ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শপথে তিন দিন না যেতেই ভারতীয় মন্ত্রীর পদত্যাগ


শপথে তিন দিন না যেতেই ভারতীয় মন্ত্রীর পদত্যাগ

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকে নতুন সরকার গঠনের তিন দিনের মধ্যে কংগ্রেস বড় ধরনের রাজনৈতিক ধাক্কা খেয়েছে। প্রবীণ কংগ্রেস নেতা রামালিঙ্গা রেড্ডি, যিনি মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন, তিনি পছন্দের দপ্তর না পাওয়ার কারণে তিন দিনের মাথায় পদত্যাগ করেছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এই বিষয়টি জানানো হয়েছে। রামালিঙ্গা রেড্ডি জানান, মুখ্যমন্ত্রী নিজে তাকে বেঙ্গালুরু উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্ত এ, তাকে অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ সেচ দপ্তরের দায়িত্ব দেওয়া হয়, যা তিনি গ্রহণ করেননি।

শুক্রবার (৫ জুন) রামালিঙ্গা রেড্ডি কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠান। গত বুধবার (৩ জুন) তিনি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন এবং বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাতে মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন সম্পর্কে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

নিজের পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে রামালিঙ্গা রেড্ডি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার আগে ডি কে শিবকুমার আমার বাড়িতে এসে আমাকে বেঙ্গালুরুর দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। তিনি আমাকে দুবার একই প্রতিশ্রুতি দেন। আমি নিজে কোনো দপ্তর চাইনি, তিনিই প্রস্তাব দিয়েছিলেন।’

কিন্তু জন্য প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করে তাকে সেচ মন্ত্রণালয় দেওয়ায় তিনি এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, “এখন যদি তাকে বেঙ্গালুরু উন্নয়ন দপ্তর ফিরিয়ে দেওয়া হয়, তবুও তিনি আর ডি কে শিবকুমারের মন্ত্রিসভায় যোগ দেবেন না। তবে তিনি বিধায়ক হিসেবে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে যাবেন এবং দল হিসেবে কংগ্রেসের সঙ্গেই থাকবেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন নিয়ে অনুষ্ঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ক্ষোভ প্রকাশ করে রামালিঙ্গা রেড্ডি মাঝপথে বেরিয়ে যান। বৈঠকে তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে ২০২৩ সালে দেওয়া একটি পুরোনো প্রতিশ্রুতির কথাও মনে করিয়ে দেন। নতুন সরকার গঠনের শুরুতেই জ্যেষ্ঠ এই নেতার আকস্মিক পদত্যাগ কর্ণাটকের নতুন কংগ্রেস সরকারের জন্য বড় ধরনের অস্বস্তি ও রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে মাদক ব্যবসার অভিযোগে দম্পতির বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


ফরিদপুরে মাদক ব্যবসার অভিযোগে দম্পতির বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

ভাঙ্গায়, মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক দম্পতির বাড়ির দুটি ভবন ভেঙে দিয়েছে এলাকাবাসী।

এবং এ সময়, ভবনের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভেঙে তছনছ করে দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। আজ শুক্রবার সকাল ৮ টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার চন্ডীদাসদি মহল্লায় ঘটনাটি ঘটে। এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, শতাধিক উত্তেজিত মানুষ গ্রামের দুটি ভবন (এর মধ্যে একটি নির্মাণাধীন ভবন রয়েছে) ভেঙে গুড়িয়ে দিচ্ছে। এই ভবন দুটির মালিক ভাঙ্গা পৌরসভার চন্ডীদাসদি মহল্লার আইয়ুব শেখ (৫১)।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, চন্ডীদাসদি মহল্লার আইয়ুব শেখ এবং তার স্ত্রী ময়না আক্তার (৪৫) দম্পতি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছেন। একসময় তারা গাঁজার ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন এবং বর্তমানে গাঁজার পাশাপাশি ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এই দম্পতি স্থানীয় এলাকার বড় মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। অসংখ্যবার এরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়েছে এবং জেল খেটেছে। জামিনে এসে পুনরায় একই ব্যবসা চালিয়ে গিয়েছে। তাদের কারণে এলাকায় মাদকাসক্তের সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে।

ভাঙ্গা পৌরসভার চন্ডীদাসদি মহল্লার পশ্চিমপাশে ভাঙ্গার আলগী ইউনিয়নের সোনাখোলা গ্রাম অবস্থিত। এই গ্রামের বাসিন্দা এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর সাথে ছিলেন। তিনি বলেন, আইয়ুব শেখ ও তার স্ত্রী ময়না ভাঙ্গা, নগরকান্দাসহ দুই-তিন উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় গাঁজা এবং ইয়াবা কারবারি। তাদের কারণে পুরো এলাকা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ময়না বেগম মাদক সম্রাজ্ঞী এবং তার স্বামী আইয়ুব শেখ মাদকের ডিলার হিসেবে পরিচিত। এলাকাবাসীকে রক্ষা করতে এ দম্পতির ঘরবাড়ি উচ্ছেদ করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

সোনাখোলা গ্রামের এক বাসিন্দা এবং ভাঙ্গা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের আইনজীবী মো. মাসুদ হোসেনও বাড়িঘর ভাঙচুরের সময় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, এ দম্পতি এলাকার বড় মাদক ব্যবসায়ী। তারা মাঝেমধ্যে গ্রেফতার হয়। তবে দুই-চার দিন পরে জামিন নিয়ে ফিরে আসেন। আমরা তাদের ভালো হয়ে যেতে বলেছিলাম। কিন্তু, তারা ভালো হয়নি। তাই এলাকাবাসীর সম্মিলিত সিদ্ধান্তে মাদক ব্যবসায়ী দম্পতির দুটি ভবন গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, চণ্ডীদাসদি গ্রামের আইয়ুব শেখ এবং তার স্ত্রী ময়না বেগম বড় ধরনের মাদক ব্যবসায়ী। তাদেরকে বিভিন্ন সময় গ্রেফতার করা হয়েছে। চলতি বছরেও তাদের বিরুদ্ধে ভাঙ্গা থানায় মাদক আইনে তিনটি মামলা হয়েছে। তারা তিনবার গ্রেফতার হয়েছে। এলাকাবাসী তাদের বাড়িঘর ভেঙে দেওয়ার খবর কিছুক্ষণ আগে শুনেছেন। পুলিশ পাঠিয়ে খোঁজ নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় দলে ফেরছেন সালাউদ্দিন, এইচপির ভবিষ্যৎ কী হবে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৭ পি.এম


জাতীয় দলে ফেরছেন সালাউদ্দিন, এইচপির ভবিষ্যৎ কী হবে?

পাকিস্তান সিরিজ শেষের পর বিসিবির হাই-পারফরম্যান্স ইউনিটের প্রধান কোচ হিসেবে যোগ দেওয়ার কথা ছিল মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের। তিনি দায়িত্ব বুঝেও নিয়েছিলেন ওই সিরিজ শেষে। তবে জাতীয় দলের প্রয়োজনেই তাকে আবারও ফিরতে হচ্ছে।

আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সিরিজে কোচিং নিয়ে একটি সংকট তৈরি হয়েছে। পেস বোলিং কোচের দায়িত্ব থেকে পারিবারিক জটিলতার কথা জানিয়ে সরে দাঁড়িয়েছেন শন টেইট। এই গুরুত্বপূর্ণ সিরিজে স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ এবং ফিল্ডিং কোচ জেমস প্যামেন্টও থাকবেন না।

পেস বোলিং কোচ হিসেবে আপদকালীন সময়ের জন্য দলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন এইচপির কোচ তালহা জুবায়ের। তবে জাতীয় দলের সঙ্গে তেমন কাজ করার অভিজ্ঞতা নেই তালহার। এছাড়া ব্যাটিং কোচ আশরাফুলেরও জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করার বছর পেরোয়নি। একমাত্র অভিজ্ঞ কোচ হিসেবে আছেন ফিল সিমন্সই।

অভিজ্ঞ কোচের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় আপাতত জাতীয় দলের কোচিং প্যানেলে ফেরানো হয়েছে মোহাম্মদ সালাউদ্দিনকে। আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সিরিজ তো বটেই, ঘাটতি পূরণ না হলে জিম্বাবুয়ে সিরিজেও দলের সঙ্গে দেখা যেতে পারে তাকে। তালহা জুবায়েরের ক্ষেত্রেও বিষয়টি এমনই। পেস বোলিং কোচ না পাওয়া পর্যন্ত জাতীয় দলের সঙ্গে থাকবেন তিনি।

এই দুজনের অনুপস্থিতিতে এইচপির হেড কোচের দায়িত্ব পেয়েছেন বিসিবির আরেক কোচ সোহেল ইসলাম। আসন্ন জিম্বাবুয়ে সিরিজে দলের হেড কোচের দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। তবে অস্ট্রেলিয়া সিরিজ শেষ করে এইচপির লাল বলের সিরিজে সালাউদ্দিনও শিষ্যদের সঙ্গে থাকবেন।

আগামীকাল (৬ জুন) জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলতে বগুড়ায় যাবে এইচপি দল। আজ ঢাকা ছাড়ার আগে ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিআর কঙ্গোতে ইবোলা মোকাবিলায় সনাতন চিকিৎসা পদ্ধতির ব্যবহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ পি.এম


ডিআর কঙ্গোতে ইবোলা মোকাবিলায় সনাতন চিকিৎসা পদ্ধতির ব্যবহার

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (ডিআর কঙ্গো) পূর্বাঞ্চলে সম্প্রতি ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় দেশটির কবিরাজদের রয়েছে বিভিন্ন প্রচেষ্টা। দেশটির অনেক মানুষের মধ্যে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে সন্দেহ থাকলেও ভেষজ উপাদান ও প্রথাগত বিভিন্ন পদ্ধতির মাধ্যমে কবিরাজরা রোগীদের মধ্যে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।

বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর প্রচার করেছে।

ডিআর কঙ্গোর ইতুরি প্রদেশের বুনিয়া শহরের কবিরাজ মরিয়ম কাবিকা তার নিজস্ব বাগানে ভেষজ উপাদান খুঁজছেন। তিনি বলছেন, ‘আমি ইউক্যালিপটাস, অ্যাভোকাডো, আম ও পেঁপের পাতা খুঁজছি।’

তিনি আরও জানান, ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলা করতে মরিয়ম কাবিকার মতো লোকজ কবিরাজরা বিভিন্ন ভেষজ উপাদান যেমন ইউক্যালিপটাস, অ্যাভোকাডো, আম ও পেঁপে পাতা ব্যবহার করছেন।

বিশাল আয়তনের দেশে অবস্থিত ইতুরি খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ হলেও, বহু কষ্টের মধ্যে রয়েছে। কয়েক দশকের সংঘাতে বিধ্বস্ত হওয়ায় এ অঞ্চলে সরকারি সেবার উপস্থিতি খুবই সীমিত।

গত ১৫ মে যখন ইবোলা প্রাদুর্ভাব ঘোষণা করা হয়, তখন এটি মধ্য আফ্রিকার দেশটির ১৭তম প্রাদুর্ভাব হিসেবে চিহ্নিত হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৩৫৯ জনের মধ্যে ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে, এবং তাদের মধ্যে ৬১ জন মারা গেছেন।

ইবোলা মোকাবেলায় স্বাস্থ্যকর্মীরা যখন এলাকায় পৌঁছান, তখন তাদের সম্মুখীন হতে হয় স্থানীয় জনগণের অবিশ্বাসের। অন্যদিকে, স্থানীয় জনগণের আস্থাভাজন লোকজ চিকিৎসকেরা রোগটির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামনের সারিতে রয়েছেন। ইবোলা ভাইরাস এই রোগের জন্য ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে ও আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরের তরলের সরাসরি সংস্পর্শে ছড়ায়।

বর্তমান যেটি প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী তা হল বুন্ডিবুগিও ধরনের ইবোলা, যার জন্য কোনো টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। কিন্তু কাবিকা ও তার স্বামী দাউদা শিমাঙ্গা দাবি করেছেন, তারা এই রোগের চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন।

শিমাঙ্গা জানান, তাদের চিকিৎসাকেন্দ্রটি একটি খড়ের ছাউনি দেওয়া কুঁড়েঘর। সেখানে রয়েছে তাবিজ, অশুভ আত্মাদের তাড়ানোর সুগন্ধি ও ভেষজ ওষুধ। তারা বলছেন, এটি তাদের ‘পূর্বপুরুষদের গবেষণাগার।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের তৈরি ভেষজে যদি রোগী সুস্থ না হন, তাহলে আমরা তাকে এই গবেষণাগারে আনি। এরপর আমরা আত্মাদের ডাকি এবং পূর্বপুরুষদের সাহায্য চাই।’

শিমাঙ্গার দাবি, সেদ্ধ করা বিভিন্ন গাছের বাষ্প দিনে তিনবার, টানা তিন দিন গ্রহণ করলে ইবোলা থেকে মুক্তি সম্ভব। তিনি বলেন, এখনও কোনো রোগী এই চিকিৎসা গ্রহণ করেননি हालाँकि পূর্বের প্রাদুর্ভাবগুলোর সময় ‘রক্তক্ষরণ ও জ্বরে আক্রান্ত অনেক মানুষকে আমরা সুস্থ করেছি।’

তিনি আরও বলেন, এ রোগের চিকিৎসা ও প্রতিরোধ কার্যক্রমে এখনও সনাতন চিকিৎসা অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তবে আমরা অবদান রাখতে প্রস্তুত।

ডিআর কঙ্গোতে এ ধরনের চিকিৎসকদের ‘ট্র্যাডি-প্র্যাকটিশনার’ হিসাবে পরিচিত করা হয়। পেশাটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃত নয়, তবে এটি নিয়ন্ত্রিত এবং তাত্ত্বিকভাবে লাইসেন্সপ্রাপ্ত।

পূর্ব কঙ্গোর বহু এলাকায় স্বাস্থ্য অবকাঠামো ভেঙে পড়েছে অথবা একেবারেই নেই। এখানে এই রোগটিকে প্রায়ই শত্রু, প্রতিবেশী, সহকর্মী অথবা আত্মীয়ের বিষ প্রয়োগের ফল বলে মনে করা হয়। ফলে লোকজন সাহায্যের জন্য লোকজ চিকিৎসকদের কাছে গিয়ে থাকে।

বুনিয়ার চিকিৎসক উইলি বেইজা বলেন, ‘অনেক ইবোলা রোগী মনে করেন তারা বিষপ্রয়োগের শিকার। তাই তারা ট্যাডি-প্র্যাকটিশনারদের কাছে যান, যারা মাত্রা বা তদারকি ছাড়াই ঐতিহ্যবাহী ওষুধ প্রদান করে।’

তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, এতে রোগ নির্ণয় ও চিকিত্সা বিলম্বিত হয়। রোগীদের প্রায় সময় সংকটাপন্ন অবস্থায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়।

গত সপ্তাহের শেষে বুনিয়া সফর করে ডব্লিউএইচও’র মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসুস জেনেভায় সাংবাদিকদের জানান, স্থানীয় জনগণের মধ্যে বিশ্বাসের পরিমাণ অনেক বেশি। তিনি বলেন, কিছু সম্প্রদায়ের নেতা তাকে বলেছেন, তারা বিশ্বাস করেন ইবোলা বলে কিছু নেই।

সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতায় অস্থির এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রতি অনীহাপূর্ণ এই দুর্গম অঞ্চলে কবিরাজরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

ডব্লিউএইচও’র মতে, ইবোলার বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলবার জন্য স্থানীয় জনগণের এবং তাদের আচার-অনুষ্ঠানকে সম্পৃক্ত করা অত্যন্ত জরুরি।

সংস্থাটি জানায়, গত বছরের এক ইবোলা প্রাদুর্ভাবের সময় পূর্বপুরুষভিত্তিক সামাজিক রীতিনীতি স্থানীয় জনগণকে প্রতিরোধ কার্যক্রমে যুক্ত করতে সাহায্য করেছিল। যেমন, লোকজ কবিরাজরা সন্দেহভাজন রোগীদের আলাদা রাখার জন্য বিশেষ বিচ্ছিন্নকরণ আচার চালু করেছিলেন। একই সঙ্গে মৃতদেহ ধোয়া ও মৃত প্রাণী সংগ্রহ নিষিদ্ধ করেছিলেন।

তবে বর্তমান প্রাদুর্ভাব মোকাবেলা কার্যক্রম এখনও ধীরগতিতে এগোচ্ছে।

ডব্লিউএইচও জানায়, সংক্রমিত ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসা লোকদের মধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ৪৫ শতাংশকে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হয়েছে।

আফ্রিকায় ডব্লিউএইচও’র জরুরি বিভাগের প্রধান মেরি রোজেলিন বেলিজেয়ার বলেন, ‘আমরা ট্র্যাডি-প্র্যাকটিশনারদের রোগীদের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পাঠাতে অনুরোধ করছি। এর পাশাপাশি তাদের মধ্যে সুরক্ষা সরঞ্জাম বিতরণের কাজও চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারালেন কুমিল্লার নুরুল আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৫৪ পি.এম


দিল্লির হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারালেন কুমিল্লার নুরুল আমিন

ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লির মালবীয় নগরে একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের এক যুবক নিহত হওয়ার খবর এসেছে। বুধবার সকালবেলা হাউজ রানি এলাকার পাঁচতলা বেড অ্যান্ড ব্রেকফাস্ট হোটেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত নূরুল আমিন সোহাগ (৪০) হচ্ছেন উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের সাঙ্গীশ্বর গ্রামের আব্দুস সোবহানের ছেলে। সোহাগ মৃত্যুর খবরটি পেয়ে তার নিজ গ্রামের সাঙ্গীশ্বরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর স্বজন, প্রতিবেশী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। পরিবার সদস্যরা মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে দাবি জানিয়েছেন।

শুক্রবার সকালে সোহাগের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর স্বজন হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী। তিনি জানান, সোহাগ ছোট বোন ও ভগ্নিপতিকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য নয়া দিল্লি গিয়েছিলেন।

বুধবার সকালে মালবীয় নগরের ওই আবাসিক হোটেলে সিলিন্ডার গ্যাস বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, যার ফলে সোহাগ গুরুতরভাবে দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে মারা যান। এই ঘটনায় সোহাগের ছোট বোন এবং ভগ্নিপতি হিসেবেও অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন। বর্তমানে তারা দুজনই ম্যাক্স হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন জানিয়েছেন, নিহতের স্বজনদের সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। মরদেহ দেশে আনা এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার জন্য প্রশাসন থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হচ্ছে। এছাড়া, পরিবারটির পাশে থেকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%