ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সরকারের


রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সরকারের

সংসদ ভবন, ১৬ জুন, ২০২৬ : সরকার রাজধানী ঢাকার জলাবদ্ধতা সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, যা স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি তিনটি ভাগে বিভক্ত, এমন খবর জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মন্ত্রী আজ সংসদে কুমিল্লা-৯ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. আবুল কালামের টেবিলে উত্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য দেন।

তিনি উল্লেখ করেন, রাজধানীর জলাবদ্ধতা সমস্যা মোকাবিলে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে সরকার ধাপে ধাপে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়ন করছে।

আরও পড়ুন: দিল্লি হাইকোর্টের ককরোচ নেতাদের ভর্ৎসনা, বিক্ষোভের অনুমতি নিয়ে প্রশ্ন

মন্ত্রী জানালেন, স্বল্পমেয়াদি কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে রাজধানীর নর্দমা, বক্স-কালভার্ট এবং খালসমূহ থেকে নিয়মিত পলি ও বর্জ্য অপসারণ করা। ভারী বর্ষণের সময় জলাবদ্ধতাপ্রবণ অঞ্চলে পোর্টেবল পাম্প ব্যবহার করে দ্রুত বৃষ্টির পানি সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। ফলে বিদ্যমান পাম্প স্টেশনগুলো নিয়েও পানি নিষ্কাশন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, শহরের বিভিন্ন স্থানে যথেষ্ট সংখ্যক ক্যাচপিট এবং লোহার গ্রেটিংস স্থাপন কাজে নিযুক্ত রয়েছে। জলাবদ্ধতা রোধ করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ওয়র্ডভিত্তিক জরুরি প্রতিক্রিয়া দল (ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম) গঠন করা হয়েছে। এই দলগুলো তাৎক্ষণিকভাবে প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা দূর করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে যাচ্ছে।

মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, চারটি বৃহৎ খালের উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে যা খাল পুনরুদ্ধার, সংস্কার এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে। উল্লেখযোগ্য, জিয়া সরণী খাল ও শ্যামপুর খালের পানি নিকটবর্তী বুড়িগঙ্গা নদীতে নিষ্কাশন করার জন্য আউটলেট নির্মাণের কাজও এগিয়ে চলছে।

এছাড়া, রাজধানীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন নর্দমা নির্মাণ এবং বিদ্যমান নর্দমাগুলোর সংস্কার ও মেরামতের কাজ অব্যাহত রয়েছে, এমনটি মন্ত্রী উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুন: গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, জিয়া সরণী খাল, কাজলা খাল এবং মৃধাবাড়ি খালসহ ৫০ কিলোমিটার খাল উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, নবসংযুক্ত এলাকার জলাবদ্ধতা কমাতে নতুন ১৮টি ওয়ার্ডে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও সড়ক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ৫৭টি ওয়ার্ডে ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যানের আওতায় দ্রুত বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য অধিকসংখ্যক আউটলেট নির্মাণ এবং নতুন পাম্প স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনা আছে।

মন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান ড্রেনেজ ব্যবস্থার সক্ষমতা মূল্যায়ন করে পানি প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়ে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও ইন্টারনেটসহ বিভিন্ন সেবার জন্য ইউটিলিটি ডাক্ট নির্মাণ এবং কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে আধুনিক, টেকসই ও যুগোপযোগী করার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

মন্ত্রী আরো জানান, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজধানীর জলাবদ্ধতা সমস্যা ধীরে ধীরে কমে একটি উন্নত ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: বিজয়া দশমীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতি শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতির

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৭ পি.এম


গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

আজ বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্ট আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রেখেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। অনুষ্ঠানে তিনি জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করবে না। বরং, গণমাধ্যমকে পূর্ণ স্বাধীনতার মধ্যে দেখতে চায় সরকার। তবে শুধু সমালোচনার ওপরই নয়, দেশের স্বার্থের জন্য সরকারের ইতিবাচক কাজগুলোও গণমাধ্যমে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আজ রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্ট (বিএজে) আয়োজন করা ‘আওয়ামী শাসন আমলে গণমাধ্যম ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, সরকার কোনো গণমাধ্যমের ওপর হস্তক্ষেপ করবে না, এবং আমাদের লক্ষ্য গণমাধ্যমকে স্বাধীনভাবে দেখতে চাই। কিন্তু সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলা মানেই স্বাধীনতা নয়। আপনাদের সমালোচনা অব্যাহত রাখা উচিত, কিন্তু সরকারের ভালো দিকগুলোও জনসাধারণের সামনে তুলে ধরতে হবে।

তিনি আরও যোগ করেন, সমাজ ও রাষ্ট্রে ফ্যাসিবাদ দূর করার জন্য সাংবাদিকদেরও দায়িত্ব রয়েছে। সরকার সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চায়, কারণ দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।

পূর্ববর্তী শাসনামলের সমালোচনা করতে গিয়ে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনের সময় অনেক সাংবাদিকের ওপর অবর্ণনীয় নির্যাতন হয়েছে। বর্তমান সরকার সে অন্ধকার অধ্যায় মুছে ফেলে মুক্ত ও পেশাদার সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করতে বদ্ধপরিকর।

আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান। তিনি বলেন, অটোক্রেসি (স্বৈরাচার) থেকে ফ্যাসিবাদের ইতিহাস আওয়ামী লীগের ইতিহাস। শেখ মুজিব তার কাছে ফ্যাসিবাদের আইকন ছাড়া আর কিছুই নয়।

তিনি স্বাধীনতা ও মানবাধিকার হরণ করেছেন এবং শেখ হাসিনা মিডিয়াকে চাটুকারে পরিণত করেছেন। ড. মাহমুদুর রহমান আরও বলেন, শেখ মুজিব ফ্যাসিবাদের যাত্রা শুরু করেছিলেন আব্দুস সালামের মতো কিংবদন্তি সম্পাদককে চাকরিচ্যুত করার মাধ্যমে।

ফ্যাসিবাদের নিয়ম হলো তাদের একটি আইকনের প্রয়োজন ফ্যাসিবাদকে বৈধতা প্রদানের জন্য। যারা আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করছে তারা মহান জুলাই বিপ্লবের পর থেকে সবসময় শেখ মুজিবকে শেখ হাসিনার থেকে পৃথক করার চেষ্টা করছে। আসলে শেখ মুজিব এবং শেখ হাসিনার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।

বিএজে-এর সভাপতি এম. আবদুল্লাহর সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আবদুল লতিফ মাসুম।

মূলপ্রবন্ধে অধ্যাপক মাসুম বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক এবং সামাজিক ইতিহাসের একটি যুগসন্ধিক্ষণ। এর চূড়ান্ত ও বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন সময়ই করবে। তবে একটি রাজনৈতিক সত্য ইতোমধ্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে—যখন গণমাধ্যম জনগণের ভাষা হারিয়ে ফেলে, তখন জনগণ রাজপথে নিজেদের নতুন ভাষা তৈরি করে। যখন গণমাধ্যম বাস্তবতাকে ব্ল্যাকআউট করতে চায়, তখন বাস্তবতা নিজেই ইতিহাস হয়ে স্বৈরাচারের সামনে দাঁড়িয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ আজ এক নতুন রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক যাত্রার প্রাক্কালে রয়েছে। সামনে নির্বাচন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সংস্কার এবং নতুন বন্দোবস্তের রূপরেখা উপস্থিত। এই সময়ে একটি স্বাধীন, নির্ভীক ও বিশ্বাসযোগ্য গণমাধ্যম অপরিহার্য। কারণ গণতন্ত্রের প্রাণশক্তি শুধু ভোট দেওয়ার মধ্যে নয়; তােতে নিহিত রয়েছে প্রতি মুহূর্তে সত্য বলার এবং শাসককে প্রশ্ন করার সাহসের মধ্যে।

আলোচনা সভায় বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ বলেন, বিগত জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গণমাধ্যম সাহসী ভূমিকা পালন করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশকে এগিয়ে নিতে গণমাধ্যমকে এখন দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রেখেছেন বিএফইউজের সাবেক সভাপতি এম এ আজিজ, ডিআরইউ’র সভাপতি আবু ছালেহ আকন, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ডিআরইউ’র সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, ডিআরইউর সাবেক সভাপতি ইলিয়াস হোসেন, আমার দেশ পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক জাহিদ চৌধুরী, ডিইউজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, ডিইউজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সরদার ফরিদ আহমেদ, ডিইউজের সাবেক সহ-সভাপতি শাহীন হাসনাত প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে কক্সবাজারে কর্মশালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৮ পি.এম


মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে কক্সবাজারে কর্মশালা

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের আঞ্চলিক কর্মশালা কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে কক্সবাজার মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্রে ‘বার্ষিক গবেষণা অগ্রগতি (২০২৫-২০২৬) পর্যালোচনা ও গবেষণা প্রস্তাবনা (২০২৬-২০২৭) প্রণয়ন’ শীর্ষক এই আঞ্চলিক কর্মশালার প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অনুরাধা ভদ্র সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. মোহাম্মদ লতিফুল ইসলাম, সমুদ্র গবেষণার ইনস্টিটিউটের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক প্রফেসর ড. এসএম শরীফুজ্জামান বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

কর্মশালায় উঠে এসেছে যে, সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজার-এর বিজ্ঞানীরা প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই নিরলসভাবে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করে সফলতা অর্জন করেছেন। এই গবেষণার আওতায় সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য নির্ধারণ, সামুদ্রিক মাছের মজুদ নিরূপণ, বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রজাতির প্রজনন সময়কাল চিহ্নিতকরণে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে।

উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমগুলোর মধ্যে রয়েছে কোরাল মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র শনাক্তকরণ, বেহুন্দি জালের ফাঁস নির্ধারণ, নিরাপদ শুঁটকি উৎপাদন, আর্টেমিয়া চাষ, খাঁচায় ও ভাসমান ভেলায় সামুদ্রিক মাছ, সি-উইড ও মোলাস্ক চাষ, সি-উইড টিস্যু কালচার ও চাষ, লাইভ ফিড উৎপাদন এবং বিশুদ্ধ অ্যালজি স্টক পরিচর্যায় ইনডোর ল্যাবের বিকল্প হিসেবে বিএফআরআই পোর্টেবল ফটোবায়োরিএক্টর তৈরি।

বর্তমানে অ্যাকুয়াসেইফ প্রকল্পের আওতায় দেশীয় প্রজাতির উপকারী ব্যাকটেরিয়া পৃথকীকরণ ও জৈব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার কমানোর কাজ চলছে। হ্যাচারি ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ, মেরিকালচার প্রকল্পের আওতায় উপকূল এবং ল্যান্ডবেইজড ইন্টিগ্রেটেড মাল্টিটপিক অ্যাকুয়াকালচার, সামুদ্রিক মাছের নিরূপণ প্রকল্পের আওতায় পোয়া মাছের মজুদ নিরূপণ, নীল সাঁতারু কাঁকড়া প্রকল্পের আওতায় সাঁতারু কাঁকড়ার পোনা উৎপাদন, নার্সারি ও চাষ ব্যবস্থাপনা, ব্রিডিং প্রকল্পের আওতায় সিবাস/কোরাল মাছের প্রজনন ও পোনা উৎপাদন এবং ভ্যালু অ্যাডেড প্রকল্পের আওতায় ভ্যালু অ্যাডেড ফিশ প্রডাক্ট ও ক্যান প্রডাক্ট উৎপাদনের মতো বিবিধ বিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

কর্মশালায় দুটি কারিগরি সেশনে ব্লু-ইকোনমির টেকসই উন্নয়নে সম্পর্কিত তিনটি নতুন প্রকল্পের প্রস্তাবনাসহ সামগ্রিকভাবে ৯টি কার্যক্রম উপস্থাপন করা হয়।

নতুন প্রস্তাবনায় সামুদ্রিক হ্যাচারি শিল্পে মাইক্রোফিড/ফিড প্রস্তুতিতে দেশীয় প্রযুক্তি উন্নয়নসহ ল্যান্ড ভেইজড ও স্যাটেলাইট ডাটা ব্যবহার করে বাংলাদেশের উপকূলে পটেনশিয়াল ফিশিং জোন নির্ণয় করা হবে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলাফল নির্ণয়ের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এছাড়াও কোরাল মাছের হ্যাচারি পর্যায়ে বহুল পোনা উৎপাদনের বিষয়েও উপস্থাপনা করা হয়।

দিনব্যাপি এই কর্মশালায় বিভিন্ন পেশার বিজ্ঞানী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মৎস্যসহ অন্যান্য সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, হ্যাচারি মালিক, মৎস্যচাষি, উদ্যোক্তা, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেইলর সুইফটের বিয়ের তারিখ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ পি.এম


টেইলর সুইফটের বিয়ের তারিখ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়

বিশ্বসংগীতের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা টেইলর সুইফট এবং এনএফএল তারকা ট্রাভিস কেলসির সম্পর্ক নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ অনেকদিনের। বাগ্‌দানের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তাঁদের বিয়ে কবে হবে, তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

এবার সেই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। সম্প্রতি ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ উপলক্ষে নিরাপত্তা প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে হঠাৎ টেইলর সুইফটের বিয়ের প্রসঙ্গ টেনে আনেন মেয়র।

নিউইয়র্কে গ্রীষ্মকালীন নানা বড় আয়োজনের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা জানি এই সময় এনবিএতে নিউইয়র্ক নিকসের খেলা চলছে। ৪ জুলাই স্বাধীনতা দিবসের উদ্‌যাপন।

এবার একই সময়ে টেইলর সুইফটের বিয়েও হচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে আমরা বিশ্বের মানুষকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।’

মেয়রের এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা। কারণ, এখন পর্যন্ত টেইলর সুইফট বা ট্রাভিস কেলসি কেউই তাঁদের বিয়ের তারিখ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেননি।

ফলে অনেকের মনে প্রশ্ন জেগেছে—মেয়র কি অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনো গোপন তথ্য প্রকাশ করে ফেলেছেন?

তবে বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে কিছুটা মজার ছলেই প্রতিক্রিয়া জানান মামদানি। বিয়ের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেয়েছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না, আমন্ত্রণ পাইনি। আর যাচ্ছিও না। তবে আমি তাঁদের জন্য সুন্দর এক বিয়ে অনুষ্ঠানের শুভকামনা জানাই।’

এরপর টেইলর সুইফটের জনপ্রিয় গান ‘অনলি দ্য ইয়ং’-এর প্রসঙ্গ টেনে তিনি যোগ করেন, ‘আমি বাড়িতে বসেই গানটা শুনব।’

এদিকে মার্কিন কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আগামী ৩ জুলাইয়ের সপ্তাহান্তে বিয়ের পরিকল্পনা করছেন টেইলর ও ট্রাভিস। গুঞ্জন রয়েছে, নিউইয়র্কের ঐতিহাসিক ভেন্যু ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনেই বসতে পারে এই জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন। অধিকন্তু আমন্ত্রিত অতিথিদের অনুষ্ঠানসংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ না করতে যে গোপনীয়তা চুক্তি (এনডিএ) সই করার কথাও শোনা যাচ্ছে।

সম্ভাব্য অতিথি তালিকায় হলিউড ও সংগীত অঙ্গনের বেশ কয়েকজন পরিচিত তারকার নাম ছড়িয়ে পড়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন জো ক্রাভিটজ, সুকি ওয়াটারহাউস, কার্লি ক্লস, এড শিরান, হেইম বোনেরা, জিজি হাদিদ এবং সেলেনা গোমেজ।

২০২৩ সালে প্রেমের সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই টেইলর সুইফট ও ট্রাভিস কেলসি বিশ্বজুড়ে আলোচিত তারকা জুটিতে পরিণত হন। এরপর ২০২৫ সালে বাগ্‌দানের খবর তাঁদের সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দেয়।

বিয়ের গুঞ্জনের মধ্যেই সম্প্রতি নিউইয়র্কে একসাথে সময় কাটাতে দেখা গেছে এই জুটিকে। ব্রডওয়ের জনপ্রিয় নাটক ‘ওহ, ম্যারি!’ উপভোগ করার পাশাপাশি বিভিন্ন ডিনার ডেটেও তাঁদের দেখা গেছে।

যদিও এখনও বিয়ের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি, তবু নিউইয়র্কের মেয়রের মন্তব্যে ভক্তদের কৌতূহল আরও বেড়েছে। এখন অপেক্ষা—জুলাইয়ের শুরুতেই কি সত্যিই বসছে বছরের সবচেয়ে আলোচিত তারকাবিয়ের আসর?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিমান বাহিনী উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪২ পি.এম


বিমান বাহিনী উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

ছবি: আইএসপিআর

ঢাকা, ১৬ জুন, ২০২৬  : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত দেশব্যাপী ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ মহাকর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ পালন শুরু করেছে।

দেশের বৃক্ষসম্পদ বৃদ্ধি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী গত ১৩ জুন এই মহাকর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন।

এর ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত বিমান বাহিনী সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

এ কর্মসূচির আওতায় বিমান বাহিনী বিভিন্ন ধরনের ফলজ, বনজ ও ঔষধি গুণাগুণ সম্পন্ন গাছের চারা রোপণ করবে।

বিমান বাহিনী প্রধানের সার্বিক দিকনির্দেশনায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় বনায়নের লক্ষ্যে দেশের উপকূলীয় অঞ্চল এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী হেলিকপ্টারের সাহায্যে আকাশ থেকে সীডবল (বীজ সমৃদ্ধ মাটির বল) নিক্ষেপের মাধ্যমে বীজ ছিটানো কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

ইতোপূর্বেও দেশের বিভিন্ন প্রত্যন্ত উপকূলীয় অঞ্চলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী হেলিকপ্টারের মাধ্যমে সীডবল নিক্ষেপ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর উদ্বোধনী কার্যক্রমে বিমান সদরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারগণ বিভিন্ন গাছের চারা রোপণ করে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

আসন্ন উদ্যোগের মধ্যে অন্যান্যদের মধ্যে বিমান সদরের পরিচালকগণ এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বিভিন্ন ঘাঁটি ও ইউনিটসমূহ এবং বিমান বাহিনী পরিচালিত সকল স্কুল ও কলেজ প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ গ্রহণ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%