০৯:৩৪ এম
এবারের ফুটবল বিশ্বকাপে খেলতে আসা সবচেয়ে ছোট দেশ কুরাসাওকে মাঠের লড়াইয়ে মোটেও হালকাভাবে নিতে রাজি নয় চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। জার্মান ডিফেন্ডার জোনাথন টাহ সতীর্থদের স্পষ্টভাবে প্রতিপক্ষকে ছোট ভাবতে বারণ করেছেন। কাগজে-কলমে বা ফুটবল ঐতিহ্যের দিক দিয়ে জার্মানির চেয়ে বহুগুণ পিছিয়ে থাকলেও ডাই মানশাফট কুরাসাওকে যথেষ্ট সম্মান দিচ্ছে। তবে প্রতিপক্ষকে সম্মান জানালেও, তাদের নিজেদের শক্তি ও সামর্থ্যের ওপর পূর্ণ ভরসা রয়েছে। এবং তারা জয় দিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করার ব্যাপারে দৃঢ় আত্মবিশ্বাসী বলে জানিয়েছেন এই তারকা ডিফেন্ডার।
যেহেতু অতীতে জার্মানির পারফরম্যান্স ছিল একেবারেই হতাশাজনক। ২০১৮ সালের রাশিয়া এবং ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে তারা টানা দুই আসরেই গ্রুপ পর্বের বৈতরণী পার হতে পারেনি। ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে সর্বশেষ ট্রফি জয়ের পর এবার সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে সেই হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের। আগামী রবিবার হিউস্টনে কুরাসাওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে তাদের শিরোপা ফিরে পাওয়ার মিশন।
ভৌগোলিক ও জনসংখ্যার দিক থেকে কুরাসাও একটি অত্যন্ত ছোট অঞ্চল। নেদারল্যান্ডসের এই স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের আয়তন মাত্র ৪৪৩ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা দেড় লাখের কিছু বেশি। তবুও, ডাচ কোচ ডিক আটফোকাটের অধীনে দলটির ফুটবলাররা নেদারল্যান্ডসে কঠোর প্রস্তুতি নেয় এবং সবাইকে চমকে দিয়ে বিশ্বকাপের টিকিট পায়। জোনাথন টাহ জানিয়েছেন, প্রতিপক্ষের শক্তির দিক নিয়ে ইতোমধ্যে তাদের দলের সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামলেও, কুরাসাওকে তারা পূর্ণ গুরুত্ব দিচ্ছেন।
আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ
বিশ্বকাপের ‘ই’ গ্রুপে জার্মানির অন্যান্য প্রতিপক্ষ হল কোত দি ভোয়া এবং একুয়েডর। দলের আরেক ডিফেন্ডার নিকো শ্লটারবেক জানিয়েছেন, অতীতের ব্যর্থতার কোনো চাপ তাদের ওপর নেই। দলের তরুণ ও অভিজ্ঞদের দারুণ মিশ্রণ এবং ফুটবলারদের তুঙ্গস্পর্শী ফর্ম জার্মানিকে মানসিকভাবে অনেক এগিয়ে রাখছে। তারা কোনো বাড়তি চাপের মধ্যে না থেকে নিজেদের স্বাভাবিক খেলা খেলে রোববার মাঠে পূর্ণ তিন পয়েন্ট পাওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে পুরো জার্মান শিবির।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন