বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১১:০৭ পি.এম
ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন পাকিস্তানের যোগাযোগমন্ত্রী আবদুল আলিম খান। এই আলোচনা ইরানে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদ্দামের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়।
এ তথ্য পাকিস্তানের যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্রের মাধ্যমে জানানো হয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম ডন।
বৈঠকে, আবদুল আলিম খান ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, কঠিন সময় কাটিয়ে ইরান আবারও ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হবে।
ইরানের রাষ্ট্রদূত পাকিস্তানের মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান, কারণ তিনি পারস্পরিক সমস্যার সমাধানে আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি, পাকিস্তানের জনগণের ইরানের প্রতি অবিচল সমর্থনের প্রশংসা করেন তিনি।
বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করার পাশাপাশি পাকিস্তান-ইরান সীমান্তে বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই মনে করে, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি দুই দেশের জন্য কল্যাণকর হবে।
এ সময়, আবদুল আলিম খান ইরানের জনগণের শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি নিকট ভবিষ্যতে ইরান সফরের আগ্রহও প্রকাশ করেন। ইরানের রাষ্ট্রদূত তাঁর এ আগ্রহকে স্বাগত জানান।
এমএমআর
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অনিয়ম চিহ্নিত করার জন্য একটি স্বাধীন ‘থার্ড আই’ বা তদারকি সত্তা গঠন করা আবশ্যক। একই সঙ্গে, মানবাধিকারকর্মী, গুম থেকে ফিরে আসা ভুক্তভোগী, সাংবাদিক এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বিদ্যমান দুর্বল আইন সংশোধন করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে স্বাধীন ও কার্যকরী সংস্থায় রূপান্তর করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার, রাজধানীর বনানীতে কেজ ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃক আয়োজিত ‘আউট অব দ্য শ্যাডো’ শীর্ষক দিনব্যাপী সেমিনারে বক্তারা এসব দাবি তুলে ধরেন।
সেমিনারে মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন মন্তব্য করেন, “কোন ছেলেটি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মসজিদে গিয়ে জামায়াতে পড়ছে, তাকে টার্গেট করে গুম করা হতো। দাড়ি-টুপি পরা মানুষদের তো নির্মমভাবে তুলে নেওয়া হতোই। জুমার নামাজের পর মসজিদ থেকে বের হওয়া তরুণদের বয়স বিবেচনায় আটক করা হতো। দাড়ি-টুপি পরা মানুষকে ‘উগ্রবাদী’ ট্যাগ দেওয়া হতো। আবার দাড়ি-টুপি ছাড়া স্বাধীনভাবে লেখালেখি করা, মতামত প্রকাশ বা প্রশ্ন তোলার কারণে বহু মানুষকে লক্ষ্য করে গুম করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, ‘ওয়ার অন টেরর’-এর অজুহাতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কার্যালয়ে একাধিক বিদেশি দেশের গোয়েন্দাদের অঘোষিত উপস্থিতি ছিল। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তারা এবং কিছু সাংবাদিক উপস্থিত থাকতেন। গোপন বন্দিশালায় আটকে রাখা, গুমের পর হত্যা করে নদী ও রেললাইনে লাশ ফেলে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। রাজনৈতিক বিরোধী, পাহাড়ি জনগোষ্ঠী এবং নারীরাও এর শিকার হয়েছেন। নির্যাতনের ক্ষতচিহ্ন দেখেও বিচারকদের উদাসীনতা লক্ষ্য করা গেছে, কখনো আসামিকে এজলাসে না তুলে গাড়িতে রেখেই আদেশ দিতেন।
এ ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন ও আইনি ব্যবস্থার ব্যত্যয় নিরসনে তিনি সুনির্দিষ্ট চারটি সুপারিশ উপস্থাপন করেন। প্রথমত, আইনবহির্ভূত গ্রেপ্তার বন্ধ করে প্রকাশ্যে সাক্ষী রেখে অভিযোগ জানিয়ে আটক করতে হবে। দ্বিতীয়ত, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার অনিয়ম চিহ্নিত করতে একটি স্বাধীন ‘থার্ড আই’ বা তদারকি সত্তা গঠন করা আবশ্যক এবং বিচারকদের স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম করার জন্য শক্তিশালী কমিশন প্রয়োজন। তৃতীয়ত, বিদ্যমান দুর্বল আইন সংশোধন করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে স্বাধীন ও কার্যকরী সংস্থায় রূপান্তর করতে হবে। চতুর্থত, আন্তর্জাতিক সংস্থায় অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি সংবাদমাধ্যম ও লাগাতার সেমিনারের মাধ্যমে জনসচেতনতা বজায় রাখতে হবে।
সাংবাদিক আবু সুফিয়ান বলেন, “একজন মানুষ যে-ই হোক, তার মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। শেখ হাসিনার শাসনামলে সাংবাদিক সমাজ দুই ভাগে বিভক্ত ছিল। একদল সরকারি বয়ান প্রচার করত, অন্যদল সত্য প্রকাশের চেষ্টা করত। শেষোক্তরা চাকরি হারাত, হুমকি ও ট্যাগিংয়ের শিকার হতো। একশ্রেণির জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বিচারবহির্ভূত হত্যার পক্ষে ফেসবুকে লিখে বিনিময়ে পদ ও সুযোগ-সুবিধা পেতেন।” তিনি বলেন, সত্য নিজের বাবার বিপক্ষে গেলেও সাংবাদিককে তা তুলে ধরতে হবে এবং রাষ্ট্রকে অনবরত প্রশ্ন করতে হবে। সত্যের পথে থাকতে হবে, চাকরি হারানোর ভয় করা যাবে না।
গুম থেকে ফিরে আসা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল্লাহিল আমান আযমী মন্তব্য করেন, জাতিসংঘের অধীনে মানবাধিকারের সুনির্দিষ্ট বৈশ্বিক মানদণ্ড নেই। ফিলিস্তিন বা এশিয়ার ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ পশ্চিমা দেশগুলোর চেয়ে ভিন্ন। অধিকার আদায়ের জন্য প্রথমে দেশের ভেতরে জাতীয় ঐকমত্য, পরে আঞ্চলিক ঐক্য গড়তে হবে। তিনি আরও বলেন, আইনের শাসনের অভাবে এ ধরনের গুম-খুন হয়। যারা এসব কাজ করে, তাদের ঈমান নেই। মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীরা সেনাবাহিনীতে থাকা অবস্থায় অপরাধ করতে পারেনি, কারণ তারা জানে সেখানে আইন কঠোর। তাই যতজন অপরাধ করেছে, তারা সবাই র্যাব, ডিজিএফআই ও এনএসআইয়ে প্রাক্কলনে যাওয়ার পর অপরাধ করেছে।
গুমের ভুক্তভোগী মুফতি জসীমউদ্দিন রাহমানী বলেন, শেখ হাসিনা ও তৎকালীন ডিবি নিজেদের অপরাধ ঢাকতে জঙ্গি নাটক সাজাত। তার সামনেই ‘আনসারুল্লাহ বাংলা টিম’ নামে কাল্পনিক সংগঠন তৈরি করে তাকে প্রধান হিসেবে দেখানো হয়, যার বাস্তব অস্তিত্ব বিচারেও পাওয়া যায়নি। সদ্ব্যবহার ও গণজাগরণের মাধ্যমে দাওয়াতি উপায়ে পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সন্ত্রাসের মাধ্যমে ইসলাম কায়েম সম্ভব নয়।
হেফাজত নেতা হারুন ইজহার বলেন, সরকারের পতনের পরও জুলুমের আইনি কাঠামো বহাল রয়েছে। মুফতি আব্দুল হাই, মুফতি শফিক ও মাওলানা শেখ ফরিদসহ বহু আলেম মিথ্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ড নিয়ে কারাগারে রয়েছেন। নিরপরাধদের মুক্ত করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
কেজ ইন্টারন্যাশনালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রব্বানীর সঞ্চালনায় সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন মাওলানা মীর ইদ্রিস, শের মুহাম্মদ প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে বদলি করা হয়েছে দুই উপসহকারী প্রকৌশলীকে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) একটি অফিস আদেশে তাঁদের বদলির বিষয়টি জানানো হয়েছে। বদলির আদেশ কার্যকর হবে আগামী ২ নভেম্বর থেকে।
বদলি হওয়া দুই কর্মকর্তা হলেন তাহসিনুর রহমান ও ফারজানা আক্তার। তাহসিনুর রহমানকে বগুড়ার মোকামতলা এবং ফারজানা আক্তারকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে পদায়ন করা হয়েছে।
এলজিইডির আগারগাঁওয়ের সদর দপ্তর থেকে ২৮ অক্টোবর জারি করা পৃথক অফিস আদেশে তাঁদের বদলির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। ২৯ অক্টোবর এই সংক্রান্ত আদেশ প্রতিবেদকের হাতে আসে। উভয় কর্মকর্তা আখাউড়া উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদানের জন্য আগামী ২ নভেম্বর থেকে তাঁদের স্ট্যান্ড রিলিজ করা হলো। একই সঙ্গে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আদেশে আরও বলা হয়, বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের এলজিইডির পিএমআইএসের মাধ্যমে ছাড়পত্র গ্রহণ করে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপের গ্রুপ ‘এ’-এর পঞ্চম ম্যাচে ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সকে বিপুল ব্যবধানে পরাজিত করেছে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশ (এআইইউবি)। স্কলার্স মাঠ ছাড়ে ৪-০ গোলে লজ্জাজনক হার নিয়ে। এআইইউবির এই দাপুটে জয়ের নায়ক ছিলেন স্ট্রাইকার আক্কাস, যিনি জোড়া গোল করে ম্যাচ সেরার পুরস্কার অর্জন করেন।
ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এবিজি স্পোর্টস সিটির বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায়। ম্যাচের শুরু থেকেই স্কলার্সের রক্ষণভাগকে চাপে রাখে এআইইবি। খেলার মাত্র ৩ মিনিট পর আক্কাস একটি চমৎকার গোল করে দলকে এগিয়ে দেন।
প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে রাহীর দুর্দান্ত গোলে এআইইউবি ব্যবধান দ্বিগুণ করে (২-০) বিরতিতে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ অব্যাহত রাখে এআইইউবি। ম্যাচের ২৭ মিনিটে রিয়াদের পা থেকে আসে দলের তৃতীয় গোল। ফলে ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে এবং পুরোপুরি কোণঠাসা হয়ে যায়।
এর মাত্র ৫ মিনিট পর, ম্যাচের ৩২ মিনিটে আক্কাস নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোলটি করে স্কলার্সের ম্যাচ থেকে ছিটকে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ম্যাচের শেষের দিকে স্কলার্স গোলের জন্য বেশ কয়েকটি জোরালো আক্রমণ চালালেও এআইইউবির রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় তারা গোলের দেখা পায়নি। ফলে ৪-০ গোলের বড় পরাজয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় স্কলার্সকে।
পুরো ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স ও জোড়া গোল করে আক্কাস সবার নজর কাড়েন এবং ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেন।
ম্যাচটি সরাসরি সম্প্রচার করছে দেশের একমাত্র ক্রীড়াভিত্তিক টেলিভিশন চ্যানেল টি স্পোর্টস।
দেশের বৃহত্তম শিল্পগোষ্ঠী আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (এবিজি) উদ্যোগ ও পৃষ্ঠপোষকতায় গত ২৫ অক্টোবর শুরু হয়েছে ‘এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ-২০২৬’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ছেলের ১৮তম জন্মদিনে উপহার হিসেবে গত ২৫ অক্টোবর স্বপ্নের এল ক্লাসিকো দেখতে গিয়েছিলেন ফ্রানতিশেক ভাভরেক। কিন্তু কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে উল্লাসের পর সেই স্বপ্নটি পরিণত হয় এক তিক্ত অভিজ্ঞতায়।
স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক মার্কার কাছে অভিযোগ করেছেন রিয়াল মাদ্রিদের সমর্থক ফ্রানতিশেক ভাভরেক। স্লোভাকিয়ার এই নাগরিকের দাবি, বার্সেলোনার মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে এমবাপ্পের গোল উদযাপনের পর তাকে ও তার ছেলেকে বের করে দেওয়া হয়। পরে ট্যাক্সিতে বসে মোবাইল ফোনে ম্যাচের বাকি অংশ দেখতে হয় তাদের।
ভাভরেক জানান, ছেলে ডেনিসের ১৮তম জন্মদিন উপলক্ষে তিনি এই ম্যাচ দেখার পরিকল্পনা করেছিলেন। দুটি টিকিটের জন্য খরচ হয়েছিল ২ হাজার ৮০০ ইউরো (৩ লাখ ৮৭ হাজার টাকা)। তার দাবি, মাঠে প্রবেশের সময় নিরাপত্তাকর্মীরা তাদেরকে রিয়ালের জার্সি খুলতে বলেন। জার্সি কোথায় রাখবেন জানতে চাইলে দেখিয়ে দেওয়া হয় আবর্জনার পাত্র।
এ প্রসঙ্গে ভাভরেক বলেন, “আমি ডেনিসকে বলেছিলাম, আমরা রিয়াল মাদ্রিদের সমর্থক। আমাদের জার্সি কখনো আবর্জনার পাত্রে ফেলব না।”
এরপর ভাভরেক বলেন, “আমরা রিয়ালের জার্সি পরেই প্রায় এক ঘণ্টা ছিলাম। এমবাপ্পের প্রথম গোলের পর শুধু দাঁড়িয়ে একে-অপরকে জড়িয়ে ধরেছিলাম। এরপর নিরাপত্তাকর্মীরা আমাদের বের করে দেয়।
ভাভরেকের ভাষ্য, “আমরা কোনো সহিংস আচরণ করিনি, কাউকে হুমকি দিইনি কিংবা সহিংসতায় উসকানিও দিইনি। শুধু দাঁড়িয়ে একে-অপরকে জড়িয়ে ধরে গোল উদযাপন করেছি।”
তিনি আরো জানান, নিরাপত্তাকর্মীরা প্রথমে জার্সি খুললে ক্যাম্প ন্যুতে ফেরার সুযোগ দেওয়ার কথা বললেও পরে সিদ্ধান্ত বদলান। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের পর তারা স্টেডিয়াম ছাড়েন। শেষ পর্যন্ত ট্যাক্সিতে বসে মোবাইল ফোনে খেলা দেখেন বাবা-ছেলে।
রিয়াল মাদ্রিদ সমর্থক ভাভরেকের অভিযোগ নিয়ে এখনো বার্সেলোনা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বাবা-ছেলের এই ত্যাগ স্বীকার বৃথা যায়নি। এল ক্লাসিকোয় এমবাপ্পের জোড়া গোলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সাকে ২-১ ব্যবধানে হারায় রিয়াল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ