ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এক মাস আগে বিয়ে করা যুবকের মৃত্যু হলো মোটরসাইকেলে


এক মাস আগে বিয়ে করা যুবকের মৃত্যু হলো মোটরসাইকেলে

নেত্রকোনায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আলবার খান সামী (২৪) নামে একজন যুবক নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৫ জুন) রাত সাড়ে ১২টার দিকে শহরের নতুন বাইপাসের দুধকুড়া নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

নিহত সামী নেত্রকোনা শহরের চকপাড়া এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা ছিলেন। তার বাবা ইসলাম উদ্দিন খান জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, এবং মা মনিরা সুলতানা, শহরের ওয়াসিম-বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের শিক্ষক। সামী ছিল তাদের একমাত্র সন্তান।

আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি

সামীর মামা ও নেত্রকোনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খালিদ সাইফুল্লাহ মুন্না জানিয়েছেন, মাসখানেক আগে সামীর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল। শনিবার (৬ জুন) বাদ জোহর শহরের বারহাট্টা রোডের জামিয়া মিফতাহুল উলুম মাদ্রাসায় তার জানাজার অনুষ্ঠিত হওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরে পৌর কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হবে।

তরুণ এই প্রাণহানির ঘটনায় জেলাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা গভীরভাবে শোক প্রকাশ করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এর আগে ২০২২ সালেও একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে কোমায় চলে গিয়েছিলেন সামী। দীর্ঘদিন পিজি হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) আইসিইউতে থাকার পর সেবার সুস্থ হয়ে ফিরলেও, শুক্রবার রাতের সড়ক দুর্ঘটনায় শেষ পর্যন্ত প্রাণ গেল এই তরুণের।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৯ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রত্যাহার, নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরবরাহ বাড়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাইকারি বাজারে কমেছে মাছের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৬ পি.এম


সরবরাহ বাড়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পাইকারি বাজারে কমেছে মাছের দাম

সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি মাছের বাজারে কমেছে মাছের দাম।

সরেজমিনে গিয়েও দেখা যায়, শনিবার (৬ জুন) ভোরের আলো ফোটার আগেই আনন্দবাজারের পাইকারি মাছের হাটে ব্যস্ত হয়ে ওঠে। পাইকার, খুচরা বিক্রেতা ও ক্রেতাদের ভিড়ে সকাল থেকেই প্রাণচাঞ্চল্যে পূর্ণ হয়ে ওঠে জেলার এই গুরুত্বপূর্ণ মাছের বাজার।

জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও প্রত্যন্ত এলাকার পুকুর, দিঘি এবং জলাশয় থেকে আনা চাষের মাছ এখানে বিক্রির জন্য তোলা হয়। ফলে, এই মাছের বাজারে প্রতিদিনই বড় পরিমাণ মাছের সরবরাহ থাকে। কেবল চাষের মাছই নয়, নদী-নালা, খাল-বিলের মাছও আসে এই পাইকারি বাজারে।

এছাড়া, হিমায়িত ইলিশ, চিংড়ি ও রূপচাঁদা মাছও পাইকারি এবং খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করা হয়। আড়তদার মো. জাফর মিয়া জানান, এই বাজার থেকে মাছ কিনে জেলার মেড্ডা বাজার, পীরবাড়ী বাজার, ফারুকী বাজার, বর্ডার বাজার, কাউতলী বাজার, ভাদুঘর বাজার, রাধিকা বাজার ও রামরাইল বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিক্রি করা হয়।

তিনি আরও জানান, বাজারে পাইকারিতে কাতল মাছ প্রতি কেজি ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা, সিলভার কার্প ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা, গ্রাসকার্প ২২০ থেকে ২৩৫ টাকা, মাঝারি আকারের রুই মাছ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং চাষের কৈ মাছ ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আরেক আড়তদার বদন মিয়া জানান, তীব্র গরমের কারণে অনেক পুকুর ও দিঘিতে মাছ ভেসে উঠছে। ফলে বাজারে মাছের সরবরাহ বেড়েছে এবং দামও কিছুটা কমেছে।

পাইকার পারভেজ সরকার বলেন, এই বাজার থেকে মাছ কিনে কসবাসসহ বিভিন্ন এলাকার বাজারে বিক্রি করি। বাজারে দামের ওঠানামার ওপর নির্ভর করেই এলাকায় মাছ কেনাবেচা হয়।

খুচরা বিক্রেতা ভূষণ দাস জানান, পাইকারি বাজার থেকে মাছ কিনে খুচরা পর্যায়ে বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করেন। কম দামে কিনতে পারলে কম দামে বিক্রি করা হয়, আর বেশি দামে কিনলে সে অনুযায়ী দাম রাখতে হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হামের সংক্রমণ: ঈদের ছুটি শেষে স্কুল খোলা নিয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে উদ্বেগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৮ পি.এম


হামের সংক্রমণ: ঈদের ছুটি শেষে স্কুল খোলা নিয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে উদ্বেগ

ঈদের ছুটি শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে যাচ্ছে। আর এই কারণে হামের সংক্রমণ বাড়ার শঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, বিদ্যালয়ে অধিক সংখ্যক ছাত্রছাত্রী সমাগমের ফলে হাম ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি গরম আবহাওয়ার কারণে শিশুদের চিকেনপক্স এবং ডায়ারিয়ার কারণে তাদের উদ্বেগও বৃদ্ধি পাচ্ছে। চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়েছেন, অসুস্থ শিশুদের পুরোপুরিভাবে আইসোলেশনে রেখে বাসায় চিকিৎসা করতে।

দেশে নিয়ন্ত্রিত হাম এবারে লাগামহীনভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। মাত্র তিন মাসের কম সময়ের মধ্যে এই সংক্রামক রোগটি ছয় শতাধিক প্রান কেড়ে নিয়েছে এবং প্রায় ৯০ হাজার মানুষকে আক্রান্ত করেছে।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়া অধিকাংশ শিশু তাদের পরিবারের সদস্যদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। আবার কিছু শিশু হাসপাতাল থেকেই সংক্রমিত হয়েছে।

চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে গেলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। ঈদের ছুটি শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে তাই চিকিৎসকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা উদ্বিগ্ন যে, এর ফলে হামের সংক্রমণ আবারও বৃদ্ধি পেতে পারে।

শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ এনায়েত হোসেন বলেছেন, ‘অতিরিক্ত গরমের কারণে হামের পাশাপাশি শিশুদের চিকেনপক্স এবং ডায়ারিয়া নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। সংক্রমণ পুরোপুরি প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনে শিশুদের আইসোলেশনে রাখতে হবে।’

হামে আক্রান্ত শিশুদের সঠিক আইসোলেশনে রেখে বাসায় চিকিৎসা নেওয়া হলেও, বেশ কিছু শিশু সুস্থ হয়ে উঠছে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৫ জুন পর্যন্ত সারা দেশে হাম এবং এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৬১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯১টি শিশু এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৫১৯ জন মারা গেছে।

১৫ মার্চ থেকে ৫ জুন পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৭৬ হাজার ৮৭৬ জন। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৫০৩ জন। এর মধ্যে হাসপাতাল ভর্তি হয়েছে মোট ৬২ হাজার ২৩৭ রোগী, যাদের মধ্যে ৫৮ হাজার ১৫৪ জন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরেই দিতে হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাসেবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:০৯ পি.এম


জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরেই দিতে হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসাসেবা

চাঁদপুরে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরে চিকিৎসাসেবা দিতে হয়। একটি কক্ষে গাদাগাদি করে বসে একাধিক চিকিৎসক রোগীদের চাপ সামাল দেন। নারীরা, শিশুরা এবং পুরুষ ওয়ার্ডের অবস্থাও একই রকম। চালকের অভাবে দুটি অ্যাম্বুলেন্স বন্ধ থাকায় অচল হয়ে পড়ে।

এ ছাড়া, হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম ও বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নেই। অবকাঠামোগত নানা সমস্যার কারণে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। তবে স্থানীয় সংসদ সদস্য সংকটের সমাধানে আশা দিচ্ছেন।

হাইমচর হল মেঘনাপাড়ের জনপদ। এই উপজেলার বেশিরভাগ নিটে মানুষ দুর্গম চরে বাস করে। বিশেষ করে ঈশানবালা, নীলকমল, মাঝেরচরসহ আশপাশের চরগুলোতে কোনো ক্লিনিক বা হাসপাতাল নেই। ফলে চিকিৎসাসেবা নিতে তাদের মেঘনা নদী পার করতে হয়। কিন্তু মূল ভূখণ্ডের সরকারি হাসপাতালটিরও দুরাবস্থা।

পুরনো জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরে চলছে স্বাস্থ্যসেবা। ছোট ছোট কয়েকটি কক্ষে একাধিক চিকিৎসককে বসতে হচ্ছে। নেই একটি এক্স-রে মেশিন, অস্ত্রোপচার বা প্রসূতি ডেলিভারি কক্ষ। টিনের চালায় ফুটো হওয়ার কারণে বৃষ্টির সময় দুর্ভোগ বাড়ে। সাধারণ মানুষ সরকারি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অনেক সময় চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার জন্য রোগীর মৃত্যু ও নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

রোগীদের পাশাপাশি চিকিৎসকরাও কষ্টের কথা জানান। ছোট একটি কক্ষে বসে এক দিনে বহির্বিভাগের অন্তত ২৫০ থেকে ৩০০ রোগীকে চিকিৎসাসেবা দিতে হয় তাদের। এর ফলে স্বাভাবিক স্বাস্থ্যসেবা দেয়া ব্যাহত হয়। তাছাড়া নারী, শিশু ও পুরুষ ওয়ার্ডের অবস্থা আরো শোচনীয়। নিয়মিত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকছে না, পানির ব্যবস্থাও নেই। এতে ভর্তি হওয়া রোগীদের কষ্ট অনেক বেড়ে যায়। এসব সমস্যা সমাধানে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চেয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদুন নবী মাসুম।

হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এমন বেহাল অবস্থার সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীন। হাসপাতালের এমন দুর্দশা স্বীকার করে তিনি বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগের নজরে এনেছেন।

স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেন, ‘গুরুতর সমস্যাগুলো ইতোমধ্যে চিহ্নিত করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর জন্য জরুরি আর্থিক বরাদ্দও দেয়া হবে। এছাড়া ৫০ শয্যা থেকে বাড়িয়ে ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। আগামী দুই-তিন বছরের মধ্যে হাইমচরে মানসম্মত একটি সরকারি হাসপাতাল গড়ে উঠবে।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চার বছর আগে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহুতল ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার আগে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে অভ্যুত্থানের পরে ঠিকাদার পালিয়ে যান। তারপর থেকে মূল ভবনসহ আরও কয়েকটি স্থাপনার নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে। এ কারণে পুরোনো ও জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরে অব্যাহত রয়েছে উপজেলার চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির মাঠে ফেরার সম্ভাব্য সময় জানালেন স্ক্যালোনি, বাকিদের খবর কী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০১:১১ পি.এম


মেসির মাঠে ফেরার সম্ভাব্য সময় জানালেন স্ক্যালোনি, বাকিদের খবর কী

বিশ্বকাপে আলজেরিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার উদ্বোধনী ম্যাচের বাকি মাত্র ১১ দিন রয়েছে। তার পূর্বে আগামী রোববার (৭ জুন) এবং ১০ জুন হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে লিওনেল স্ক্যালোনির দল। শেষ মুহূর্তের কঠোর প্রস্তুতি সেশনের মাধ্যমে লিওনেল স্কালোনির কোচিং স্টাফ ইনজুরিতে থাকা খেলোয়াড়দের শারীরিক অবস্থার পরীক্ষা করার সুযোগ পাচ্ছেন। হন্ডুরাসের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত প্রীতি ম্যাচের পূর্বে সংবাদ সম্মেলনে কোচ তাদের অগ্রগতি নিয়েও আশাবাদ প্রকাশ করেছেন।

আর্জেন্টিনা দল যুক্তরাষ্ট্রে এসেছে এমন নয়জন খেলোয়াড়কে নিয়ে, যারা ইনজুরি বা শারীরিক অস্বস্তির কারণে স্বাভাবিকভাবে অনুশীলনে অংশ নিতে পারছেন না। তাদের মধ্যে কেউ ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলন করছেন, আবার কেউ আলাদাভাবে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে আশা করা হচ্ছে তারা উদ্বোধনী ম্যাচের জন্য ফিট হয়ে উঠবেন।

স্ক্যালোনি ব্যাখ্যা করেন, 'যারা আলাদাভাবে অনুশীলন করছে তারা উন্নতি করছে। যখন আমরা স্কোয়াড ঘোষণা করেছি, তখনই প্রত্যেকের অবস্থা জানতাম এবং তারা ভালো আছে। স্বাভাবিকভাবেই আমরা এই ম্যাচগুলোতে তাদের ঝুঁকিতে ফেলতে চাই না। পরিকল্পনা হলো তারা এই দুই প্রীতি ম্যাচে অংশ নেবে না।'

এমএলএসে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিরুদ্ধে ম্যাচে অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়ার পর থেকেই লিওনেল মেসির ফিটনেস নিয়ে শঙ্কা সৃষ্টি হয়। মেসির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সুখবর দিয়েছেন আর্জেন্টিনার কোচ। তিনি বলেছেন, 'লিও ভালো আছে। সে দলের সঙ্গে আংশিক অনুশীলন করেছে, এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সে এখন আর পুরোপুরি আলাদা নয়। এমনকি সে এই ম্যাচগুলোর একটিতে খেলতেও পারে। আমরা দেখব সেটা আগামীকালের ৯৭ জুন) নাকি পরের ম্যাচের। সে অনেক ভালো অবস্থায় আছে, যা আমাদের স্বস্তি দিচ্ছে।'

ইনজুরিতে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে যারা আলজেরিয়ার বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচের আগেই সুস্থ হয়ে উঠতে পারে:

নিকোলাস গঞ্জালেস: অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের হয়ে মৌসুমের শেষ দিকে বাম রেক্টাস ফিমোরিস পেশিতে ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে তিনি বাইরে ছিলেন। শুরু থেকেই তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলন করছেন এবং তার আলজেরিয়ার বিপক্ষে খেলা নিয়ে কোনো সংশয় নেই।

ক্রিস্টিয়ান রোমেরো: 'কুতি' ডান হাঁটুর মিডিয়াল কোল্যাটারাল লিগামেন্টে আঘাতের কারণে সবাইকে ভয় পাইয়ে দিয়েছিলেন। টটেনহ্যামের হয়ে শেষ মাসে খেলতে না পারলেও, ডায়াগনোসিসের পর পরিস্থিতি ইতিবাচক হয়ে ওঠে। মঙ্গলবার (২ জুন) থেকে তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলন করছেন এবং বর্তমানে তিনি ১০০% ফিট।

জুলিয়ান আলভারেজ: বুধবার (৩ জুন) ওপেন ট্রেনিং মিস করার কারণে কিছু উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তবে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) তিনি সম্পূর্ণ অনুশীলনে ফিরেছেন। চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালে আর্সেনালের বিরুদ্ধে পাওয়া গোড়ালির চোটের পর থেকেই তিনি অস্বস্তিতে ছিলেন।

লিওনেল মেসি: ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলার সময় বাম হ্যামস্ট্রিংয়ে সামান্য স্ট্রেইন পেয়েছেন। তিনি এখনও আলাদা অনুশীলন করছেন এবং হন্ডুরাসের বিরুদ্ধে শনিবারের (৭ জুন) প্রীতি ম্যাচে খেলবেন না। তবে ১৬ জুনের আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচে তার খেলা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

এমিলিয়ানো মার্টিনেজ: ডান হাতের রিং ফিঙ্গারে ফ্র্যাকচারের কারণে ব্যান্ডেজ সহ এক হাতে অনুশীলন করছেন। এমি অতিরিক্ত সতর্কতার সঙ্গে প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং উদ্বোধনী ম্যাচের জন্য ফিট থাকবেন। তিনি প্রীতি ম্যাচগুলোতে খেলবেন না, তবে আফ্রিকান দলের বিরুদ্ধে শুরুর একাদশে থাকবেন।

নাহুয়েল মলিনা: ১৬ মে সেল্টা ভিগোর বিপক্ষে কোয়াড্রিসেপসে গ্রেড ১ টিয়ার পাওয়ার পর তিনি বাইরে ছিলেন। সময়ের হিসেবে বিশ্বকাপ শুরুর আগে পর্যাপ্ত সময় এখনও রয়েছে, তাই তিনি ফেরত আসতে পারেন এবং শিগগিরই দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন।

অন্যদিকে, তিনজন খেলোয়াড়ের পরিস্থিতি এখনও অনিশ্চিত। গনসালো মন্টিয়েলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত নয়, কারণ তিনি গ্রেড ২ কোয়াড্রিসেপস টিয়ারে ভুগছেন এবং এখনও পুরো দলের সঙ্গে অনুশীলনে ফিরে আসেননি। সময় অনুযায়ী তিনি খুব কম সময়ের মধ্যে ম্যাচের জন্য ফিট হতে পারেন।

লিয়ান্দ্রো পারেদেস (হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি) এবং নিকো পাজ (হাঁটুর হালকা হাড়ের ইনজুরি) আলাদাভাবে অনুশীলন করছেন এবং হন্ডুরাস ম্যাচের পর তাদের অবস্থা মূল্যায়ন করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, তারা রোববার (৭ জুন) থেকে দলের অনুশীলনে ফিরে আসতে পারেন। তবে আইসল্যান্ডের বিরুদ্ধে পরের প্রীতি ম্যাচে তাদের খেলানোর ঝুঁকি নেওয়া হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%