১০:১৬ পি.এম
কুড়িগ্রামে সাধারণ মানুষের জন্য সরকারি সেবার সহজ ও সমতাভিত্তিক প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে এক অ্যাডভোকেসি ক্যাম্পেইন আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের চর যাত্রাপুর এলাকায় ফ্রেন্ডশিপ স্কুল চত্বরে এ অ্যাডভোকেসি ক্যাম্পেইনটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিবতাহুল রহমান, জেলা সমাজসেবা উপপরিচালক মুহঃ হুমায়ুন কবির, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জয়ন্তী রানী, জেলা তথ্য অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রব, সদর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আজগার আলী, যাত্রাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল গফুর এবং ইনক্লুসিভ সিটিজেনশিপ সেক্টরের জেনারেল ম্যানেজার একরামুল হক প্রমুখ।
স্থানীয় প্রশাসন, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ ক্যাম্পেইনে সরকারি সেবার মানোন্নয়ন ও নাগরিকবান্ধব সেবাপ্রদান নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এ ক্যাম্পেইনে জনসাধারণের মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, মহিলা, যুবক এবং প্রবীণ নাগরিকরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা অনুষ্ঠানে জানান, সরকারি সেবার তথ্য ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণার অভাবে অনেক নাগরিক কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকেন। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ নানা জটিলতা ও ভোগান্তির কারণে সময়মতো প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণ করতে সক্ষম হন না।
আরও পড়ুন: নেছারাবাদের সমুদয়কাঠী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা মনিরের
ক্যাম্পেইনে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশ্লিষ্ট সেবা, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, কৃষি সহায়তা, স্বাস্থ্যসেবা, ভূমি সেবা এবং ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে অনলাইন সেবা গ্রহণের পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়, এবং সরকারি সেবাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে নাগরিকদের অধিকার ও করণীয় সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।
বক্তারা আরো বলেন, একটি জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তুলতে সরকারি সেবার সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ডিজিটাল সেবার সম্প্রসারণ ও জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির বিকল্প নেই। বক্তারা জানিয়েছেন, সরকার জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নাগরিকদের সচেতন অংশগ্রহণ ও প্রশাসনের আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সরকারি সেবার প্রাপ্যতা আরও সহজ ও কার্যকর করা সম্ভব।
আয়োজকরা জানান, স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি সেবার সহজ প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তাদের মতে, জনগণকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্বচ্ছ ও সেবামুখী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
আরও পড়ুন: মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে বিএনপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন



