ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রস্তাবিত বাজেট স্বপ্নবিলাসী ও উচ্চাভিলাষী, বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নেবে: আইনমন্ত্রী


প্রস্তাবিত বাজেট স্বপ্নবিলাসী ও উচ্চাভিলাষী, বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নেবে: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার একটি স্বপ্নবিলাসী ও উচ্চাভিলাষী বাজেট, যা বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং একটি স্বনির্ভর রাষ্ট্র গঠনের পথ সুগম করবে।

আজ জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, একসময় বাজেট উপস্থাপনের পর ‘গরিব মারার বাজেট’ কিংবা ‘বড়লোকের বাজেট’ বলা হতো। কিন্তু এবারের বাজেটকে ঘিরে তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। কারণ এই বাজেট গরিব, মধ্যবিত্ত, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, ব্যবসায়ী এবং কর্মপ্রত্যাশী তরুণদের স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাঙামাটি ও বান্দরবান সফর বাতিল: রাষ্ট্রপতির চট্টগ্রাম

তিনি বলেন, সরকারের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। এটি কোনো একদিনের চিন্তার ফল নয়; বরং দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার বাস্তব প্রতিফলন।

বাজেটকে স্বপ্নবিলাসী ও উচ্চাভিলাষী বলা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, যে জাতি স্বপ্ন দেখতে পারে না, সে জাতি এগিয়ে যেতে পারে না। উন্নয়ন সম্ভব নয় উচ্চাভিলাষ ছাড়া। বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর রাষ্ট্রে পরিণত করতে হলে বড় লক্ষ্য নিয়ে এগোতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষি খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখা হয়েছে। কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড, উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ এবং বিভিন্ন সহায়তা কর্মসূচি রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতা বাড়িয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

শিক্ষা খাতের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, শুধুমাত্র সনদনির্ভর শিক্ষা নয়, কর্মমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষার উন্নয়নে অতিরিক্ত প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য, যুব উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোর প্রতি উদ্যোগ: প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় নানা অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। অর্থপাচার, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও সরকার একটি বাস্তবমুখী ও উন্নয়নবান্ধব বাজেট প্রণয়ন করেছে।

তিনি বলেন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য খাল ও নদী পুনঃখনন, ব্যাপক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ড গ্রহণ করা হয়েছে। এসব উদ্যোগ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ তৈরি করবে।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর-সুবিধা বৃদ্ধি, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, জনগণের আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিও এতে প্রতিফলিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সরকার লুটপাট ও অর্থপাচারনির্ভর অর্থনীতির অবসান ঘটিয়ে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়। প্রস্তাবিত বাজেট সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে কার্যালয় খোলার অনুরোধ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জেবিআইসি গভর্নরের বৈঠক

আইনমন্ত্রী বলেন, এ বাজেট দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, সামাজিক সুরক্ষা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার রূপরেখা এতে তুলে ধরা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে ২৩ লাখ হেক্টর বনভূমি রয়েছে : পরিবেশ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১১ পি.এম


দেশে ২৩ লাখ হেক্টর বনভূমি রয়েছে : পরিবেশ মন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু জাতীয় সংসদে উপস্থিত সদস্যদের জানিয়েছেন, বর্তমানে দেশে ২৩ লাখ হেক্টর বনভূমি রয়েছে। এই পরিমাণ দেশের মোট ভৌগোলিক আয়তনের ১৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

আজ সংসদে নরসিংদী-১ আসনের সরকারি দলের সদস্য খায়রুল কবির খোকনের টেবিলে উপস্থাপিত লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য প্রদান করেন।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, 'দেশের মোট বনভূমির পরিমাণ ২৩ লাখ হেক্টর, যা বাংলাদেশে মোট ভৌগোলিক আয়তনের ১৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ।'

তিনি আরও বলেন, দেশের বন ও বনভূমি সংরক্ষণের জন্য সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

আব্দুল আউয়াল মিন্টু জানান, বন ও বনভূমি রক্ষায় টহল কার্যক্রমকে জোরদার করা হয়েছে। সুন্দরবনসহ অন্যান্য সংরক্ষিত এলাকাগুলোর জন্য সাইবার ট্র্যাকার প্রযুক্তির মাধ্যমে স্মার্ট প্যাট্রোলিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে তিনি বক্তব্য রাখেন, বন ও বনভূমির রক্ষণাবেক্ষণ, পর্যবেক্ষণ এবং বন-সংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য ড্রোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও জানান, সহ-ব্যবস্থাপনা (কো-ম্যানেজমেন্ট) ও অংশীদারিত্বমূলক বন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে বন সংরক্ষণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, 'স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে সহ-ব্যবস্থাপনা ও যৌথ বন ব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে বন ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।'

এছাড়া, রাজস্ব ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ব্যাপকভাবে চারা উৎপাদন ও বনায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে বৃক্ষ আচ্ছাদন বৃদ্ধি করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী বলেন, বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের লক্ষ্যে দেশের সংরক্ষিত এলাকার পরিধি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, বন ও বনভূমির সুরক্ষা এবং ব্যবস্থাপনা জোরদারে ডিজিটাল ম্যাপিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান, বন্যপ্রাণী দিবস পালন এবং ওয়াইল্ডলাইফ অলিম্পিয়াডের মতো কর্মসূচি আয়োজন ও প্রচার করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী ঘোষণা করেন, বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ আইন, ২০২৬-এর ৬(৪) ধারার আওতায় বন বিভাগের চিহ্নিত অগ্রাধিকারভিত্তিক বনভূমির জরিপ, সীমানা নির্ধারণ এবং রেকর্ড হালনাগাদের কাজ ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

“মেঘনার ‘মিনি কক্সবাজারে’ অবৈধ দখলে তোলপাড়”

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১১ পি.এম


“মেঘনার ‘মিনি কক্সবাজারে’ অবৈধ দখলে তোলপাড়”

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মিনি কক্সবাজার খ্যাত আলেকজান্ডার মেঘনা তীরে গড়ে উঠেছে বহু অবৈধ স্থাপনা। সম্প্রতি তোলা। -কালের কণ্ঠ

উপজেলা পরিষদের সামনে দিয়ে ২০০ গজ হেঁটে গেলেই রয়েছে মেঘনা নদী। নদীর তীর ব্লক দিয়ে বাঁধাই করে সেখানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হলে জায়গাটি তখন বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়।

সমুদ্র সৈকতের রূপ পাওয়ায় এটি একসময় পরিচিতি পায় মিনি কক্সবাজার হিসেবে।

মিনি কক্সবাজারের জায়গাটি মূলত লক্ষ্মীপুরের রামগতির আলেকজান্ডার মেঘনাতীর। বেড়াতে আসা হাজারো দর্শনার্থীদের মুখরিত এ জায়গাটিতে একের পর এক গড়ে উঠছে অবৈধ স্থাপনা। এতে বিপাকে পড়তে হচ্ছে ঘরতে আসা মানুষদের।

সম্প্রতি সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মেঘনা নদীর তীরে নির্মিত বেড়িবাঁধ ঘিরে অবৈধভাবে দোকানপাট নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে। এসব দোকানের কারণে দর্শনার্থীদের চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। বেড়িবাঁধের ঢালু অংশ ঘেঁষে অবাধে গড়ে তোলা হয়েছে চটপটি, ফুসকা, চা ও খেলনার অসংখ্য স্থায়ী দোকান।

নদীতীরে চোখে পড়ে বাগানবাড়ী ফুড কর্নার, বিসমিল্লাহ চটপটি অ্যান্ড ফুচকা হাউজ, হিমেল হাওয়া চটপটি অ্যান্ড ফুচকা হাউজ, আলাউদ্দিন চটপটিসহ বিভিন্ন দোকানপাট।

এখানে রয়েছেন চায়ের দোকান, খাবারের হোটেল ও খেলনার দোকানসহ দুই শতাধিক দোকানপাট।

দর্শনার্থীরা জানান, তীরে হাঁটাচলার জায়গায় এসব দোকানপাট নির্মাণ করায় তাদের চলাচল মারাত্মক বিঘ্নিত হচ্ছে। চলাচলের জায়গা না থাকায়, নদীর তীর ঘেঁষে ব্লকের ওপর চলাচল করতে হয় তাদের। এর ফলে নদীতে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শিশুদের নিয়ে তারা চরম বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীতীরবর্তী ও উপকূলীয় এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সরকারের কঠোর নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও এখানে তা মানা হয়নি। এর পাশাপাশি প্রশাসনের তদারকিও নেই। ফলে দখলবাজরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

অন্যদিকে, বিনোদন কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় ডাস্টবিনের অভাবে দোকানগুলোর বর্জ্য সরাসরি মেঘনা নদীতে ফেলা হচ্ছে। এতে ওই এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও পরিবেশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে।

দর্শনার্থী ও এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, কক্সবাজার বা নারায়ণগঞ্জের মেঘনাপারের মতো আলেকজান্ডার ‘মিনি কক্সবাজার’ অবৈধ দখলমুক্ত করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো প্রয়োজন। স্থানীয়রা পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং পর্যটন স্পটটির সৌন্দর্য ধরে রাখতে নিয়মিত প্রশাসনিক তদারকি ও স্থায়ী উচ্ছেদ অভিযানের দাবি জানিয়ে আসছেন।

নাজমুন নাহার নামের এক দর্শনার্থী বলেন, চলাচলের জায়গায় দোকান বসেছে। ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের নিয়ে এখানে আসা পর আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। ব্লকের ওপর বাচ্চারা ছিটকে পড়লে সোজা মেঘনা নদীতে পড়ে যাবে।

আইরিন সুলতানা নামের আরেক পর্যটক বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো তদারকি নেই। নইলে এই জায়গায় এত দোকান কীভাবে বসবে।’

দর্শনার্থী শরীফ হোসেন বলেন, ‘মানুষের চলাচলের পথ বন্ধ করে দোকান বসানো হয়েছে। এগুলো দেখতে খুব খারাপ লাগছে, পরিবেশ অসুন্দর হয়ে উঠেছে। প্রশাসনের উচিত এখনি এসব দোকানপাট সরিয়ে দেওয়া।’

দোকানদার আলাউদ্দিন ও জুয়েল হোসেন দুধা বলেন, ‘এখানে একটি চক্র রয়েছে। তাদের ‘ম্যানেজ’ করেই সবাই দোকান নির্মাণ করেছেন। এখন প্রশাসন সরিয়ে দিলে কিছুই করার নেই।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, ‘দর্শনার্থীদের চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়, এমন কোনো প্রতিবন্ধকতা নদীতীরে রাখা যাবে না। চলাচলের জায়গায় গড়ে তোলা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হলিউডের অভিনেত্রী ডেভেই চেজ মৃত্যুবরণ করেছেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


হলিউডের অভিনেত্রী ডেভেই চেজ মৃত্যুবরণ করেছেন

হলিউডের একসময়ের জনপ্রিয় শিশুশিল্পী ডেভেই চেজ মৃত্যুবরণ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি হাসপাতালে তার মৃত্যু ঘটেছে। মৃত্যুর পূর্বে তিনি অপুষ্টিজনিত সমস্যার কারণে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন বলেও জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, ডেভেই চেজ জনপ্রিয় হরর সিনেমা ‘দ্য রিং’-এ ভয়ংকর চরিত্র সামারা মর্গান চরিত্রে শিশুশিল্পি হিসেবে অভিনয় করে অসাধারণ প্রশংসা অর্জন করেছিলেন। এছাড়াও, ২০০২ সালে ডিজনির অ্যানিমেটেড সিনেমা ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’-এ লিলো চরিত্রে কণ্ঠ দেয়ার জন্য তিনি সবচেয়ে বেশি পরিচিত ছিলেন। ডেভেই চেজ খুব অল্প বয়সেই অভিনয় শুরু করেন। মাত্র চার বছর বয়সে তিনি বিজ্ঞাপন ও ভয়েসওভার কাজের মাধ্যমে অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু করেন। সাত বছর বয়সে তিনি প্রথমবার হলিউডে টেলিভিশনে কাজ পান। পরে, তিনি বিভিন্ন জনপ্রিয় টিভি সিরিজে ছোট ছোট চরিত্রে অভিনয় করেন, যার মধ্যে ‘সাবরিনা দ্য টিনেজ উইচ’, ‘ইআর’ এবং ‘চার্মড’ উল্লেখযোগ্য।

২০০১ সালে ‘ডনি ডার্কো’ সিনেমায় স্যামান্থা ডার্কো চরিত্রে অভিনয় করার মাধ্যমে ডেভেই চেজ আলোচনায় আসেন। পরবর্তীতে, ২০০২ সালে তিনি ‘দ্য রিং’ সিনেমায় সামারা চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেন। একই বছর তিনি ‘লিলো অ্যান্ড স্টিচ’-এ লিলো চরিত্রে কণ্ঠ দিয়ে অ্যানিমেশন জগতে বড় সাফল্য অর্জন করেন এবং পুরস্কারও পান।

২০০০-এর দশকে তিনি জনপ্রিয় সিরিজ ‘বিগ লাভ’-এও কাজ করেন। তবে, পরবর্তীতে তিনি ধীরে ধীরে অভিনয় জগৎ থেকে দূরে সরে যান এবং ২০১৫ সালের পর পর্দায় অনিয়মিত হয়ে যান। তার মৃত্যুর সংবাদে হলিউডের অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সুত্র: বিবিসি

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ফল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়েছে: কৃষিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


বাংলাদেশ ফল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়েছে: কৃষিমন্ত্রী

বাংলাদেশে ফল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

আজকের দিনে রাজধানীর ফার্মগেটস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ (কেআইবি) প্রাঙ্গণে তিন দিনব্যাপী ফল মেলার উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের জন্য এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, প্রতিবছর ফল নিয়ে মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, এবং বাংলাদেশ ফল উৎপাদনে বিপ্লব ঘটিয়েছে। তিনি এ কথা বলেন যে, মেলা ঘুরলে নিশ্চয় বোঝা যাবে। বিলুপ্ত প্রজাতির দেশীয় ফলসমূহকে পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। বিদেশি ফলগুলোও আমরা দেশেই উৎপাদন করছি, সেগুলোও মেলায় প্রদর্শিত হয়েছে। বিদেশি ফলের উৎপাদনের কারণে দেশে আমদানি কমেছে। ভবিষ্যতে আর আমদানি করতে হবে না।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আম, আনারস এবং কাঁঠালের রপ্তানি শুরু হয়েছে। এ বছর কাঁঠালের রপ্তানি আরও বৃদ্ধি পাবে। ফলের রপ্তানি বাড়াতে আগামী দিনে আমরা বিদেশেও মেলার আয়োজন করবো।’

মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ দেশের ড্রাগন ফলের উৎপাদন সম্পর্কেও মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘কয়েক বছর আগে ড্রাগন ফল আমদানি করতে হতো। এখন আমরা স্বপ্ন দেখছি ড্রাগন ফল রপ্তানির। আমাদের দেশের আবহাওয়ার কারণে আমরা এ সাহস পাচ্ছি। কারণ, বাইরের দেশের ড্রাগন এত সুস্বাদু নয়।’

পরে কৃষিমন্ত্রী ফল মেলা উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন। কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ এতে সভাপতিত্ব করেন।

বক্তব্যে মন্ত্রী জানান, দেশে ফল উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, লিচু, আনারস, ড্রাগন ফলসহ বিভিন্ন ফলের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারেও বাংলাদেশের ফলের চাহিদা বাড়ছে।

তিনি বলেন, নিরাপদ এবং মানসম্মত ফল উৎপাদন, আধুনিক সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা, প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের সম্প্রসারণ এবং রপ্তানি বৃদ্ধি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

মন্ত্রী আরও বলেন, ফল মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি কৃষকের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ফলের অপচয় রোধ এবং বছরের প্রতিটি সময় সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে। একই সাথে প্রতিটি পরিবারকে ফলের গাছ রোপণে এবং নিয়মিত দেশীয় ফল গ্রহণে উদ্বুদ্ধ হতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%