বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:০২ পি.এম
কুমিল্লা, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : নগরীর একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে সাইবার প্রতারণার মাধ্যমে প্রায় ৬ লাখ টাকা লোপাটের তদন্তে নেমে একটি চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কুমিল্লা।
তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে মামলার চক্রের অন্যতম আসামি ফারুক হোসেনকে (৫৫) যশোর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারের পর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে পুরো চক্রের নাম প্রকাশ করেছে ফারুক। কিন্তু, গত দুই মাসে উদ্ধার করা যায়নি ওই টাকা। পিবিআই চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সাংবাদিকদের এসব তথ্য দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই কুমিল্লার পরিদর্শক বিপূল চন্দ্র দেবনাথ।
পিবিআই ও মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মার্চ কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যাayetনের প্রধান শিক্ষক মো. হানিফ মজুমদারের মোবাইলে মেসেজ পাঠিয়ে প্রতারক চক্রটি সিটি ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট চেক করার জন্য প্রলুব্ধ করে।
সিটি টাচ অ্যাপে অ্যাকাউন্ট চেক করার পরপরই ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোনটি হ্যাক হয়ে যায় এবং মোবাইল কাজ করা বন্ধ করে দেয়। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ভুক্তভোগী জানতে পারেন, প্রতারক চক্রটি হ্যাক করা মোবাইলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সিটি ব্যাংক কুমিল্লা শাখা থেকে দুটি পৃথক অ্যাকাউন্টে (ফারুক রাইস এজেন্সির ব্র্যাক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও মেহেরপুর শাখার জে. জে. এন্টারপ্রাইজের পুবালী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট) মোট ৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা স্থানান্তর (ট্রান্সফার) করে নিয়েছে।
এছাড়াও জনতা ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকেও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের (বিকাশ/নগদ) মাধ্যমে দুই দফায় মোট ৪৬ হাজার ৭৮৯ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। সর্বমোট ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৭৮৯ টাকা প্রতারণামূলকভাবে হাতিয়ে নিয়েছে চক্রটি।
পিবিআই আরও জানায়, এ ঘটনায় গত ১৬ মার্চ কোতোয়ালি মডেল থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষক। এর পর পিবিআই কুমিল্লা মামলাটির তদন্ত শুরু করে তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে প্রতারক চক্রটিকে শনাক্ত করে। গত ১৭ জুন পিবিআই কুমিল্লা ও যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশের যৌথ সহায়তায় জেলার লেবুতলা এলাকা থেকে মামলার চক্রের অন্যতম আসামি ফারুক হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি যশোর সদর থানার লেবুতলা এলাকার মৃত মোসলের মোল্লার ছেলে।
পিবিআই তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানান, গ্রেফতারের পর প্রতারক ফারুক হোসেন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে এবং চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের তথ্য প্রদান করে।
এতে প্রতারণার পুরো প্রক্রিয়ার বিষয়ে তথ্য প্রদান করে। এই চক্রটি প্রযুক্তিতে অনেক দক্ষ।
নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম সময়ে একাধিক ব্যাংক হ্যাক করে হিসাব থেকে টাকা স্থানান্তর করে নেওয়া এবং উত্তোলন করতেও দক্ষ হয়। এর ফলে ভুক্তভোগী স্কুল শিক্ষকের টাকা এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
পিবিআই কুমিল্লার পুলিশ সুপার মতিয়ার রহমান জানান, মোবাইলে ক্ষুদে বার্তা এবং ওটিপি পাঠিয়ে মোবাইল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে লোকজনের ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার নেপথ্যে একটি বড় চক্র রয়েছে।
কুমিল্লার স্কুল শিক্ষকের মামলার তদন্ত করতে গিয়ে যশোর থেকে প্রধান আসামি ফারুক হোসেনকে গ্রেফতারের পর আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। আসামির জবানবন্দীতে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এ চক্রের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারে পিবিআইয়ের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন যে, দেড় দশক আগে বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীকে অপহরণের প্রথম চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের ‘নেতৃত্বে’ দ্বিতীয় চেষ্টায় তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার তিনি গণমাধ্যমকে বিষয়টি জানান।
গণমাধ্যমে একটি প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘জিয়াউল আহসানের মামলায় তার এক বডিগার্ড সাক্ষ্য দিয়েছিল, তার সাক্ষ্যেও ইলিয়াস আলীর গুমের কিছু তথ্য এসেছিল, ওই বিষয়ে একটু বলুন’।
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ‘আমরা তো তার কাছ থেকে ক্লুটা পেয়েছি। সে যেটা বলছিল, প্রথমবার তারা এটেম্প্ট করেছিল একটা, বনানীতে। তাকে তুলে নেওয়ার একটা এটেম্প্ট করেছিল। সেই এটেম্প্টটা প্রথমে যখন ব্যর্থ হলো, পরের এটেম্প্টে জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে তাকে অপহরণ করা হয়। এইটুকুর ইনভেস্টিগেশন আমরা প্রাইমারিলি পেয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর ইনভেস্টিগেশনটা স্পেশালি করছি। জিয়াউল আহসানের কেসের মধ্যে যে অভিযোগ, সামগ্রিক যে সিস্টেমেটিক অফেন্সটা, এই যে মানুষগুলোকে তুলে তুলে এনে যারা গুম করত এবং যে অভিযোগ, সেগুলোও ইলিয়াস আলীর কেসের ইনভেস্টিগেশন রিপোর্টে থাকবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে নতুন করে হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ইরানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যদি ওয়াশিংটন তেহরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালায়, তবে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যুৎহীন হয়ে যাবে, যা ‘ব্ল্যাকআউট’-এর কারণ হবে। তারা সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুগুলোর একটি সুনির্দিষ্ট তালিকা রয়েছে, সেটাও তুলে ধরেছে।
এর পূর্বে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের বিরুদ্ধে বড় আকারের হামলার হুমকি দিয়েছিলেন। তবে গত সপ্তাহে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কাতারের অনুরোধ ও আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের আশার কথা উল্লেখ করে তিনি সেই অবস্থান থেকে সরে আসেন।
এক উপসাগরীয় অঞ্চলের কর্মকর্তা এএফপি-কে বলেন, ট্রাম্প যদি ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালান, তবে ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোতে পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন বা ‘ব্ল্যাকআউট’ করার হুমকি দিয়েছে। অঞ্চলটির আরেক কর্মকর্তা এই বার্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, যদিও উভয় কর্মকর্তাই নাম প্রকাশে রাজি হননি।
ট্রাম্প আগে বলেছেন, পরিকল্পিত হামলাটি হতে পারে ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে বড় হামলা’। মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তিনি জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাত হানার ব্যাপারে ভাবছিলেন। তিনি এর আগে এমসন হুমকি দিয়েও আসছিলেন।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যস্থতাকারী মাধ্যমের মাধ্যমে ইরান বার্তা দিয়েছে যে, যদি তাদের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলা করা হয়, তবে উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্য স্থাপনাগুলোতে পাল্টা আক্রমণ করা হবে। উপসাগরীয় ওই কর্মকর্তা বলেছেন, ইরান আগে থেকেই এ ধরনের হুমকি দিয়েছে, কিন্তু এবারের হুমকিটি ছিল ‘অত্যন্ত গুরুতর’। কারণ, এবার হামলা চালানোর উপযুক্ত লক্ষ্যবস্তু হিসেবে একটি দীর্ঘ তালিকা ছিল।
জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে, ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলেন, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের ওপর প্রতিটি হামলার জবাবে ইরানের কোনো সেতু বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র ধ্বংস করা হবে। এর প্রতিক্রিয়ায় তেহরান ‘চোখের বদলে চোখ’ বা কঠোর পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিল।
উপসাগরীয় কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, ইরানের বার্তায় বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সমুদ্রের পানি বিশুদ্ধকরণ (ডেসালিনেশন) কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানার কথা বলা হয়েছে। মরুভূমিপ্রধান এই অঞ্চলে পানীয় জলের জন্য মূলত এসব কেন্দ্রের উপরই নির্ভরশীল।
ট্রাম্প হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করার পরে সৌদি আরব ঘোষণা করেছে যে, তাদের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান মার্কিন নেতার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন, যাতে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো যায়। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের সময়ে ইরানের হামলার মূল ধকল উপসাগরীয় অঞ্চলের কাছে এসেছে; এসব হামলায় মার্কিন স্থাপনার পাশাপাশি জ্বালানি কেন্দ্র, বন্দর এবং বিমানবন্দরসহ বেসামরিক অবকাঠামোকেও টার্গেট করা হয়েছে।
চলতি বছরের এপ্রিল ও জুন মাসে যথাক্রমে যুদ্ধবিরতি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার পরেও বিক্ষিপ্ত হামলা অব্যাহত ছিল। তবে জুলাই মাসে যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার পর গোলাগুলির ঘটনা ও তীব্রতা বেড়ে যায়, এবং মূলত কুয়েত ও বাহরাইনকে লক্ষ্য করে হামলা হতে থাকে।
সূত্র: এএফপি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার কুয়ালামপুর থেকে ভারতের কোচিগামী একটি যাত্রীবাহী বিমানে মাঝ আকাশে এক ভারতীয় যাত্রী জরুরি নির্গমন (ইমার্জেন্সি) দরজা খুলতে চেষ্টা করার ফলে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় তিনি ইমার্জেন্সি দরজার ভেতরের জানালাও ক্ষতিগ্রস্ত করেন। অন্যান্য যাত্রী ও কেবিন ক্রু তাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। বিমানটি নিরাপদে অবতরণের পর কেরালা পুলিশ তাকে আটক করে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে বাটিক এয়ারের ওডি২৩১ ফ্লাইটটি কুয়ালামপুর থেকে কোচির উদ্দেশ্যে ছাড়ে। অভিযুক্ত যাত্রীর নাম জামশের। তিনি ভারতের কেরালার পালাক্কাদ জেলার বাসিন্দা।
পুলিশের অভিযোগ অনুযায়ী, রাত সাড়ে ৯টা থেকে ১১টা ৫ মিনিটের মধ্যে, যখন বিমানটি মাঝ আকাশে ছিল, তখন জামশের জোরপূর্বক ইমার্জেন্সি দরজা খোলার চেষ্টা করেন। তিনি দরজার ভেতরের জানালায় আঘাত করে সেটি ক্ষতিগ্রস্ত করেন এবং অন্যান্য যাত্রী ও কেবিন ক্রুদেরও হুমকি দেন।
পরিস্থিতি বুঝতে পেরে কেবিন ক্রু ও কয়েকজন যাত্রী দ্রুত তাকে নিবৃত্ত করেন, যা সম্ভাব্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানোর ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সহায়ক হয়।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে বিমানটি কোচি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করলে কেরালা পুলিশ জামশেরকে আটক করে।
বিমানে থাকা যাত্রী ম্যাটি ম্যাথু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার বর্ণনা দিয়ে জানান যে, গভীর রাতে অধিকাংশ যাত্রী ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ বিমানের ভেতরে বাতাস ঢোকার মতো শব্দ শুনে সবাই জেগে ওঠেন। এ সময় দেখা যায়, জামশের ইমার্জেন্সি দরজার জানালা ভেঙে দরজা খোলার চেষ্টা করছেন। তবে বিমানের নকশা ও কেবিনের বায়ুচাপের কারণে তিনি দরজাটি খুলতে পারেননি।
ম্যাথু বলেন, এটি ছিল অত্যন্ত ভীতিকর একটি পরিস্থিতি এবং সৌভাগ্যবশত, বিমানের সকল যাত্রী নিরাপদ ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ১২ জন অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এলডিসি) এবং সহকারী পুলিশ কমিশনারকে (এসি) বদলি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (সদর দপ্তর ও প্রশাসন) মো. শাহরিয়ার আলী স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়। আদেশে বলা হয়, ডিএমপির ট্রাফিক তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার তানিয়া সুলতানাকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার পিঅ্যান্ডআর বিভাগে বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে, ডিএমপির পুলিশ কমিশনার (মেইনটেনান্স) প্রকিউরমেন্ট এন্ড ওয়ার্কশপ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার এহসানুল কামরান তানভীরকে ট্রাফিক তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
এছাড়া, লালবাগ বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার অনীশ কীর্ত্তনীয়াকে সহকারী পুলিশ কমিশনার পরিবহন বিভাগের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার সুদীপ্ত কুমার বিশ্বাসকে সহকারী পুলিশ কমিশনার (ইকুপমেন্ট) লজিস্টিকস বিভাগে বদলি করা হয়েছে এবং পীর সহকারী পুলিশ কমিশনার ফেরদৌস মেহেবুবকে লালবাগ বিভাগের কমিশনার (পেট্রোল-কোতোয়ালি) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।
অন্য একটি আদেশে বলা হয়, ডিএমপির পরিবহন বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার মুশফিকুর রহমান তুষারকে লালবাগ বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (চকবাজার জোন) হিসেবে বদলি করা হয়েছে। একই সাথে, ডিএমপির ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার তানিয়া সুলতানাকে সহকারী পুলিশ কমিশনার উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগে বদলি করা হয়েছে। ডিএমপির লজিস্টিক বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার শেখ সুরাইয়া উর্মিকে সহকারী পুলিশ কমিশনার ডিএমপির পিওএম-পশ্চিম বিভাগে বদলি করা হয়েছে।
ডিএমপির লালবাগ সহকারী পুলিশ কমিশনার (চকবাজার জোন) মো. মাহফুজার রহমানকে সরকারি পুলিশ কমিশনার (বঙ্গভবন নিরাপত্তা-১) প্রটেকশন বিভাগে বদলি করা হয়েছে। ডিএমপির ওয়েলফেয়ার ও ফোর্স বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার নুসরাত ইয়াসমিন তিসাকে ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এছাড়াও, ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে গুলশান বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (পেট্রোল-ক্যান্টনমেন্ট) হিসেবে এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার সাকিলুর রহমানকে ডিএমপির গোয়েন্দা সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম উত্তর বিভাগে বদলি করা হয়েছে।
আদেশে আরও বলা হয়, ৭ জন বদলিকৃত সহকারী পুলিশ কমিশনারকে কর্মস্থলে যোগদানের নিমিত্তে বৃহস্পতিবার ৬ আগস্টের মধ্যেই বর্তমান দায়িত্বভার অর্পণ করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ