ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

টেকসই উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যাশা এলজিআরডি মন্ত্রীর


টেকসই উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যাশা এলজিআরডি মন্ত্রীর

দেশের টেকসই উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনমানের উন্নয়ন নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের মিশন প্রধান জ্যাঁ পেসমে’র সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই প্রত্যাশা প্রকাশ করেন।

 

আরও পড়ুন: বাঁশপাতার চায়ের উদ্ভাবনী ধারণায় দেশসেরা বেরোবির মাহিদ-আজিজ, পাচ্ছেন লাখ টাকার ফান্ড

বৈঠকের সময় বাংলাদেশের চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা, পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, পল্লী উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এ সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও টেকসই করতে সরকারের পাশাপাশি উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন। স্থানীয় সরকার খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জনগণের কাছে মানসম্মত নাগরিক সেবা পৌঁছে দিতে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন, পল্লী উন্নয়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ বর্তমানে চলমান রয়েছে। এসব কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও টেকসই করতে উন্নয়ন সহযোগীদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় বিশ্বব্যাংকের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য মন্ত্রী কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে দেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন কার্যক্রমে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন: এমপি আব্দুল আজিজের আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল, ক্ষোভ বৃদ্ধি

মতবিনিময়কালে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ সময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও বিশ্বব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতীয় পেশাজীবীদের মার্কিন গ্রিন কার্ডের অপেক্ষাকাল বেড়ে ১৭৯ বছর হলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:০৫ পি.এম


ভারতীয় পেশাজীবীদের মার্কিন গ্রিন কার্ডের অপেক্ষাকাল বেড়ে ১৭৯ বছর হলো

আমেরিকাতে বার্ষিক কর্মসংস্থান ভিত্তিক ভিসার সীমা এবং কঠোর দেশভিত্তিক কোটা ব্যবস্থার কারণে ভারতীয় পেশাজীবীরা মার্কিন অভিবাসন ব্যবস্থায় যেকোনো দেশের নাগরিকদের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ বিলম্বের মুখোমুখি হচ্ছেন বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর আমেরিকান পলিসির (এনএফএপি)-এর সাম্প্রতিক এক মূল্যায়ন। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত, কর্মসংস্থান-ভিত্তিক অভিবাসনের জট ১২ লাখেরও বেশি আবেদনকারী ছাড়িয়ে গেছে।

প্রায় ১০ লাখ উচ্চদক্ষতাসম্পন্ন ভারতীয় পেশাজীবীকে আমেরিকার কর্মসংস্থান-ভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের অনুমতি বা গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে গিয়ে আনুমানিক ১শ’ ৭৯ বছর অপেক্ষা করতে হতে পারে। এর ফলে, ভারতীয় কর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা কর্মসংস্থানভিত্তিক মোট অপেক্ষমাণ তালিকার ৭৯ শতাংশ গঠন করছেন।

 

এনএফএপি-এর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চীন এবং ফিলিপাইনসহ অন্যান্য দেশের কর্মীদের তুলনায় জাতীয়তার কোটা কীভাবে ভারতীয় আবেদনকারীদের ওপর অনেক বেশি বোঝা চাপিয়ে দেয়। ইবি-১ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মীদের ক্ষেত্রে, চীনা নাগরিকদের আনুমানিক চার থেকে পাঁচ বছর অপেক্ষা করতে হয়, যা ভারতীয়দের মতোই। চীনা ইবি-২ উচ্চ-ডিগ্রিধারী পেশাদারদের আনুমানিক ২৫ বছর অপেক্ষা করতে হবে, যেখানে ইবি-৩ দক্ষ কর্মীদের জন্য প্রায় সাত বছর অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর আমেরিকান পলিসির নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “২০২৬ সালের জানুয়ারি বা তার পরে দাখিল করা লেবার সার্টিফিকেশন আবেদন বা কর্মসংস্থান-ভিত্তিক অভিবাসী পিটিশনসহ ভারতের একজন উচ্চদক্ষ বিদেশি নাগরিকের গ্রিন কার্ড (স্থায়ী বাসস্থান) পাওয়ার জন্য কর্মসংস্থান-ভিত্তিক দ্বিতীয় অগ্রাধিকার (ইবি-২)-এ ১৭৯ বছর, কর্মসংস্থান-ভিত্তিক তৃতীয় অগ্রাধিকার (ইবি-৩)-এ ৩৮ বছর এবং কর্মসংস্থান-ভিত্তিক প্রথম অগ্রাধিকার (ইবি-১)-এ ৫ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।”

আমেরিকার এই চলমান জটের পেছনে দুটি প্রধান আইনগত বাধা চিহ্নিত করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি। প্রথমটি হলো ১৯৯০ সালে মার্কিন কংগ্রেস নির্ধারিত বার্ষিক ১ লাখ ৪০ হাজারের সীমা। এই জাতীয় আইনি সীমার আওতায় প্রতি অর্থবছরে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিন কার্ড দেওয়া হয়। এই সংখ্যার মধ্যে মূল কর্মী এবং তাদের নির্ভরশীল পরিবারের সদস্য উভয়েই অন্তর্ভুক্ত থাকেন, ফলে করপোরেট পৃষ্ঠপোষকতার চাহিদা সামাল দেওয়ার জন্য এই বরাদ্দ যথেষ্ট নয়।

দ্বিতীয় বাধাটি হলো দেশভিত্তিক সীমা, যার অধীনে জনসংখ্যার আকার বিবেচনা না করে প্রতিটি দেশকে একই শতাংশ হারে সুযোগ দেওয়া হয়। ফলে ভারত ও চীনের মতো বিপুল জনসংখ্যার দেশও লুক্সেমবার্গ ও আইসল্যান্ডের মতো ছোট দেশগুলোর সমান সংখ্যক স্থায়ী বসবাসের সুযোগ পায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রভোস্ট অপসারণের দাবিতে ঢাবি শিক্ষার্থীর অবস্থান কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:০৬ পি.এম


প্রভোস্ট অপসারণের দাবিতে ঢাবি শিক্ষার্থীর অবস্থান কর্মসূচি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট ইলিয়াস আল মামুনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ এবং তাকে অপসারণের দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহীম।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে তিনি এ অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।

ইব্রাহীমের অভিযোগ, হলের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায় গত ১৬ আগস্ট প্রভোস্ট তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। ঘটনার প্রতিবাদে ওই সময় সাধারণ শিক্ষার্থীরা হল কার্যালয়ে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেন। পরে ১৭ আগস্ট ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

ইব্রাহীম বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন গত বৃহস্পতিবার জমা দেওয়ার কথা থাকলেও বারবার সময় পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

চলতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবারও প্রতিবেদন দেওয়া সম্ভব হবে কি না, সে বিষয়ে কমিটি কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারেনি।

তার দাবি, ঘটনার প্রায় এক ঘণ্টা ১৭ মিনিটের সিসিটিভি ফুটেজে সুস্পষ্ট প্রমাণ থাকার পরও দুই সপ্তাহেও তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত না হওয়া তদন্ত দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে ইব্রাহীম বলেন, মঙ্গলবার সকালে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে তিনবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি। পরে প্রক্টর কার্যালয়ে গিয়ে মঙ্গলবারের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত না হলে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করার কথা জানিয়ে আসেন।

ইব্রাহীম বলেন, প্রশাসনকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়ার পরও তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি। একই সঙ্গে অভিযুক্ত প্রভোস্ট এখনো পদে বহাল থাকায় তিনি অবস্থান কর্মসূচিতে বসেছেন।

তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত এবং ছাত্র নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত প্রভোস্টকে অপসারণ না করা পর্যন্ত আমার অবস্থান কর্মসূচি চলবে।

এ বিষয়ে ফজলুল হক মুসলিম হল সংসদের ভিপি আবু নাঈম বলেন, দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে প্রভোস্টকে অপসারণ ও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। দাবি মানা না হলে আরো কর্মসূচি নেওয়া হবে

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিনোদন জগৎ থেকে সাময়িক বিরতিতে আরিয়ানা গ্রান্ডে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১১ পি.এম


বিনোদন জগৎ থেকে সাময়িক বিরতিতে আরিয়ানা গ্রান্ডে

পপ সংগীতের জনপ্রিয় তারকা আরিয়ানা গ্রান্ডে বিনোদন জগতের ব্যস্ততা থেকে সাময়িকভাবে নিজেকে আড়ালে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি ৪১টি শোর এই দীর্ঘ সফর শেষ করেছেন লন্ডনের ওটু এরিনায় ‘ইটার্নাল সানশাইন ট্যুর’-এর শেষ কনসার্টের মধ্য দিয়ে।

শেষ কনসার্টে ভক্তদের উদ্দেশে আবেগঘন বক্তব্য দেন ৩৩ বছর বয়সী এই গায়িকা। তিনি জানান, চোখের পানি ধরে রাখতে না পেরে পুরো সফরের অভিজ্ঞতা তার জীবনের অন্যতম সুন্দর ও স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে। ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে এই সময়ের স্মৃতিগুলো আজীবন মনে রাখার কথাও বলেন তিনি।

জানা গেছে, ‘ইটার্নাল সানশাইন ট্যুর’-এর শেষ পর্বে লন্ডনে টানা ১০টি শো করেন আরিয়ানা। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন শহরেও কনসার্ট করেছেন তিনি। এর আগে আরিয়ানার প্রতিনিধির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, ট্যুর শেষ হওয়ার পর তিনি জনসম্মুখের কাজ ও উপস্থিতি থেকে কিছুটা বিরতি নেবেন। দীর্ঘদিন ধরে চলা জনসমালোচনা ও ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে অতিরিক্ত নজরদারির মধ্যে নিজের জন্য কিছুটা সময় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

এই বিরতির অংশ হিসেবে লন্ডনের বার্বিকানে মঞ্চস্থ হতে যাওয়া ‘সানডে ইন দ্য পার্ক উইথ জর্জ’ নাটক থেকেও সরে দাঁড়িয়েছেন আরিয়ানা। সেখানে তার সঙ্গে অভিনয়ের কথা ছিল ‘উইকেড’ সহশিল্পী জোনাথন বেইলির। আরিয়ানার এই সিদ্ধান্ত যে হঠাৎ নেওয়া নয়, সেটিও তিনি আগেই স্পষ্ট করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, নিজের জন্য সময় বের করা এবং পেশাগত জীবনে কিছু সীমারেখা তৈরি করার বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই পরিকল্পনা করছিলেন।

তবে বিরতি মানেই সংগীত বা অভিনয় থেকে চিরবিদায় নয়। আপাতত জনসম্মুখের ব্যস্ততা থেকে দূরে থেকে নিজের সময় ও ব্যক্তিগত জীবনে মনোযোগ দিতে চান আরিয়ানা গ্রান্ডে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:১২ পি.এম


প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবর

প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের জন্য বড় সুখবরসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের বেতন নতুন জাতীয় বেতনকাঠামোতে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। নতুন কাঠামোর অধীনে, প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের সময় মূল বেতন হবে ৩২ হাজার টাকা।অন্যদিকে, সহকারী শিক্ষকদের জন্য মূল বেতন শুরু হবে ২৪ হাজার টাকা থেকে। সম্প্রতি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদটি দশম গ্রেডে উন্নীত করা হয়েছে। পুরোনো কাঠামো অনুযায়ী, এই গ্রেডের শুরুতে মূল বেতন ছিল ১৬ হাজার টাকা। নতুন কাঠামোয় প্রথম ধাপে ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে তা ২৪ হাজার টাকায় পৌঁছাবে।

 

দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে আরও ৪ হাজার টাকা করে যোগ হলে, মূল বেতন ৩২ হাজার টাকায় দাঁড়াবে। ইনক্রিমেন্টসহ এই গ্রেডে সর্বোচ্চ মূল বেতন হতে পারে ৭৭ হাজার ৩০০ টাকা। ২০২৮ সালের জানুয়ারি থেকে নতুন হারে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর হলে, একজন নতুন প্রধান শিক্ষকের মোট বেতন-ভাতা ৫০ হাজার টাকার বেশি হতে পারে।

অন্যদিকে, সহকারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেডে নিয়োগ পান।

 

পুরোনো কাঠামোয় এ গ্রেডের মূল বেতন ছিল ১১ হাজার টাকা থেকে। নতুন কাঠামোয় শুরুতেই তা ২৪ হাজার টাকা হবে। ইনক্রিমেন্টসহ সর্বোচ্চ মূল বেতন হতে পারে ৫৮ হাজার টাকা। ২০২৮ সাল থেকে নতুন একজন সহকারী শিক্ষকের মোট বেতন-ভাতা প্রায় ৪০ হাজার টাকা হতে পারে।

তবে বর্তমানে কর্মরত শিক্ষকদের ক্ষেত্রে বেতন নির্ভর করবে চাকরির মেয়াদ, বর্তমান মূল বেতন ও ইনক্রিমেন্টের ওপর।

চূড়ান্ত হিসাব সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির পর জানা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%