ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা


কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা

কুমিল্লা মহানগরী শাখা কার্যালয়ে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনা ও উদ্ভূত পরিস্থিতির পর্যালোচনা শেষে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর সংগঠন ও ইমারাত বিলুপ্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে, ঘটনার তদন্তের জন্য একটি দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে দলটি।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবারের সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৪ অক্টোবর কুমিল্লা মহানগরী শাখা কার্যালয়ে সংঘটিত ঘটনার পর্যালোচনা করতে ১৫ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা শেষে দলের গঠনতন্ত্রের ১৬ নম্বর ধারার ৩ নম্বর উপধারার ‘চ’ অনুচ্ছেদ অনুসরণ করে এবং ৬৩ নম্বর ধারার ক্ষমতাবলে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সংগঠন ও ইমারাত ভেঙে দেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এছাড়া, এখন থেকে কেন্দ্রের সরাসরি তত্ত্বাবধানে কুমিল্লা মহানগরী সংগঠন পরিচালিত হবে এবং কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম এই সংগঠনের তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ১৪ অক্টোবরের ঘটনার তদন্তের জন্য একটি দুই সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন: সংগঠনের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম এমপি এবং সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান। তদন্ত কমিটিকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আমিরে জামায়াতের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই তদন্ত প্রতিবেদন জমা হওয়ার পর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ চূড়ান্ত ও পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁদপুরে নিষেধাজ্ঞা ভেঙে ইলিশ ধরায় দুই জেলের কারাদণ্ড, ৩ হাজার মিটার কারেন্টজাল জব্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৮ পি.এম


চাঁদপুরে নিষেধাজ্ঞা ভেঙে ইলিশ ধরায় দুই জেলের কারাদণ্ড, ৩ হাজার মিটার কারেন্টজাল জব্দ

চাঁদপুর, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : জেলার অভয়াশ্রম এলাকায় ইলিশ শিকার করার জন্য দুই জেলেকে ১৪ দিনের কারাদণ্ড এবং ২৫০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনা ঘটে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করার কারণে।

এ অভিযানে জেলেদের হেফাজতে থাকা ৩ হাজার মিটার কারেন্ট জাল এবং ৩ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত জেলেদের নাম মো. মিজান (২৭) এবং মো. মাছুদ মাঝি (৩৫) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার দুপুরে কোস্ট গার্ড চাঁদপুর স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর রাব্বী এবং মো. রহমত উল্লাহ।

অভিযানের বিস্তারিত তথ্য জানান সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান। তিনি বলেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক এবং কোস্ট গার্ডের সহযোগিতায় আজ ভোর ৪টা থেকে সকাল ৯টা পর্যন্ত মেঘনা নদীর মোহনা, আনন্দবাজার, দাসাদী, লালপুর, আমিরাবাদ এবং হরিনা সংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের সময় হরিনা এলাকা থেকে মো. মিজান এবং মো. মাছুদ মাঝি নামে দুই অসাধু জেলেকে আটক করা হয়। আটক জেলেদের পৃথক দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ড এবং জরিমানা করা হয়।

তিনি আরও জানান, জব্দকৃত ৩ হাজার মিটার কারেন্ট জাল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। অন্যদিকে, তিন কেজি ইলিশ দুস্থদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেঘের রাজ্য সাজেকে পর্যটকদের ভিড়, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৯ পি.এম


মেঘের রাজ্য সাজেকে পর্যটকদের ভিড়, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

রাঙ্গামাটি, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : সাজেক, যা মেঘের রাজ্য হিসেবে পরিচিত, বর্তমানে পর্যটকদের পদভরে মুখরিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি রাঙ্গামাটি জেলার সাজেকে পর্যটকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার পর আজ শুক্রবার সকালে প্রায় ৮শতাধিক পর্যটক সাজেকে প্রবেশ করেছেন।

চার দিনের স্থবিরতা কাটিয়ে পর্যটকদের এই আগমন স্থানীয় অর্থনীতি, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ ও পরিবহন খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। সাজেক কটেজ-রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য সুপর্ণ দেব বর্মন বাসস’কে জানান, শুক্রবার প্রথম দিনেই প্রায় ৮শতাধিক পর্যটক সাজেকে পৌঁছেছেন।

পাহাড়ের বুক ঘেঁষে ভেসে যাওয়া মেঘের চাদর ও রূপসী সাজেকের রূপ উপভোগ করতে অসংখ্য পর্যটক ইতোমধ্যে তাদের অগ্রিম বুকিং নিশ্চিত করেছেন। পর্যটকদের বরণে স্থানীয় কটেজ, রেস্তোরাঁ ও পরিবহন মালিকরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।

পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন বাসস’কে জানান, জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাজেক ভ্রমণ এখন পর্যটকসহ সবার জন্য উন্মুক্ত করার পর থেকে পর্যটকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে।

পর্যটকরা যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তি বা হয়রানি ছাড়া স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়াতে পারেন, সে জন্য পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। নিরাপত্তা ও অনিবার্য কারণে গত কয়েক দিন ধরে সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ছিল। আকস্মিক এই সিদ্ধান্তের ফলে অনেক পর্যটকের ভ্রমণ পরিকল্পনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। তবে সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় এবং পর্যটকদের নিরবচ্ছিন্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন শুক্রবার থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার ঘোষণা দেয়। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর শুক্রবার সকাল থেকেই খাগড়াছড়ি হয়ে পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ ধরে সাজেকের দিকে পর্যটকবাহী যানবাহনের চলাচল শুরু হয়।

এদিকে সাজেকে পর্যটকদের এই নিরাপদ ও আনন্দঘন প্রত্যাবর্তনে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সাজেক পর্যটন সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, আবহাওয়া ও সার্বিক পরিবেশ অনুকূলে থাকলে আগামী দিনগুলোতে সাজেকে পর্যটকদের সমাগম আরও বাড়বে।

সব মিলিয়ে সাজেকে পর্যটকদের এই নিরাপদ প্রত্যাবর্তন স্থানীয় অর্থনীতি ও পর্যটন ব্যবসায় নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গোলাম পরওয়ার: পীর-ফকিরের দরবারে ধরনা দিয়ে লাভ হবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৯ পি.এম


গোলাম পরওয়ার: পীর-ফকিরের দরবারে ধরনা দিয়ে লাভ হবে না

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার মন্তব্য করেছেন যে, পীর-ফকিরের দরবারে ধরনা দিয়ে লাভ হবে না এবং জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করতে না পারলে সরকারকে শেষ পর্যন্ত ব্যর্থতার সম্মুখীন হতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, সরকার বর্তমানে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলার পরিবর্তে জামায়াত ও ১১-দলীয় জোটকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে।

শুক্রবার চট্টগ্রাম বন্দরে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি এবং অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক তুলে ধরে তিনি সরকারের নীতির সমালোচনা করেন।

গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমাদের মূল্যস্ফীতির হার এখন ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ, জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ। মাথাপিছু আয় তিন হাজার ডলার, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ২১ এবং রেমিট্যান্স ৮ দশমিক ৯৮ মার্কিন ডলার।’ এসব পরিসংখ্যান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের চাপ সামলাতেই সরকার হিমশিম খাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ওনারা এখন জামায়াতকে সামলাতে চাইছেন, ১১ দলকে সামলাতে চাইছেন। সামলাতে না পেরে এখন পীর-ফকিরের দরবারে ধরনা দিচ্ছেন। জনগণের প্রকৃত স্বার্থ নিশ্চিত করতে না পারলে কোনো দোয়া-ফুঁতে কাজ হবে না।’

গোলাম পরওয়ার আগের সরকারের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তারাও দোয়া করিয়েছে, বিভিন্ন পদবি দিয়েছে এবং র‍্যাব-পুলিশ ব্যবহার করেছে। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি।

তিনি অভিযোগ করেন যে, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লেও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের মধ্যে হাহাকার চলছে। একদিকে আয় বাড়ানোর উদ্যোগ না নিয়ে, অন্যদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষ চরম চাপে পড়ছে।

জ্বালানির দাম বৃদ্ধির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ছয় মাসের মধ্যে তিনবার পেট্রল, কেরোসিন, অকটেন, ডিজেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। এত অল্প সময়ে বারবার দাম বাড়লে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কীভাবে ভালো থাকবে, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।

গোলাম পরওয়ার দাবি করেন যে, জামায়াতে ইসলামী দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মহলের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। কূটনৈতিক তৎপরতার পাশাপাশি তাদের দল বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা জামায়াত নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আন্দোলনের কারণ ও দলটির দাবিদাওয়া সম্পর্কে জানতে চাইছেন।

জুলাইয়ের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশের মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা থেকেই জুলাইয়ে মানুষ রক্ত দিয়েছে। এ ছাড়া দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, শিল্পকারখানা, বিনিয়োগ, রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিস্থিতি নিয়েও সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন জামায়াতের এই নেতা।

এমই

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হেফাজতের অধীনে ঐক্য প্রক্রিয়ার কথা জানাল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৭:১৯ পি.এম


হেফাজতের অধীনে ঐক্য প্রক্রিয়ার কথা জানাল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বে কওমি অঙ্গনভিত্তিক সাতটি ইসলামি দলকে নিয়ে শুরু হওয়া নতুন ঐক্য প্রক্রিয়ার প্রেক্ষিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এই দুই প্রধান শরিক দলের পক্ষ থেকে ভিন্ন ভিন্ন পর্যবেক্ষণ ও রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। ঐক্যের প্রকৃতি রাজনৈতিক হবে কি না, কিংবা এটি কেবল ইস্যুভিত্তিক থাকবে এবং দলগুলো অন্য কোনো বড় রাজনৈতিক বলয়ের সঙ্গে যুক্ত হবে কি না—এই বিষয়ে উভয় দলের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান ঐক্যের কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য পূর্ণাঙ্গ অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সাতটি দল একত্রিত হলেও যদি তাদের মধ্যে কেউ বিএনপি কিংবা জামায়াতের দিকে নজর দেয়, তাহলে এই ধরনের ঐক্যের রাজনৈতিক সুফল আসবে না। তাঁর মতে, “এতে ঐক্য হয়ে কোনো লাভ নেই এবং তা কোনো ফলপ্রসূ ফলাফল বয়ে আনবে না। একটি শক্তিশালী বিকল্প শক্তি হিসেবে দাঁড়াতে হলে এই সমঝোতায় থাকা দলগুলোর অন্য কোনো রাজনৈতিক বলয়ের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা থাকা চলবে না।”

অন্যদিকে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালউদ্দীন আহমদ ঐক্যের ক্ষেত্র ও দলীয় স্বাধীনতার ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন প্রক্রিয়া তুলে ধরেছেন। তিনি পরিষ্কার করে বলেছেন যে, ধর্মীয় ও জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে এই দলগুলো একত্রিত হয়ে আন্দোলন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে পারে।

তবে রাজনৈতিক সমীকরণের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেছেন, “রাজনৈতিক কোনো জোট, মোর্চা কিংবা নির্বাচনকেন্দ্রিক কোনো সমঝোতার ক্ষেত্রে প্রতিটি দলের আলাদা সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে।” তাঁর মতে, নির্বাচন ও দলীয় রাজনীতির বিষয়টি স্ব স্ব দলের নিজস্ব নীতি ও সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে ইসলামি দলগুলোর বৃহত্তর এই সমন্বিত অবস্থান গড়ে তোলা সম্ভব।

কওমি ঘরানার এই উদ্যোগ নিয়ে দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের পরস্পরবিরোধী অবস্থান স্পষ্ট করে যে, হেফাজতের ব্যানারে সাত দলীয় এই ঐক্য চূড়ান্ত রূপ পাওয়ার পূর্বে রাজনৈতিক স্বকীয়তা ও নির্বাচনি কৌশল নির্ধারণই এখন সবচেয়ে বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%