ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে হেফাজতের মিথ্যাচার, ফতোয়াবাজি ও হুমকির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত


হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে হেফাজতের মিথ্যাচার, ফতোয়াবাজি ও হুমকির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত

‎হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে হেফাজতে ইসলামের কুরুচিপূর্ণ মিথ্যাচার, ফতোয়াবাজি ও হুমকির প্রতিবাদে এবং সদস্যদের জানমালের নিরাপত্তা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। .
‎
‎বুধবার ১৯/০৮/ সুনামগঞ্জের প্রেসক্লাবে জেলা হেযবুত তওহীদের উদ্যোগে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
‎
‎সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন সুনামগঞ্জ জেলা হেযবুত তওহীদ সভাপতি মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
‎সুনামগঞ্জ জেলা হেযবুত তওহীদ সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেনের সভাপতিত্ব বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ জেলা ছাএ ফোরামের সভাপতি মো ফুল মিয়া, সাদেম আলী, দেওয়ান তাসাদ্দুক রেজা ইমন, সুলতান মাহমুদ, মারফত আলী, রহিছ মিয়া, আব্দুর নুর, রুহুল আমিন, ডা. ইউসুফ আহমেদ, সারোয়ার আলম, ময়না মিয়া প্রমুখ।
‎
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, গত ১ আগস্ট নোয়াখালী জেলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক ও কুরুচিপূর্ণ মিথ্যা প্রচারণা চালানো হয়েছে। ওই সমাবেশে বক্তারা হেযবুত তওহীদের ইমাম ও সদস্যদের বিরুদ্ধে অগণতান্ত্রিক এবং হিংসাত্মক বক্তব্য দিয়েছেন। তারা হেযবুত তওহীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়ে দেশ থেকে উৎখাত করা এবং সমাবেশে অংশগ্রহণকারী নারীদের অবমাননাকর ভাষায় ‘পতিতা’ বলার মতো নজিরবিহীন হুমকি দেন। প্রশাসনের সুনির্দিষ্ট শর্তের কোনোটিই তারা রক্ষা করেনি। এ ছাড়া ফটিকছড়িতে তাদের পক্ষ থেকে পেশকৃত ৯ দফা দাবিপত্রের ৬ নম্বর দফাতেও হেযবুত তওহীদকে নিষিদ্ধ করার অন্যায্য দাবি তোলা হয়েছে।
‎বক্তারা আরও বলেন, এই উগ্রগোষ্ঠীটি হেযবুত তওহীদের সদস্যদের জানমালের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার পাশাপাশি অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির নীলনকশা করছে। এর আগে উগ্রবাদীদের ইন্ধনে পোরকরা গ্রামে হেযবুত তওহীদের ইমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিমের গ্রামের বাড়িতে চারবার সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়েছে। ওই সব হামলায় তাদের দুজন নিরপরাধ সদস্যকে প্রকাশ্য দিবালোকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় এবং শতাধিক সদস্যকে আহত করা হয়। বর্তমানে এই অপতৎপরতার কারণে তাদের হাজার হাজার সদস্য এবং নোয়াখালীতে তাদের স্কুল, হাসপাতাল, খামার ও পোশাক কারখানাসহ অর্ধশতাধিক উন্নয়ন প্রকল্প চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
‎
‎বক্তারা বলেন, হেযবুত তওহীদ একটি অরাজনৈতিক সংস্কারমূলক আন্দোলন। আইন ও সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে তিন দশকের বেশি সময় ধরে তারা সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ উপায়ে উগ্রবাদ, সন্ত্রাসবাদ ও ধর্মব্যবসার বিরুদ্ধে কাজ করে আসছে। তাদের দীর্ঘ কর্মজীবনে প্রায় ছয় শতাধিক মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা করা হলেও গত ৩১ বছরে তাদের কোনো সদস্যই আদালতের রায়ে দোষী সাব্যস্ত হননি, বরং সবাই খালাস পেয়েছেন। তাদের আকিদা ও বিশ্বাস ইসলামের মৌলিক বিধানের ওপর প্রতিষ্ঠিত। দেশের সংবিধান প্রত্যেক নাগরিকের ধর্ম পালন ও প্রচারের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। মূলত হেফাজতে ইসলাম নিজেদের উগ্র এজেন্ডা হাসিল করতে সরকারের ওপর ভর করে এই অপতৎপরতা চালাচ্ছে।
‎
‎সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- উসকানি ও ফতোয়া প্রদানকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা মসজিদ ব্যবহার করে উসকানি বন্ধ করা, হেযবুত তওহীদের কার্যালয়, সদস্যদের পরিবার ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাদের মতপ্রকাশের ও ধর্মীয় অধিকার রক্ষা করা।
‎
‎বক্তারা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গণমাধ্যমসহ সচেতন নাগরিকদের উগ্রবাদ, মব সহিংসতা ও ধর্মীয় বিদ্বেষের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা দেশের সংবিধান, আইনের শাসন ও প্রত্যেক নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালনের অনুরোধ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুন্সিগঞ্জে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪৩ পি.এম


মুন্সিগঞ্জে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আজ বুধবার (১৯ আগস্ট) গণশুনানি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা নুরমহল আশরাফী উপস্থিত থেকে আগত সেবাগ্রহীতাদের বিভিন্ন অভিযোগ ও আবেদন গ্রহণ করেন।

গণশুনানিতে অংশগ্রহণকারী নাগরিকরা তাদের ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক সমস্যার কথা তুলে ধরেন। জেলা প্রশাসক মনোযোগ সহকারে বিষয়গুলো শুনে তাৎক্ষণিক সমাধানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

নিয়মিত এই গণশুনানি কার্যক্রমের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ সরাসরি প্রশাসনের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইপিএলের লোভ দেখিয়ে ডিকভেলাকে ফাঁদে ফেললেন জয়সওয়াল, পরের বলেই আউট!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪৫ পি.এম


আইপিএলের লোভ দেখিয়ে ডিকভেলাকে ফাঁদে ফেললেন জয়সওয়াল, পরের বলেই আউট!

ক্রিকেটের মাঠে স্লেজিং নতুন কিছু নয়, তবে যদি স্লেজিংয়ের সঙ্গে আইপিএলের টোপ যুক্ত হয়, তাহলে পুরো পরিস্থিতি আরো মজার হয়ে ওঠে। আজ গল টেস্টের শেষ দিনে ভারতের যশস্বী জয়সওয়াল এমন এক দৃশ্য দেখালেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, যেখানে তার ‘মাইন্ড গেম’-এর শিকার হলেন নিরোশান ডিকভেলা।

শ্রীলঙ্কার ১৪২ রানের ৫ উইকেট পড়ার পর ডিকভেলা ব্যাটিংয়ে নামেন এবং ঠিক তখনই শুরু হয় জয়সওয়ালের স্লেজিং। জয়সওয়াল স্কয়ার লেগ থেকে ডিকভেলাকে আক্রমণাত্মক শট খেলতে উৎসাহিত করতে থাকেন।

তাদের কথোপকথন ছিল এরকম—

জয়সওয়াল: প্রথম ইনিংসে তো অনেক শট খেলেছ। (দ্বিতীয় ইনিংসে) আমাদের দেখতে হবে সেই রকম কিছু। চলো, করে দেখাও।

ডিকভেলা: তাই?

জয়সওয়াল: হ্যাঁ, আমি অপেক্ষা করছি। চলো, দেখাও। সেখানে মারো (ডিপ স্কয়ার লেগের দিকে ইশারা করে), কেন নয়?

ডিকভেলা: কোনো দরকার নেই। আমাকে আইপিএলে নিয়ে যাও, তারপর আমি মারব।

জয়সওয়াল: নিয়ে যাব, ১০০ শতাংশ। তুমি একটা ছক্কা মারো, আমি তোমাকে আইপিএলে নিয়ে যাব।

ডিকভেলা: ধন্যবাদ।

মজার এই কথোপকথন এখানেই শেষ হয়েছে। কিন্তু আসল মজা হলো পরের বলেই। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা অফ স্টাম্পের বাইরে শর্ট বল করেন, ডিকভেলা জায়গা করে নিয়ে কাট করতে যান। কিন্তু শটটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি এবং ব্যাটের কিনারায় লেগে বল চলে যায় উইকেটকিপার ঋষভ পন্তের হাতে। ১০ রান করে ডিকভেলা আউট হয়ে যান। অর্থাৎ, আইপিএলের টোপ গিলে ছক্কা মারার চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি পরের বলেই আউট হলেন।

ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে মুহূর্তটি দিনের সবচেয়ে আলোচিত ও মজার ঘটনার একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে। জয়সওয়ালের ‘মাইন্ড গেম’ যে কার্যকরী ছিল, ডিকভেলার আউট হওয়া তার বড় প্রমাণ। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার হার্শা ভোগলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেছেন, ‘জয়সওয়াল ও ডিকভেলার মধ্যকার কথোপকথনটি বেশ মজার ছিল। কারণ এতে একজন ক্রিকেটারের ব্যক্তিত্বের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। ডিকভেলা একটু চঞ্চল এবং কথাবার্তায় সরব। এবং হয়তো এজন্যই তিনি জয়সওয়ালের প্রলোভনে সাড়া দিয়েছেন।’

হার্শা বলেন, ধৈর্যহারা হওয়ার কারণে শ্রীলঙ্কা শেষ দিনে ২ উইকেট হারিয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘যখন শ্রীলঙ্কা ধৈর্য ধরে রক্ষণাত্মকভাবে ব্যাটিং করেছে, তখন তাদের কোনো সমস্যা হয়নি। যে দুটি উইকেট পড়েছে, সেগুলো মূলত মেজাজ ও ধৈর্য ধরে রাখতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে।’

প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৭২ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে শ্রীলঙ্কার সংগ্রহ ছিল ১৯৫। স্বাগতিকদের জিততে দরকার আরও ১৭৭ রান, সফরকারী ভারতের চাই ৪ উইকেট। সোনাল দিনুশা ৮০ ও কেশারা নুয়ান্থা ১৩ রান নিয়ে ব্যাটিং করছিলেন। ম্যাচের এখনো প্রায় ৬০ ওভার বাকি রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শুটিংয়ে গুরুতর আহত কার্তিক আরিয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪৬ পি.এম


শুটিংয়ে গুরুতর আহত কার্তিক আরিয়ান

বলিউড অভিনেতা কার্তিক আরিয়ান শুটিং সেটে গুরুতর আহত হয়েছেন। শুটিং করতে গিয়ে পরিচালক কবীর খানের পরবর্তী সিনেমার একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকশন দৃশ্যে হাঁটুতে চোট পান তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, মুম্বাইয়ে সিনেমাটির শুটিং চলছিল। শুটিংয়ের শেষ দিনে কার্তিক গুরুত্বপূর্ণ একটি অ্যাকশন দৃশ্যে অংশ নেন। দৃশ্যটির শুটিং চলাকালেই হাঁটুতে গুরুতর চোট পান তিনি।

এরপর তাকে দ্রুত মুম্বাইয়ের মাহিমের ফোর্টিস রাহেজা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, এক দিনের মধ্যেই কার্তিকের হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করা হতে পারে। অস্ত্রোপচারের পর পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে তাকে কয়েক দিন বিশ্রামে থাকতে হবে বলে জানা গেছে।

অভিনেতা কার্তিককে কাবীর খানের ক্রীড়ানির্ভর সিনেমায় কাশ্মীরের এক কিশোরীকে কিকবক্সিং প্রশিক্ষণ দেওয়া কোচের চরিত্রে দেখা যাবে।

বাস্তব জীবনের ক্রীড়াবিদ তাজামুল ইসলামের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে। মুম্বাই ও কাশ্মীরের বিভিন্ন স্থানে এর শুটিং সম্পন্ন হয়েছে।

এই সিনেমার মধ্যে কার্তিক তার প্রযোজনা হিসেবে অভিষেকও ঘটাচ্ছেন। তিনি নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ডোপামিন স্টুডিওসের ব্যানারে কবীর খান ফিল্মসের সঙ্গে যৌথভাবে সিনেমাটি প্রযোজনা করছেন।

চোট থেকে সুস্থ হওয়ার পর কার্তিকের পরবর্তী কাজ হিসেবে অনুরাগ বসুর নাম ঠিক না হওয়া একটি রোমান্টিক সিনেমায় ফেরার কথা রয়েছে। সিনেমাটিতে তার বিপরীতে অভিনয় করবেন শ্রীলীলা। সিনেমাটি প্রযোজনা করছে টি-সিরিজ।

কবীর খান ও কার্তিক আরিয়ানের এটি দ্বিতীয় যৌথ কাজ। এর আগে ২০২৪ সালে ‘চন্দু চ্যাম্পিয়ন’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছিলেন তারা। মুরলিকান্ত পেটকারের জীবন অবলম্বনে নির্মিত সিনেমাটি বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য না পেলেও কার্তিকের ক্যারিয়ারে এটি নতুন মাইলফলক যোগ করে। এই সিনেমার জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘এটাই আমার টেস্ট কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় জয়’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৯ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০১:৪৮ পি.এম


‘এটাই আমার টেস্ট কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় জয়’

অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্বাগতিকদের হারানোর মাধ্যমে বাংলাদেশ ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে। এই জয়ের পর বাংলাদেশের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স এই জয়কে নিজের টেস্ট কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে চিহ্নিত করছেন।

২০২৪ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে তাদের দেশে ২-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ জয়ের পর তিনি বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সিমন্সের অধীনে, ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করার এক পর, এবার তিনি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আসার মাধ্যমে আরও বড় সাফল্য পেয়েছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম রেভস্পোর্টজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিমন্স বলেন, অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে হারানো বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসের একটি অন্যতম বড় মুহূর্ত।

তিনি জানান, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো যেকোনো দলের জন্য একটি বড় সাফল্য। কারণ সেখানে স্বাগতিকদের হারানো অত্যন্ত দুরূহ। তবে গত এক-দুই বছরে বাংলাদেশের টেস্ট দল ক্রমাগত উন্নতি করছে এবং সেই ধারাবাহিকতার ফলে দলের আত্মবিশ্বাসও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সিমন্স মনে করেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে ভালো পারফরম্যান্স বাংলাদেশের জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লড়াইয়ের আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছে। যদিও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একটি টেস্টে হার হওয়ার কথা তিনি মেনে নিলেও, তিনি উল্লেখ করেন যে তার আগে দল ভালো ক্রিকেট খেলেছে।

প্রস্তুতি ম্যাচে প্রত্যাশিত ফলাফল না এলেও, সেখান থেকে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করা হয়েছে, সেটি মূল ম্যাচে সহায়তা করেছে বলে মনে করেন বাংলাদেশের কোচ।

দলের পেস আক্রমণের প্রশংসা করে সিমন্স বলেন যে, নাহিদ রানাকে চোটের কারণে মিস করলেও, অন্য তিন পেসার ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করেছে এবং নিখুঁত বোলিং করে তার অভাব পূরণ করেছে।

ব্যক্তিগতভাবে এই জয় তাঁর কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সে বিষয়ে সিমন্স বলেন, ড্রেসিংরুমে তিনি খেলোয়াড়দেরকে জানিয়েছেন যে, এটি তাঁর টেস্ট কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় জয়।

সিমন্সের মতে, আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া সফরে এসেও তিনি স্বাগতিকদের হারাতে পারেননি। তাই এবার বাংলাদেশের হয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর অনুভূতি তাঁর কাছে বিশেষ।

দলের প্রস্তুতি এবং কঠোর পরিশ্রমের ব্যাপারেও তিনি কথা বলেছেন। বিশেষ করে প্রস্তুতি ম্যাচের পর ৫৪ রানের পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়রা যেভাবে কঠোর পরিশ্রম করছেন, সেটিকে তিনি এই সাফল্যের একটি প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%