ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইরানে অস্ত্র-গোলাবারুদভর্তি বিশাল জাহাজের বহর পাঠাল রাশিয়া


ইরানে অস্ত্র-গোলাবারুদভর্তি বিশাল জাহাজের বহর পাঠাল রাশিয়া

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এবার রাশিয়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের সরঞ্জাম এবং বিস্ফোরক সামগ্রীর একটি চালান ইরানকে পাঠিয়েছে। সম্প্রতি, কাস্পিয়ান সাগর পার হয়ে ইরানের আমিরাবাদ বন্দরে ২ ডজনেরও বেশি রুশ জাহাজ নিয়ে বিশাল এই অস্ত্র ও গোলাবারুদের চালান পৌঁছেছে।

বিশেষ গোয়েন্দা নথি ও পশ্চিমা কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বুধবার (১৯ আগস্ট) মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা ও বিশ্লেষক জিম ল্যামসন এ বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, "এ তথ্য থেকে আমরা দু’টি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার উপলব্ধি করতে পারি— (১) মস্কো এবং তেহরান নিজেদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর করছে এবং (২) মার্কিন বাহিনীর সামরিক অভিযানের কারণে ইরানের অস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে।" অর্থাৎ মার্কিন বিমান বাহিনীর অভিযানগুলো ইরানের অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলো লক্ষ্য করে সফল হয়েছে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত শেষ হলেও জ্বালানি সংকট অব্যাহত থাকবে: আইইএ প্রধান

ইরানে সামরিক সরঞ্জাম পাঠানোর জন্য যেসব জাহাজ ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলো সব রুশ জাহাজ নির্মাতা কোম্পানি এমজি-ফ্লোটের তৈরি। উল্লেখ্য, এই কোম্পানি ২০২৪ সাল থেকে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে।

২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ‘বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ নামে একটি ২০ বছর মেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল তেহরান এবং মস্কোর মধ্যে। এই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী রাশিয়া ও ইরান আগামী ২০ বছর ধরে প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, অর্থনীতি, বাণিজ্য, জ্বালানি, বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি খাতে একে অপরকে সহযোগিতা করবে।

এদিকে, এই চুক্তির প্রারম্ভের অনেক আগে থেকেই ইরান রাশিয়াকে সহযোগিতা করে আসছে। বিশেষ করে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রাশিয়াকে নিজেদের তৈরি লাদেন বা সুইসাইড ড্রোন শাহেদ এবং গোলাবারুদ নিয়মিতই পাঠানো হয়েছে। রাশিয়া নিজের প্রযুক্তি ব্যবহার করে শাহেদ ড্রোনের মান এবং বিধ্বংসী ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে।

রাশিয়া ইরানকে অস্ত্র সহায়তা সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানাতে এনবিসি ক্রেমলিনের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তবে ক্রেমলিনের কর্মকর্তারা এই তথ্যকে ‘ভুয়া’ বলে অস্বীকার করেছেন।

আরও পড়ুন: পিরোজপুরে লাশ দাফনে বাধা, নাহিদ ইসলামের নিন্দা ও ইনসাফের আহ্বান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বড় সুখবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৩৯ পি.এম


বড় সুখবর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়

তামিলনাড়ুর ২৩৪ জন বিধায়কের জন্য সরকারি গাড়ি প্রদান ও জ্বালানি, রক্ষণাবেক্ষণ ও ব্যক্তিগত সচিবের খরচ বাবদ বিশেষ ভাতা ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিধানসভায় এই সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা তুলে ধরে বলা হয়েছে যে, বিধায়কদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় যাতায়াত সহজ করা এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে নতুন ও সাধারণ পটভূমি থেকে উঠে আসা বিধায়কদের দাপ্তরিক কাজ ও জনসেবামূলক কার্যক্রম আরও সহজ করতে সরকারি গাড়ি ও অতিরিক্ত ভাতার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। খবরটি এনডিটিভির।

প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রত্যেক বিধায়ককে একটি সরকারি গাড়ি দেওয়া হবে। পাশাপাশি গাড়িচালক, জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বাবদ প্রতি মাসে ৭৫ হাজার রুপি ভাতা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। এছাড়া, দাপ্তরিক কাজ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ব্যক্তিগত সচিব নিয়োগে প্রত্যেক বিধায়ককে মাসে আরও ২৫ হাজার রুপি অনুদান দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, ভিসিকে বিধায়ক জ্যোতিমানির দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই এমন ঘোষণা এসেছে।

এ সিদ্ধান্তকে ঘিরে বিধানসভার ভেতরে ও বাইরে দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। ক্ষমতাসীন দল ও তাদের মিত্ররা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। কংগ্রেস বিধায়ক তারাগাই কাথবার্ট বলেন, এই সিদ্ধান্ত সব বিধায়কের জন্যই আনন্দের। অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী রাজ মোহন মনে করেন, সরকারি এই সুবিধা বিধায়কদের কাজের গতি বাড়াবে এবং চালক ও ব্যক্তিগত সচিব নিয়োগের মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হবে।

তবে বিরোধীদের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করা হয়েছে। তাদের দাবি, ২৩৪ জন বিধায়ককে সরকারি গাড়ি দেওয়া এবং প্রতি মাসে বিপুল অঙ্কের ভাতা রাজ্যের কোষাগারের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে। বিরোধীদের প্রশ্ন, বর্তমান পরিস্থিতিতে এমন ব্যয় আদৌ কতটা প্রয়োজনীয়।

সব মিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণাকে কেউ দেখছেন বিধায়কদের কাজের সুবিধা ও জনসেবা বাড়ানোর উদ্যোগ হিসেবে, আবার বিরোধীদের চোখে এটি রাজ্যের অর্থের অপ্রয়োজনীয় ব্যয়। ফলে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক আরও জোরালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে হেফাজতের মিথ্যাচার, ফতোয়াবাজি ও হুমকির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোহাম্মদ নূর ‎স্টাফ রিপোর্টার

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪২ পি.এম


হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে হেফাজতের মিথ্যাচার, ফতোয়াবাজি ও হুমকির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

‎হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে হেফাজতে ইসলামের কুরুচিপূর্ণ মিথ্যাচার, ফতোয়াবাজি ও হুমকির প্রতিবাদে এবং সদস্যদের জানমালের নিরাপত্তা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। .
‎
‎বুধবার ১৯/০৮/ সুনামগঞ্জের প্রেসক্লাবে জেলা হেযবুত তওহীদের উদ্যোগে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
‎
‎সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সুনামগঞ্জ জেলা হেযবুত তওহীদ সভাপতি মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
‎সুনামগঞ্জ জেলা হেযবুত তওহীদ সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্ব বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা ছাএ ফোরামের সভাপতি মো ফুল মিয়া, সাদেম আলী, দেওয়ান তাসাদ্দুক রেজা ইমন, সুলতান মাহমুদ, মারফত আলী, রহিছ মিয়া, আব্দুর নুর, রুহুল আমিন, ডা. ইউসুফ আহমেদ, সারোয়ার আলম, ময়না মিয়া প্রমুখ।
‎
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১ আগস্ট নোয়াখালী জেলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক ও কুরুচিপূর্ণ মিথ্যা প্রচারণা চালানো হয়েছে। ওই সমাবেশে বক্তারা হেযবুত তওহীদের ইমাম ও সদস্যদের বিরুদ্ধে অগণতান্ত্রিক এবং হিংসাত্মক বক্তব্য দিয়েছেন। তারা হেযবুত তওহীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়ে দেশ থেকে উৎখাত করা এবং সমাবেশে অংশগ্রহণকারী নারীদের অবমাননাকর ভাষায় ‘পতিতা’ বলার মতো নজিরবিহীন হুমকি দেন। প্রশাসনের সুনির্দিষ্ট শর্তের কোনোটিই তারা রক্ষা করেনি। এ ছাড়া ফটিকছড়িতে তাদের পক্ষ থেকে পেশকৃত ৯ দফা দাবিপত্রের ৬ নম্বর দফাতেও হেযবুত তওহীদকে নিষিদ্ধ করার অন্যায্য দাবি তোলা হয়েছে।
‎বক্তারা আরও বলেন, এই উগ্রগোষ্ঠীটি হেযবুত তওহীদের সদস্যদের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার পাশাপাশি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির নীলনকশা করছে। এর আগে উগ্রবাদীদের ইন্ধনে পোরকরা গ্রামে হেযবুত তওহীদের ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিমের গ্রামের বাড়িতে চারবার সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়েছে। ওই সব হামলায় তাদের দুজন নিরপরাধ সদস্যকে প্রকাশ্য দিবালোকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় এবং শতাধিক সদস্যকে আহত করা হয়। বর্তমানে এই অপতৎপরতার কারণে তাদের হাজার হাজার সদস্য এবং নোয়াখালীতে তাদের স্কুল, হাসপাতাল, খামার ও পোশাক কারখানাসহ অর্ধশতাধিক উন্নয়ন প্রকল্প চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
‎
‎বক্তারা বলেন, হেযবুত তওহীদ একটি অরাজনৈতিক সংস্কারমূলক আন্দোলন। আইন ও সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে তিন দশকের বেশি সময় ধরে তারা সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ উপায়ে উগ্রবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও ধর্মব্যবসার বিরুদ্ধে কাজ করে আসছে। তাদের দীর্ঘ কর্মজীবনে প্রায় ছয় শতাধিক মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করা হলেও গত ৩১ বছরে তাদের কোনো সদস্যই আদালতের রায়ে দোষী সাব্যস্ত হননি, বরং সবাই খালাস পেয়েছেন। তাদের আকিদা ও বিশ্বাস ইসলামের মৌলিক বিধানের ওপর প্রতিষ্ঠিত। দেশের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিকের ধর্ম পালন ও প্রচারের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। মূলত হেফাজতে ইসলাম নিজেদের উগ্র এজেন্ডা হাসিল করতে সরকারের ওপর ভর করে এই অপতৎপরতা চালাচ্ছে।
‎
‎সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- উসকানি ও ফতোয়া প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা মসজিদ ব্যবহার করে উসকানি বন্ধ করা, হেযবুত তওহীদের কার্যালয়, সদস্যদের পরিবার ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের মতপ্রকাশের ও ধর্মীয় অধিকার রক্ষা করা।
‎
‎বক্তারা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যমসহ সচেতন নাগরিকদের উগ্রবাদ, মব সহিংসতা ও ধর্মীয় বিদ্বেষের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা দেশের সংবিধান, আইনের শাসন ও প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালনের অনুরোধ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুন্সিগঞ্জে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪৩ পি.এম


মুন্সিগঞ্জে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আজ বুধবার (১৯ আগস্ট) গণশুনানি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী উপস্থিত থেকে আগত সেবাগ্রহীতাদের বিভিন্ন অভিযোগ ও আবেদন গ্রহণ করেন।

গণশুনানিতে অংশগ্রহণকারী নাগরিকরা তাদের ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক সমস্যার কথা তুলে ধরেন। জেলা প্রশাসক মনোযোগ সহকারে বিষয়গুলো শুনে তাৎক্ষণিক সমাধানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

নিয়মিত এই গণশুনানি কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ সরাসরি প্রশাসনের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইপিএলের লোভ দেখিয়ে ডিকভেলাকে ফাঁদে ফেললেন জয়সওয়াল, পরের বলেই আউট!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪৫ পি.এম


আইপিএলের লোভ দেখিয়ে ডিকভেলাকে ফাঁদে ফেললেন জয়সওয়াল, পরের বলেই আউট!

ক্রিকেটের মাঠে স্লেজিং নতুন কিছু নয়, তবে যদি স্লেজিংয়ের সঙ্গে আইপিএলের টোপ যুক্ত হয়, তাহলে পুরো পরিস্থিতি আরো মজার হয়ে ওঠে। আজ গল টেস্টের শেষ দিনে ভারতের যশস্বী জয়সওয়াল এমন এক দৃশ্য দেখালেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, যেখানে তার ‘মাইন্ড গেম’-এর শিকার হলেন নিরোশান ডিকভেলা।

শ্রীলঙ্কার ১৪২ রানের ৫ উইকেট পড়ার পর ডিকভেলা ব্যাটিংয়ে নামেন এবং ঠিক তখনই শুরু হয় জয়সওয়ালের স্লেজিং। জয়সওয়াল স্কয়ার লেগ থেকে ডিকভেলাকে আক্রমণাত্মক শট খেলতে উৎসাহিত করতে থাকেন।

তাদের কথোপকথন ছিল এরকম—

জয়সওয়াল: প্রথম ইনিংসে তো অনেক শট খেলেছ। (দ্বিতীয় ইনিংসে) আমাদের দেখতে হবে সেই রকম কিছু। চলো, করে দেখাও।

ডিকভেলা: তাই?

জয়সওয়াল: হ্যাঁ, আমি অপেক্ষা করছি। চলো, দেখাও। সেখানে মারো (ডিপ স্কয়ার লেগের দিকে ইশারা করে), কেন নয়?

ডিকভেলা: কোনো দরকার নেই। আমাকে আইপিএলে নিয়ে যাও, তারপর আমি মারব।

জয়সওয়াল: নিয়ে যাব, ১০০ শতাংশ। তুমি একটা ছক্কা মারো, আমি তোমাকে আইপিএলে নিয়ে যাব।

ডিকভেলা: ধন্যবাদ।

মজার এই কথোপকথন এখানেই শেষ হয়েছে। কিন্তু আসল মজা হলো পরের বলেই। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা অফ স্টাম্পের বাইরে শর্ট বল করেন, ডিকভেলা জায়গা করে নিয়ে কাট করতে যান। কিন্তু শটটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি এবং ব্যাটের কিনারায় লেগে বল চলে যায় উইকেটকিপার ঋষভ পন্তের হাতে। ১০ রান করে ডিকভেলা আউট হয়ে যান। অর্থাৎ, আইপিএলের টোপ গিলে ছক্কা মারার চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি পরের বলেই আউট হলেন।

ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে মুহূর্তটি দিনের সবচেয়ে আলোচিত ও মজার ঘটনার একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে। জয়সওয়ালের ‘মাইন্ড গেম’ যে কার্যকরী ছিল, ডিকভেলার আউট হওয়া তার বড় প্রমাণ। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেছেন, ‘জয়সওয়াল ও ডিকভেলার মধ্যকার কথোপকথনটি বেশ মজার ছিল। কারণ এতে একজন ক্রিকেটারের ব্যক্তিত্বের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। ডিকভেলা একটু চঞ্চল এবং কথাবার্তায় সরব। এবং হয়তো এজন্যই তিনি জয়সওয়ালের প্রলোভনে সাড়া দিয়েছেন।’

হার্শা বলেন, ধৈর্যহারা হওয়ার কারণে শ্রীলঙ্কা শেষ দিনে ২ উইকেট হারিয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘যখন শ্রীলঙ্কা ধৈর্য ধরে রক্ষণাত্মকভাবে ব্যাটিং করেছে, তখন তাদের কোনো সমস্যা হয়নি। যে দুটি উইকেট পড়েছে, সেগুলো মূলত মেজাজ ও ধৈর্য ধরে রাখতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে।’

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৭২ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ছিল ১৯৫। স্বাগতিকদের জিততে দরকার আরও ১৭৭ রান, সফরকারী ভারতের চাই ৪ উইকেট। সোনাল দিনুশা ৮০ ও কেশারা নুয়ান্থা ১৩ রান নিয়ে ব্যাটিং করছিলেন। ম্যাচের এখনো প্রায় ৬০ ওভার বাকি রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%