ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাজ্য নর্থহ্যাম্পটনের মেয়র কর্তৃক ‘অনুপ্রেরণাদায়ক’ কমিউনিটি লিডার সম্মাননায় ভূষিত


যুক্তরাজ্য নর্থহ্যাম্পটনের মেয়র কর্তৃক ‘অনুপ্রেরণাদায়ক’ কমিউনিটি লিডার সম্মাননায় ভূষিত

নর্থহ্যাম্পটন শহরের বাংলাদেশী কমিউনিটির অসামান্য অবদানকে স্বীকৃতিস্বরূপ কাউন্সিলর মাইক হ্যালাম গিল্ডহলের মেয়রের পার্লারে এই সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত হয়।

১৭ জুন ২০২৬, বুধবার নর্থহ্যাম্পটনের মেয়র শহরের বাংলাদেশী ব্যবসায়ী লিডারদের ৩ জনকে সম্মাননা প্রদান করেছেন, যাঁরা তাঁদের নিজ নিজ স্থানীয় কমিউনিটিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।

নর্থহ্যাম্পটন বাংলাদেশী বিজনেস চেম্বার সিআইসি-এর অংশীদারিত্বে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং এতে তিনজন ব্রিটিশ বাংলাদেশীর কৃতিত্বকে চিহ্নিত করা হয়, যাঁরা তাঁদের নিজ নিজ স্থানীয় কমিউনিটিতে অত্যন্ত সম্মানিত সদস্য হিসেবে উঠে এসেছেন।

নসির আলীকে ‘অসামান্য কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট’ পুরস্কার প্রদান করা হয় এবং সিমরান আলী, নর্থহ্যাম্পটনের ওয়েলিংবোরো রোডে ‘ওপিয়াম’ রেস্তোরাঁ পরিচালনা করেন ‘তরুণ উদ্যোক্তা’ পুরস্কার লাভ করেন।
সলিটর আক্তার হোসেন, যিনি ‘লেক্সওয়েল লিগ্যাল সার্ভিসেস’ এর মালিক ‘কমিউনিটি চ্যাম্পিয়ন’ পুরস্কার পেয়েছেন।

এনবিবিসি’র চেয়ারম্যান কাউন্সিলর নাজ ইসলাম বলেন: “যেকোনো সম্প্রদায়ের শক্তি পরিমাপ করা হয় সেইসব মানুষের মাধ্যমে, যারা নীরবে অন্যদের সাহায্য করার জন্য তাদের সময়, শক্তি এবং আবেগ উৎসর্গ করেন, এবং আজ স্বীকৃতিপ্রাপ্ত এই তিনজন পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি সেই চেতনারই এক চমৎকার বাস্তব উদাহরণ।

‘‘তাঁদের প্রত্যেকেই নিজ নিজ উপায়ে সমাজসেবা, উদ্যোক্তা বা পেশাগত নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি স্থায়ী পরিবর্তন এনেছেন এবং তাঁদের অবদান শুধু বাংলাদেশি সম্প্রদায়কেই নয়, বরং সমগ্র নর্দাম্পটনকে সমৃদ্ধ করেছে।’’

এনবিবিসি’র সেক্রেটারি মুজিবুর রহমান আরও বলেন: ‘‘মেয়রের সাথে এই অর্জনগুলো উদযাপন করা এবং বহু মানুষের জীবনে বিজয়ীদের ইতিবাচক প্রভাবকে স্বীকৃতি দেওয়া একটি বিশেষ সৌভাগ্যের বিষয় ছিল। তাঁদের গল্পগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, মানুষ যখন একত্রিত হয়, একে অপরকে সমর্থন করে এবং নিজেদের সম্প্রদায়ের সেবায় গর্ববোধ করে, তখন কী অর্জন করা সম্ভব।’’

ডেপুটি চেয়ারম্যান টিপু রহমান বলেন: ‘‘আমরা এমন ব্যক্তিদের সমর্থন করতে পেরে গর্বিত, যাঁরা অন্যদের অনুপ্রাণিত করেন, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করেন এবং নর্দাম্পটনকে বসবাস ও কাজের জন্য আরও শক্তিশালী, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং প্রাণবন্ত একটি স্থান হিসেবে গড়ে তুলতে সাহায্য করেন।’’  আমরা আশা করি, এই পুরস্কারগুলো অন্যদেরকে তাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে এবং সমাজসেবার এই ঐতিহ্যকে অব্যাহত রাখতে উৎসাহিত করবে, যা আমাদের সম্প্রদায়ের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এসএসএফের ফায়ারিং রেঞ্জে নিশানা অনুশীলনে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ পি.এম


এসএসএফের ফায়ারিং রেঞ্জে নিশানা অনুশীলনে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে অনুষ্ঠিত এসএসএফের (স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স) ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবনির্মিত ফায়ারিং রেঞ্জের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের সময় তিনি ফায়ারিং রেঞ্জে এসএসএফের ব্যবহৃত একটি অস্ত্র দিয়ে নিজের নিশানা পরীক্ষা করেন।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে (পিএমও) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই নিশানা পরীক্ষা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, "কিছুক্ষণ আগেই আমি এসএসএফ-এর নবনির্মিত অত্যাধুনিক ফায়ারিং রেঞ্জটি উদ্বোধন করেছি। উদ্বোধনী মহড়াও প্রত্যক্ষ করেছি। পেশাগত কর্মদক্ষতা বাড়াতে নবনির্মিত এই ফায়ারিং রেঞ্জ নিঃসন্দেহে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। আশা করি, নিরাপত্তা কৌশল প্রণয়ন এবং নিজেদের পেশাগত কর্মদক্ষতা বাড়াতে আপনারা এই ফায়ারিং রেঞ্জের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করবেন।"

তিনি বলেন, "রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধান হিসেবে আমার সবচেয়ে বড় শক্তি হলো জনগণের আস্থা ও ভালোবাসা। তাই আপনাদের প্রতি আমার বিশেষ অনুরোধ, নিরাপত্তার কড়াকড়ি বা সুরক্ষার ঘেরাটোপ যেন সরকারপ্রধানকে সাধারণ মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন করে না ফেলে। ভিআইপিদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের হেনস্থা বা দুর্ব্যবহারের শিকার না হয়, সেদিকে এসএসএফ-কে বিশেষ নজর দিতে হবে।"

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসাকালীন এবং তার মৃত্যুর পর বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম জানাজা সফলভাবে সম্পন্ন করতে এসএসএফের সমন্বয়কারী ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, তরুণ বয়স থেকেই মায়ের সরকারপ্রধান থাকাকালীন তিনি এই এলিট বাহিনীর পেশাদারত্ব ও কার্যক্রম খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করেছেন।

এছাড়াও আধুনিক প্রযুক্তির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্ব সহকারে এসএসএফ সদস্যদের চেইন অব কমান্ড বজায় রেখে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রস্তাবিত বাজেট স্বপ্নবিলাসী ও উচ্চাভিলাষী, বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নেবে: আইনমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ পি.এম


প্রস্তাবিত বাজেট স্বপ্নবিলাসী ও উচ্চাভিলাষী, বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নেবে: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার একটি স্বপ্নবিলাসী ও উচ্চাভিলাষী বাজেট, যা বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং একটি স্বনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের পথ সুগম করবে।

আজ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, একসময় বাজেট উপস্থাপনের পর ‘গরিব মারার বাজেট’ কিংবা ‘বড়লোকের বাজেট’ বলা হতো। কিন্তু এবারের বাজেটকে ঘিরে তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। কারণ এই বাজেট গরিব, মধ্যবিত্ত, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, ব্যবসায়ী এবং কর্মপ্রত্যাশী তরুণদের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি কোনো একদিনের চিন্তার ফল নয়; বরং দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার বাস্তব প্রতিফলন।

বাজেটকে স্বপ্নবিলাসী ও উচ্চাভিলাষী বলা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, যে জাতি স্বপ্ন দেখতে পারে না, সে জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। উন্নয়ন সম্ভব নয় উচ্চাভিলাষ ছাড়া। বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে বড় লক্ষ্য নিয়ে এগোতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষি খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখা হয়েছে। কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড, উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ এবং বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচি রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতা বাড়িয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

শিক্ষা খাতের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, শুধুমাত্র সনদনির্ভর শিক্ষা নয়, কর্মমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নে অতিরিক্ত প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য, যুব উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় নানা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। অর্থপাচার, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও সরকার একটি বাস্তবমুখী ও উন্নয়নবান্ধব বাজেট প্রণয়ন করেছে।

তিনি বলেন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য খাল ও নদী পুনঃখনন, ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ড গ্রহণ করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ তৈরি করবে।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর-সুবিধা বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, জনগণের আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিও এতে প্রতিফলিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার লুটপাট ও অর্থপাচারনির্ভর অর্থনীতির অবসান ঘটিয়ে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়। প্রস্তাবিত বাজেট সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

আইনমন্ত্রী বলেন, এ বাজেট দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার রূপরেখা এতে তুলে ধরা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে ২৩ লাখ হেক্টর বনভূমি রয়েছে : পরিবেশ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১১ পি.এম


দেশে ২৩ লাখ হেক্টর বনভূমি রয়েছে : পরিবেশ মন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু জাতীয় সংসদে উপস্থিত সদস্যদের জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে ২৩ লাখ হেক্টর বনভূমি রয়েছে। এই পরিমাণ দেশের মোট ভৌগোলিক আয়তনের ১৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

আজ সংসদে নরসিংদী-১ আসনের সরকারি দলের সদস্য খায়রুল কবির খোকনের টেবিলে উপস্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য প্রদান করেন।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, 'দেশের মোট বনভূমির পরিমাণ ২৩ লাখ হেক্টর, যা বাংলাদেশে মোট ভৌগোলিক আয়তনের ১৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ।'

তিনি আরও বলেন, দেশের বন ও বনভূমি সংরক্ষণের জন্য সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

আব্দুল আউয়াল মিন্টু জানান, বন ও বনভূমি রক্ষায় টহল কার্যক্রমকে জোরদার করা হয়েছে। সুন্দরবনসহ অন্যান্য সংরক্ষিত এলাকাগুলোর জন্য সাইবার ট্র্যাকার প্রযুক্তির মাধ্যমে স্মার্ট প্যাট্রোলিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে তিনি বক্তব্য রাখেন, বন ও বনভূমির রক্ষণাবেক্ষণ, পর্যবেক্ষণ এবং বন-সংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও জানান, সহ-ব্যবস্থাপনা (কো-ম্যানেজমেন্ট) ও অংশীদারিত্বমূলক বন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে বন সংরক্ষণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, 'স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে সহ-ব্যবস্থাপনা ও যৌথ বন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে বন ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।'

এছাড়া, রাজস্ব ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ব্যাপকভাবে চারা উৎপাদন ও বনায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৃক্ষ আচ্ছাদন বৃদ্ধি করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী বলেন, বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের লক্ষ্যে দেশের সংরক্ষিত এলাকার পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, বন ও বনভূমির সুরক্ষা এবং ব্যবস্থাপনা জোরদারে ডিজিটাল ম্যাপিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান, বন্যপ্রাণী দিবস পালন এবং ওয়াইল্ডলাইফ অলিম্পিয়াডের মতো কর্মসূচি আয়োজন ও প্রচার করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী ঘোষণা করেন, বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ আইন, ২০২৬-এর ৬(৪) ধারার আওতায় বন বিভাগের চিহ্নিত অগ্রাধিকারভিত্তিক বনভূমির জরিপ, সীমানা নির্ধারণ এবং রেকর্ড হালনাগাদের কাজ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“মেঘনার ‘মিনি কক্সবাজারে’ অবৈধ দখলে তোলপাড়”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১১ পি.এম


“মেঘনার ‘মিনি কক্সবাজারে’ অবৈধ দখলে তোলপাড়”

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মিনি কক্সবাজার খ্যাত আলেকজান্ডার মেঘনা তীরে গড়ে উঠেছে বহু অবৈধ স্থাপনা। সম্প্রতি তোলা। -কালের কণ্ঠ

উপজেলা পরিষদের সামনে দিয়ে ২০০ গজ হেঁটে গেলেই রয়েছে মেঘনা নদী। নদীর তীর ব্লক দিয়ে বাঁধাই করে সেখানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হলে জায়গাটি তখন বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়।

সমুদ্র সৈকতের রূপ পাওয়ায় এটি একসময় পরিচিতি পায় মিনি কক্সবাজার হিসেবে।

মিনি কক্সবাজারের জায়গাটি মূলত লক্ষ্মীপুরের রামগতির আলেকজান্ডার মেঘনাতীর। বেড়াতে আসা হাজারো দর্শনার্থীদের মুখরিত এ জায়গাটিতে একের পর এক গড়ে উঠছে অবৈধ স্থাপনা। এতে বিপাকে পড়তে হচ্ছে ঘরতে আসা মানুষদের।

সম্প্রতি সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মেঘনা নদীর তীরে নির্মিত বেড়িবাঁধ ঘিরে অবৈধভাবে দোকানপাট নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব দোকানের কারণে দর্শনার্থীদের চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। বেড়িবাঁধের ঢালু অংশ ঘেঁষে অবাধে গড়ে তোলা হয়েছে চটপটি, ফুসকা, চা ও খেলনার অসংখ্য স্থায়ী দোকান।

নদীতীরে চোখে পড়ে বাগানবাড়ী ফুড কর্নার, বিসমিল্লাহ চটপটি অ্যান্ড ফুচকা হাউজ, হিমেল হাওয়া চটপটি অ্যান্ড ফুচকা হাউজ, আলাউদ্দিন চটপটিসহ বিভিন্ন দোকানপাট।

এখানে রয়েছেন চায়ের দোকান, খাবারের হোটেল ও খেলনার দোকানসহ দুই শতাধিক দোকানপাট।

দর্শনার্থীরা জানান, তীরে হাঁটাচলার জায়গায় এসব দোকানপাট নির্মাণ করায় তাদের চলাচল মারাত্মক বিঘ্নিত হচ্ছে। চলাচলের জায়গা না থাকায়, নদীর তীর ঘেঁষে ব্লকের ওপর চলাচল করতে হয় তাদের। এর ফলে নদীতে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শিশুদের নিয়ে তারা চরম বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীতীরবর্তী ও উপকূলীয় এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সরকারের কঠোর নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও এখানে তা মানা হয়নি। এর পাশাপাশি প্রশাসনের তদারকিও নেই। ফলে দখলবাজরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে, বিনোদন কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় ডাস্টবিনের অভাবে দোকানগুলোর বর্জ্য সরাসরি মেঘনা নদীতে ফেলা হচ্ছে। এতে ওই এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে।

দর্শনার্থী ও এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, কক্সবাজার বা নারায়ণগঞ্জের মেঘনাপারের মতো আলেকজান্ডার ‘মিনি কক্সবাজার’ অবৈধ দখলমুক্ত করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো প্রয়োজন। স্থানীয়রা পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং পর্যটন স্পটটির সৌন্দর্য ধরে রাখতে নিয়মিত প্রশাসনিক তদারকি ও স্থায়ী উচ্ছেদ অভিযানের দাবি জানিয়ে আসছেন।

নাজমুন নাহার নামের এক দর্শনার্থী বলেন, চলাচলের জায়গায় দোকান বসেছে। ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের নিয়ে এখানে আসা পর আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। ব্লকের ওপর বাচ্চারা ছিটকে পড়লে সোজা মেঘনা নদীতে পড়ে যাবে।

আইরিন সুলতানা নামের আরেক পর্যটক বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো তদারকি নেই। নইলে এই জায়গায় এত দোকান কীভাবে বসবে।’

দর্শনার্থী শরীফ হোসেন বলেন, ‘মানুষের চলাচলের পথ বন্ধ করে দোকান বসানো হয়েছে। এগুলো দেখতে খুব খারাপ লাগছে, পরিবেশ অসুন্দর হয়ে উঠেছে। প্রশাসনের উচিত এখনি এসব দোকানপাট সরিয়ে দেওয়া।’

দোকানদার আলাউদ্দিন ও জুয়েল হোসেন দুধা বলেন, ‘এখানে একটি চক্র রয়েছে। তাদের ‘ম্যানেজ’ করেই সবাই দোকান নির্মাণ করেছেন। এখন প্রশাসন সরিয়ে দিলে কিছুই করার নেই।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, ‘দর্শনার্থীদের চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়, এমন কোনো প্রতিবন্ধকতা নদীতীরে রাখা যাবে না। চলাচলের জায়গায় গড়ে তোলা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%