০৫:২২ পি.এম
মোদি সরকার দিল্লির যন্তর মন্তরকে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। তবে সেখানে প্রবেশের চেষ্টা করার কারণে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে ভর্ৎসনা করেছে দিল্লি হাইকোর্ট।
বুধবারের শুনানিতে আদালত মন্তব্য করে, ‘আপনারা (বিক্ষোভের) সামনের সারিতে রয়েছেন। যখন আপনারা ব্যারিকেড ভাঙেন, তখন অন্যরা আপনাদের অনুসরণ করতে পারে। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে যেখানে সেখানে এমন কিছু মানুষ রয়েছেন যারা আপনাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।’
আদালতের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করা হয়, ‘যে কোনো বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশের অনুমতির উদ্দেশ্য শুধুমাত্র বিক্ষোভকারীদের আটকানো নয়, বরং অন্যদেরও আটকানো। যাতে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে অন্যেরা যোগ দিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে।’
আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা
বিচারপতি সুব্রমনিয়ম প্রসাদ অন্য দেশের উদাহরণ টেনে বলেন, ‘আমরা দেখেছি এটা দেশের বাইরেও হয়েছে। ছাত্রবিক্ষোভ দিয়ে যেটা শুরু হয়েছিল, তা পরে অশান্ত হয়ে উঠেছে।’ তবে আদালত কোনো নির্দিষ্ট দেশের নাম উল্লেখ করেনি।
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচি নিষিদ্ধ করার পর, গত ১৩ অক্টোবর সৌরভ, আশুতোষ এবং কয়েকজন সিজেপি সমর্থক লোহার গেট টপকে সেখানে প্রবেশ করেন। জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে তারা স্লোগান দেন। পুলিশ তাদের প্রত্যেককে আটক করে। আশুতোষ এবং সৌরভকে আগের বন্ডের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়।
শান্তি ভঙ্গ না করার শর্তে আশুতোষ, সৌরভ এবং সিজেপি প্রধান দীপকেকে জামিন দেওয়া হয়েছিল। আদালত সেই শর্ত কেন লঙ্ঘন করা হয়েছে, সে প্রশ্ন তোলে।
সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন
আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মাভাবিপ্রবি উপাচার্য
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন