মোঃ সজিব হোসেন স্টাফ রিপোর্টার পাবনা
০৭:০৩ পি.এম
পাবনার ঈশ্বর্দীতে অবস্থিত গ্রীণসিটিতে দুই রুশ নাগরিকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় একজন রুশ নাগরিক মদ্যপ অবস্থায় মারা গেছেন। অপর একজন গুরুতর আহত অবস্থায় এখন হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এই ঘটনা সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে গ্রীণসিটি এলাকায় ঘটে। স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, মদ্যপ অবস্থায় দুই রুশ নাগরিকের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটা শুরু হয়। পরে এটি ধীরে ধীরে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। সংঘর্ষের সময় একজন গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু বরণ করেন।
অপর আহত ব্যক্তিকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা জানান, তার শারীরিক অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন আছে।
ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পরিদর্শনে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে। কি কারণে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এ ঘটনায় এলাকায় কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানা যায়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সাইবার নিরাপত্তা, বুলিং, বাল্যবিবাহ, যৌতুক, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, মাদক দ্রব্যের অপব্যবহার ও কুফল সম্পর্কে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি আমতলী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সোমবার চুনাখালী স্কুল এন্ড কলেজ মিলনায়নে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ওই স্কুল এন্ড কলেজের birkaç сот শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।
সভাটি চুনাখালী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজন করা হয়। সভার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক এবং জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ তাছলিমা আক্তার। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী, সহকারী কমিশনার (ভুমি) মুহাম্মাদ আশরাফুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সাইফুল ইসলাম এবং ওসি মোঃ ইয়াকুব হোসাইন প্রমুখ।
প্রধান অতিথি বরগুনা জেলা প্রশাসক মিজ তাছলিমা আক্তার বলেন, শিক্ষার্থীদের সাইবার নিরাপত্তা, সাইবার বুলিং, বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রথা, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ, মাদক দ্রব্যের অপব্যবহার ও কুফল সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, সচেতন না হলে শিক্ষার্থী এবং তার পরিবারের এর কুফল ভোগ করতে হবে। তবে যদি সচেতন হন, তাহলে একটি সুন্দর জীবন গঠন করা এবং সমাজে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৩ আগস্ট, ২০২৬ : গণপূর্ত অধিদপ্তরের ২৫৪ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে লটারির মাধ্যমে বদলি-পদায়ন করা হয়েছে।
আজ সোমবার, রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ পূর্ত ভবনের সম্মেলন কক্ষে দেশের আটটি বিভাগের ২৫৪ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে (ই/এম) বদলী-পদায়ন করা হয়।
লটারির ফলাফলের ভিত্তিতে, ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন কার্যালয়ে ১১৯ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৭ জন, খুলনা বিভাগে ২৭ জন, বরিশাল বিভাগে ১৩ জন, সিলেট বিভাগে ৮ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১ জন এবং রংপুর বিভাগে ২২ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে পদায়ন করা হয়েছে।
এই লটারি কার্যক্রম সমন্বয় করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সারোয়ার আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফিরোজ হাসান।
গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (ই/এম) আশরাফুল হক বললেন, ‘এ লটারিভিত্তিক বদলি প্রক্রিয়া বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করবে’ বলে তিনি জানান।
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন (গণপূর্ত অধিদপ্তরের সদস্যসচিব) মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘লটারিভিত্তিক বদলি প্রক্রিয়াকে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স এসোসিয়েশন, গণপূর্ত অধিদপ্তর শাখা স্বাগত জানাই। এর ফলে অধিদপ্তরের বদলি ও পদায়নে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে’ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, যুগ্মসচিব ফৌজিয়া খান, উপসচিব খান মো. নাজমুস শোয়েব ও উপসচিব মো. আবু নাছেরসহ অন্যান্য প্রকৌশলীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত ৩০ জুলাই লটারির মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে (সিভিল) বদলি করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁ, ৩ আগস্ট, ২০২৬ : আজ জেলায় কৃষক ও পেশাদার স্প্রেম্যানদের মধ্যে বিনামূল্যে চারাগাছ ও ‘রিচার্জেবল স্প্রে মেশিন’ বিতরণ করা হয়েছে।
আজ সোমবার দুপুরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব গাছ ও স্প্রে মেশিন বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মনজুর রহমান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে দুইশ’জন কৃষকের মধ্যে প্রত্যেককে একটি করে মেহগনি ও আমগাছের চারা প্রদান করা হয়। এছাড়া ৩০ জন প্রান্তিক ও পেশাদার স্প্রেম্যানকে জনপ্রতি একটি ব্যাটারি-চালিত আধুনিক রিচার্জেবল স্প্রে মেশিন প্রদান করা হয়। একই সাথে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে স্প্রেম্যানদের মধ্যে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী হিসেবে একজোড়া করে হ্যান্ড গ্লাভস, প্রটেক্টিভ গগলস, মাস্ক, পোলো শার্ট ও ক্যাপ বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রেষারেষি থামেনি সংসার বিচ্ছেদের পরও। সাবেক স্ত্রীর একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা চাঁদা দাবির একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। কুলিয়ারচর থানা পুলিশের কাছে এ ঘটনায় অভিযুক্ত প্রবাসী সাবেক স্বামীর তিন বোনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত তিনজন হলো, রিমা বেগম (২৪), আকলিমা বেগম (২২) ও শাপলা বেগম (৩২)। তারা মামলার প্রধান আসামি জামাল হোসেনের বোন।
মামলার নথি ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর সামাজিকভাবে জামাল হোসেনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ভুক্তভোগী নারী। দাম্পত্য কলহের জেরে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে গত ১২ মে।
অভিযোগ রয়েছে, সংসার চলাকালীন সুকৌশলে স্ত্রীর একান্ত মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও স্বামী জামাল নিজের মোবাইলে ধারণ করেন। বিচ্ছেদের পর জামাল এবং তার পরিবারের সদস্যরা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে সেসব ছবি পাঠিয়ে ভুক্তভোগী নারীর কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। ছবিগুলো ফেসবুক ও মেসেঞ্জারে ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দেন যদি টাকা না দেওয়া হয়।
ক্রমাগত মানসিক নির্যাতন ও সামাজিক মর্যাদাহানির ভয়ে ভুক্তভোগী নারী বাধ্য হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেন। গত ১৯ জুলাই তিনি কিশোরগঞ্জ আদালতে সাবেক স্বামী জামাল হোসেন এবং তার সহযোগী চারজনকে আসামি করে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে কুলিয়ারচর থানায় মামলাটি এজাহার (এফআইআর) হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন কুলিয়ারচর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সারফিন মিয়া। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২ আগস্ট রোববার সকালে সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ থানার পিঠাপই গ্রাম থেকে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশের সহায়তায় এজাহারভুক্ত তিন নারী আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
"মামলার প্রধান আসামি জামাল হোসেন বর্তমানে গ্রিসে অবস্থান করছেন। তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তার করা সম্ভব না হলেও দেশের আইন অনুযায়ী তাকে ফিরিয়ে এনে আইনের আওতায় আনার জন্য জোর চেষ্টা চলছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং ঘটনার বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।"
সাইবার অপরাধ ও পর্নোগ্রাফি ব্যবহার করে নারীদের হেনস্তার বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসনের এই দ্রুত পদক্ষেপ এলাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছে। সুশীল সমাজের মতে, প্রবাসী জামালকে দ্রুত দেশে ফেরত এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হলে তা অপরাধীদের জন্য কড়া বার্তা হয়ে থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ