ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
বৈরী আবহাওয়ায় উত্তাল বঙ্গোপসাগর

শত শত ফিশিং ট্রলার সুন্দরবন ও বিভিন্ন মৎস্যঘাটে আশ্রয় নিয়েছে


শত শত ফিশিং ট্রলার সুন্দরবন ও বিভিন্ন মৎস্যঘাটে আশ্রয় নিয়েছে

সুন্দরবনের বিভিন্ন নদী-খালসহ উপকূলীয় মৎস্যঘাটগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে শত শত ফিশিংবোট ও ট্রলার। বঙ্গোপসাগরে হঠাৎ সৃষ্টি হওয়া বৈরী আবহাওয়া ও প্রচণ্ড ঢেউয়ের মুখে টিকতে না পেরে তারা নিরাপদ আশ্রয় নিয়েছে। দীর্ঘ ৫৮ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা (অবরোধ) শেষে সম্প্রতি সাগরে ইলিশসহ অন্যান্য মাছ ধরতে গিয়েছিলেন জেলেরা। কিন্তু তারা যাত্রা শুরুর পরপরই আকস্মিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে হতাশা নিয়ে উপকূলে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। শুক্রবার (৩ জুলাই) খবর নিয়ে জানা যায়, গত দুই দিন ধরে সাগরে প্রবল বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। প্রবল পূবালী বাতাসের কারণে সাগরে বিশাল বিশাল ঢেউ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে উত্তাল সাগরে অবস্থান করা অসম্ভব হয়ে পড়ায় ট্রলারগুলো উপকূলের দিকে ছুটে আসে। কিছু ফিশিংবোট সুন্দরবনের দুবলার চরের ভেদাখালী খাল, মেহেরআলী ও আলোরকোলসহ বনের বিভিন্ন নিরাপদ পয়েন্টে নোঙর করেছে। সুন্দরবনের ভেদাখালী খালে আশ্রয় নেওয়া বাগেরহাটের বগা এলাকার ফিশিং ট্রলারের মাঝি নজরুল ইসলাম শুক্রবার দুপুরে মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন, সাগরে গত দুদিন ধরে প্রচণ্ড ঝড়ো হাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের কারণে ট্রলার টিকিয়ে রাখা যাচ্ছিল না। তারা জীবন ও সম্পদ রক্ষার্থে দ্রুত সুন্দরবনের নিরাপদ খালে আশ্রয় নিয়েছেন এবং আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষা করছেন। শরণখোলা উপজেলা ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি আবুল হোসেন জানান, বঙ্গোপসাগর বর্তমানে অত্যন্ত দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের কারণে টিকতে না পেরে কয়েকশ ফিশিং ট্রলার শরণখোলার রায়েন্দা, মহিপুর, খেপুপাড়া, নিদ্রাসখিনা এবং পাথরঘাটা উপকূলসহ সুন্দরবনের বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়ে আছে। দীর্ঘ ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে বিপুল দাদন ও ধারদেনা করে জেলেরা সাগরে গিয়েছিলেন। কিন্তু শুরুতেই এই দুর্যোগের মুখে পড়তে হলো। শরণখোলার রায়েন্দা মৎস্যঘাটের আড়তদার কবির হোসেন জানিয়েছেন, সাগরে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করায় অনেক ট্রলার সাগরে না গিয়ে গত দুই দিন ধরে রায়েন্দা মৎস্যঘাটেই নিরাপদ নোঙর করে আছে। ফলে ঘাট এলাকায় ট্রলারের জটলা তৈরি হয়েছে। একই বিষয়ে বরগুনা জেলা ফিশিং ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানিয়েছেন, জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে বৈরী আবহাওয়ার কবলে পড়েছেন। উত্তাল সাগরে টিকতে না পেরে অধিকাংশ ফিশিংবোট ও ট্রলারবহর এখন উপকূলের দিকে ছুটে আসছে এবং যার যার সুবিধাজনক নিরাপদ স্থানে অবস্থান নিচ্ছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কোনো ট্রলারই সাগরে ফিরতে পারছে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদাবরে বিএনপি নেতা বাদশা হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ ২ জন গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ এম


আদাবরে বিএনপি নেতা বাদশা হত্যা মামলার প্রধান আসামিসহ ২ জন গ্রেফতার

ঢাকার আদাবর থানাধীন নবোদয় হাউজিং এলাকায় বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বাদশা হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. সুমন (২৫) এবং কথিত হুকুমদাতা মো. শহীদকে (৫৯) গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

শুক্রবার (৩ জুলাই) র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান এ তথ্য জানান।

তিনি জানিয়েছেন, গত ২৯ জুন নবোদয় হাউজিং এলাকায় জাপান ও ব্রাজিলের মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বাদশার পক্ষের সঙ্গে একই এলাকার রিপন ও পারভেজ গ্রুপের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

এরপর ১ জুলাই সন্ধ্যের দিকে দুপক্ষ সালিসে বসলেও কোনো সমাধান হয়নি। রাত ৮টার দিকে সাদ্দাম ও বাদশা সালিসস্থল থেকে চলে যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষের লোকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা করে। এতে দুজনই গুরুতর আহত হন। তাদের শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে বাদশাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার পর আসামিদের গ্রেফতারে র‌্যাব-২ গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। গোয়েন্দা তথ্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে জানা যায়, প্রধান আসামি সুমন জামালপুর সদর এলাকায় এবং কথিত হুকুমদাতা শহীদ ময়মনসিংহের নান্দাইল এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে র‌্যাব-২ ও র‌্যাব-১৪-এর যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব-২ এর অধিনায়ক নয়মুল হাসান আরও জানান, গ্রেফতার সুমনের বিরুদ্ধে এর আগে মাদক ও ডাকাতির প্রস্তুতিসহ দুটি মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। এছাড়া তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক দুজন শোয়েব হোসেন সোয়াইব ও মো. কবিরকে শুক্রবার কারাগারে পাঠিয়েছে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. হাফিজুর রহমান আদালতে দেওয়া আবেদনে উল্লেখ করেন, প্রাথমিক তদন্তে হত্যাকাণ্ডে আটক দুজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি আরও গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ মিললে তাদের হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হবে। একই সঙ্গে তদন্তের স্বার্থে এবং তাদের পরিচয়-ঠিকানা যাচাইয়ের প্রয়োজন থাকায় কারাগারে রাখা প্রয়োজন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মায়ের স্বপ্ন পূরণে হেলিকপ্টারে গ্রামে ফিরলেন প্রবাসী সন্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৮ এম


মায়ের স্বপ্ন পূরণে হেলিকপ্টারে গ্রামে ফিরলেন প্রবাসী সন্তান

মায়ের মুখে হাসি ফোটানোর উদ্দেশ্যে এবং তার বহুদিনের লালিত একটি স্বপ্ন পূরণ করতে পোল্যান্ডপ্রবাসী ওয়াসিম মুন্সি ব্যতিক্রমী একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। বিদেশে ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জনের পর, তিনি দেশে ফিরে সড়কপথে নয়, শুক্রবার দুপুরে হেলিকপ্টারে করে তার মাকে সঙ্গে নিয়ে নিজ গ্রামের দিকে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার মজিদপুর ইউনিয়নের নন্দিরচরে পৌঁছান। এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের ফলে পরিবারের সদস্যরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং পুরো গ্রামজুড়ে উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়।

স্বভাবতই, নন্দিরচর গ্রামের বাসিন্দা কাদের মুন্সির ছেলে ওয়াসিম মুন্সি দীর্ঘদিন ধরে পোল্যান্ডে বসবাস করছেন। পোল্যান্ডে তিনি সফলভাবে একটি রেস্টুরেন্ট ব্যবসা পরিচালনা করছেন। প্রবাসজীবনের ব্যস্ততা সত্ত্বেও, মায়ের একটি স্বপ্ন তিনি ভুলে যাননি। দেশে ফিরে এসে, তিনি সেই স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নেন।

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর, ওয়াসিম মুন্সি তার মাকে নিয়ে হেলিকপ্টারে গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন। যেই মুহূর্তে হেলিকপ্টারটি নন্দিরচরের আকাশে উড়তে দেখা যায়, তখন থেকে উশুক মানুষের ভিড় জমতে শুরু করে। শুধু গ্রামের মানুষই নয়, আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকেও শত শত মানুষ এই ব্যতিক্রমী দৃশ্য দেখতে ছুটে আসে।

হেলিকপ্টারটি অবতরণের পর পুরো এলাকায় আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। তবে, সবচেয়ে আবেগপূর্ণ মুহূর্ত ছিল একজন মায়ের মুখে ফুটে ওঠা তৃপ্তির হাসি। সন্তানের কাছ থেকে এমন ভালোবাসা ও সম্মানে তিনি আপ্লুত হয়ে পড়েন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠেন।

ওয়াসিম মুন্সি মায়ের পাশাপাশি বাবা কাদের মুন্সি এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে গ্রামের বাড়িতে আসেন। তার এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রবাসজীবনের সাফল্যের প্রকাশের পাশাপাশি, বাবা-মায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসার এক অনন্য নজির ফুটে ওঠে।

স্থানীয় জনগণের মতে, বিদেশে গিয়ে অনেকেই সফল হয়, কিন্তু বাবা-মায়ের স্বপ্নকে নিজের স্বপ্ন হিসেবে নিয়ে তা পূরণ করতে এমন উদ্যোগ খুব কমই দেখা যায়। তারা মনে করেন, ওয়াসিম মুন্সির এই আয়োজন কেবল একটি পরিবারের আনন্দ নয়, বরং সমাজে পারিবারিক মূল্যবোধ ও মা-বাবার প্রতি সন্তানের দায়িত্ববোধের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, বিদেশ থেকে অনেকেই সফল হন, কিন্তু মায়ের স্বপ্নকে নিজের স্বপ্ন হিসেবে দেখতে শিক্ষিত মানুষের সংখ্যা খুব কম। ওয়াসিমের এই উদ্যোগ আমাদের সবার জন্য একটি অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।

আরেক গ্রামবাসী জানান, হেলিকপ্টারে মানুষ গ্রামে আসতে দেখেছি, কিন্তু শুধুমাত্র মায়ের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য এমন উদ্যোগ সত্যিই বিরল। এটি আমাদের সবার হৃদয়ে একটি প্রভাব ফেলেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রেলসেবা ৪৯ জেলা থেকে ৬৪ জেলায় বিস্তৃতির চেষ্টা চলছে: রেল প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫১ এম


রেলসেবা ৪৯ জেলা থেকে ৬৪ জেলায় বিস্তৃতির চেষ্টা চলছে: রেল প্রতিমন্ত্রী

বিগত সময়ে রেল ট্র্যাক বৃদ্ধি করা হয়েছে, তবে সেই পরিমাণ লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) বা ক্যারেজ (কোচ) সংগ্রহ করা হয়নি। তবে বর্তমানে চালু করা সরকার রেলের সেবার মান বৃদ্ধি করতে নিরলস কাজ করছেন জানিয়েছেন রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। শুক্রবার রাতে নেত্রকোনা রেলওয়ে বড় স্টেশন পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

যাত্রী সেবার উন্নতির লক্ষ্যে শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত নেত্রকোনা জেলার তিনটি রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি মোহনগঞ্জ, বারহাট্টা এবং সর্বশেষ নেত্রকোনা বড় স্টেশন পরিদর্শন করে সেখানে অব্যবস্থাপনার দ্রুত সমাধানের নির্দেশনা দেন। দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত পাবলিক টয়লেট নতুন করে করার উদ্যোগ সহ যাত্রী বিশ্রামাগার ও স্টেশনের উন্নতির আশ্বাস প্রদান করেন তিনি।

নেত্রকোনা রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রেল প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'রেলের ইন্টারনেট সেবা বৃদ্ধি সহ রেলসেবা যা বর্তমান ৪৯টি জেলা থেকে বর্ধিত করে ৬৪ জেলাতেই এটি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি।'

নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ-ঢাকা রেলওয়ের লক্কড়-ঝক্কড় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের বিষয়ে তিনি বলেন, 'সারা দেশেই আমরা যাত্রী সেবার মান বৃদ্ধি করতে চাই। এ জন্য কিছু কাজ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করতে চাই। তবে যেগুলি ফিজিবিলিটি স্টাডি প্রয়োজন, সেগুলি করে দেখবো সেগুলোর গ্রহণযোগ্যতা কত যথেষ্ট। সারা দেশে যে দাবিগুলো রয়েছে, কোনটার পর কোনটা করতে হবে তা পর্যালোচনা করে বাস্তবায়নের চেষ্টা করছি। তবে ট্রেনের কাজগুলোর আন্তর্জাতিক টেন্ডার হয়, যা সম্পন্ন হতে দুই থেকে তিন বছর সময় নেয়। এই কারণে আমরা পুরোনো লোকোমোটিভগুলোকে মেরামত করে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি।'

পূর্বধলার জারিয়া থেকে দুর্গাপুর পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'ডেপুটি স্পিকার সাহেব ১২ কিলোমিটার রেলপথ সম্প্রসারণের আবেদন জানিয়েছেন। আমিসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতনরা সেটি পরিদর্শন করেছি। ফিজিবিলিটি স্টাডি চলছে, তাই এখনই বলা যাচ্ছে না হয় কি হবে। আমরা যদি দেখি এটি জনগণের জন্য খুব উপকারী ও যাত্রী সেবার প্রয়োজন, তাহলে আমরা এটি নিয়ে কাজ করবো। আমরা এমন কিছু করতে চাই না যা মানুষের জন্য অপচয় হবে।'

কিশোরগঞ্জের একটি আন্তঃনগর ট্রেন জারিয়া পর্যন্ত সম্প্রসারণের প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী মন্তব্য করেন, 'দাবি-দাওয়া সবারই থাকবে, আমরা যাচাই-বাছাই করে দেখবো কার কতটুকু প্রয়োজন। সে অনুযায়ী কাজ চলছে।'

স্টেশন পরিদর্শনের সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। রেল প্রতিমন্ত্রী তার নিজ জেলা হাওরাঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলার হাওর পরিদর্শন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মমতার তৃণমূল কার্যালয় বিদ্রোহীদের দখলে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৪ এম


মমতার তৃণমূল কার্যালয় বিদ্রোহীদের দখলে

কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রধান কার্যালয় ‘তৃণমূল ভবন’ দখল করে নিয়েছেন দলের বিদ্রোহী নেতারা।

শুক্রবার বিকেলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে নিজেদেরকে ‘আসল তৃণমূল কংগ্রেস’ দাবি করে প্রধান কার্যালয় দখলে নেন তারা।

দখলের পর ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন দলীয় শীর্ষ নেতারা। কলকাতার মেট্রোপলিটন এলাকায় কার্যালয় দখলের পর ভবনের পুরোনো ব্যানার সরিয়ে ফেলা হয়েছে। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের পরিবর্তে হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়কে দলের নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করে নতুন ব্যানার লাগানো হয়েছে।

বিদ্রোহী গোষ্ঠীর দাবি, পশ্চিমবঙ্গের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি বিধায়ক ও সংসদ সদস্য তাদের সঙ্গে রয়েছেন। বৃহস্পতিবার তারা ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন ফুল বেঞ্চের সামনে উপস্থিত হয়ে দাবি করেছেন, তারাই মূল দল এবং নির্বাচনী প্রতীক ‘জোড়া ফুল’ তাদেরই প্রাপ্য।

দিল্লি থেকে ফিরেই শুক্রবার বিকেলে তারা সরাসরি দলীয় দপ্তরের দখল নেন। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এই সময় উপস্থিত ছিলেন আখতারুজ্জামান, ফিরহাদ হাকিম, জাভেদ খান, গোলাম রব্বানী, প্রসূণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা। ওই সময় ভবনে অবস্থান করছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুসারী হিসেবে পরিচিত সাবেক মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তবে ঋতব্রতরা ভেতরে প্রবেশ করার পর তিনি ভবন ছেড়ে চলে যান।

দখল শেষে আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের এই নতুন দলে পরামর্শদাতা হিসেবে থাকবেন। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় থাকবেন কি না, তা দলের নতুন কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%