০৪:৩৬ পি.এম
কিশোরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় তুহিন (১০) নামে এক চতুর্থ শ্রেণির স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। পুলিশ সদস্যরা যখন শিশুর মরদেহ উদ্ধার করতে যান, তখন দেখতে পান যে শিশুটি আর কেউ নয়, তিনি তারই সন্তান।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল প্রায় সাড়ে ১০টার দিকে শহরের গাইটাল আবদুল ওয়াহেদ জনতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সড়কে সিমেন্টবোঝাই একটি ট্রাক চাপা দিয়ে তুহিনকে হত্যা করে। তুহিন ওই বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
এদিকে, তুহিনের বাবা কনস্টেবল সামসুল কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানায় কর্মরত। তাঁদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পার্শ্ববর্তী এলাকায় অবস্থিত।
আরও পড়ুন: গোবিন্দগঞ্জে দোকানিকে অপহরণ করে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ: দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার দাবি বিদ্যুতের
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের খবর পেয়ে পুলিশ সদস্য সামসুর ঘটনাস্থলে যান। কিন্তু তিনি জানতেন না যে, যে মরদেহ উদ্ধার করতে যাচ্ছেন, সে আর কেউ নয়, তার নিজের ছেলে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিজ ছেলের মরদেহ দেখে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঞা বলেন, ‘সামসুল আমাদের থানার একজন দায়িত্বশীল সদস্য। দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান। পরে সেখানে গিয়ে জানতে পারেন যে নিহত শিশুটি তার নিজের ছেলে। ঘটনাটি আমাদের সবার জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। নিহতের মরদেহ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘দুর্ঘটনায় জড়িত ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। তবে ট্রাকটির চালক পালিয়ে গেছেন। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
আরও পড়ুন: ঈশ্বরদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন