শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:০২ পি.এম
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির মন্তব্য করেছেন যে, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনার ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশের স্বার্থকে সবার আগে প্রাধান্য দিয়ে বিশ্বের প্রতিটি দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বজায় রাখা হচ্ছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট জেলা পরিষদে জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময়সভার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
চীনের সঙ্গে সম্পর্কের প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী চীন সফর এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে পারস্পরিক সম্পর্ক নতুন মাত্রা লাভ করেছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রতিরক্ষা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন ‘সার্বিক কৌশলগত অংশীদারি’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘শুধু চীন নয়, বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গেও বাংলাদেশের সম্পর্ক ইতিবাচকভাবে এগিয়ে চলেছে। সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক অত্যন্ত সুদৃঢ়। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগও জোরদার হচ্ছে।’
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে হুমায়ুন কবির জানান, ‘ভারত বাংলাদেশের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার আগ্রহ রয়েছে। তবে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাস্তবতাকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই।’
তিনি বলেন, ‘জাতীয় স্বার্থ, পারস্পরিক মর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায় বাংলাদেশ। কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রেই জাতীয় স্বার্থের বিষয়টি উপেক্ষা করা হবে না।’
ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার ঘটনায় অভিযুক্ত শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন।
’ তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে দেশে অসংখ্য মানুষ গুম ও হত্যার শিকার হয়েছে এবং বিপুল অর্থ লুটপাট হয়েছে।
ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশে কোনো ধরনের সহিংসতা বা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির পরিকল্পনা মেনে নেওয়া হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বাংলাদেশ যেমন অন্য দেশ থেকে পালিয়ে আসা কোনো সন্ত্রাসীকে আশ্রয় দেবে না, তেমনি ভারতও বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনো সন্ত্রাসীকে প্রশ্রয় দেবে না—এটাই বাংলাদেশের প্রত্যাশা।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে জাতীয় স্বার্থ, পারস্পরিক মর্যাদা ও সমতার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করাই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল লক্ষ্য।’
এর আগে শুক্রবার দুপুরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো সিলেট সফর করেন হুমায়ুন কবির। তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে জুমার নামাজ আদায় করেন। পরে বিকেলে সিলেট জেলা পরিষদে জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ টেনিস তারকা আরিনা সাবালেংকা ইউএস ওপেনের সার্ভিস লাইন থেকে একটি জোরালো শট নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই তাকে থামতে হলো।
চারপাশ থেকে ভেসে আসা এক অদ্ভুত ও তীব্র গন্ধ নাকে আসতেই তিনি র্যাকেট উঁচিয়ে অভিযোগ নিয়ে চেয়ার আম্পায়ারের দিকে ছুটে যান। বেলারুশের এই টেনিস তারকা সুনির্দিষ্টভাবে অভিযোগ করেন যে, ভেসে আসছে গাঁজার তীব্র গন্ধ!
শুক্রবার লুই আর্মস্ট্রং স্টেডিয়ামে ইউএস ওপেনের তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচে বেলারুশের সাবালেংকা এবং উজবেকিস্তানের কামিলা রাখিমোভা মুখোমুখি হন। ম্যাচের শুরুতেই দুর্দান্ত ফর্মে ৩-০ গেমে এগিয়ে যান সাবালেংকা। কিন্তু দ্বিতীয় সার্ভিস গেমে ৩০-০ পয়েন্টে এগিয়ে থাকার সময় হঠাৎই গন্ধে বিরক্ত হয়ে তিনি আম্পায়ার ইভা আসদেরাকি-মুরকে বলেন, ‘এখানে কেউ যেন গাঁজা টানছে।
আপনি কি একটু ব্যবস্থা নেবেন? গন্ধটা ভীষণ তীব্র!’
ম্যাচে তিনি দুই সরাসরি সেটে জয় নিয়ে শেষ ষোলোতে পৌঁছান। তবে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে গাঁজার গন্ধের সেই ‘অস্বাভাবিক’ অভিজ্ঞতার কথা উঠতেই সাবালেংকা হেসে ফেলেন। তিনি বলেন, ‘আপনারা যত খুশি আনন্দ করতে পারেন, যা ইচ্ছা ধূমপান করতে পারেন, তাতে আমার কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু দয়া করে টেনিস কোর্টের আশপাশে এসব করবেন না।
কোর্টে সেরা পারফর্ম করার সময় এমন তীব্র গন্ধ সামলানো সত্যিই খুব কঠিন।’
দর্শকরা তার ম্যাচ আরও উপভোগ করতেই হয়তো এমন কিছু করছেন–এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি মজা করে বলেন, ‘হয়তো (আমার খেলা) খুব দ্রুতগতির, তাই তারা একটু ধীর করতে চাইছে। কে জানে! এর প্রভাব কী, আমি জানি না।’
ফ্লাশিং মিডোসের গ্যালারিতে গাঁজার গন্ধ পাওয়া অবশ্য ইউএস ওপেনে নতুন কিছু নয়। ইতিপূর্বেও অনেক তারকা খেলোয়াড় এই নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন।
টুর্নামেন্ট কমপ্লেক্সের ভেতরে সব ধরনের ধূমপান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও, নিউইয়র্ক রাজ্যে ২১ বছরের বেশি বয়সীদের জন্য বিনোদনমূলক গাঁজা সেবন আইনিভাবে বৈধ। ফলে স্টেডিয়ামের পাশেই থাকা পার্ক থেকে বাতাসের টানে এই ধোঁয়া কোর্টে ঢুকে পড়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম সরকারি সফরের জন্য সৌদি আরব গমন করেছেন। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন দেশটির উদ্দেশ্যে।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এর তথ্য অনুযায়ী, সফরের সময় নৌবাহিনী প্রধান সৌদি আরবের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ, রয়েল সৌদি নেভাল ফোর্সের প্রধান এবং মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম ডিফেন্স কোয়ালিশন কমান্ডারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।
এই সাক্ষাৎকালে দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া, অনুষ্ঠিতব্য দ্বিপক্ষীয় বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং নৌবাহিনীর মধ্যে বিভিন্ন সহযোগিতার বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।
নৌবাহিনী প্রধান সৌদি আরবে অবস্থানকালে বিভিন্ন সামরিক ও নৌ স্থাপনা পরিদর্শন করবেন এবং দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক, প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য বিষয়ে মতবিনিময় করবেন।
নৌবাহিনী প্রধানের এই সফর দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভ্রাতৃপ্রতিম বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ উল্লেখ করেছেন যে, গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার পর প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ সভায় অংশগ্রহণ করবেন। এই সভার সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
তিনি বলেন, "সব দিক দিয়ে এই আগামী এই সেপ্টেম্বরের সেশনটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে আমাদের জন্য।"
আজ শনিবার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ের সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জাতিসংঘ বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী মিশনের জন্য রেসপেক্ট করে এবং তারা বাংলাদেশিদের সাহসিকতা ও রেজিলিয়েন্সকে হাইলি রিগার্ড করে।
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, আন্তর্জাতিক চাপ ছাড়া রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধান করা কঠিন হবে।
তিনি বলেন, "বহু বছর পর ১৭ বছরের অত্যাচার-অনাচার থেকে আমরা একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে এসেছি।"
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী এই জাতিসংঘের সাধারণ সভায় অংশগ্রহণ করবেন, যেখানে বিএনপির ফরেন পলিসি, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশকে তুলে ধরার একটি বিশাল সুযোগ থাকবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সম্ভাবনাগুলো গুরুত্ব পাবে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হবে। সব মিলিয়ে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সেশন হবে।
শামা ওবায়েদ আবারও বলেন, জাতিসংঘ বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী মিশনের জন্য রেসপেক্ট করে এবং তারা বাংলাদেশিদের সাহসিকতা ও রেজিলিয়েন্সকে হাইলি রিগার্ড করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ