প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের মাধ্যমে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন। তিনি বলেন, চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং অন্যান্য দেশের সরকারপ্রধানকে বসিয়ে রেখে তারেক রহমানের সঙ্গে আলাপ করেছেন।
এ তথ্যটি শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ৮টি সমঝোতা এবং ৩টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। মোংলা বন্দর এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনের জন্য বিশেষ ইপিজেড নির্মাণের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। তার সঙ্গে উল্লেখ করেছেন, তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহযোগিতায় সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, কুনমিং থেকে বাংলাদেশে সরাসরি যোগাযোগের জন্য চীন-বাংলাদেশ-মিয়ানমার করিডোর প্রস্তাব করেছে বেইজিং। তবে বাংলাদেশ এ বিষয়ে এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি।
এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে 'বাংলাদেশ ফাস্ট নীতি'র বড় ধরনের সাফল্য দেখা গেছে বলেও উল্লেখ করেছেন ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, মালয়েশিয়া সরকারের প্রকাশিত ভিডিওতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, প্রধানমন্ত্রীর এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে সম্পর্ক কত গভীর হয়ে উঠেছে।
ড. খলিলুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ এবং বিনিয়োগের দুটি নোট অব ভার্বাল স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেইসঙ্গে ২০২৭ সালের মধ্যে মুক্তবাণিজ্য চুক্তির জন্য দুই দেশ একমত হয়েছে।
মালয়েশিয়াতে দুই লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের নীতিগত বিষয়ে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে বলেও কথা বলেছেন তিনি।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মন্তব্য করেছেন, চায়না বাংলাদেশের উন্নয়নে স্থায়ী বন্ধু হতে আগ্রহী। এছাড়া, ব্রিকস এবং সাংহাই কনভেনশনে বাংলাদেশের নতুন সদস্য হওয়ার ব্যাপারে চীন সমর্থন করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন