ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কোথায় ছিল খামেনির মরদেহ, কেন এত দেরিতে দাফন প্রক্রিয়া?


কোথায় ছিল খামেনির মরদেহ, কেন এত দেরিতে দাফন প্রক্রিয়া?

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। তার মৃত্যুর দীর্ঘ ৪ মাস পর অবশেষে শুরু হচ্ছে শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা।

ইসলাম ধর্মে দ্রুত দাফনের নিয়ম থাকা সত্ত্বেও খামেনির দাফন কেন এতদিন দেরি হলো, তা নিয়ে জনমনে বড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

অনেকে গুজব ছড়িয়েছিলেন যে তার লাশ সাময়িকভাবে কোথাও পুঁতে রাখা হয়েছিল। তবে ইরানি কর্মকর্তারা এই দাবি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন।

আরও পড়ুন: আম্বানির তেল শোধনাগারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের পেছনের কূটনীতি

তারা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান যুদ্ধের কারণে অত্যন্ত ভয়াবহ ও বিপজ্জনক পরিস্থিতি দেখা দিয়েছিল, তাই তখন শেষকৃত্য করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে দুই পক্ষ সাময়িক যুদ্ধবিরতিতে রাজি হওয়ায় এই বিশাল জানাজার আয়োজন করা হচ্ছে।

কর্মকর্তারা আরও জানান, ধর্মীয় ও আইনি নিয়ম মেনেই এতদিন তার মরদেহ সংরক্ষণ করা হয়েছিল। ইসলাম ধর্মে রাসায়নিক দিয়ে লাশ মমি বা তাজা রাখা নিষেধ। সুতরাং, খামেনির মরদেহ মমি না করে আধুনিক ফরেনসিক মর্গের হিমাগারে (ফ্রিজে) বরফ করে রাখা হয়েছিল। শিয়া ধর্মীয় আইন অনুযায়ী, বিশেষ জরুরি পরিস্থিতিতে লাশ ফ্রিজে রেখে দাফন দেরিতে করার সুযোগ রয়েছে।

মৃত্যুর ৪ মাস পর এই জানাজাকে ইরান সরকার নিজেদের রাজনৈতিক শক্তির বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখছে। তারা প্রায় ২ কোটি মানুষের সমাগম ঘটিয়ে বিশ্বকে নিজেদের ঐক্য প্রদর্শন করতে চায়। শুক্রবার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে খামেনি ও তার নিহত স্বজনদের লাশ রাখা হয়েছে। ৫টি শহরে শ্রদ্ধা জানানোর পর আগামী ৯ জুলাই মাশহাদ শহরে তাকে দাফন করা হবে।

আরও পড়ুন: ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ শুরুর পর চলতি মাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ চূড়ায় সউদীর তেল রপ্তানি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাইবান্ধায় ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ পি.এম


গাইবান্ধায় ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর

গাইবান্ধায় পৌরসভার একটি দ্রুতগামী ময়লাবাহী ডাম্প ট্রাকের চাপায় পিষ্ট হয়ে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (০৩ জুলাই) সকালে ১১ টার দিকে জেলা শহরের পশ্চিম পাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মাসুদ মিয়া গাইবান্ধা পৌর শহরের জুম্মা পাড়া এলাকার বাদশা মিয়ার ছেলে বলে পরিচিত।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মোটরসাইকেল আরোহী মাসুদ মিয়া বাসস্ট্যান্ড হয়ে সংযোগ সড়ক দিয়ে সাদুল্যাপুর সড়কে উঠছিলেন। এসময় শহরমুখী পৌরসভার একটি দ্রুতগতির ময়লাবাহী ডাম্প ট্রাক সেই মোটরসাইকেলটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে চাকার নিচে পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই ওই আরোহীর মৃত্যু ঘটে।

খবর পেয়ে গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে।

গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন, ঘাতক ট্রাকটির চালককে আটক করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির পর হরমুজ প্রণালিতে বাড়ছে জাহাজ চলাচল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩৮ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির পর হরমুজ প্রণালিতে বাড়ছে জাহাজ চলাচল

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ফলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে, যা জাহাজ মালিকদের মধ্যে আশাবাদ সৃষ্টি করছে এবং তাদের ওপর হামলার ঝুঁকি কমে যাচ্ছে।

সামুদ্রিক তথ্য পর্যবেক্ষক প্রতিষ্ঠান 'সিগনাল'-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১ জুলাইয়ের পর উপসাগরীয় এলাকায় প্রতিদিন যাতায়াতকারী জাহাজের সংখ্যা বেড়ে ৮টিতে দাঁড়িয়েছে। আগের যুদ্ধের সময়, এই সংখ্যা নেমে গিয়েছিল মাত্র ১ অথবা ২টিতে।

যাহোক, বর্তমান সময়ে জাহাজ চলাচল বেড়েছে, কিন্তু তা যুদ্ধের আগের সময়ের তুলনায় এখনও অনেক কম। লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্স জানায়, গত সপ্তাহে মোট ২৫৮টি জাহাজ এই রুট দিয়ে যাতায়াত করেছে, যেখানে মার্চ মাসের যুদ্ধের প্রথম সপ্তাহে সংখ্যা ছিল মাত্র ৪১টি। যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস পরিবহন করা হত। সেই সময়, প্রতিদিন প্রায় ১৩৫টি জাহাজ এই প্রণালিতে যাতায়াত করত।

হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, খাবার, জ্বালানি এবং সার শিল্পে বড় প্রভাব পড়েছিল। তবে এই সংকটের সময় কিছু জাহাজ বিকল্প রুটে চলাচল শুরু করে। এর ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশ কিছু বন্দর লাভবান হয়েছে। কাতারের দোহায় অবস্থিত হামাদ বন্দরে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক ছিল। এছাড়াও, জেবেল আলী, খোর ফাক্কান এবং সোহার বন্দরগুলো বিকল্প রুটের বাড়তি জাহাজের চাপ মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকার সাভারে ভাড়া বাসা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪০ পি.এম


ঢাকার সাভারে ভাড়া বাসা থেকে নারীর মরদেহ উদ্ধার

ঢাকার সাভারে একটি ভাড়া বাসা থেকে পুলিশ একটি নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মনে করছে, ধর্ষণের পর তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার কারণে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঢাকার সাভারে ভাড়া বাসা থেকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধারণা করছে, ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এ বিষয়ে মামলা করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সাভার মডেল থানার আমিনবাজার ইউনিয়নের বড়দেশীর হাজীনগর এলাকায় মো. ইউসুফ আলীর ভাড়া বাসা থেকে শারমিন আক্তার লিজা (৩৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি কেরানীগঞ্জের আগানগর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তার বাবার নাম মো. শওকত হোসেন এবং স্বামীর নাম মো. মাইনুদ্দিন আহম্মেদ জনি।

ঘটনার পর নিহতের বাবা মো. শওকত হোসেন বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, শারমিন আক্তার লিজাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তবে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

মরদেহ উদ্ধার করার পর ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সাভার মডেল থানা সূত্র জানায়, এ ঘটনার মামলার নম্বর ১৮ এবং তারিখ ৩ জুলাই ২০২৬। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্রোয়েশিয়ার বাতিল হওয়া গোল নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ফিফার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪১ পি.এম


ক্রোয়েশিয়ার বাতিল হওয়া গোল নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা ফিফার

বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ মুহূর্তে গোল করে উল্লাসে মেতে উঠেছিল ক্রোয়েশিয়া। মনে হচ্ছিল, লুকা মদ্রিচদের দলের জন্য সমতা ফিরে এসেছে এবং ম্যাচে নতুন জীবন পেয়েছে তারা। কিন্তু সেই আনন্দ বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) গোলটি বাতিল করার পর ক্রোয়েশিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে যায়।

গোল বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েই মাঠে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। রিপ্লেতে স্পষ্টভাবে কোনো অফসাইড বা বলের স্পর্শ চিহ্নিত না হওয়ায় অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, কীভাবে এমন একটি সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হলো।

পরে ফিফা জানায়, আক্রমণের সময় পর্তুগালের রেনাতো ভেগার কাছ থেকে বলটি ইভান পেরিসিচের কাছে যায়। পেরিসিচের দ্বারা বলটি বাড়ানোর পর সেটি মারিও পাসালিচের কাছে পৌঁছানোর আগেই ক্রোয়েশিয়ার ইগর মাতানোভিচের পায়ে একটি অতি সামান্য স্পর্শ লাগে। এই স্পর্শটি খালি চোখে বা সাধারণ রিপ্লেতে বোঝা যায়নি।

কিন্তু বিশ্বকাপে ব্যবহৃত অ্যাডিডাসের স্মার্ট ম্যাচ বলে থাকা 'কানেক্টেড বল টেকনোলজি' এই স্পর্শ শনাক্ত করে। বলের ভেতরে থাকা সেন্সর প্রতি সেকেন্ডে অসংখ্য তথ্য সংগ্রহ করে, ফলে ক্ষুদ্রতম স্পর্শও ধরা পড়ে। পরে সেই তথ্যগুলো সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়। এভাবেই নিশ্চিত হওয়া যায় যে, মাতানোভিচ বলটি স্পর্শ করার মুহূর্তে পাসালিচ অফসাইডে ছিলেন।

এর ভিত্তিতেই ভিএআর রেফারিকে গোল বাতিলের পরামর্শ দেয়। সেই কারণে জসকো ভার্দিওলের করা গোলটি আর গণ্য হয়নি। এক মুহূর্তের উল্লাস পরিণত হয় হতাশায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%