প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে তিউনিসিয়া বিদায় নিয়েছে, সঙ্গী করে সর্বোচ্চ গোল হজমের লজ্জার রেকর্ড। বিদায়ের পর আফ্রিকার দলটি বড় ধরনের বিতর্কের মুখে পড়েছে। দলের আটজন ফুটবলারের ডোপ টেস্টে নিষিদ্ধ পরমাণু পদার্থ ক্লেনবিউটারলের উপস্থিতি ধরা পড়েছে। এই পদার্থটি ওয়ার্ল্ড অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সির (ডব্লিউএডিএ) নিষিদ্ধ তালিকায় স্থান পেয়েছে।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেক্সিকোর মন্তেরে শহরে তিউনিসিয়ার অনুশীলন ক্যাম্প চলাকালে এই পরীক্ষাগুলো করা হয়েছিল।
ক্লেনবিউটারল কী?
ক্লেনবিউটারল একটি ব্রঙ্কোডাইলেটর (শ্বাসনালী প্রসারক) ওষুধ, যা ক্রীড়াঙ্গনে নিষিদ্ধ। কারণ এটি শারীরিক সক্ষমতা বাড়াতে এবং শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সহায়তা করতে পারে। তবে এ ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে অনেক সময় এর উপস্থিতির কারণ হিসেবে মেক্সিকোর মাংস সরবরাহ ব্যবস্থায় খাদ্যদূষণের বিষয়টি সামনে আসে।
দূষিত মাংস খাওয়ার সম্ভাবনা
প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, খেলোয়াড়রা হয়তো অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্লেনবিউটারল-দূষিত মাংস খেয়েছেন। অতীতেও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এমন ঘটনা ঘটেছে, যেখানে পরে প্রমাণিত হয়েছে যে নিষিদ্ধ পদার্থটি খাদ্যের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করেছিল।
আগের এসব ঘটনায় ইচ্ছাকৃত ডোপিংয়ের প্রমাণ না পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে কোনো ক্রীড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
এই ঘটনা আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে, বিশেষ করে এমন দেশে যেখানে অতীতে মাংসে ক্লেনবিউটারল দূষণের ঘটনা ঘটেছে। বিশ্বকাপে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই বিতর্কের কারণে মাঠের বাইরেও চাপের মুখে পড়েছে তিউনিসিয়া।
পুরো তদন্ত শেষ হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। তবে যদি প্রমাণিত হয় যে খেলোয়াড়দের শরীরে ক্লেনবিউটারল খাদ্যদূষণের মাধ্যমে প্রবেশ করেছে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তি দেওয়ার সম্ভাবনা নেই।
বর্তমানে ফিফা এবং ডব্লিউএডিএ চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এরপরেই ২০২৬ বিশ্বকাপের অন্যতম বিতর্কিত মাঠের বাইরের এই ঘটনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন