০১:৪৩ এম
স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর জন্য বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির অনুরোধ করেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত পৃথক বৈঠকে, তিনি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক)-এর সভাপতি ও নেপালের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লোক বাহাদুর থাপা এবং ইকোসকের সহ-সভাপতি ও আলজেরিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আমর বেনজামার সাথে এই অনুরোধ জানান।
আজ শনিবার অনুষ্ঠিত তথ্য অধিদফতরের এক বিবরণীতে এ বিষয়ে তথ্য জানানো হয়।
আরও পড়ুন: সমঅধিকারভিত্তিক সমাজ গঠনে সরকারের দৃঢ়প্রতিজ্ঞা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
এ সময় ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতি এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামনে বিদ্যমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলোর বিষয়ে আলোকপাত করে বাংলাদেশের এলডিসি থেকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
মন্ত্রী এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর পক্ষে সরকারের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। তিনি এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধ এবং মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোরদারের লক্ষ্যে ইকোসক সভাপতি ও সহ-সভাপতির সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি সংকট, সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন, জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমাত্রিক প্রভাব এবং অন্যান্য বহিয় প্রতিকূলতার কারণে বাংলাদেশ পূর্বনির্ধারিত প্রস্তুতির পূর্ণ সুফল গ্রহণ করতে পারেনি।
প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধের উদ্দেশ্য উত্তরণ বিলম্বিত করা নয়, বরং ব্যাপক কাঠামোগত সংস্কার সুসংহত করা, সুশাসন জোরদার, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, আর্থিক খাত শক্তিশালীকরণ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং অবকাঠামো উন্নয়নসহ একটি শক্তিশালী ও টেকসই মসৃণ উত্তরণ কৌশল বাস্তবায়নের মাধ্যমে উত্তরণকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল করা বলেও বাণিজ্যমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুন: ইশরাকের পদত্যাগ সাংবিধানিক, আইনের ব্যত্যয় ঘটেনি: অ্যাটর্নি জেনারেল
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন