ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বিদেশি নাগরিকদের সম্পর্কে যা জানা গেছে


ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহত বিদেশি নাগরিকদের সম্পর্কে যা জানা গেছে

 বুধবার ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা জোড়া ভূমিকম্পের ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৩৫ জন হয়েছে। এই সংখ্যা অন্তর্ভুক্ত করেছে বেশ কয়েকজন বিদেশি নাগরিক।

-দুই ব্রাজিলীয়-

ভেনেজুয়েলার প্রতিবেশী দেশ ব্রাজিলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার জানায়, এই ভূমিকম্পে দেশটির দুই নাগরিক, একজন পুরুষ ও একজন নারী মারা গিয়েছেন।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে ২০২৩ সালে ১৮৮ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

কারাকাস থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই সংবাদের বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের স্বজনদের জন্য প্রয়োজনীয় কনস্যুলার সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

-একজন দ্বৈত নাগরিক-

রোমের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার জানায়, কারাকাসে জন্ম নেওয়া এবং ইতালি ও ভেনেজুয়েলার দ্বৈত নাগরিক পঞ্চাশোর্ধ্ব এক ব্যক্তি সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত লা গুয়াইরা অঞ্চলে এক ভবন ধসে প্রাণ হারিয়েছেন।

আরও পড়ুন: শিক্ষাকে কর্মজীবনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে: ইউজিসি চেয়ারম্যান

ইতালির সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলায় প্রায় এক লাখ ৭০ হাজার ইতালীয় পাসপোর্টধারী ব্যক্তি বসবাস করেন।

-দুই চীনা-

কারাকাসে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের বরাত দিয়ে বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত ভূমিকম্পে নিহতদের মধ্যে দুই চীনা নাগরিকের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে।

দূতাবাসটি তাদের সরকারি উইচ্যাট অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভেনেজুয়েলায় অবস্থানরত চীনা নাগরিকদের আফটারশক এবং অন্যান্য ভূমিকম্পজনিত সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার দুর্যোগ সম্পর্কে সতর্ক থাকতে আহ্বান করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের নাগরিক সেবা ‘মাইগভ’ প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুগলের চাকরি ছাড়লেন রেস্তোরাঁ ব্যবসায়, বছরে আয় প্রায় ২৮ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:৫২ পি.এম


গুগলের চাকরি ছাড়লেন রেস্তোরাঁ ব্যবসায়, বছরে আয় প্রায় ২৮ কোটি টাকা

 

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে একটি হালাল বারবিকিউ রেস্তোরাঁ প্রতিষ্ঠা করতে ৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার (প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা) বেতনের চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন এক প্রযুক্তিবিদ, যার নাম সালাহউদ্দিন আবদুল-কাফি।

তার বয়স ৩৫ বছর। তিনি প্রযুক্তি কম্পানিতে ১৪ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছেন, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য গুগল, মাইক্রোসফট, ইউটিউব এবং ক্রুজের মতো বড় বড় প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

আবদুল-কাফি জানান, দীর্ঘ সময় কাজ করার পর তিনি প্রযুক্তি খাতে হতাশ হয়ে পড়েন।

তার মতে, এ খাতে মানুষের জীবন উন্নতের জন্য কাজের চেয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে অর্থ উপার্জনে। এ কারণেই তিনি সিদ্ধান্ত নেন একটি উচ্চ বেতনের চাকরি ত্যাগ করার। চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর তিনি নিজের বেতন ৫০ শতাংশেরও বেশি কমিয়ে একটি ধর্মীয় অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগগ্রহণ করেন।

এরপর তিনি সান ফ্রান্সিসকো ছেড়ে চলে যান। সেই সময়, তিনি দিনের চাকরির পাশাপাশি বন্ধুদের জন্য রাতের খাবার রান্না ও বারবিকিউ আয়োজন করতেন। তার রান্না দেখার পর বন্ধুদের প্রশংসা করতেন। আবদুল-কাফি বলেন, সেটাই ছিল তার নতুন পরিকল্পনার সূচনা। তিনি ভাবতে শুরু করেন টেক্সাসে বারবিকিউ নিয়ে এমন কিছু করা যাবে কি না, যা আগে কেউ করেনি। বিজনেস ইনসাইডারকে তিনি জানিয়েছেন, সেই ভাবনা থেকেই 'কাফি বারবিকিউ' শুরু করার পরিকল্পনা রচনা হয়। রেস্তোরাঁটি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে উন্মুক্ত হয়। শুরুর সময় তারা তিন দিনের খাবার প্রস্তুত করে। কিন্তু প্রথম দিনেই সমস্ত খাবার বিক্রি হয়ে যায়, যা সকলকে অবাক করে দেয়। এরপর সেই রাতেই আবার রান্না শুরু করতে হয়।

অল্প সময়ের মধ্যেই রেস্তোরাঁটি টেক্সাসসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। আবদুল-কাফি বলেছেন, তার রেস্তোরাঁর আয় দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত বছরে তাদের আয় ছিল প্রায় ২৩ লাখ ডলার (প্রায় ২৮ কোটি ২১ লাখ টাকা)। এ বছর আশা করা হচ্ছে তা বাড়তে বাড়তে প্রায় ৪০ লাখ ডলারে (প্রায় ৪৯ কোটি ৭ লাখ টাকা) পৌঁছাবে। তিনি জানান, ব্যবসা ভালো চললেও তিনি রেস্তোরাঁ থেকে এখনও নিজের জন্য এক ডলারও নেননি। তিনি তার সঞ্চয়ের টাকা থেকেই জীবন নির্বাহ করছেন।

রেস্তোরাঁ দ্রুত সফল হলেও খরচও অনেক বেশি। আবদুল-কাফি জানান, ব্যবসা পরিচালনা করতে প্রত্যেক মাসে প্রায় ২ লাখ ১৫ হাজার ডলার খরচ হয়। এর মধ্যে খাবারের জন্য যথেষ্ট পরিমাণ অর্থ, অর্থাৎ প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার ডলার প্রয়োজন। কর্মীদের বেতন দিতে খরচ হয় প্রায় ৫০ হাজার ডলার। ভাড়া বাবদ দিতে হয় প্রায় ১৫ হাজার ডলার। পাশাপাশি বিজ্ঞাপন, বিপণন এবং অন্যান্য খাতে বড় অঙ্কের টাকা ব্যয় হওয়ার প্রয়োজন পড়ছে।

তিনি বলেন, শুরুতে প্রায় ১০ লাখ ডলার বিনিয়োগ করা হলেও সেই টাকা এখনও পুরোপুরি ফিরে আসেনি। সে কারণে আবদুল-কাফি ভবিষ্যত নিয়ে আশাবাদী হলেও তিনি সতর্ক থাকছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাজ শেষ হতেই ধসে গেল ৯ কোটি টাকার সড়ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:৫৬ পি.এম


কাজ শেষ হতেই ধসে গেল ৯ কোটি টাকার সড়ক

গাজীপুরের শ্রীপুরে নির্মাণকাজ শেষ হতে না হতেই দেবে গেছে ৯ কোটি টাকার ব্যয়ে নির্মিত সাড়ে ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার অংশ। এই সড়কটি ধারাবাহিকভাবে সূতি নদীতে ধসে যাচ্ছে। নদীর তীরে বসানো কংক্রিটের ব্লকগুলো ভেঙে যাচ্ছে। স্থানীয়রা অভিযোগ তুলেছেন, এখানে ব্যাপক নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে।

এদিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পুরো বিল তুলে নিলেও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) তাদের জামানতের অর্থ দিয়ে সড়ক সংস্কারের আশ্বাস প্রদান করেছে।

উপজেলাবাসীর জন্য জেলা সদরের সাথে সহজ যাতায়াতের উদ্দেশ্যে ২০২১ সালে রাজাবাড়ি থেকে প্রহলাদপুর ইউনিয়নের দমদমা পর্যন্ত নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। মেসার্স সালাম ট্রেডার্স নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এই কাজটি গ্রহণ করে। যদিও ২০২৪ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল, তবে ৫ বছর পর ২০২৬ সালে এটি শেষ হয়।

সূতি নদী ঘেঁষে যে সড়কটির নির্মাণ করা হয়েছে, চিনাশুকানিয়া গ্রামের একটি বিশাল অংশ ইতোমধ্যে দেবে যেতে শুরু করেছে। বেশ কিছু স্থানে এখানে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। নদীর তীরে বসানো ব্লকগুলো ভেঙে নদীতে চলে যাচ্ছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিঘ্নের হাত থেকে রক্ষা পেতে বালুর বস্তা দিয়ে জোড়াতালি দেওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হচ্ছে না। দেবে যাওয়া অংশটি মোকাবেলা করার চেষ্টা করা হচ্ছে, কিন্তু যানবাহন চরম ঝুঁকি নিয়ে সেখানে চলাচল করছে। এলাকাবাসীরা আতঙ্কিত হয়ে আছেন যে যেকোনো মুহূর্তে সড়কটি নদীতে বিলীন হয়ে যাবে এবং এর ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

দমদমা গ্রামের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘সড়কের কাজ শেষ হয়েছে মাত্র কয়েক মাস। এই অল্প সময়ের মধ্যে সড়কটি দেবে গেছে। নদীর তীর বালু ও মাটি দিয়ে ভরাট করে কাজ শুরু করা হয়েছিল। মাটি ঠিক মতো না বসানোর কারণে সড়কটি ধসে পড়ছে।’

চিনাশুকানিয়া গ্রামের বাসিন্দা লতিফুর রহমান জানান, ‘কাজের শুরুতেই আমরা নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছিলাম। ব্লকগুলো ভিট বালু দিয়ে জোড়া লাগানো হয়েছিল। প্রতিবাদ করায় ঠিকাদারের লোকজন স্থানীয়দের হুমকি দেয়। ভয়ের কারণে পরে কেউ কথা বলেনি।’

একজন আরেক বাসিন্দা, হুমায়ুন আজাদ যোগ করেন, ‘৫ বছর ধরে কাজ চলে যদি কয়েক মাসের মধ্যে সড়ক ধসে যায়, তাহলে বুঝতে হবে কাজের মধ্যে কত বড় অনিয়ম হয়েছে। আমরা সুষ্ঠু তদন্ত প্রার্থনা করছি এবং দোষীদের বিচার চাই।’

অভিযোগের বিষয়ে মেসার্স সালাম ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুস ছালাম বলেন, ‘কাজ শেষ হওয়ার কয়েক মাস পর কিছু অংশ দেবে গেছে। বিল তুলে নিলেও আমাদের জামানত দুই বছর জমা থাকবে। যতবার ভাঙবে ততবার ঠিক করে দেব, সেখানে সমস্যা কোথায়?’

‘পাকা সড়ক বারবার ভাঙবে আর জোড়াতালি দেবেন, এটা কি যথাযথ পদ্ধতি?’ এমন প্রশ্নের কোনো সঠিক উত্তর না দিয়ে তিনি ফোন কেটে দেন।

শ্রীপুর উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী মো. তৌহিদ আহমেদ জানান, ‘সড়ক দেবে যাওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে লোক পাঠানো হয়েছে। বর্ষাকালে বর্তমানে কাজ করা সম্ভব নয়। ঠিকাদার বিল তুলে নিলেও তাদের জামানতের ১০ শতাংশ (প্রায় ১ কোটি টাকা) আমাদের কাছে জমা রয়েছে। সেই টাকা দিয়ে মেরামত করা হবে।’

তিনি আরও জানান, যে কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সবজিতে স্বস্তি ফিরলেও ইলিশের দাম চড়া থাকায় হতাশ ক্রেতারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:৫৭ পি.এম


সবজিতে স্বস্তি ফিরলেও ইলিশের দাম চড়া থাকায় হতাশ ক্রেতারা

সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারে সবজি, ডিম ও মুরগির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে এবং ডিমও আগের চেয়ে কম দামে মিলছে। তবে মাছের বাজারে ভিন্ন চিত্র লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশেষ করে ইলিশের দাম এখনো চড়া থাকায় ক্রেতাদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশপাশের বাজারগুলো ঘুরে এমন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।

বর্তমানে বাজারে বেশিরভাগ সবজিই ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, আলু ৩০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৪০ টাকা, পেঁয়াজ ৪০-৪৫ টাকা, কাঁচা মরিচ ৭০-৮০ টাকার মধ্যে এবং পটল ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে প্রতি কেজি বেগুনের দাম ৮০ টাকা।

সবজি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে সরবরাহ বাড়ার কারণে বেশিরভাগ সবজির দাম কমেছে। কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা আনিস বলেন, ‘এখন বিভিন্ন জেলা থেকে সবজি ভালো আসছে। সরবরাহ বাড়ায় দামও কিছুটা কমেছে। সামনে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আরও কিছু সবজির দাম কমতে পারে।’

ডিমের বাজারেও কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজনে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে ডিমের দাম। বর্তমানে লাল ডিম প্রতি ডজন ১২০ টাকা এবং সাদা ডিম ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিম বিক্রেতা সোলায়মান বলেন, সরবরাহ আগের তুলনায় বেড়েছে। তাই পাইকারি বাজারে দাম কমেছে এবং খুচরাতে তার প্রভাব পড়েছে।

মুরগির বাজারে অবশ্য সপ্তাহের ব্যবধানে বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি। ব্রয়লার মুরগি সপ্তাহে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, দেশি মুরগি ৬৫০ টাকা, সোনালি ৩২০ টাকা এবং লেয়ার ৩৫০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। মুরগি বিক্রেতাদের দাবি, চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য থাকার কারণে দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

অন্যদিকে মাছের বাজারে চাষের মাছের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও ইলিশ কিনতে গিয়ে ক্রেতাদের বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। বর্তমানে চাষের পাবদা মাছ ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, চাষের শিং মাছ ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা, চাষের কৈ মাছ ২০০ টাকা এবং পাঙাস ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে এক কেজি ওজনের একটি ইলিশ কিনতে ক্রেতাদের প্রায় ৩ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম কেজি ২ হাজার ৩০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেড় কেজি ওজনের ইলিশের দাম ৩ হাজার ৫০০ টাকা। মাছ বিক্রেতাদের দাবি, বড় আকারের ইলিশের সরবরাহ এখনো চাহিদার তুলনায় কম। তাই দাম কমানোর সুযোগ নেই।

কারওয়ান বাজারের এক মাছ বিক্রেতা বলেন, ইলিশ আসছে ঠিকই, কিন্তু বড় মাছের পরিমাণ কম। চাহিদা বেশি থাকায় দামও বেশি। সরবরাহ আরও বাড়লে তখন দাম কিছুটা কমতে পারে।

এদিকে ক্রেতাদের অভিযোগ, সবজি, ডিম এবং মুরগির বাজারে কিছুটা স্বস্তি এলেও ইলিশ এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। ক্রেতা শামসুল আলম জানান, ‘সবজির দাম কমেছে এবং ডিমও একটু কম দামে পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু ইলিশ কিনতে গেলে মনে হয় শুধু দেখে চলে যেতে হবে। তিন হাজার টাকা কেজি দিয়ে ইলিশ কেনা সবার পক্ষে সম্ভব নয়।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে আলোচনা হয়েছে: মাহদী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০১:৫৮ পি.এম


মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত অর্থনৈতিক করিডোর নিয়ে আলোচনা হয়েছে: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানিয়েছেন, মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত ইকোনমিক করিডোর করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি শুক্রবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় দুপুরে চীনের বেইজিংয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

মাহদী আমিন আরও উল্লেখ করেন, ‘চীন তিস্তা মহাপরিকল্পনা এবং দেশের অন্যান্য নদী ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করতে চায়। মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত ইকোনমিক করিডোর করার কথা আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে আলোচনায় মিয়ানমার ও বাংলাদেশর মধ্যে মধ্যস্থতায় চীন সব ধরনের সহায়তা করবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মিউচুয়াল ট্রাস্ট, আত্মনির্ভরতা ও সম্মানের সম্পর্কের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে চান। প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক সফরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও অংশীদারিত্বের ভিত্তি রচনা হলো- এটি বাংলাদেশ সরকারের একটি significativa অর্জন।’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, ‘বাংলাদেশ চীনের এক রাষ্ট্র নীতিতে সমর্থন করে। গুরুত্বপূর্ণ ১৬টি পয়েন্ট সংবলিত একটি যৌথ ইশতেহার প্রণীত হয়েছে। চীন আমাদের বড় ট্রেডিং পার্টনার, যেখানে এক্সপোর্ট কম হলেও আমদানি বেশি। তাই কীভাবে এই বাণিজ্য ঘাটতি কমানো যায় সে বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। কীভাবে চীনের ট্রেড বাংলাদেশে বাড়ানো যায়, এ নিয়ে দুই সরকার আলোচনা করেছে।’

মাহদী আমিন চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ইকোনোমিক জোন তৈরিতে যত দ্রুত সম্ভব সরকার কাজ শুরু করতে চায় বলে জানান। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা এখানে চীনের উন্নয়ন সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।’

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্রিকসে আবেদন করলে বেইজিং সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%