ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ক্লিনিক্যাল শিক্ষায় এআইভিত্তিক চিকিৎসা জ্ঞান অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ


ক্লিনিক্যাল শিক্ষায় এআইভিত্তিক চিকিৎসা জ্ঞান অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ইন্টিগ্রেটেড মডিউলার পদ্ধতি, আধুনিক ক্লিনিক্যাল শিক্ষাব্যবস্থা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক চিকিৎসা জ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ কথা জানান।

তিনি বলেছেন, লক্ষ্য হচ্ছে মানসম্মত, মানবিক ও আধুনিক চিকিৎসক তৈরির জন্য এমবিবিএস শিক্ষার বর্তমান কারিকুলামে প্রয়োজনীয় সংস্কার আনা। এ লক্ষ্য পূরণের জন্য ইন্টিগ্রেটেড মডিউলার পদ্ধতি, আধুনিক ক্লিনিক্যাল শিক্ষাব্যবস্থা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা(এআই)- ভিত্তিক চিকিৎসা জ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহার অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করে এমবিবিএস কারিকুলামকে যুগোপযোগী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে একটি আধুনিক, দক্ষতা-ভিত্তিক ও ভবিষ্যৎমুখী নতুন এমবিবিএস কারিকুলাম চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে বিডিএস ও অ্যালাইড হেলথ শিক্ষার কারিকুলামও হালনাগাদ করা হবে।

দেশের সব সরকারি মেডিকেল কলেজকে আধুনিক, মানসম্মত ও শিক্ষাবান্ধব প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে একটি সমন্বিত সংস্কার ও অবকাঠামো উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিশেষভাবে পুরাতন মেডিকেল কলেজসমূহের একাডেমিক ভবন, ছাত্রাবাস, ল্যাবরেটরি, লাইব্রেরি, হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ সুবিধাসমূহ আধুনিকায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও প্রশিক্ষণরত চিকিৎসকদের জন্য একটি নিরাপদ, উন্নত ও মানসম্পন্ন শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

মন্ত্রী জানান, এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ২৫ লাখের বেশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। এই স্কিম থেকে উদ্যোক্তাদের চলতি মূলধন সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি উৎপাদন কার্যক্রম সম্প্রসারণে সরকার ৬ শতাংশ সুদ ভর্তুকি দেবে। এর ফলে এ প্যাকেজের আওতায় ঋণ গ্রহণের বিপরীতে উদ্যোক্তাদের প্রকৃত সুদের হার বিদ্যমান বাজার ভিত্তিক সুদ অপেক্ষা অর্ধেকেরও কম হবে, যা শিল্প খাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে সহায়ক হবে। এছাড়াও, বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহ বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রাখবে। বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহ বৃদ্ধিতে সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১৩.৭ শতাংশ এবং বিগত অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে মোট ৩ লাখ কোটি টাকাসহ মোট উন্নয়ন ব্যয় ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা এবং পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট ৬ লাখ ২১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: আজ ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ, ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৩৮

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১০.২ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে ৯১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ঘাটতির মধ্যে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এবং ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক উৎস হতে নির্বাহ করার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নির্বাহ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দমকা হাওয়াসহ ঝড়ের শঙ্কায় ১০ জেলা, সতর্ক নদীবন্দর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:২৮ এম


দমকা হাওয়াসহ ঝড়ের শঙ্কায় ১০ জেলা, সতর্ক নদীবন্দর

দেশের ১০ জেলার জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে যে, ৬০ কিলোমিটার বেগে শক্তিশালী ঝড় এবং বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

শুক্রবার (১২ জুন) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া সতর্কবার্তায় এই তথ্য উল্লিখিত হয়েছে।

এখানে উল্লেখ করা হয়েছে—ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলা দিয়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে।

এছাড়া, এই সময়ের মধ্যে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কাও রয়েছে। তাই এই সব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুরাসাওকে সহজ প্রতিপক্ষ ভাবছে না জার্মানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ এম


কুরাসাওকে সহজ প্রতিপক্ষ ভাবছে না জার্মানি

এবারের ফুটবল বিশ্বকাপে খেলতে আসা সবচেয়ে ছোট দেশ কুরাসাওকে মাঠের লড়াইয়ে মোটেও হালকাভাবে নিতে রাজি নয় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। জার্মান ডিফেন্ডার জোনাথন টাহ সতীর্থদের স্পষ্টভাবে প্রতিপক্ষকে ছোট ভাবতে বারণ করেছেন। কাগজে-কলমে বা ফুটবল ঐতিহ্যের দিক দিয়ে জার্মানির চেয়ে বহুগুণ পিছিয়ে থাকলেও ডাই মানশাফট কুরাসাওকে যথেষ্ট সম্মান দিচ্ছে। তবে প্রতিপক্ষকে সম্মান জানালেও, তাদের নিজেদের শক্তি ও সামর্থ্যের ওপর পূর্ণ ভরসা রয়েছে। এবং তারা জয় দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করার ব্যাপারে দৃঢ় আত্মবিশ্বাসী বলে জানিয়েছেন এই তারকা ডিফেন্ডার।

যেহেতু অতীতে জার্মানির পারফরম্যান্স ছিল একেবারেই হতাশাজনক। ২০১৮ সালের রাশিয়া এবং ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে তারা টানা দুই আসরেই গ্রুপ পর্বের বৈতরণী পার হতে পারেনি। ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে সর্বশেষ ট্রফি জয়ের পর এবার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে সেই হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের। আগামী রবিবার হিউস্টনে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে তাদের শিরোপা ফিরে পাওয়ার মিশন।

ভৌগোলিক ও জনসংখ্যার দিক থেকে কুরাসাও একটি অত্যন্ত ছোট অঞ্চল। নেদারল্যান্ডসের এই স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের আয়তন মাত্র ৪৪৩ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা দেড় লাখের কিছু বেশি। তবুও, ডাচ কোচ ডিক আটফোকাটের অধীনে দলটির ফুটবলাররা নেদারল্যান্ডসে কঠোর প্রস্তুতি নেয় এবং সবাইকে চমকে দিয়ে বিশ্বকাপের টিকিট পায়। জোনাথন টাহ জানিয়েছেন, প্রতিপক্ষের শক্তির দিক নিয়ে ইতোমধ্যে তাদের দলের সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামলেও, কুরাসাওকে তারা পূর্ণ গুরুত্ব দিচ্ছেন।

বিশ্বকাপের ‘ই’ গ্রুপে জার্মানির অন্যান্য প্রতিপক্ষ হল কোত দি ভোয়া এবং একুয়েডর। দলের আরেক ডিফেন্ডার নিকো শ্লটারবেক জানিয়েছেন, অতীতের ব্যর্থতার কোনো চাপ তাদের ওপর নেই। দলের তরুণ ও অভিজ্ঞদের দারুণ মিশ্রণ এবং ফুটবলারদের তুঙ্গস্পর্শী ফর্ম জার্মানিকে মানসিকভাবে অনেক এগিয়ে রাখছে। তারা কোনো বাড়তি চাপের মধ্যে না থেকে নিজেদের স্বাভাবিক খেলা খেলে রোববার মাঠে পূর্ণ তিন পয়েন্ট পাওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে পুরো জার্মান শিবির।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কানাডা প্রথমবার নিজেদের মাঠে বিশ্বকাপ খেলে তৈরি করছে ইতিহাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪০ এম


কানাডা প্রথমবার নিজেদের মাঠে বিশ্বকাপ খেলে তৈরি করছে ইতিহাস

২০২৬ বিশ্বকাপ কানাডার ফুটবল ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকোর সঙ্গে যৌথ আয়োজক হিসেবে নিজেদের মাটিতে এবারই প্রথম বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজন ও খেলার সুযোগ পেয়েছে উত্তর আমেরিকার এই দেশটি।

এর আগে ১৯৮৬ ও ২০২২ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিলেও কখনোই ঘরের মাঠে খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেনি কানাডা। এবারে টরন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিশ্বকাপের ১৩টি ম্যাচ, যা দেশের ফুটবল ইতিহাসে একটি অনন্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

কানাডা বিশ্বকাপের ‘বি’ গ্রুপে অবস্থিত। তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, কাতার এবং সুইজারল্যান্ড।

স্বাগতিক দর্শকদের সমর্থন নিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়ার স্বপ্ন নিয়ে মাঠে নামছে এই দলটি।

বর্তমান কানাডা দলের প্রতি দেশটির অধিবাসীরা প্রতিবেদন করছেন যে এটি ইতিহাসের অন্যতম সেরা প্রজন্ম। দলের মধ্যে আছেন তারকা ফুটবলার আলফনসো ডেভিস, জোনাথন ডেভিড ও কাইল লেরিন। তাদের নেতৃত্বে ‘লে রুজ’রা বিশ্বকাপে প্রথম জয়ের জন্য অপেক্ষা করছে।

তবে কানাডার বিশ্বকাপের অতীত সুখকর নয়। ১৯৮৬ ও ২০২২—দুই আসরে মিলিয়ে তারা ছয়টি ম্যাচ খেলেছে কিন্তু কোনো জয় পায়নি। এমনকি ড্র করতেও তাদের সক্ষমতা হয়নি। তবে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে গোল করে বিশ্বকাপে কানাডার প্রথম গোলের ইতিহাস গড়েছিলেন আলফনসো ডেভিস।

কানাডা বিশ্বকাপে প্রথম জয়, প্রথমবার নকআউট পর্বে প্রবেশ এবং স্বাগতিক হিসেবে স্মরণীয় একটি আসর উপহার দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে। আর সেই প্রত্যাশিত যাত্রা শুরু হচ্ছে তাদের ম্যাচ বসনিয়ার বিরুদ্ধে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অর্থনীতিতে ক্রিয়েটিভ শিল্পের ভূমিকা বাড়াতে উদ্যোগ: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ এম


অর্থনীতিতে ক্রিয়েটিভ শিল্পের ভূমিকা বাড়াতে উদ্যোগ: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন যে, দেশের ক্রিয়েটিভ শিল্পের বিশাল অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে উন্মুক্ত করার মাধ্যমে অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসা হচ্ছে এবং বাংলাদেশের জিডিপিতে এ খাতের অবদান ১ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য সরকারের রয়েছে।

তিনি বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে এসব কথা বলেন।

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী জানান, সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ খাতের টেকসই উন্নয়নে সরকারি, বেসরকারি এবং এনজিও খাতের সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণে কর্মপরিকল্পনা এরই মধ্যে হাতে নেয়া হয়েছে। সরকার ক্রিয়েটিভ অর্থনীতিভিক্তিক পণ্য চিহ্নিতকরণ ও ডিজাইন উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। দেশজুড়ে আঞ্চলিক সৃজনশীল হাব গড়ে তুলতে ১০ বছরের বিনিয়োগ ও সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্লনা প্রণয়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ক্রিয়েটিভ পণ্যের উন্নয়ন ও নকশার মানোন্নয়নের জন্য দেশীয় ডিজাইনারদের সমন্বয়ে একটি ‘ন্যাশনাল পুল অব ডিজাইনার্স’ গঠন করা হচ্ছে। অঞ্চলভিত্তিক সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। হ্যারিটেজ স্থাপনা পুনরুদ্ধার করে আন্তর্জাতিক উৎসব আয়োজনের লক্ষ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে দুই-তিনটি থিমের ওপর ভিত্তি কওে দু’টি পাইলট প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, পর্যটন খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে ইকো-ট্যুরিজম উন্নয়নে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সরকার কার্যক্রম গ্রহণ করছে। পর্যটন খাতের পেশাজীবীদের বিশ্বমানের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি আন্তর্জাতিক মানের বিশেষায়িত ট্রেনিং ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হবে। রন্ধনশিল্পসহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ট্রেডের প্রশিক্ষণকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করার লক্ষ্যে ইন্টারন্যাশনাল হসপিটালিটি বেঞ্চমার্ক নির্ধারণ করা হবে। পর্যটন খাতের প্রশিক্ষণার্থীদের ক্ষেত্রে বিশ্বখ্যাত সংস্থা কর্তৃক আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে সার্টিফিকেশনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, পর্যটন খাতের সামগ্রিক সম্ভাবনা, বৈচিত্র্য এবং আধুনিক ক্রিয়েটিভ থিমগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সময়োপযোগী ও সমন্বিত ‘পর্যটন মহাপরিকল্পনা’ দ্রুত চূড়ান্ত করা হচ্ছে। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতি খাতের উন্নয়নে প্রাথমিকভাবে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেন তিনি। এছাড়া, বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর খাত থেকে আরও ৫০০ কোটি টাকার তহবিল সংগ্রহ করা হবে।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১৩.৭ শতাংশ এবং বিগত অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে মোট ৩ লাখ কোটি টাকাসহ মোট উন্নয়ন ব্যয় ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা এবং পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট ৬ লাখ ২১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১০.২ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে ৯১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ঘাটতির মধ্যে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এবং ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক উৎস হতে নির্বাহ করার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নির্বাহ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%