বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:২৯ পি.এম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচারের বিষয়ে বাংলাদেশ একটি প্রগতিশীল ও উদারপন্থী মুসলিম রাষ্ট্র। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোনো অপচেষ্টা বা অপপ্রচার কঠোর হস্তে দমন করা হবে।
মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করে বলেন, এই ধরনের সাইবার অপরাধ এবং অপপ্রচারের সাথে জড়িত অপরাধীদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা হবে।
আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তার অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসেফ এস. ওয়াই. রামাদান সৌজন্য সাক্ষাৎকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কথা বলেন। বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতকে আন্তরিক স্বাগত জানান। রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীকে তার নতুন পোর্টফলিওতে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য উষ্ণ অভিনন্দন এবং শুভকামনা জ্ঞাপন করেন।
এ বৈঠকটি অত্যন্ত সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দুই দেশের মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তা ইস্যু, ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের অনুকূলে ভিসা ইস্যুকরণ সহজতর করার পাশাপাশি পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করা হয়।
সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে অকুণ্ঠ সমর্থন জানিয়ে আসছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তৎকালীন সময়ে ফিলিস্তিনের পক্ষে আন্তর্জাতিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ে জোরালো জনমত ও সমর্থন আদায়ে অত্যন্ত বলিষ্ঠ ও অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফিলিস্তিনের প্রতি বাংলাদেশের এই নীতিগত এবং নৈতিক সমর্থন সর্বদা অব্যাহত থাকবে।
আলোচনায় ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিপুল সংখ্যক ফিলিস্তিনি ছাত্র-ছাত্রী উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন। তিনি ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে আগমন এবং পড়াশোনা নির্বিঘ্ন করতে অন-অ্যারাইভাল ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রে বিশেষ সহযোগিতা কামনা করেন। মন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিষয়টি নিয়ে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্য তাৎক্ষণিক নির্দেশনা প্রদান করেন। একইসঙ্গে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি প্রেরণের জন্য রাষ্ট্রদূতকে অনুরোধ করেন।
রাষ্ট্রদূত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর মাধ্যমে ফিলিস্তিনের কোনো নাগরিক বা শিক্ষার্থী বাংলাদেশের ভিসার জন্য আবেদন করলে তা যথাযথ যাচাইয়ের লক্ষ্যে আবেদনের একটি অনুলিপি ঢাকাস্থ ফিলিস্তিন দূতাবাসে প্রেরণের অনুরোধ করেন। এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "একটি মুসলিম ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হিসেবে আমরা ফিলিস্তিনকে অন্তরের অন্তস্তল থেকে ভালোবাসি এবং বিশ্বাস করি। ফিলিস্তিনের নাগরিকদের কল্যাণে বাংলাদেশ সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানে সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে।"
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ শাখার উপসচিব বেগম মিনারা নাজমীন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম এশিয়া বিষয়ক পরিচালক (ইন চার্জ) ফুয়াদ হাসান পরাগ এবং ঢাকাস্থ ফিলিস্তিন দূতাবাসের প্রথম সচিব নূর এইচ. ও. আলাইদি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়ে গেছে। এর ফলে ঝড়ের আশঙ্কায় দেশের সব সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর সংকেত তোলা হয়েছে।
এজন্য সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে উপকূলের নিকটে সাবধানে চলাচল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) আবহাওয়া অফিসের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা জানিয়েছেন, উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ গঠিত হয়েছে। এর ফলে সমুদ্র বন্দরসমূহ, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে উপকূলের কাছাকাছি এসে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর তার ব্যক্তিগত সম্পদের সঙ্গে ফ্লোরিডায় অবস্থিত দুটি বিলাসবহুল রিসোর্ট- মার-আ-লাগো এবং ট্রাম্প ন্যাশনাল ডোরালের আয় রেকর্ড পরিমাণে বেড়েছে।
সদ্য প্রকাশিত আর্থিক তথ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক স্বার্থের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
মার্কিন সরকারি নৈতিকতা দফতর প্রকাশিত বার্ষিক আর্থিক বিবরণী অনুসারে, ২০২৫ সালে শুধুমাত্র মার-আ-লাগো থেকেই ট্রাম্পের আয় প্রায় ৭ কোটি ৭৫ লাখ ডলার হয়েছে। গত বছরের তুলনায় এটি ৫০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ২০২০ সালের আয়ের প্রায় তিন গুণ।
অন্যদিকে, ট্রাম্প ন্যাশনাল ডোরাল থেকেও উল্লেখযোগ্য আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪ সালে এখানে আয় ছিল প্রায় ১১ কোটি ডলার, যা ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ কোটি ২০ লাখ ডলারে।
২০২৫ সালের শুরু থেকে ট্রাম্প মার-আ-লাগো ও ডোরাল সফর করেছেন দুই ডজনের বেশি বার। এসব সফরে তিনি মিলিয়ন ডলার মূল্যের তহবিল সংগ্রহের নৈশভোজ এবং রিপাবলিকান পার্টির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন।
ট্রাম্পের উপস্থিতিতে ব্যবসায়ী, শিল্পপতি এবং রাজনৈতিক সংগঠনগুলো ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করেছে রিসোর্টগুলোতে অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য। ফলে রিসোর্টগুলোর আয় দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে।
ক্ষমতায় ফেরার আগে ট্রাম্প মার-আ-লাগোর সদস্যপদ গ্রহণের প্রাথমিক ফি বাড়িয়ে ১০ লাখ ডলার নির্ধারণ করেন, যা আগে ছিল মাত্র এক লাখ ডলার। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মত অনুযায়ী, ক্লাবের সদস্যরা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পেয়ে থাকেন, যা তাদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান।
নৈতিকতা বিশেষজ্ঞদের একটি অংশের মতে, ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্ষমতা ও ব্যক্তি ব্যবসা একইসঙ্গে পরিচালিত হওয়া বিশেষ স্বার্থগোষ্ঠীর জন্য প্রেসিডেন্টের কাছে সরাসরি পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি করেছে।
ভোক্তা অধিকারবিষয়ক সংগঠন পাবলিক সিটিজেনের সহ-সভাপতি রবার্ট ওয়েইসম্যান বলেন, “মানুষ মার-আ-লাগোতে যাচ্ছে কারণ তারা প্রেসিডেন্টের কাছাকাছি থাকতে চায়। প্রেসিডেন্টের কানে কয়েকটি কথা পৌঁছে দেওয়ার মূল্য প্রবেশমূল্যের চেয়েও অনেক বেশি।”
তবে এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে হোয়াইট হাউস। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি এক বিবৃতিতে বলেছেন, “প্রেসিডেন্ট বা তার পরিবারের কেউ কখনও স্বার্থের সংঘাতে জড়াননি এবং ভবিষ্যতেও জড়াবেন না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও তার প্রশাসনের প্রতিটি সিদ্ধান্ত মার্কিন জনগণের সর্বোচ্চ স্বার্থ বিবেচনা করেই নেওয়া হয়।”
তিনি আরও জানিয়েছেন, দ্বিতীয়বার দায়িত্ব গ্রহণের আগে ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে, তিনি নিজের কোম্পানির দৈনন্দিন ব্যবস্থাপনায় যুক্ত থাকবেন না। তার সম্পদ বর্তমানে সন্তানদের পরিচালিত একটি ট্রাস্টের অধীনে রয়েছে, যা তার প্রথম মেয়াদেও ছিল।
আর্থিক বিবরণী অনুসারে, ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় আয়ের উৎস এখন আর গলফ ক্লাব বা রিসোর্ট নয়; বরং ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসা।
তার নতুন ক্রিপ্টো উদ্যোগ, বিশেষ করে $TRUMP মিমকয়েন এবং তার ছেলেদের সহ-প্রতিষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফাইন্যান্সিয়াল থেকে ট্রাম্পের আয় ১৪০ কোটি ডলারেরও বেশি।
গত বছর তিনি ক্রিপ্টোকারেন্সি থেকে যে আয় করেছেন, তা তার গলফ ক্লাব, হোটেল ও রিসোর্ট ব্যবসা থেকে পাওয়া মোট আয়ের প্রায় তিন গুণ।
এছাড়া ভিয়েতনাম, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে ট্রাম্প নাম ব্যবহারের লাইসেন্স দিয়ে পরিচালিত হোটেল, গলফ কোর্স ও রিয়েল এস্টেট প্রকল্প থেকে তিনি প্রায় ৬ কোটি ডলার আয় করেছেন।
ট্রাম্প সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, তার আয় বৃদ্ধির একটি বড় কারণ শেয়ারবাজারের ঊর্ধ্বগতি।
তিনি বলেন, “আপনারা জানেন কেন আমি লাভ করছি? কারণ শেয়ারবাজার বাড়ছে। সবাই লাভ করছে।”
একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তার অর্থ পরিচালনাকারীদের সঙ্গে তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনও আলোচনা করেন না।
ট্রাম্প পুনরায় প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তার বিভিন্ন সম্পত্তি রিপাবলিকান পার্টির তহবিল সংগ্রহের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।
২০২৫ সালে মার-আ-লাগোতে প্রেসিডেন্ট-সমর্থক সুপার প্যাক মাগা ইনকরপোরেটেড-এর উদ্যোগে জনপ্রতি ১০ লাখ ডলারের একাধিক ‘ক্যান্ডেললাইট ডিনার’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এগুলোতে বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবের ইলন মাস্কসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন।
একই সময়ে রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটিও মার-আ-লাগো ও ডোরালে একাধিক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।
২০২৫ ও ২০২৬ সালে এই দুটি রিসোর্টে অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সংগঠনটি ১০ লাখ ডলারেরও বেশি ব্যয় করেছে।
ফেডারেল সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক থাকা বিভিন্ন কোম্পানিও মার-আ-লাগোতে অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে।
ভার্টিক্যাল ফ্লাইট প্রযুক্তি উন্নয়নকারী প্রতিষ্ঠান এক্সটিআই অ্যারোস্পেস ২০২৫ সালের নভেম্বরে সেখানে নৈশভোজের আয়োজন করেছে।
একই বছরের জানুয়ারিতে, ট্রাম্প দ্বিতীয়বার শপথ নেওয়ার আগে, ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ফাইজারের শীর্ষ নির্বাহীদেরও মার-আ-লাগোতে বৈঠক করতে দেখা গেছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
এছাড়া নিজের নতুন ক্রিপ্টো উদ্যোগের প্রচারেও মার-আ-লাগো ব্যবহার করেছেন ট্রাম্প।
২০২৬ সালের এপ্রিলে তার $TRUMP মিমকয়েনের শীর্ষ ক্রেতাদের জন্য সেখানে বিশেষ গালা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে ট্রাম্প বক্তব্য দেন এবং শ্যাম্পেইন সংবর্ধনায় অংশ নেন।
শুধুমাত্র রাজনৈতিক তহবিল সংগ্রহ নয়, আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বৈঠকের ক্ষেত্রেও মার-আ-লাগো একটি গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যুতে পরিণত হয়েছে।
সেখানে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিসহ বিদেশি নেতা ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
এছাড়াও বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লাটনিক এবং অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টসহ তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা নিয়মিত এই রিসোর্টে সফর করেন।
পর্যবেক্ষকদের মতে, ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ব্যবসা, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব একই পরিসরে পরিচালিত হওয়ায় স্বচ্ছতা ও নৈতিকতা নিয়ে বিতর্ক আরও জোরালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অধিগ্রহণ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির শর্তাদি) বিধির অংশবিশেষকে অবৈধ ঘোষণা করে, হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল মঞ্জুর করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
আজকের এই রায়ের ফলে, সারা দেশে ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জটিলতা নিরসন হলো বলে জানান অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে জাতীয়করণ করা বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা, অধিগ্রহণ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিধিমালার জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি সংক্রান্ত ৯(১) বিধির অংশবিশেষ চ্যালেঞ্জ করে, ২০১৭ সালে রিট করেন।
সেই রিটের শুনানি শেষে, হাইকোর্ট রুল জারির পর ২০১৯ সালের ১১ মার্চ রায় দিয়েছিল।
সেই রায়ে ওই বিধির অংশবিশেষ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে রাষ্ট্রপক্ষ এই রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন।
পরবর্তীতে সেই লিভ টু আপিল মঞ্জুর হওয়ার পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়।
এক পর্যায়ে ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে।
অন্যদিকে সরকারি প্রাথমিকে সরাসরি নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা আপিল বিভাগে আবেদন করেন।
প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর আজ রায় দেন।
আদালতে আপিলকারী পক্ষে শুনানিতে ছিলেন— অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক ও আইনজীবী মুনতাসির উদ্দিন আহমেদ।
অন্যদিকে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন— সিনিয়র আইনজীবী সালাহ উদ্দিন দোলন ও মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী রমজান আলী শিকদার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া পর্যালোচনা ও চূড়ান্তকরণের উদ্দেশ্যে সরকার একটি পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামকে আহ্বায়ক করে এই কমিটি গঠিত হয়েছে।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
এই কমিটি সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর খসড়া পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করবে।
সম্প্রতি, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ