০৬:৩২ পি.এম
মালদ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মীদের কল্যাণ, সামাজিক সুরক্ষা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তাদের অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম।
হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম সম্প্রতি মালদ্বীপের কাফু অ্যাটলের থুলুসধু দ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধি দলের সফর ও কনস্যুলার সেবা কার্যক্রমের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশে এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। আজ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘বিদেশের মাটিতে অবস্থানরত প্রতিটি বাংলাদেশি কর্মী আমাদের জাতীয় পরিবারের একেকজন অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম, ত্যাগ এবং কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই প্রবাসীরা দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে একটি মানবিক ও অর্থনৈতিক সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছেন। তাই তাদের কল্যাণ, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব।’
আরও পড়ুন: নরসিংদীতে কালীবাড়ি ডাইং অ্যান্ড ফিনিশিং মিলে বিস্ফোরণে ৫ জন দগ্ধ
সফরকালে হাইকমিশনার থুলুসধু কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট, কাউন্সিল সদস্যবৃন্দ এবং স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে দ্বীপে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মীদের কাজের পরিবেশ, স্বাস্থ্যসেবা, আইনি সচেতনতা ও সামাজিক নিরাপত্তার বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে থুলুসধু কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট দ্বীপের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সততা, কর্মদক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। সফরের অংশ হিসেবে থুলুসধু দ্বীপে বসবাসরত প্রবাসীদের দোরগোড়ায় ই-পাসপোর্ট এবং বিএমইটি স্মার্ট কার্ডের আবেদন গ্রহণসহ নানামুখী ডিজিটাল কনস্যুলার সেবা প্রদান করা হয়।
এছাড়া প্রবাসীদের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা সরাসরি শুনতে একটি উন্মুক্ত মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এসময় হাইকমিশনের প্রথম সচিব (শ্রম) মো. মোতাছেম বিল্যাহ উপস্থিত প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
অনুষ্ঠানে প্রবাসীদের মাঝে খেলাধুলা, সামাজিক সম্প্রীতি ও সুস্থ জীবনধারা উৎসাহিত করতে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়। হাইকমিশনার প্রবাসীদের মালদ্বীপের স্থানীয় আইন-কানুন যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে বা সমস্যায় সরাসরি হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।
আরও পড়ুন: ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুকে ‘যমজ শিশু’ বলে কটাক্ষ ইরানের জেনারেলের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন