ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঘরে ঢুকে যুবককে জবাই করে হত্যার অভিযোগ


ঘরে ঢুকে যুবককে জবাই করে হত্যার অভিযোগ

ময়মনসিংহ নগরের রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকায় দুর্বৃত্তরা রুবেল নামের এক যুবককে ঘরে ঢুকে জবাই করে হত্যা করেছে। এই হৃদয়বিদারক ঘটনা রবিবার (৫ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার সময় ঘটে।

নিহত যুবক রামকৃষ্ণ মিশন রোডে বসবাস করতেন এবং তিনি এলাকাবাসীর কাছে কাইল্যা রুবেল নামেও পরিচিত ছিলেন। রুবেল স্থানীয়ভাবে একজন মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সকালে সাড়ে ১১টার দিকে রুবেল নগরের রামকৃষ্ণ মিশন রোডে একটি ভাড়া বাড়িতে অবস্থান করছিলেন।

সেই সময়ে অজ্ঞাত দুবৃর্ত্তরা তার ঘরে ঢুকে আসে। প্রথমে তারা রুবেলকে বাঁশ দিয়ে পেটাতে শুরু করে। পরে এক পর্যায়ে তারা তাকে জবাই করে ঘরে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। খবর পাওয়ার পর রুবেলকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: নাব্যতা সংকটে হবিগঞ্জের সুতাং নদী মরা খালে পরিণত

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. শিবিরুল ইসলাম এই ঘটনার পরপরই বলেন, ‘ঘটনার পরে আমরা পুলিশ দিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। রুবেলকে কেন এবং কারা হত্যা করেছে সে বিষয়ে আমরা তদন্ত কাজ করছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিম্মি দশার অবসান: বিতর্কিত ওসি মিজানের শাস্তিমূলক বদলিতে বরিশালে স্বস্তির নিঃশ্বাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৭ পি.এম


জিম্মি দশার অবসান: বিতর্কিত ওসি মিজানের শাস্তিমূলক বদলিতে বরিশালে স্বস্তির নিঃশ্বাস

বরিশালে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগে অবশেষে শাস্তিমূলক বদলি করা হয়েছে বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা ওসি মিজানকে। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার এবং নানামুখী বিতর্কের পর তার এই বদলির আদেশে বরিশালের সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দ ফিরে এসেছে।

পুলিশ প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২ বছর ধরে বরিশালে কর্মরত থাকাকালীন ওসি মিজানের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে নানাভাবে হয়রানি করার অভিযোগ ওঠে। ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি নিরীহ মানুষকে জিম্মি করতেন এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন বলে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে।

ওসি মিজানের এই লাগামহীন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীরা চুপ করে থাকেননি। তার বিরুদ্ধে পুলিশের উচ্চমহলসহ সরকারের বিভিন্ন দায়িত্বশীল পর্যায়ে লিখিত ও মৌখিক অসংখ্য অভিযোগ জমা পড়ে। একাধিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর প্রাথমিক সত্যতা মেলায় অবশেষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলো।

ওসি মিজানের বদলির খবর ছড়িয়ে পড়তেই বরিশালের বিভিন্ন মহলে সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন:

তিনি থানাকে নিজের ব্যক্তিগত আয়ের উৎসে পরিণত করেছিলেন। কোনো সাধারণ মানুষ ওনার কাছে গিয়ে নিস্তার পেত না। এই বদলির মাধ্যমে প্রমাণ হলো, আইন সবার জন্য সমান। আমরা এখন শান্তিতে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারব।"

 

পুলিশের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশ পুলিশে কোনো অপরাধী বা দুর্নীতিবাজের স্থান নেই। জনগণের সেবক হয়ে যারা জিম্মি করার রাজনীতি করবে, তাদের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি গ্রহণ করা হবে। ওসি মিজানের এই শাস্তিমূলক বদলি তারই একটি অংশ। একই সাথে তার বিরুদ্ধে ওঠা অন্যান্য আর্থিক অনিয়মের বিষয়েও অভ্যন্তরীণ তদন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানা গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কর্ণফুলী টানেলে ১৬১৬ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৮ পি.এম


কর্ণফুলী টানেলে ১৬১৬ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মেগাপ্রকল্প— কর্ণফুলী টানেল নির্মাণে ১ হাজার ৬১৬ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় চিহ্নিত করেছে।

১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নকৃত এই মেগাপ্রকল্পের উপর সম্প্রতি একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মন্ত্রণালয়ের অধীন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি)। সেখানে এ আর্থিক অনিয়মের উল্লেখ রয়েছে।

আইএমইডির মূল্যায়ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত তিন অর্থবছরে ৬৮টি অডিট আপত্তি অনিষ্পন্ন রয়েছে। এর মধ্যে ৪৮টি ‘গুরুতর আর্থিক অনিয়ম’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। অডিট আপত্তিগুলো নিষ্পন্ন না হওয়ায় এগুলো আর্থিক শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহির ক্ষেত্রে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিশাল প্রকল্পে গাছ লাগানোর জন্য ৪৮ কোটি টাকা খরচ দেখানো হলেও বাস্তবে একটি গাছও লাগানো হয়নি। চমকে দেওয়ার মতো অনিয়ম হিসাবে একটি বড় ‘সার্ভিস এরিয়া’ নির্মাণের ক্ষেত্রে ৫০৪ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।

আইএমইডির মতে, এই সার্ভিস এরিয়া অপ্রয়োজনীয় ছিল এবং টানেলের মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। সার্ভিস এরিয়া নামের এলাকার মধ্যে বাংলো, মোটেল, কনভেনশন সেন্টার, চিকিৎসাকেন্দ্র এবং একটি জাদুঘর নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু, এসব স্থাপনার সঙ্গে টানেলের সরাসরি সড়ক সংযোগ নেই। সেই কারণে আইএমইডি এই খরচকে ‘পুরোপুরি অপচয় ও নীতিগত অনিয়ম’ বলে অভিমত দিয়েছে।

এছাড়া, প্রতিবেদনটির মাধ্যমে আরও বলা হয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ল্যান্ডস্কেপিং ও গাছ লাগানোর কাজে ৪৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা খরচ দেখানো হয়েছে। কিন্তু সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) কিংবা প্রকল্পের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে (পিসিসিআর) এর কোন কাজের প্রমাণ মেলেনি।

অন্য অনিয়ম হিসেবে রয়েছে— কন্টিনজেন্সি বা আপৎকালীন তহবিল থেকে ২২৫ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে, তবে জেনারেল ফ্যাসিলিটিজ তহবিলের অধীনে একই ধরনের খরচ অন্তর্ভুক্ত ছিল; ২২৪ কোটি টাকার অননুমোদিত মূল্য সমন্বয়; আলাদা পরামর্শক নিয়োগের পরও তদারকি ফি (সুপারভিশন ফি) বাবদ অতিরিক্ত ৭০ কোটি ১০ লাখ টাকা প্রদান এবং বরাদ্দ থাকা অর্থ থেকে অতিরিক্ত ৯০ কোটি টাকা প্রদান করা হয়েছে।

আইএমইডির মতে, সরকারি ক্রয়বিধি লঙ্ঘন এবং চুক্তির শর্ত ভঙ্গের কারণে এই অনিয়মগুলো ঘটেছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভাগের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে কেন প্রকল্পের চূড়ান্ত খরচ ২৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ বেড়েছে এবং মেয়াদ দ্বিগুণ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক তদারকির দুর্বলতার ব্যাপারে কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে। যেমন: প্রকল্পের অধীনে কেনা ২৯টি গাড়ির মধ্যে মাত্র ৬টি সেতু বিভাগকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে, আর বাকি ২৩টি গাড়ি এখনও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৫০ কোটি টাকার বেশি খরচের প্রকল্পে একজন সার্বক্ষণিক ও অভিজ্ঞ প্রকল্প পরিচালক থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু, কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের কাজ চলাকালে অন্তত চারজন প্রকল্প পরিচালক দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশেষ করে, প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী দুই বছর ধরে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে প্রকল্প পরিচালনার কাজ করেছেন। আইএমইডির মতে, এতে করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ধারাবাহিকতা ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে।

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) ২০১৫ সালের নভেম্বরে প্রাথমিকভাবে ৮ হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে ৫ হাজার ৯১৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা ঋণ হিসেবে চীনের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংক দিয়েছে, যা ৫ বছর গ্রেস পিরিয়ডসহ ১৫ বছরে শোধ করতে হবে।

আইএমইডির প্রতিবেদনে টানেলের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে বলা হয়েছে, প্রত্যাশার তুলনায় গাড়ি কম চলাচল করায় টানেলটি এখন ক্ষতির সম্মুখীন। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সময় বলা হয়েছিল, ২০২৫ সাল নাগাদ প্রতিদিন গড়ে ২৮ হাজার ৩০৫টি গাড়ি এই টানেল ব্যবহার করবে। কিন্তু বাস্তবে গাড়ির সংখ্যা অনেক কম। ২০২৩ সালের অক্টোবরে উদ্বোধনের পর প্রথম কয়েক মাসে গড়ে প্রতিদিন ৫-৬ হাজার গাড়ি চলাচল করত, যা ২০২৬ সালের শুরুতে কমে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪২২ থেকে ৩ হাজার ৪৮৮টিতে।

বর্তমানে প্রতিদিন মাত্র চার থেকে সাড়ে চার হাজার ছোট বা হালকা যান টানেল দিয়ে চলাচল করছে, যা পূর্বাভাসের মাত্র ১৪ শতাংশ। আর পণ্যবাহী ভারী যানবাহনগুলোর অধিকাংশই এই পথ এড়িয়ে চলছে। এর কারণে টানেলে প্রতিদিন প্রায় ১০ লাখ টাকা লোকসান হচ্ছে। প্রতিদিনের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় ২২ লাখ টাকা, যেখানে টোল আদায় থেকে আয় হচ্ছে মাত্র ১২ লাখ টাকা। ফলে, এই ঘাটতি মেটাতে বছরে প্রায় সাড়ে ৩৬ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে সরকারের।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আওয়ামী লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


আওয়ামী লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা এবং বাঘাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিনকে রাঙামাটি শহর থেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

প্রথমে জানা গেছে যে, রোববার (৫ জুলাই) দুপুরের দিকে তাদের বিরুদ্ধে ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযানের আওতায় মামলা করার পরিকল্পনা রয়েছে পুলিশ কর্তৃপক্ষের।

কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দিন জানিয়েছেন, রোববার দুপর বেলায় শহরের কোর্ট বিল্ডিং এলাকার হোটেল কসমসের পাশে একটি ডাক্তারের চেম্বার থেকে বের হয়ে আসার সময় পুলিশ তাদের আটক করে।

তারা দুজনই কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে দেয়া আওয়ামী লীগের বাঘাইছড়ি উপজেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত। তাদের ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযানের আওতাধীন আসামি হিসেবে গ্রহণ করা হবে।

এছাড়া, উল্লেখযোগ্য যে, বৃষ কেতু চাকমা ২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দীর্ঘসময় ধরে দেশের সবচেয়ে বড় উপজেলা বাঘাইছড়ির আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন। জানা গেছে, প্রায় সত্তরোর্ধ্ব বৃষ কেতু চাকমা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে রাঙামাটি শহরে গিয়েছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রংপুরে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া হলো না রঙ্গনের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


রংপুরে এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া হলো না রঙ্গনের

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় একটি মারাত্মক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে প্রান্তীক গোস্বামী রঙ্গন (১৭) নামে এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর প্রাণহানি ঘটেছে। রবিবার সকাল ৮টার দিকে, উপজেলার বেতগাড়ী-পাগলাপীর সড়কের শাহপাড়া মোড়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত প্রান্তীক গোস্বামী রঙ্গন ছিলেন বেতগাড়ী ইউনিয়নের রামনগরপাড়া গ্রামের প্রদীপ চন্দ্র গোস্বামীর একমাত্র পুত্র। তিনি ধনতলা রেয়াজউদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্র এবং চলমান এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছিলেন।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার সকালে রঙ্গন তার বাড়ি থেকে পাগলাপীর বাজারের উদ্দেশ্যে বের হন। যখন তিনি শাহপাড়া মোড়ে পৌঁছান, তখন মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে, যাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।

গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর জানিয়েছেন, ‘মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%