ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্রের দায়িত্ব পেলেন আবু হানিফ


গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্রের দায়িত্ব পেলেন আবু হানিফ

দলের উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফকে গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

গণমাধ্যমের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করার এবং দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৪ জুন) গণঅধিকার পরিষদের দফতর সম্পাদক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আরও পড়ুন: রাজধানীতে রাস্তা পার হতে গিয়ে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দলের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুনের অনুমোদনের ভিত্তিতে আবু হানিফকে মুখপাত্র হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তাহলে তিনি কিনা দলীয় অবস্থান, নীতিগত সিদ্ধান্ত ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ এবং বক্তব্য উপস্থাপন করবেন।

আবু হানিফ দীর্ঘ সময় ধরে গণঅধিকার পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

তিনি বর্তমানে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম উচ্চতর পরিষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবের ৩ শহরে জরুরি সতর্কতা জারি

এছাড়া তিনি গণমাধ্যম সমন্বয়ক হিসেবে দলীয় প্রচার ও যোগাযোগ কার্যক্রমে সক্রিয় ভুমিকা রেখেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌ-মহড়া চলতি মাসেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ পি.এম


চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌ-মহড়া চলতি মাসেই

চীন এবং রাশিয়া চলতি মাসেই তাদের যৌথ বার্ষিক নৌ-মহড়ার আয়োজন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর পাশাপাশি, প্রশান্ত মহাসাগরের কয়েকটি এলাকায় যৌথ টহল পরিচালনারও পরিকল্পনা রয়েছে। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রোববার এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

মস্কো এবং বেইজিংয়ের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। ওয়াশিংটনকেন্দ্রিক বৈশ্বিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিরোধিতার ক্ষেত্রে দু’দেশের অভিন্ন অবস্থানের ফলে তাদের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে।

বেইজিং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে যে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন এবং রাশিয়া নিয়মিতভাবে যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনা করে আসছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা দেশসহ অন্যান্য কয়েকটি দেশের কাছে এই সামরিক অংশীদারীত্ব সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে।

চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই দেশের নৌবাহিনী 'জয়েন্ট সি-২০২৬' মহড়ায় অংশগ্রহণ করবে। এটি চীনের পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক বন্দর ও সমুদ্র উপকূলীয় পর্যটন শহর ছিংদাওয়ের উপকূলসংলগ্ন জলসীমা এবং আকাশসীমায় অনুষ্ঠিত হবে।

বিবৃতিতে যা বলা হয়েছে, 'মহড়া শেষে উভয় পক্ষের কিছু বাহিনী প্রশান্ত মহাসাগরের সংশ্লিষ্ট এলাকায় যৌথ সামুদ্রিক টহল পরিচালনা করবে।'

এতে এই বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে, 'এই আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে যৌথভাবে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।'

তবে মহড়ায় কত সংখ্যক সেনা বা যুদ্ধজাহাজ অংশগ্রহণ করবে, সে সম্পর্কে কোন তথ্য জানানো হয়নি।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের চীন সফরের প্রায় দুই মাসের মাথায় এ মহড়ার ঘোষণা দেয়া হলো। সফরের সময় পুতিন বলেছিলেন, দুই দেশের সম্পর্ক 'অনন্য উচ্চতায়' পৌঁছেছে। অন্যদিকে, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং এই অংশীদারত্বকে 'অটুট' বলে অভিহিত করেছেন।

চীন এবং রাশিয়া ২০১২ সাল থেকে 'জয়েন্ট সি' নামে যৌথ নৌ-মহড়া আয়োজন করছে। গত বছরের মহড়া রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় বন্দরনগরী ভ্লাদিভস্তকের কাছে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর পরে প্রশান্ত মহাসাগরে দুই দেশ যৌথ টহল পরিচালনা করে।

চীন কখনোই ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার নিন্দা জানায়নি, তবে বেইজিং বরাবরই দাবি করে এসেছে যে, তারা এ সংঘাতে নিরপেক্ষ অবস্থানে রয়েছে। নিয়মিত শান্তি আলোচনার আহ্বান জানাচ্ছে তারা।

তবে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউক্রেনের বহু পশ্চিমা মিত্রের বিশ্বাস, মস্কোর যুদ্ধ প্রচেষ্টায় বেইজিং সমর্থন দিয়ে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘরে ঢুকে যুবককে জবাই করে হত্যার অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৭ পি.এম


ঘরে ঢুকে যুবককে জবাই করে হত্যার অভিযোগ

ময়মনসিংহ নগরের রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকায় দুর্বৃত্তরা রুবেল নামের এক যুবককে ঘরে ঢুকে জবাই করে হত্যা করেছে। এই হৃদয়বিদারক ঘটনা রবিবার (৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার সময় ঘটে।

নিহত যুবক রামকৃষ্ণ মিশন রোডে বসবাস করতেন এবং তিনি এলাকাবাসীর কাছে কাইল্যা রুবেল নামেও পরিচিত ছিলেন। রুবেল স্থানীয়ভাবে একজন মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সকালে সাড়ে ১১টার দিকে রুবেল নগরের রামকৃষ্ণ মিশন রোডে একটি ভাড়া বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

সেই সময়ে অজ্ঞাত দুবৃর্ত্তরা তার ঘরে ঢুকে আসে। প্রথমে তারা রুবেলকে বাঁশ দিয়ে পেটাতে শুরু করে। পরে এক পর্যায়ে তারা তাকে জবাই করে ঘরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। খবর পাওয়ার পর রুবেলকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. শিবিরুল ইসলাম এই ঘটনার পরপরই বলেন, ‘ঘটনার পরে আমরা পুলিশ দিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। রুবেলকে কেন এবং কারা হত্যা করেছে সে বিষয়ে আমরা তদন্ত কাজ করছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিম্মি দশার অবসান: বিতর্কিত ওসি মিজানের শাস্তিমূলক বদলিতে বরিশালে স্বস্তির নিঃশ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৭ পি.এম


জিম্মি দশার অবসান: বিতর্কিত ওসি মিজানের শাস্তিমূলক বদলিতে বরিশালে স্বস্তির নিঃশ্বাস

বরিশালে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগে অবশেষে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা ওসি মিজানকে। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নানামুখী বিতর্কের পর তার এই বদলির আদেশে বরিশালের সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দ ফিরে এসেছে।

পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২ বছর ধরে বরিশালে কর্মরত থাকাকালীন ওসি মিজানের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে নানাভাবে হয়রানি করার অভিযোগ ওঠে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি নিরীহ মানুষকে জিম্মি করতেন এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন বলে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে।

ওসি মিজানের এই লাগামহীন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীরা চুপ করে থাকেননি। তার বিরুদ্ধে পুলিশের উচ্চমহলসহ সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বশীল পর্যায়ে লিখিত ও মৌখিক অসংখ্য অভিযোগ জমা পড়ে। একাধিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর প্রাথমিক সত্যতা মেলায় অবশেষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলো।

ওসি মিজানের বদলির খবর ছড়িয়ে পড়তেই বরিশালের বিভিন্ন মহলে সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন:

তিনি থানাকে নিজের ব্যক্তিগত আয়ের উৎসে পরিণত করেছিলেন। কোনো সাধারণ মানুষ ওনার কাছে গিয়ে নিস্তার পেত না। এই বদলির মাধ্যমে প্রমাণ হলো, আইন সবার জন্য সমান। আমরা এখন শান্তিতে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারব।"

 

পুলিশের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ পুলিশে কোনো অপরাধী বা দুর্নীতিবাজের স্থান নেই। জনগণের সেবক হয়ে যারা জিম্মি করার রাজনীতি করবে, তাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি গ্রহণ করা হবে। ওসি মিজানের এই শাস্তিমূলক বদলি তারই একটি অংশ। একই সাথে তার বিরুদ্ধে ওঠা অন্যান্য আর্থিক অনিয়মের বিষয়েও অভ্যন্তরীণ তদন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্ণফুলী টানেলে ১৬১৬ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


কর্ণফুলী টানেলে ১৬১৬ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মেগাপ্রকল্প— কর্ণফুলী টানেল নির্মাণে ১ হাজার ৬১৬ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় চিহ্নিত করেছে।

১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নকৃত এই মেগাপ্রকল্পের উপর সম্প্রতি একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মন্ত্রণালয়ের অধীন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)। সেখানে এ আর্থিক অনিয়মের উল্লেখ রয়েছে।

আইএমইডির মূল্যায়ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত তিন অর্থবছরে ৬৮টি অডিট আপত্তি অনিষ্পন্ন রয়েছে। এর মধ্যে ৪৮টি ‘গুরুতর আর্থিক অনিয়ম’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অডিট আপত্তিগুলো নিষ্পন্ন না হওয়ায় এগুলো আর্থিক শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহির ক্ষেত্রে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিশাল প্রকল্পে গাছ লাগানোর জন্য ৪৮ কোটি টাকা খরচ দেখানো হলেও বাস্তবে একটি গাছও লাগানো হয়নি। চমকে দেওয়ার মতো অনিয়ম হিসাবে একটি বড় ‘সার্ভিস এরিয়া’ নির্মাণের ক্ষেত্রে ৫০৪ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।

আইএমইডির মতে, এই সার্ভিস এরিয়া অপ্রয়োজনীয় ছিল এবং টানেলের মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। সার্ভিস এরিয়া নামের এলাকার মধ্যে বাংলো, মোটেল, কনভেনশন সেন্টার, চিকিৎসাকেন্দ্র এবং একটি জাদুঘর নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু, এসব স্থাপনার সঙ্গে টানেলের সরাসরি সড়ক সংযোগ নেই। সেই কারণে আইএমইডি এই খরচকে ‘পুরোপুরি অপচয় ও নীতিগত অনিয়ম’ বলে অভিমত দিয়েছে।

এছাড়া, প্রতিবেদনটির মাধ্যমে আরও বলা হয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ল্যান্ডস্কেপিং ও গাছ লাগানোর কাজে ৪৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। কিন্তু সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) কিংবা প্রকল্পের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে (পিসিসিআর) এর কোন কাজের প্রমাণ মেলেনি।

অন্য অনিয়ম হিসেবে রয়েছে— কন্টিনজেন্সি বা আপৎকালীন তহবিল থেকে ২২৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে, তবে জেনারেল ফ্যাসিলিটিজ তহবিলের অধীনে একই ধরনের খরচ অন্তর্ভুক্ত ছিল; ২২৪ কোটি টাকার অননুমোদিত মূল্য সমন্বয়; আলাদা পরামর্শক নিয়োগের পরও তদারকি ফি (সুপারভিশন ফি) বাবদ অতিরিক্ত ৭০ কোটি ১০ লাখ টাকা প্রদান এবং বরাদ্দ থাকা অর্থ থেকে অতিরিক্ত ৯০ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে।

আইএমইডির মতে, সরকারি ক্রয়বিধি লঙ্ঘন এবং চুক্তির শর্ত ভঙ্গের কারণে এই অনিয়মগুলো ঘটেছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভাগের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে কেন প্রকল্পের চূড়ান্ত খরচ ২৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ বেড়েছে এবং মেয়াদ দ্বিগুণ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক তদারকির দুর্বলতার ব্যাপারে কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে। যেমন: প্রকল্পের অধীনে কেনা ২৯টি গাড়ির মধ্যে মাত্র ৬টি সেতু বিভাগকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, আর বাকি ২৩টি গাড়ি এখনও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৫০ কোটি টাকার বেশি খরচের প্রকল্পে একজন সার্বক্ষণিক ও অভিজ্ঞ প্রকল্প পরিচালক থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু, কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের কাজ চলাকালে অন্তত চারজন প্রকল্প পরিচালক দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশেষ করে, প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী দুই বছর ধরে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রকল্প পরিচালনার কাজ করেছেন। আইএমইডির মতে, এতে করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ধারাবাহিকতা ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ২০১৫ সালের নভেম্বরে প্রাথমিকভাবে ৮ হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৯১৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে চীনের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক দিয়েছে, যা ৫ বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ ১৫ বছরে শোধ করতে হবে।

আইএমইডির প্রতিবেদনে টানেলের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে বলা হয়েছে, প্রত্যাশার তুলনায় গাড়ি কম চলাচল করায় টানেলটি এখন ক্ষতির সম্মুখীন। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সময় বলা হয়েছিল, ২০২৫ সাল নাগাদ প্রতিদিন গড়ে ২৮ হাজার ৩০৫টি গাড়ি এই টানেল ব্যবহার করবে। কিন্তু বাস্তবে গাড়ির সংখ্যা অনেক কম। ২০২৩ সালের অক্টোবরে উদ্বোধনের পর প্রথম কয়েক মাসে গড়ে প্রতিদিন ৫-৬ হাজার গাড়ি চলাচল করত, যা ২০২৬ সালের শুরুতে কমে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪২২ থেকে ৩ হাজার ৪৮৮টিতে।

বর্তমানে প্রতিদিন মাত্র চার থেকে সাড়ে চার হাজার ছোট বা হালকা যান টানেল দিয়ে চলাচল করছে, যা পূর্বাভাসের মাত্র ১৪ শতাংশ। আর পণ্যবাহী ভারী যানবাহনগুলোর অধিকাংশই এই পথ এড়িয়ে চলছে। এর কারণে টানেলে প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ টাকা লোকসান হচ্ছে। প্রতিদিনের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় ২২ লাখ টাকা, যেখানে টোল আদায় থেকে আয় হচ্ছে মাত্র ১২ লাখ টাকা। ফলে, এই ঘাটতি মেটাতে বছরে প্রায় সাড়ে ৩৬ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে সরকারের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%