ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বুধবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে


বুধবার রাজধানীর যেসব এলাকায় মার্কেট বন্ধ থাকবে

রাজধানী ঢাকার বাসিন্দাদের জন্য প্রতিদিনই কেনাকাটাসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে কোনো না কোনো মার্কেট এবং শপিংমলে যাওয়া অনিবার্য। তবে যদি কোথাও গিয়ে দেখেন যে সেখানকার কার্যক্রম বন্ধ, তাহলে কাজের পাশাপাশি মনও খারাপ হয়ে যায়।

তাহলে, যাওয়ার আগে দেখে নিন বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর কোন কোন এলাকার মার্কেট এবং শপিংমল বন্ধ থাকবে।

বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার মার্কেটগুলোর মধ্যে রয়েছে পাবলিক ওয়ার্কস সেন্টার, ইউনিটি প্লাজা, যমুনা ফিউচার পার্ক, নুরুনবী সুপার মার্কেট, ইউনাইটেড প্লাজা, কুশল সেন্টার, এবি সুপার মার্কেট, আমির কমপ্লেক্স, এবং উত্তরার মাসকট প্লাজা।

আরও পড়ুন: ডিএনসিসি প্রশাসক: ফুটপাতে ব্যবসার পক্ষে কেউ নেই, সড়ক দখল উচ্ছেদে জনগণের সহযোগিতা জরুরি

এছাড়া যেসব এলাকায় দোকান-পাট বন্ধ থাকবে, সেগুলো হলো: বারিধারা, সাঁতারকুল, শাহাজাদপুর, নিকুঞ্জ-১, ২, কুড়িল, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, মধ্য ও উত্তর বাড্ডা, জগন্নাথপুর, খিলক্ষেত, উত্তরখান, দক্ষিণখান, জোয়ার সাহারা, আশকোনা, বিমানবন্দর সড়ক, এবং উত্তরা থেকে টঙ্গী সেতু পর্যন্ত এলাকা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি সংক্রান্ত আদেশ আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ এম


বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি সংক্রান্ত আদেশ আজ

বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর বিষয়ে নতুন একটি আদেশ আজ, বুধবার জারি করা হবে।

আজ বুধবার (৩ জুন) বিকেল ৩টায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সিদ্ধান্তটি ঘোষণা করা হবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) দ্বারা।

একটি বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি জানিয়েছে, রাজধানী ঢাকা, রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনে বিইআরসি বিদ্যুতের পাইকারি, খুচরা ও সঞ্চালন মূল্যহার পরিবর্তন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে। বিইআরসি গত ২০ ও ২১ মে গণশুনানি অনুষ্ঠিত করেছিল, যেখানে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিইউবো), পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবিপিএলসি), বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো), ডিপিডিসি, ডেসকো, ওজোপাডিকো ও নেসকোর প্রস্তাবের ওপর আলোচনা হয়েছে। ওই প্রস্তাবের বিষয়ে কমিশন আগামী প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত জানাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বিদ্যুতের দাম গড়ে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে এবং নতুন এই ট্যারিফ জুন মাস থেকেই কার্যকর হবে।

তবে এখানে একটি স্বস্তির খবর হচ্ছে, নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের জন্য নির্ধারিত ‘লাইফ লাইন’ ক্যাটাগরিতে আপতাতভাবে কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। অর্থাৎ, শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীরা আগের মতোই একই সুবিধা পাবেন।

বিইআরসির একজন কর্মকর্তা জানাচ্ছেন, ঈদের ছুটির আগেই মূল্য সমন্বয়ের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এখন কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি রয়েছে। জুন মাস থেকেই নতুন মূল্যহার কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোতে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাথে করা শর্তের অংশ হিসেবে বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ উদ্দেশ্যে, দুই মাস আগে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত একটি মন্ত্রিসভা কমিটি বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিট ১ টাকা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। এই প্রসঙ্গেই বিইআরসির মাধ্যমে মূল্য নির্ধারণের পরামর্শ দিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ এপ্রিল বিইআরসি দুই দিনব্যাপী গণশুনানির আয়োজন করে। সেখানে প্রতিটি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলোর দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বৃদ্ধি করা যেতে পারে। কমিশন এই সুপারিশ গ্রহণ করবে বলে জানা যাচ্ছে।

বিইআরসির একজন কমিশনার নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, সব পক্ষের মতামত বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে ইউনিটপ্রতি মূল্যবৃদ্ধি ১ টাকার কম হওয়া সম্ভব নয়।

তিনি জানাচ্ছেন, ২০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীদের জন্য তুলনামূলক কম হারে দাম বাড়ানো হবে। এরপর ২০০ থেকে ৪০০ ইউনিট এবং ৪০০ থেকে ৬০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের জন্য ধাপে ধাপে মূল্য বৃদ্ধি করা হবে। সবচেয়ে বেশি মূল্যবৃদ্ধির চাপ আসবে ৬০০ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী গ্রাহকদের ওপর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামী বাজেটের মূল লক্ষ্য দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ এম


আগামী বাজেটের মূল লক্ষ্য দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন: অর্থমন্ত্রী

অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আসন্ন জাতীয় বাজেটের মূল দর্শন হচ্ছে অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ এবং দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূলধারায় নিয়ে আসা।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের বাজেটে সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত হয়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। তাই আমরা বাজেটে প্রথমেই দরিদ্র, নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠী এবং গৃহিণীদের অগ্রাধিকার দিয়েছি।’

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে অর্থনৈতিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘বাজেট ২০২৬-২৭: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা’ বিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের জন্য স্বল্প সময়ে বাজেট প্রণয়ন একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ। বিগত দুটি সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় সরাসরি উপকারভোগীদের অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তর করা হবে এবং এ প্রক্রিয়ায় কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বা মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ থাকবে না।

তিনি আরো বলেন, কৃষকদের জন্য ‘ফার্মার্স কার্ড’ চালুর মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের জীবনমান উন্নয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাত প্রসঙ্গে আমির খসরু বলেন, দেশের মানুষ স্বাস্থ্যসেবায় নিজের পকেট থেকে অতিরিক্ত ব্যয় করছে। এ কারণে সরকার ইউনিভার্সাল ও প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিচ্ছে।

এ ক্ষেত্রে সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোকেও সম্পৃক্ত করা হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কামার, কুমার, তাঁতি, ক্ষুদ্র কারুশিল্পী, থিয়েটারকর্মী ও সাংস্কৃতিক কর্মীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। তাদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন, ঋণ প্রদান, ডিজাইন সহায়তা, ব্র্যান্ডিং ও বাজারজাতকরণে সহযোগিতা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘জিডিপি শুধু শিল্প-কারখানা থেকে আসে না। সংস্কৃতি, ক্রীড়া, কারুশিল্পসহ সৃজনশীল খাতও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।’

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে ‘ডেমোক্রেটাইজেশন অব ইকোনমি’ বা অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ যাতে দেশের সব মানুষ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের সুযোগ পায় এবং উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে পারে।

ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, বিভিন্ন অনুমোদন নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে দিতে হবে। বিনিয়োগ ও ব্যবসার ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে একটি ‘নিয়ন্ত্রণমুক্ত অর্থনীতি’ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বাজেট বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন প্রকল্প পর্যবেক্ষণে ড্যাশবোর্ড ব্যবস্থা চালু করা হবে। এর মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নে বিলম্ব বা দায়ী ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

পুঁজিবাজার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পুনর্গঠন করা হচ্ছে এবং শিগগিরই পেশাদার ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়ে নতুন কমিশন গঠন করা হবে। এর ফলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে এবং পুঁজিবাজারের মাধ্যমে কোম্পানিগুলো সহজে তহবিল সংগ্রহ করতে পারবে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারের বিভিন্ন সংস্কার উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।

ইআরএফ সভাপতি দৌলত আকতার মালার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন, ইস্ট কোস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজম জে চৌধুরী এবং বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)-এর সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক আবুল কাসেম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিশরে মরুভূমির বুকে ছুটছে বিশ্বের দীর্ঘতম চালকবিহীন মনোরেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ এম


মিশরে মরুভূমির বুকে ছুটছে বিশ্বের দীর্ঘতম চালকবিহীন মনোরেল

মিশরের রাজধানী কায়রো দীর্ঘদিন ধরেই ভয়াবহ যানজটের জন্য পরিচিত। নগরীর ওপর চাপ কমাতে সরকার মরুভূমির মধ্যে গড়ে তুলছে নতুন প্রশাসনিক রাজধানী। এবার সেই উদ্যোগে নতুন মাত্রা যোগ করেছে আফ্রিকার প্রথম চালকবিহীন মনোরেল নেটওয়ার্ক, যা কায়রোর পরিবহন ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনার প্রত্যাশা জাগিয়েছে।

গত ৬ মে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রীদের জন্য খুলে দেওয়া হয় ‘কায়রো মনোরেল’-এর পূর্ব নীল (ইস্ট নাইল) রুট। এটি আফ্রিকার প্রথম সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় বা চালকবিহীন মনোরেল ব্যবস্থা। প্রকল্পের দুইটি রুট সম্পূর্ণ চালু হলে এটি বিশ্বের দীর্ঘতম মনোরেল নেটওয়ার্কে পরিণত হবে।

বর্তমানে চালু হওয়া ৫৬ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ইস্ট নাইল রুটটি কায়রোর নাসর সিটির আন্তর্জাতিক স্টেডিয়াম এলাকা থেকে নতুন প্রশাসনিক রাজধানী পর্যন্ত বিস্তৃত। পাশাপাশি ৪৩ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ওয়েস্ট নাইল রুটের নির্মাণকাজ চলছে, যা ৬ অক্টোবর সিটি থেকে গিজা পর্যন্ত সংযোগ স্থাপন করবে।

দুইটি রুট চালু হলে নেটওয়ার্কটির মোট দৈর্ঘ্য দাঁড়াবে ১০০ কিলোমিটারের বেশি, যা বর্তমানে বিশ্বের দীর্ঘতম স্বীকৃত মনোরেল ব্যবস্থা চীনের চংকিং মনোরেলকেও ছাড়িয়ে যাবে। প্রতিদিন প্রায় পাঁচ লাখ যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা থাকবে এই নেটওয়ার্কের।

উদ্বোধনের পর প্রথম তিন দিন যাত্রীরা বিনামূল্যে মনোরেলে ভ্রমণের সুযোগ পান। পরে চারটি জোনভিত্তিক ভাড়া চালু করা হয়। পুরো ইস্ট নাইল রুটে একমুখী যাত্রার ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৮০ মিশরীয় পাউন্ড।

কায়রোর বিদ্যমান তিনটি মেট্রো লাইন বছরে প্রায় ৫০ কোটি যাত্রী পরিবহন করে থাকে। ক্রমবর্ধমান চাপ সামাল দিতে ২০১৯ সালে প্রায় ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন পাউন্ড মূল্যের চুক্তির মাধ্যমে নতুন মনোরেল প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। ফরাসি রেল নির্মাতা প্রতিষ্ঠান আলস্টমের নেতৃত্বে গঠিত একটি কনসোর্টিয়াম প্রকল্পটির নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছে।

ইংল্যান্ডের ডার্বি কারখানায় নির্মিত ২৭২টি মনোরেল কোচ নিয়ে গঠিত ৬৮টি ট্রেন ঘণ্টায় প্রতি দিকে সর্বোচ্চ ৪৫ হাজার যাত্রী পরিবহন করতে পারবে। ট্রেনগুলো ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার গতিতে চলবে।

আলস্টমের দাবি, এই মনোরেল ব্যবস্থা পরিবেশবান্ধব। এতে কম শব্দদূষণ হয় এবং ব্রেকিংয়ের সময় উৎপন্ন শক্তির ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত পুনরুদ্ধার করা সম্ভব, যা জ্বালানি ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দেয়।

মিশর সরকার আশাবাদী যে নতুন প্রশাসনিক রাজধানী ভবিষ্যতে ৬৫ লাখ মানুষের আবাসস্থল হবে এবং প্রায় ২০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। সে লক্ষ্যেই আধুনিক গণপরিবহন অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে।

সূত্র: সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লেবানন ট্রাম্প-ইরান চুক্তির জন্য মারাত্মক হুমকি কেন হয়ে উঠেছে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:৩৪ এম


লেবানন ট্রাম্প-ইরান চুক্তির জন্য মারাত্মক হুমকি কেন হয়ে উঠেছে?

 

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে চলমান ইরানের কূটনৈতিক উদ্যোগ নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। লেবাননে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পাল্টাপাল্টি হামলার আশঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে আবারো অস্থিতিশীল করার পথে নিয়ে এসেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা প্রমাণ করেছে যে অঞ্চলটির দীর্ঘদিনের সংঘাত ও অবিশ্বাস এখনো যেকোনো কূটনৈতিক অগ্রগতিকে বিপদের মুখে ফেলতে পারে।

সোমবার পরিস্থিতি হঠাৎ করেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন ইসরাইল তেহরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে হামলার হুমকি দেয়। একই সময়ে ইসরাইলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনাও ঘটে। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের ইরান-সংক্রান্ত আলোচনায় নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

ইরান দাবি করে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান আলোচনা স্থগিত করেছে। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, আলোচনাগুলো খুবই বিরক্তিকর হয়ে উঠেছে। তবে তিনি পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য দ্রুত কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেন।

হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা যায়, ট্রাম্প ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে জরুরি ফোনালাপ করেন। সেই আলাপচারিতায় সম্ভাব্য লেবানন অভিযানের বিষয়ে ট্রাম্প তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি হিজবুল্লাহর প্রতিনিধিদের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন।

পরে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ঘোষণা দেন যে উভয় পক্ষ আপাতত হামলা থেকে বিরত থাকতে সম্মত হয়েছে এবং ইরানের সঙ্গে আলোচনা দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।

ওয়াশিংটনে লেবাননের দূতাবাসও জানায়, ইসরাইল বৈরুতে হামলা বন্ধ রাখলে হিজবুল্লাহও ইসরাইলের বিরুদ্ধে নতুন হামলা চালাবে না। অন্যদিকে ইসরাইল জানিয়েছে, তারা দক্ষিণ লেবাননে অভিযান অব্যাহত রাখবে, তবে আপাতত বৈরুতে হামলার পরিকল্পনা নেই।

বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই হস্তক্ষেপ শুধু তাৎক্ষণিক সংঘাত এড়াতেই সহায়তা করেনি, বরং ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনাকে সচল রেখেছে। এতে তেহরানকে এই বার্তাও দেওয়া হয়েছে যে, প্রয়োজন হলে ওয়াশিংটন এখনো নেতানিয়াহু সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখার সক্ষমতা রাখে।

মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক গবেষক আলি ফাতোল্লাহ-নেজাদ বলেন, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর ফোনালাপ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যকার ক্ষমতার সম্পর্কের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।

তবে বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা, ট্রাম্পের এই কূটনৈতিক সফলতা হয়তো সাময়িক। কারণ ইসরাইল ও ইরানের মতো আঞ্চলিক শক্তিগুলোর পরস্পরবিরোধী স্বার্থ, দীর্ঘদিনের অবিশ্বাস এবং মধ্যপ্রাচ্যের জটিল রাজনৈতিক বাস্তবতা যেকোনো সময় আবারো নতুন সংকটের জন্ম দিতে পারে।

ফলে ইরানের সঙ্গে একটি টেকসই সমঝোতায় পৌঁছানোর ট্রাম্পের প্রচেষ্টা এখনো বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

সূত্র: সিএনএন

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%