ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

অডিটের নামে অর্থ আদায়ের প্রতারণা, করদাতাদের সতর্ক করল এনবিআর


অডিটের নামে অর্থ আদায়ের প্রতারণা, করদাতাদের সতর্ক করল এনবিআর

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর নথি (ফাইল) অডিটের নামে প্রতারণার চেষ্টা থেকে সতর্ক থাকতে করদাতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে, এই অডিটের মাধ্যমে অব্যাহতির আশ্বাস দেওয়া বা আইনি জটিলতার ভয় দেখিয়ে অর্থ দাবি করা প্রতারকদের বিষয়েও সচেতন থাকার পরামর্শ দিয়েছে এনবিআর।

শনিবারে এনবিআর একটি সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানায়, সম্প্রতি একটি প্রতারণামূলক চক্র কর নথি অডিটে পড়েছে বলে দাবি করে করদাতাদের বিভিন্ন মুঠোফোন নম্বর থেকে যোগাযোগ করছে। তারা অব্যাহতি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে অথবা আইনি জটিলতার ভয় দেখিয়ে অবৈধভাবে অর্থ আদায়ের চেষ্টা চালাচ্ছে।

এনবিআর আরও জানিয়েছে, কর নথি অডিট সংক্রান্ত বিষয়ে তাদের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী কখনোই ব্যক্তিগত মুঠোফোন নম্বর থেকে করদাতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে না। আইন অনুযায়ী, যেকোনো কর নথি অডিটের জন্য নির্বাচিত হলে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিক লিখিত নোটিশের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট করদাতাকে তা জানানো হয়।

আরও পড়ুন: সরকারকে সেলিম উদ্দিনের আহ্বান, গণরায়ের বিরুদ্ধে না গিয়ে জনগণের পক্ষে দাঁড়ান

এছাড়া, কর-সংক্রান্ত যেকোনো বকেয়া কর বা ফি কেবলমাত্র সরকারি চালানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হয়। ব্যক্তিগতভাবে অথবা বিকাশ, রকেট, নগদ বা অন্য কোনো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা কিংবা ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণের এখতিয়ার কোনো কর্মকর্তার নেই।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, সন্দেহজনক ফোনকল, খুদে বার্তা (এসএমএস) বা ই-মেইল পেলে বিভ্রান্ত না হয়ে সংশ্লিষ্ট কর অঞ্চলের উপকর কমিশনারের কার্যালয়ে যোগাযোগ করে তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে হবে।

কোনো ব্যক্তি যদি এনবিআরের কর্মকর্তা পরিচয়ে অর্থ দাবি করে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে অবহিত করতে হবে এবং প্রতারকের ব্যবহৃত ফোন নম্বর সংরক্ষণ করতেও বলা হয়েছে।

করদাতাদের জন্য হয়রানিমুক্ত ও স্বচ্ছ সেবা প্রদানেই এনবিআর বদ্ধপরিকর। তাই করদাতাদের প্রতারকদের প্রলোভন বা ভয়ভীতিতে বিভ্রান্ত হয়ে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস করেছে ফ্যাসিস্ট সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিউনিসিয়ার ৮ খেলোয়াড়ের শরীরে নিষিদ্ধ পদার্থ শনাক্ত, বিতর্কের ঝড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ পি.এম


তিউনিসিয়ার ৮ খেলোয়াড়ের শরীরে নিষিদ্ধ পদার্থ শনাক্ত, বিতর্কের ঝড়

২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে তিউনিসিয়া বিদায় নিয়েছে, সঙ্গী করে সর্বোচ্চ গোল হজমের লজ্জার রেকর্ড। বিদায়ের পর আফ্রিকার দলটি বড় ধরনের বিতর্কের মুখে পড়েছে। দলের আটজন ফুটবলারের ডোপ টেস্টে নিষিদ্ধ পরমাণু পদার্থ ক্লেনবিউটারলের উপস্থিতি ধরা পড়েছে। এই পদার্থটি ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সির (ডব্লিউএডিএ) নিষিদ্ধ তালিকায় স্থান পেয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেক্সিকোর মন্তেরে শহরে তিউনিসিয়ার অনুশীলন ক্যাম্প চলাকালে এই পরীক্ষাগুলো করা হয়েছিল।

ক্লেনবিউটারল কী?

ক্লেনবিউটারল একটি ব্রঙ্কোডাইলেটর (শ্বাসনালী প্রসারক) ওষুধ, যা ক্রীড়াঙ্গনে নিষিদ্ধ। কারণ এটি শারীরিক সক্ষমতা বাড়াতে এবং শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সহায়তা করতে পারে। তবে এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে অনেক সময় এর উপস্থিতির কারণ হিসেবে মেক্সিকোর মাংস সরবরাহ ব্যবস্থায় খাদ্যদূষণের বিষয়টি সামনে আসে।

দূষিত মাংস খাওয়ার সম্ভাবনা

প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, খেলোয়াড়রা হয়তো অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্লেনবিউটারল-দূষিত মাংস খেয়েছেন। অতীতেও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এমন ঘটনা ঘটেছে, যেখানে পরে প্রমাণিত হয়েছে যে নিষিদ্ধ পদার্থটি খাদ্যের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করেছিল।

আগের এসব ঘটনায় ইচ্ছাকৃত ডোপিংয়ের প্রমাণ না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে কোনো ক্রীড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এই ঘটনা আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে, বিশেষ করে এমন দেশে যেখানে অতীতে মাংসে ক্লেনবিউটারল দূষণের ঘটনা ঘটেছে। বিশ্বকাপে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই বিতর্কের কারণে মাঠের বাইরেও চাপের মুখে পড়েছে তিউনিসিয়া।

পুরো তদন্ত শেষ হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। তবে যদি প্রমাণিত হয় যে খেলোয়াড়দের শরীরে ক্লেনবিউটারল খাদ্যদূষণের মাধ্যমে প্রবেশ করেছে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তি দেওয়ার সম্ভাবনা নেই।

বর্তমানে ফিফা এবং ডব্লিউএডিএ চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এরপরেই ২০২৬ বিশ্বকাপের অন্যতম বিতর্কিত মাঠের বাইরের এই ঘটনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবারও অধিনায়কের দায়িত্বে ফিরলেন বাবর আজম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ পি.এম


আবারও অধিনায়কের দায়িত্বে ফিরলেন বাবর আজম

পাকিস্তান টেস্ট দলে নেতৃত্বে আবার পরিবর্তন এসেছে। অধিনায়কত্ব হারিয়েছেন শান মাসুদ, যিনি প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছিলেন। তার জায়গায়, দ্বিতীয়বারের মতো টেস্ট দলের নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছে তারকা ব্যাটার বাবর আজমকে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) চলতি মাসের শেষ দিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের জন্য দল ঘোষণার সময় এ সিদ্ধান্ত জানায়।

শান মাসুদের অধিনায়কত্বের অধ্যায়টি হতাশার মধ্য দিয়ে শেষ হলো। তিনি প্রায় তিন বছর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং নেতৃত্ব দিয়েছেন ১৬টি টেস্টে। এর মধ্যে পাকিস্তান মাত্র তিনটি টেস্ট জিতেছে এবং ১২টি টেস্টে হেরেছে। এতে তিনি টেস্ট ইতিহাসে প্রথম অধিনায়ক হিসেবে নিজের প্রথম ১৬ ম্যাচে ১২টি হার বরণ করার একটি অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড তৈরি করেছেন।

এছাড়া, তার অধিনায়কত্বের সময় পাকিস্তান টানা সাতটি টেস্টে হারের অভিজ্ঞতার সম্মুখী হয়েছে, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ ধারাবাহিক হারের একটি ব্যাপার। মাসুদের যাত্রা অস্ট্রেলিয়া সফরে তিন ম্যাচের সবগুলোতে হার দিয়ে শুরু হয়। এরপর ঘরের মাঠে বাংলাদেশের কাছে শূন্য-দুই ব্যবধানে সিরিজ হার পাকিস্তান ক্রিকেটের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে এসেছিল। এটি ছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে তাদের প্রথম টেস্ট সিরিজ পরাজয়।

অবশ্য মাসুদের অধিনায়কত্বে প্রদর্শন করা একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য ছিল ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের জন্য পুনঃস্থাপন। তবে সাতটি সিরিজের মাঝে সেটিই ছিল একমাত্র জয়। বাকি চারটি সিরিজে হার এবং দুটি ড্র করার ফলে পাকিস্তান বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকার একেবারে নিচে চলে যায়।

দল হিসেবে ব্যর্থ হলেও, ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে মাসুদ খুব একটা পিছিয়ে ছিলেন না। অধিনায়ক হওয়ার পর তার ব্যাটিং গড় 34.06 বেড়েছে। এই সময়ে তিনি করেন দুটি সেঞ্চুরি ও সাতটি অর্ধশতক। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে একটি সেঞ্চুরি এবং মেলবোর্নে একই ম্যাচে দুটির অর্ধশতক ছিল তার উল্লেখযোগ্য অর্জন।

এখন আবারও দলের দায়িত্ব বাবর আজমের হাতে দেওয়া হয়েছে। ২০২৩ সালে নেতৃত্ব ছাড়ানোর পর তিন সংস্করণেই ব্যাট হাতে তার জন্য কঠিন সময় এসেছে। বিশেষত মাসুদের অধীনে টেস্টে তার গড় ছিল 27-এর সামান্য বেশি। তবু অভিজ্ঞতা এবং বিকল্পের অভাব কথা বিবেচনা করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড আবার বাবরকেই অধিনায়ক হিসেবে বেছে নিয়েছে।

প্রথম মেয়াদে বাবরের অধিনায়কত্ব ছিল তুলনামূলকভাবে সফল। তার নেতৃত্বে ২০টি টেস্টের মধ্যে ১০টিতে পাকিস্তান জয় লাভ করেছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঘরের মাঠে সিরিজ জয়, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মাঠে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করার মতো সাফল্যও আসে তার অধিনায়কত্বে। সেই সময়ে বাবর ব্যাট হাতে দারুণ ধারাবাহিক ছিলেন; টেস্টে তার গড় ছিল ৫০-এর বেশি।

কিন্তু, সেই অধ্যায়ও পুরোপুরি নির্ভুল ছিল না। বাবরের নেতৃত্বেই ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের কাছে শূন্য-৩ ব্যবধানে সিরিজ হার পেয়েছে পাকিস্তান, যা তাদের টেস্ট ইতিহাসের অন্যতম বড় হতাশার ঘটনা।

দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নিয়েই কঠিন সূচির মুখোমুখি হচ্ছেন বাবর। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের পর ইংল্যান্ড সফরে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে পাকিস্তান। এরপর নিজেদের মাঠে নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ দিয়ে তার এই নতুন-পুরোনো অধিনায়কের ব্যস্ত মৌসুম শুরু হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্রের দায়িত্ব পেলেন আবু হানিফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ পি.এম


গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্রের দায়িত্ব পেলেন আবু হানিফ

দলের উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফকে গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

গণমাধ্যমের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করার এবং দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (৪ জুন) গণঅধিকার পরিষদের দফতর সম্পাদক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দলের সভাপতি নুরুল হক নুর এবং সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুনের অনুমোদনের ভিত্তিতে আবু হানিফকে মুখপাত্র হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তাহলে তিনি কিনা দলীয় অবস্থান, নীতিগত সিদ্ধান্ত ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ এবং বক্তব্য উপস্থাপন করবেন।

আবু হানিফ দীর্ঘ সময় ধরে গণঅধিকার পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

তিনি বর্তমানে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম উচ্চতর পরিষদের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়া তিনি গণমাধ্যম সমন্বয়ক হিসেবে দলীয় প্রচার ও যোগাযোগ কার্যক্রমে সক্রিয় ভুমিকা রেখেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌ-মহড়া চলতি মাসেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:০৫ পি.এম


চীন-রাশিয়ার যৌথ নৌ-মহড়া চলতি মাসেই

চীন এবং রাশিয়া চলতি মাসেই তাদের যৌথ বার্ষিক নৌ-মহড়ার আয়োজন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর পাশাপাশি, প্রশান্ত মহাসাগরের কয়েকটি এলাকায় যৌথ টহল পরিচালনারও পরিকল্পনা রয়েছে। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় রোববার এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

মস্কো এবং বেইজিংয়ের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। ওয়াশিংটনকেন্দ্রিক বৈশ্বিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিরোধিতার ক্ষেত্রে দু’দেশের অভিন্ন অবস্থানের ফলে তাদের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে।

বেইজিং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানাচ্ছে যে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীন এবং রাশিয়া নিয়মিতভাবে যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনা করে আসছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা দেশসহ অন্যান্য কয়েকটি দেশের কাছে এই সামরিক অংশীদারীত্ব সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে।

চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই দেশের নৌবাহিনী 'জয়েন্ট সি-২০২৬' মহড়ায় অংশগ্রহণ করবে। এটি চীনের পূর্বাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক বন্দর ও সমুদ্র উপকূলীয় পর্যটন শহর ছিংদাওয়ের উপকূলসংলগ্ন জলসীমা এবং আকাশসীমায় অনুষ্ঠিত হবে।

বিবৃতিতে যা বলা হয়েছে, 'মহড়া শেষে উভয় পক্ষের কিছু বাহিনী প্রশান্ত মহাসাগরের সংশ্লিষ্ট এলাকায় যৌথ সামুদ্রিক টহল পরিচালনা করবে।'

এতে এই বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে, 'এই আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে যৌথভাবে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।'

তবে মহড়ায় কত সংখ্যক সেনা বা যুদ্ধজাহাজ অংশগ্রহণ করবে, সে সম্পর্কে কোন তথ্য জানানো হয়নি।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের চীন সফরের প্রায় দুই মাসের মাথায় এ মহড়ার ঘোষণা দেয়া হলো। সফরের সময় পুতিন বলেছিলেন, দুই দেশের সম্পর্ক 'অনন্য উচ্চতায়' পৌঁছেছে। অন্যদিকে, চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং এই অংশীদারত্বকে 'অটুট' বলে অভিহিত করেছেন।

চীন এবং রাশিয়া ২০১২ সাল থেকে 'জয়েন্ট সি' নামে যৌথ নৌ-মহড়া আয়োজন করছে। গত বছরের মহড়া রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় বন্দরনগরী ভ্লাদিভস্তকের কাছে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এর পরে প্রশান্ত মহাসাগরে দুই দেশ যৌথ টহল পরিচালনা করে।

চীন কখনোই ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার নিন্দা জানায়নি, তবে বেইজিং বরাবরই দাবি করে এসেছে যে, তারা এ সংঘাতে নিরপেক্ষ অবস্থানে রয়েছে। নিয়মিত শান্তি আলোচনার আহ্বান জানাচ্ছে তারা।

তবে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউক্রেনের বহু পশ্চিমা মিত্রের বিশ্বাস, মস্কোর যুদ্ধ প্রচেষ্টায় বেইজিং সমর্থন দিয়ে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%