ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রাথমিকের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জটিলতার অবসান


প্রাথমিকের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জটিলতার অবসান

 অধিগ্রহণ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকরির শর্তাদি) বিধির অংশবিশেষকে অবৈধ ঘোষণা করে, হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল মঞ্জুর করেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

আজকের এই রায়ের ফলে, সারা দেশে ৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগের জটিলতা নিরসন হলো বলে জানান অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে জাতীয়করণ করা বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা, অধিগ্রহণ করা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিধিমালার জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি সংক্রান্ত ৯(১) বিধির অংশবিশেষ চ্যালেঞ্জ করে, ২০১৭ সালে রিট করেন।

আরও পড়ুন: ‘সংখ্যালঘু নয়, আমরা সবাই বাংলাদেশি’: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

সেই রিটের শুনানি শেষে, হাইকোর্ট রুল জারির পর ২০১৯ সালের ১১ মার্চ রায় দিয়েছিল।

সেই রায়ে ওই বিধির অংশবিশেষ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে রাষ্ট্রপক্ষ এই রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন।

পরবর্তীতে সেই লিভ টু আপিল মঞ্জুর হওয়ার পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করা হয়।

এক পর্যায়ে ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করে।

আরও পড়ুন: সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড দুঃখজনক, পর্যালোচনা চলবে : আইনমন্ত্রী

অন্যদিকে সরকারি প্রাথমিকে সরাসরি নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা আপিল বিভাগে আবেদন করেন।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপক্ষের আপিল মঞ্জুর আজ রায় দেন।

আদালতে আপিলকারী পক্ষে শুনানিতে ছিলেন— অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক ও আইনজীবী মুনতাসির উদ্দিন আহমেদ।

অন্যদিকে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন— সিনিয়র আইনজীবী সালাহ উদ্দিন দোলন ও মো. মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পক্ষে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী রমজান আলী শিকদার।

আরও পড়ুন: চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীকে একনজর দেখতে উপচেপড়া ভিড়

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ পাঁচ মন্ত্রী পেলেন নতুন দায়িত্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪১ পি.এম


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ পাঁচ মন্ত্রী পেলেন নতুন দায়িত্ব

‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া পর্যালোচনা ও চূড়ান্তকরণের উদ্দেশ্যে সরকার একটি পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামকে আহ্বায়ক করে এই কমিটি গঠিত হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

এই কমিটি সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর খসড়া পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করবে।

সম্প্রতি, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারই হবে স্বনির্ভর বাংলাদেশের মৌলিক ভিত্তি: মাহ্দী আমিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৪ পি.এম


শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারই হবে স্বনির্ভর বাংলাদেশের মৌলিক ভিত্তি: মাহ্দী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন আজ সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে জিপিই সিস্টেম ট্রান্সফরমেশন গ্রান্ট (এসটিজি) এবং মাল্টিপ্লায়ার গ্রান্টের’ আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেছেন।

 এ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী ইশতেহারের আলোকে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কারই হবে আগামী দিনের সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলার মৌলিক ভিত্তি।

ড. মাহ্দী আমিন আরও উল্লেখ করেন, ‘একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমিক, সুনাগরিক, যোগ্য ও বিশ্ব নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’

তিনি আজ সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বলেন, গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (জিপিই), ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, এডিবি, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ সময় ড. মাহ্দী আমিন আরেকটি তথ্য তুলে ধরেন, ‘আজ অত্যন্ত আনন্দের দিন— আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অংশীদারদের সহযোগিতায় বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়নে ৯৮.৮৫ মিলিয়ন ডলারের একটি বিশাল অনুদান নিশ্চিত হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডাররা সবাই এখানে এক হয়েছেন। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা আরও বেশি অন্তর্ভুক্তিমূলক করা সম্ভব হবে।’

শিক্ষা উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, ‘প্রথম শ্রেণি থেকে শুরু করে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি শিক্ষার্থীর মেধার বিকাশ ও সুপ্ত প্রতিভাকে জাগিয়ে তুলতে শিক্ষাক্রমের আধুনিকায়নের কাজ চলছে। মুখস্থ বিদ্যার চাপ কমিয়ে শিক্ষাকে আনন্দময় করতে প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য ‘সংস্কৃতি’ ও ‘ক্রীড়া’—এই দুটি বিষয়কে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কারিগরি, বৃত্তিমূলক ও ভাষাগত দক্ষতার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।’

শিক্ষকদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. মাহ্দী আমিন বলেন, ‘আমাদের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের কাণ্ডারী শিক্ষার্থীদের যারা তৈরি করেন, সেই শিক্ষকদের দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের উন্নয়ন সবচেয়ে জরুরি। এই শিক্ষকদের যদি আমরা দক্ষ ও যোগ্য করে তুলতে না পারি, তবে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার সুফল মিলবে না।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষকদের যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পেশাগত সক্ষমতা বাড়াতে এই অনুদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

ড. মাহ্ধী আমিন বলেন, ‘শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করতে আমাদের বড় পরিকল্পনা রয়েছে। আমরা চাই দেশের সব অঞ্চলের প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন একই মানের পোশাক (ইউনিফর্ম) এবং একই স্কুল ব্যাগ নিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট ক্লাসরুম এবং মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের প্রসারের পাশাপাশি ‘মিড-ডে মিল’ বা স্কুল ফিডিং কর্মসূচির টেকসই বাস্তবায়নের ওপর আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।’

উন্নয়ন সহযোগীদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মেধা ও মননশীলতায় দীপ্ত একটি নতুন প্রজন্ম গড়ে উঠবে, যারা আগামী দিনে বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দেবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।

অনুষ্ঠানে ইউনিসেফ, ইউনেস্কো, এডিবি এবং ব্রিটিশ হাই কমিশনের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিগণের উপস্থিতি ছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিস্তা মহাপরিকল্পনার দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে তিস্তা তীরে আলোর মিছিল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৬ পি.এম


তিস্তা মহাপরিকল্পনার দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে তিস্তা তীরে আলোর মিছিল

তিস্তা মহাপরিকল্পনার দ্রুত অনুমোদন এবং বাস্তবায়নের দাবিতে গাইবান্ধাসহ তিস্তা অববাহিকার পাঁচটি জেলায় গণসমাবেশ ও আলোর মিছিল বের করেন আন্দোলনকারীরা।

বুধবার সন্ধ্যায় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নের তিস্তা নদীর তীরে হাজার হাজার মানুষের অংশগ্রহণে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই সময় গাইবান্ধা, রংপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের তিস্তা তীরবর্তী আটটি স্থানে একযোগে গণসমাবেশ এবং আলোর মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে আলীবাবা থিম পার্কের পাশে তিস্তা নদীর তীরে মশাল প্রজ্বালনের মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

সমাবেশে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানী বলেন, জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ঘোষণাটি তারা স্বাগত জানাচ্ছেন। তবে তিনি জানান, তিস্তা পাড়ের মানুষ এখন আর নতুন প্রতিশ্রুতির অপেক্ষায় নেই। তারা প্রকল্পটির দ্রুত একনেক অনুমোদন এবং বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি দেখতে চান।

তিনি আরও বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা শুধু একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়; এটি নদীভাঙন রোধ, তিস্তার দুই তীর সংরক্ষণ, নদী খনন, কৃষি এবং সেচব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, শিল্পায়ন এবং উত্তর এলাকার আঞ্চলিক বৈষম্য কমানোর একটি সমন্বিত আয়োজন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে তিস্তা অববাহিকার মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হতে পারে এবং উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

কর্মসূচিতে সংগঠনের স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলমগীর কবির, বাবুল আক্তার, আশিকুর রহমান, ববিউল ইসলাম, স্থানীয় সংগঠক আব্দুস ছাত্তার, জিয়াউর কামরুজ্জামান ও রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। প্রকৌশলী শেখ রেজওয়ানও সংহতি জানিয়ে বক্তব্য দেন।

সমাবেশ থেকে ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—তিস্তা মহাপরিকল্পনার দ্রুত একনেক অনুমোদন ও সময়বদ্ধ বাস্তবায়নের রোডম্যাপ ঘোষণা, নদী প্রকৌশলী, জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ও আন্দোলনের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ‘তিস্তা কর্তৃপক্ষ’ গঠন, দক্ষ প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ‘তিস্তা বন্ড’ চালু, ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং প্রকল্পের আওতায় পরিকল্পিত শিল্পাঞ্চল, কৃষি অঞ্চল, সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র ও কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় স্বীকৃতি পেলেন এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, ‘শ্রেষ্ঠ প্রতিবেদক–২০২৬’ নির্বাচিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার:

বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৬ পি.এম


অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় স্বীকৃতি পেলেন এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, ‘শ্রেষ্ঠ প্রতিবেদক–২০২৬’ নির্বাচিত

দৈনিক আজকের কণ্ঠস্বর-এর ‘শ্রেষ্ঠ প্রতিবেদক-২০২৬’ নির্বাচিত হয়েছেন এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির।

তিনি সুন্দরবন, জলবায়ু পরিবর্তন, মানবাধিকার ও উপকূলীয় জনপদের সংকট নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করার জন্য এই স্বীকৃতি অর্জন করেছেন।

সত্যনিষ্ঠ, বস্তুনিষ্ঠ এবং জনস্বার্থভিত্তিক অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ খুলনা থেকে প্রকাশিত দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনপ্রিয় দৈনিক আজকের কণ্ঠস্বর-এর ‘শ্রেষ্ঠ প্রতিবেদক-২০২৬’ হিসেবে তিনি নির্বাচিত হন। পত্রিকাটির সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন এবং একই সঙ্গে জাতীয় মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাগেরহাট রিপোর্টার্স ইউনিটির চেয়ারম্যান ও মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ক্ষেত্রে সফলতার স্বীকৃতি হিসেবে খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার চন্দনীমহল কাটাবনস্থ জে এস রিভার ভিউ পার্কে উদযাপিত দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই সম্মাননা ক্রেস্ট প্রধান অতিথি দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন দাশ গুপ্ত তাকে তুলে দেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি, সাংবাদিক ও সুধীজন করতালির মাধ্যমে তার এই অর্জনকে অভিনন্দন জানান।

এবারের সাংবাদিকতা জীবনে এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির বিভিন্ন বিষয়ে ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছেন। তার কাজ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে ভূমিকা রেখেছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে অপতথ্য ও গুজবের ভিড়ে সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার গুরুত্ব আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির তার সাহসী, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মাধ্যমে মানুষের আস্থাও অর্জন করেছেন।

এই সম্মাননা শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এটি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতারও একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। সম্মাননা গ্রহণ করেই এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির বলেন, “এই সম্মান আমাকে আরও দায়িত্বশীল করেছে। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে মানুষের কথা তুলে ধরাই আমার অঙ্গীকার। আমি সম্পাদক, সহকর্মী, পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।”

ভবিষ্যতেও তিনি জনস্বার্থ, মানবাধিকার, পরিবেশ এবং দেশের প্রান্তিক মানুষের কথা একই নিষ্ঠা ও সাহসের সঙ্গে তুলে ধরতে কাজ করে যাবেন। দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে একাধিক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়, যার মধ্যে কেক কাটা, আলোচনা সভা, বৃক্ষরোপণ, সাংবাদিকদের মিলনমেলা, সম্মাননা প্রদান এবং মতবিনিময় সভা অন্তর্ভুক্ত ছিল।

দৈনিক আজকের কণ্ঠস্বর মাত্র দুই বছরের পথচলায় উন্নয়ন, শিক্ষা, কৃষি, পরিবেশ, সুন্দরবন ও মানবাধিকার বিষয়গুলো সাহসিকতা ও বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে তুলে ধরে একটি নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম হিসেবে নিজস্ব অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। এই ধারাবাহিকতায় জনস্বার্থে নিবেদিত সাংবাদিকতার মূল্যায়ন হিসেবে এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবিরকে ‘শ্রেষ্ঠ প্রতিবেদক-২০২৬’ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।

জীবনের প্রতিটি স্বীকৃতি একটি নতুন দায়িত্বের অঙ্গীকার। দৈনিক আজকের কণ্ঠস্বর-এর ‘শ্রেষ্ঠ প্রতিবেদক–২০২৬’ হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার জন্য তিনি সম্মানিত প্রকাশক ও সম্পাদক, এবং বিশিষ্ট সাংবাদিক তাহমিনা আক্তার শিপন আপার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, “একজন সম্পাদক শুধু সংবাদপত্র পরিচালনা করেন না; তিনি সাংবাদিকদের স্বপ্ন, সাহস ও সততার পথও আলোকিত করেন।”

শেষে, এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন যেন সকলের জন্য সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%