ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপি সবসময় অনড়: রাশেদ খান


স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপি সবসময় অনড়: রাশেদ খান

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, বিএনপি কখনোই কোনো দেশের দালালি করে না। বরং দেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দলটি সব সময় আপসহীন অবস্থানে রয়েছে।

তিনি শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা বলেন। গত ১৮ বছর ধরে আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করেছে বলেই দেশ চীনের মতো উন্নয়নের পথে এগোতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন রাশেদ খান।

তিনি আরও বলেন, যারা বিএনপিকে ভারতের দালাল বলে অপপ্রচার চালাচ্ছেন, তারা বাস্তবতার কাছে ভুল প্রমাণিত হয়েছেন। বিএনপি যদি ভারতের দালালি করত, তাহলে সরকার প্রধান চীন সফরের আগে ভারত সফর করতেন।

আরও পড়ুন: ইসলামের জন্য ক্ষমতা ছাড়তে পারি, ক্ষমতার জন্য ইসলাম নয়: ফয়জুল করীম

রাশেদ খান বলেন, ‘ভারত আমাদের প্রতিবেশী ও বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র। আমরা ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক চাই। তবে সেই সম্পর্ক হবে পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে। কোনোরকম আধিপত্য বা দাদাগিরি বাংলাদেশের মানুষ মেনে নেবে না।’

তিনি সীমান্ত পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বর্তমানে বিজিবি সীমান্তে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্তে দেশের স্বার্থ রক্ষায় তারা চোখে চোখ রেখে জবাব দিচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় আছে বলেই বিজিবি এত শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।

রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সমালোচনা করার সময় রাশেদ খান বলেন, জামায়াত ও এনসিপির কিছু নেতা আজ সরকার পতনের হুমকি দিচ্ছেন। অথচ গত ১৭ বছর তারা নিজেদের দলীয় কার্যালয়ের তালাই খুলতে পারেননি। এখন তারা বড় বড় কথা বলছেন।

তিনি আরো বলেন, হাসনাত আবদুল্লাহ সংসদে দুর্নীতির বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সরকারি বরাদ্দের বড় অংশ নিজের এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সেটি কি দুর্নীতির মধ্যে পড়ে না?

আরও পড়ুন: মহাঅষ্টমীতে বরিশালের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে বিএমপি কমিশনার, নিরাপত্তায় কঠোর নজরদারি

পুশ ইন ইস্যু নিয়ে রাশেদ খান বলেন, বিএনপি কোনো দেশের দালালি করে না, না ভারতের, না পাকিস্তানের। অথচ শিবিরের একজন কেন্দ্রীয় নেতা পাকিস্তানে গিয়ে লালগালিচা সংবর্ধনা নিয়ে দেশে ফিরে বিএনপিকে ভারতের দালাল বলছেন। তাহলে জনগণের কাছেই প্রশ্ন, আপনারা কি পাকিস্তানের দালাল?

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের পররাষ্ট্রনীতি হবে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে। প্রতিবেশীসহ সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা হলেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্ষার শুরুতেই ভয়ংকর রূপে যমুনা নদী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৯ পি.এম


বর্ষার শুরুতেই ভয়ংকর রূপে যমুনা নদী

বর্ষার শুরু থেকেই যমুনা নদী ক্রমশ আগ্রাসী হয়ে উঠছে।

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর ও চৌহালী উপজেলার চরাঞ্চলের দুটি ইউনিয়নে নদীর পূর্বপাড়ে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, ইতোমধ্যে নদীভাঙনের ফলে এসব এলাকার বহু বসতবাড়ি, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কৃষিজমি নদীতে বিলীন হয়েছে।

কাজিপুরের চরগিরিশি ইউনিয়নের স্থানীয় ইউপি সদস্য আল আমিন সরকার জানালেন, চরগিরিশ চরে এক সময় ৫০০ থেকে ৬০০ পরিবারের বসবাস ছিল। নদীভাঙনের কারণে ১৫০টি পরিবার আগেই অন্যত্র চলে গেছে। গত ১০ দিনের ব্যবধানে অন্তত ৩০টি পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। নদী যেভাবে ভাঙছে, তাতে আরো শতাধিক পরিবারের ভিটেমাটি যে কোনো সময় নদীতে হারিয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

ভিটেমাটি হারানো আব্দুল মোমিন বলেন, ‘এই চরে বাবা-দাদার ভিটে ছিল। জীবনযাত্রায় সব সঞ্চয় দিয়ে ঘর তুলছিলাম। কিন্তু কয়েক দিনের ব্যবধানে সব নদীতে চলে গেছে। এখন অন্যের জমিতে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছি।’

স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ‘চোখের সামনে সবকিছু নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এখন পরিবার-পরিজন নিয়ে কোথায় যাব, কী খাবো- সব মিলিয়ে আমি খুব বড় চিন্তায় আছি।’

অন্য এক বাসিন্দা কোহিনুর খাতুন বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। যা ছিল সব নদী নিয়ে গেছে। এখন যদি সরকার সাহায্য না করে, তাহলে আমাদের পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে থাকতে হবে।’

চরগিরিশ চরের বৃদ্ধ রশিদ মিয়া বলেছেন, ‘জীবনে অনেক কষ্ট করছি। কিন্তু এমন অসহায় কখনো লাগেনি। আমরা এখন কোথায় যাব, ভেটুয়া ও চরগিরিশ চরের শত শত মানুষজন এখন দিশাহারা।’

এদিকে, চৌহালী উপজেলার বাগুটিয়া ইউনিয়নের চরসলিমাবাদ, ভূতের মোড়, বিনানুই ও ভুসুরিয়া চরাঞ্চলে প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত ১০ দিনে ভাঙনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বসতবাড়ি, মসজিদ, দোকানপাটসহ অন্তত ৩০টি স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়েছে। পাউবো ভাঙনরোধে জিওব্যাগ ও জিওটিউব ফেললেও তেমন কাজে আসছে না। আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন নদীতীরের বাসিন্দারা। তাদের স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি।

চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুরুল আমিন বলেন, আমরা ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছি। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জিও ব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দেওয়া হবে।

এদিকে, সিরাজগঞ্জ সদর, বেলকুচি ও শাহজাদপুর উপজেলার নদীতীর ও চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের মধ্যে ভাঙনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। ইতোমধ্যে এসব অঞ্চলের চরগুলোর আবাদি জমির ফসল তলিয়ে গেছে। নৌকা ছাড়া চলাচল করতে পারছে না তারা।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (২৭ জুন) সকাল ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ৯ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১৫১ সেন্টিমিটার এবং কাজিপুর পয়েন্টে ৭ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ১৯৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এই সময়ের মধ্যে সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের বাহুকা এলাকায় নদীর তীররক্ষা বাঁধের ৩০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সেখানে জিওব্যাগ ও জিওটিউব ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেছেন, ভাঙনরোধে চৌহালী উপজেলার একটি স্থানে এবং সিরাজগঞ্জ সদরের বাহুকা এলাকায় কাজ চলছে।

চরাঞ্চলে নদীভাঙন প্রসঙ্গে নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, যমুনার বিশাল এলাকজুড়ে চরাঞ্চল রয়েছে। এসব এলাকায় ভাঙন দেখা দিলে আমাদের কিছু করার থাকে না। সরকার চরাঞ্চল রক্ষায় উদ্যোগী হলে আমরা সমীক্ষা করে প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩১ পি.এম


চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের মাধ্যমে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন। তিনি বলেন, চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং অন্যান্য দেশের সরকারপ্রধানকে বসিয়ে রেখে তারেক রহমানের সঙ্গে আলাপ করেছেন।

এ তথ্যটি শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ৮টি সমঝোতা এবং ৩টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। মোংলা বন্দর এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনের জন্য বিশেষ ইপিজেড নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। তার সঙ্গে উল্লেখ করেছেন, তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহযোগিতায় সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে।

তিনি আরও জানান, কুনমিং থেকে বাংলাদেশে সরাসরি যোগাযোগের জন্য চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডোর প্রস্তাব করেছে বেইজিং। তবে বাংলাদেশ এ বিষয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি।

এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে 'বাংলাদেশ ফাস্ট নীতি'র বড় ধরনের সাফল্য দেখা গেছে বলেও উল্লেখ করেছেন ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, মালয়েশিয়া সরকারের প্রকাশিত ভিডিওতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, প্রধানমন্ত্রীর এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক কত গভীর হয়ে উঠেছে।

ড. খলিলুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ এবং বিনিয়োগের দুটি নোট অব ভার্বাল স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেইসঙ্গে ২০২৭ সালের মধ্যে মুক্তবাণিজ্য চুক্তির জন্য দুই দেশ একমত হয়েছে।

মালয়েশিয়াতে দুই লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের নীতিগত বিষয়ে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে বলেও কথা বলেছেন তিনি।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মন্তব্য করেছেন, চায়না বাংলাদেশের উন্নয়নে স্থায়ী বন্ধু হতে আগ্রহী। এছাড়া, ব্রিকস এবং সাংহাই কনভেনশনে বাংলাদেশের নতুন সদস্য হওয়ার ব্যাপারে চীন সমর্থন করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুশ হুমকি মোকাবিলায় ২০৩৫ সালের মধ্যে সেনাসংখ্যা বাড়াতে চায় জার্মানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩২ পি.এম


রুশ হুমকি মোকাবিলায় ২০৩৫ সালের মধ্যে সেনাসংখ্যা বাড়াতে চায় জার্মানি

জার্মানি বর্তমানে চরম সেনাসংকটে ভুগছে। তাদের সেনাবাহিনীতে নতুন লোক নিয়োগ দেওয়া নিয়ে তারা রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছে। তাই বাধ্যতামূলক সামরিক সেবা আবার চালু করা হবে কি না, সে বিষয়ে শিগগিরই তাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এ তথ্য ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, জার্মানির এক জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য।

রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান হুমকি এবং যুক্তরাষ্ট্রের অনিশ্চিত আচরণের কারণে জার্মানি সতর্ক অবস্থানে আছে। তারা নিজেদের সেনাবাহিনী নতুন করে সাজাতে চাইছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে তারা সেনাসংখ্যা ১ লাখ ৮৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে কমপক্ষে ২ লাখ ৬০ হাজার করতে চায়।

গত নভেম্বরে সরকার সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার জন্য একটি নতুন স্বেচ্ছাসেবী ব্যবস্থা চালু করে। এই ব্যবস্থার আওতায় ১৮ বছর বয়সী তরুণদের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কিন্তু জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে প্রায় ৩ লাখ তরুণের সাথে যোগাযোগ করা হলেও, মাত্র ৫৩০ জন সেনাবাহিনীতে যুক্ত হয়েছেন।

জার্মান পার্লামেন্টের প্রতিরক্ষা কমিটির চেয়ারম্যান টমাস রোয়েওয়েলক্যাম্প বলেন, স্বেচ্ছায় যদি লক্ষ্য পূরণ না হয়, তবে তাদের বাধ্যতামূলক নিয়োগ ব্যবস্থায় ফিরে যেতে হবে। এই বিষয়ে আগামী বছরের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

তবে এই নিয়ম চালু হলেও ১৮ বছর বয়সী সবাইকে সেনাবাহিনীতে যেতে হবে না। বছরে যাদের বয়স ১৮ হবে, তাদের মধ্য থেকে সেনাবাহিনী শুধু প্রয়োজনীয় লোকবলই নিয়োগ করবে।

রোয়েওয়েলক্যাম্প জানান, যুদ্ধবিমান, জাহাজ, ট্যাংক বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও চুক্তিভিত্তিক সেনার খুব প্রয়োজন। এটি নিয়েই সবচেয়ে বেশি চিন্তা। যদিও জার্মানিতে বাধ্যতামূলক সামরিক সেবার বিরুদ্ধে সম্প্রতি অনেক বিক্ষোভ হয়েছে।

জার্মানির আশঙ্কা, রাশিয়া ২০২৯ সালের মধ্যে ন্যাটো দেশগুলোতে হামলা চালাতে পারে। রোয়েওয়েলক্যাম্প বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নজর শুধু ইউক্রেনের দিকেই নেই, পুরো পশ্চিমা গণতন্ত্রের দিকেই রয়েছে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল না থেকে ইউরোপকে নিজেদের সামরিক শক্তি বাড়াতে হবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী ৭ ও ৮ জুলাই তুরস্কের আঙ্কারায় অনুষ্ঠেয় ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলন থেকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনকে একটি কড়া বার্তা দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে ন্যাটোর ঐক্য আরও দৃঢ় হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাশিয়ার বিভিন্ন স্থাপনায় ইউক্রেনের নজিরবিহীন ড্রোন হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৬ পি.এম


রাশিয়ার বিভিন্ন স্থাপনায় ইউক্রেনের নজিরবিহীন ড্রোন হামলা

ইউক্রেন রাশিয়ার ১২ অঞ্চল, অধিকৃত ক্রিমিয়া এবং পার্শ্ববর্তী সাগরে একযোগে ৬৬০টি ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এটি রাশিয়ার অগ্রাসনের পর থেকে অন্যতম বৃহত্তম ড্রোন হামলা ছিল।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবার রাতে নজিরবিহীন ড্রোন হামলা চালানো হয়। রুশ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ৬৬০টি ইউক্রেনীয় ড্রোন প্রতিহত করেছে। এর আগে কিয়েভ ৫৫৬টি ড্রোন ব্যবহার করে আরেকটি বড় হামলা চালিয়েছিল। খবর এপি।

রাশিয়ার অস্ত্রভাণ্ডার, তেল উৎপাদন কেন্দ্র ও জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে অবিরাম ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেন, যা দীর্ঘমেয়াদি সংঘাতের মোড় ঘোরাতে লক্ষ্য করে।

পশ্চিমা কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ইউক্রেনের লাগাতার বড় আকারের দুরপাল্লার ড্রোন হামলা রাশিয়ার জ্বালানি ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহকে ব্যাহত করেছে। এর ফলে যুদ্ধক্ষেত্রে মস্কোর প্রচেষ্টাকে স্থবির করে দিয়েছে এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।

জানা গেছে, রাশিয়ার একটি রাসায়নিক কারখানায় হামলা হয়েছে। তবে এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

রাশিয়ার স্বাধীন অনলাইন সংবাদমাধ্যম অ্যাস্ট্রা জানিয়েছে, হামলায় রাশিয়ার নোভোমোস্কোভস্কের একটি রাসায়নিক কারখানা এবং জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে আগুন ধরে যায়। তবে সোসিয়েটেড প্রেস স্বাধীনভাবে এই প্রতিবেদনটি যাচাই করতে পারেনি এবং এর কোনো আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণও পাওয়া যায়নি।

মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন, রাশিয়ার রাজধানীর দিকে উড়ে আসা ৪৭টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।

ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা জানিয়েছে, ক্রিমিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বন্দর শহর কের্চে রুশ নৌবাহিনীর জাহাজ ও আকাশ প্রতিরক্ষা রাডারে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এতে জাহাজগুলো ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়েছে বলে যোগ করেন সংস্থাটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%