শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:১৯ পি.এম
রাঙ্গামাটি, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ : সাজেক, যা মেঘের রাজ্য হিসেবে পরিচিত, বর্তমানে পর্যটকদের পদভরে মুখরিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি রাঙ্গামাটি জেলার সাজেকে পর্যটকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করার পর আজ শুক্রবার সকালে প্রায় ৮শতাধিক পর্যটক সাজেকে প্রবেশ করেছেন।
চার দিনের স্থবিরতা কাটিয়ে পর্যটকদের এই আগমন স্থানীয় অর্থনীতি, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ ও পরিবহন খাতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। সাজেক কটেজ-রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য সুপর্ণ দেব বর্মন বাসস’কে জানান, শুক্রবার প্রথম দিনেই প্রায় ৮শতাধিক পর্যটক সাজেকে পৌঁছেছেন।
পাহাড়ের বুক ঘেঁষে ভেসে যাওয়া মেঘের চাদর ও রূপসী সাজেকের রূপ উপভোগ করতে অসংখ্য পর্যটক ইতোমধ্যে তাদের অগ্রিম বুকিং নিশ্চিত করেছেন। পর্যটকদের বরণে স্থানীয় কটেজ, রেস্তোরাঁ ও পরিবহন মালিকরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন বাসস’কে জানান, জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাজেক ভ্রমণ এখন পর্যটকসহ সবার জন্য উন্মুক্ত করার পর থেকে পর্যটকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে।
পর্যটকরা যাতে কোনো ধরনের ভোগান্তি বা হয়রানি ছাড়া স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়াতে পারেন, সে জন্য পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। নিরাপত্তা ও অনিবার্য কারণে গত কয়েক দিন ধরে সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ছিল। আকস্মিক এই সিদ্ধান্তের ফলে অনেক পর্যটকের ভ্রমণ পরিকল্পনা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। তবে সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় এবং পর্যটকদের নিরবচ্ছিন্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন শুক্রবার থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার ঘোষণা দেয়। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর শুক্রবার সকাল থেকেই খাগড়াছড়ি হয়ে পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথ ধরে সাজেকের দিকে পর্যটকবাহী যানবাহনের চলাচল শুরু হয়।
এদিকে সাজেকে পর্যটকদের এই নিরাপদ ও আনন্দঘন প্রত্যাবর্তনে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সাজেক পর্যটন সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, আবহাওয়া ও সার্বিক পরিবেশ অনুকূলে থাকলে আগামী দিনগুলোতে সাজেকে পর্যটকদের সমাগম আরও বাড়বে।
সব মিলিয়ে সাজেকে পর্যটকদের এই নিরাপদ প্রত্যাবর্তন স্থানীয় অর্থনীতি ও পর্যটন ব্যবসায় নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার মন্তব্য করেছেন যে, পীর-ফকিরের দরবারে ধরনা দিয়ে লাভ হবে না এবং জনগণের স্বার্থ নিশ্চিত করতে না পারলে সরকারকে শেষ পর্যন্ত ব্যর্থতার সম্মুখীন হতে হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকার বর্তমানে অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলার পরিবর্তে জামায়াত ও ১১-দলীয় জোটকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছে।
শুক্রবার চট্টগ্রাম বন্দরে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি এবং অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক তুলে ধরে তিনি সরকারের নীতির সমালোচনা করেন।
গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘আমাদের মূল্যস্ফীতির হার এখন ৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ, জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ। মাথাপিছু আয় তিন হাজার ডলার, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ২১ এবং রেমিট্যান্স ৮ দশমিক ৯৮ মার্কিন ডলার।’ এসব পরিসংখ্যান উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের চাপ সামলাতেই সরকার হিমশিম খাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওনারা এখন জামায়াতকে সামলাতে চাইছেন, ১১ দলকে সামলাতে চাইছেন। সামলাতে না পেরে এখন পীর-ফকিরের দরবারে ধরনা দিচ্ছেন। জনগণের প্রকৃত স্বার্থ নিশ্চিত করতে না পারলে কোনো দোয়া-ফুঁতে কাজ হবে না।’
গোলাম পরওয়ার আগের সরকারের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তারাও দোয়া করিয়েছে, বিভিন্ন পদবি দিয়েছে এবং র্যাব-পুলিশ ব্যবহার করেছে। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি।
তিনি অভিযোগ করেন যে, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়লেও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষের মধ্যে হাহাকার চলছে। একদিকে আয় বাড়ানোর উদ্যোগ না নিয়ে, অন্যদিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষ চরম চাপে পড়ছে।
জ্বালানির দাম বৃদ্ধির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ছয় মাসের মধ্যে তিনবার পেট্রল, কেরোসিন, অকটেন, ডিজেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। এত অল্প সময়ে বারবার দাম বাড়লে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি কীভাবে ভালো থাকবে, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।
গোলাম পরওয়ার দাবি করেন যে, জামায়াতে ইসলামী দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক মহলের কাছে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। কূটনৈতিক তৎপরতার পাশাপাশি তাদের দল বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা জামায়াত নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আন্দোলনের কারণ ও দলটির দাবিদাওয়া সম্পর্কে জানতে চাইছেন।
জুলাইয়ের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দেশের মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা থেকেই জুলাইয়ে মানুষ রক্ত দিয়েছে। এ ছাড়া দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, শিল্পকারখানা, বিনিয়োগ, রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিস্থিতি নিয়েও সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন জামায়াতের এই নেতা।
এমই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বে কওমি অঙ্গনভিত্তিক সাতটি ইসলামি দলকে নিয়ে শুরু হওয়া নতুন ঐক্য প্রক্রিয়ার প্রেক্ষিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, এই দুই প্রধান শরিক দলের পক্ষ থেকে ভিন্ন ভিন্ন পর্যবেক্ষণ ও রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে। ঐক্যের প্রকৃতি রাজনৈতিক হবে কি না, কিংবা এটি কেবল ইস্যুভিত্তিক থাকবে এবং দলগুলো অন্য কোনো বড় রাজনৈতিক বলয়ের সঙ্গে যুক্ত হবে কি না—এই বিষয়ে উভয় দলের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয়েছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান ঐক্যের কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য পূর্ণাঙ্গ অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সাতটি দল একত্রিত হলেও যদি তাদের মধ্যে কেউ বিএনপি কিংবা জামায়াতের দিকে নজর দেয়, তাহলে এই ধরনের ঐক্যের রাজনৈতিক সুফল আসবে না। তাঁর মতে, “এতে ঐক্য হয়ে কোনো লাভ নেই এবং তা কোনো ফলপ্রসূ ফলাফল বয়ে আনবে না। একটি শক্তিশালী বিকল্প শক্তি হিসেবে দাঁড়াতে হলে এই সমঝোতায় থাকা দলগুলোর অন্য কোনো রাজনৈতিক বলয়ের সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা থাকা চলবে না।”
অন্যদিকে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালউদ্দীন আহমদ ঐক্যের ক্ষেত্র ও দলীয় স্বাধীনতার ওপর ভিত্তি করে ভিন্ন প্রক্রিয়া তুলে ধরেছেন। তিনি পরিষ্কার করে বলেছেন যে, ধর্মীয় ও জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে এই দলগুলো একত্রিত হয়ে আন্দোলন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে পারে।
তবে রাজনৈতিক সমীকরণের বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেছেন, “রাজনৈতিক কোনো জোট, মোর্চা কিংবা নির্বাচনকেন্দ্রিক কোনো সমঝোতার ক্ষেত্রে প্রতিটি দলের আলাদা সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার থাকতে হবে।” তাঁর মতে, নির্বাচন ও দলীয় রাজনীতির বিষয়টি স্ব স্ব দলের নিজস্ব নীতি ও সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে ইসলামি দলগুলোর বৃহত্তর এই সমন্বিত অবস্থান গড়ে তোলা সম্ভব।
কওমি ঘরানার এই উদ্যোগ নিয়ে দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের পরস্পরবিরোধী অবস্থান স্পষ্ট করে যে, হেফাজতের ব্যানারে সাত দলীয় এই ঐক্য চূড়ান্ত রূপ পাওয়ার পূর্বে রাজনৈতিক স্বকীয়তা ও নির্বাচনি কৌশল নির্ধারণই এখন সবচেয়ে বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে অনেক বেশি আনন্দ, সুখ ও শান্তিতে বসবাস করছেন বলে মন্তব্য করেছেন মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে মাদারীপুর সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়নের বাহাদুরপুর চিন্তাহরণ সরকারবাড়ি দুর্গামন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে নগদ অর্থ ও বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের কথা তুলে ধরে খোকন তালুকদার বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মাত্র দুই বছর সময় দিন। যখন সবার ঘরে সরকারি সহায়তা পৌঁছে যাবে এবং মানুষ ফ্যামিলি কার্ড হাতে পাবেন, তখন বুঝতে পারবেন আড়াই হাজার টাকা সাধারণ মানুষের স্বাবলম্বী হওয়ার ক্ষেত্রে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। যাঁদের মাসিক কোনো আয় নেই, তাঁদের জন্য এই আড়াই হাজার টাকাও অনেক বড় প্রাপ্তি বলে আমরা বিশ্বাস করি।
অনুষ্ঠান শেষে সংসদ সদস্য খোকন তালুকদার মাদারীপুর-৩ আসনের অন্তর্ভুক্ত সদর উপজেলার কেন্দুয়া, মস্তফাপুর, ঘটমাঝি, ঝাউদী ও খোয়াজপুর ইউনিয়নের ৩৯টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
শ্রী অজয় কৃষ্ণ সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর জেলা যুবদলের আহ্বায়ক ফারুক বেপারী, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সদস্য গাউছ-উর রহমান, বিএনপি নেতা রফিক মাতুব্বর, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মর্তুজা আলম ঢালী এবং কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রায়হান কবিরসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০ অক্টোবর রাজশাহী সফরে আসছেন। তার আগমনের প্রস্তুতি হিসেবে রাজশাহী শহরে ব্যস্ততা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুসহ স্থানীয় এমপি শফিকুল হক মিলন, আবু সাঈদ চাঁদ, নজরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন এবং রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইটসহ বিএনপি নগর ও জেলার নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। সার্বিক বিষয় নিয়ে একের পর এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের এটি প্রথম রাজশাহী সফর। এর আগে তিনি নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে রাজশাহী এসেছিলেন। ঐতিহাসিক মাদ্রাসা ময়দানে অনুষ্ঠিত বিশাল জনসভায় তিনি নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে কৃষি প্রধান এই অঞ্চলের কৃষকের সুখ-দুঃখ নিয়ে তিনি কথা বলেছিলেন এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এবার সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিনি এই অঞ্চলের অন্যতম অর্থকরী ফসল ইক্ষু চাষের উন্নয়নে উদ্যোগ নিচ্ছেন।
রাজশাহী চিনিকল, গোপালপুর চিনিকল ও নাটোর চিনিকল বর্তমানে আখের অভাবে বন্ধ হওয়ার উপক্রম। আখচাষের অভাব প্রকট হয়ে উঠেছে। আখের সুদিন ফিরিয়ে আনতে এবং প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়া চিনিকলে প্রাণ ফেরাতে তিনি উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।
সফরের দিন তিনি রাজশাহী মাদ্রাসা মাঠে ইক্ষু চাষীদের মাঝে দ্বিগুণ অর্থপ্রণোদনা প্রদান করবেন। এই সমাবেশে ইক্ষু চাষীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও অংশগ্রহণ করবে।
এছাড়া, সফরকালে তিনি রাজশাহীর একটি মন্দির পরিদর্শন করবেন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ