২৫ হাজার ডলার জয় ক্ষুদে ছাত্রীর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন