বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০২:৫৫ পি.এম
নেত্রকোণা, ৬ আগস্ট, ২০২৬: ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নেত্রকোণা আদর্শ শিশু বিদ্যালয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ৫শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশের পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) নেত্রকোণা জেলা শাখার উদ্যোগে এবং বিদ্যালয়ের সহযোগিতায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করেন এবং বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নিজ হাতে বৃক্ষরোপণ করে শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সচেতনতায় উদ্বুদ্ধ করেন নেত্রকোণা-২ (সদর-বারহাট্টা) আসনের সংসদ সদস্য, জেলা বিএনপির সভাপতি বিশিষ্ট অর্থোপেডিক্স চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মো. আনোয়ারুল হক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. মো. আনোয়ারুল হক এমপি বলেন, ‘গাছ আমাদের অক্সিজেন, ছায়া ও জীবনের নিরাপত্তা দেয়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই।’
তিনি শিক্ষার্থীদের মাঝে শৈশব থেকেই গাছ লাগানো ও নিয়মিত পরিচর্যার মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং প্রত্যেকে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যার মাধ্যমে একটি সবুজ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও নেত্রকোণা পৌরসভার প্রশাসক মুন মুন জাহান লিজার সভাপতিত্বে এবং বাপার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম রেজাউল হক মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণা জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাড. নুরুজ্জামান নুরু।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নেত্রকোণা আদর্শ শিশু বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মুশফিকুর রহমান খান ও বাপা নেত্রকোণা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম ছোটন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি ইমরান খান চৌধুরী, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন রিপন, সদর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দিন ফারাস সেন্টু, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ময়মনসিংহ বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট কে আর খান পাঠান সাহের, জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আবদুল্লাহ আল মামুন খান রনি, জেলা বিএনপি’র সাবেক কোষাধ্যক্ষ এস এম মুসা, পৌর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মেহেরুল আলম রাজু ও সাধারণ সম্পাদক এস এম মোয়াজ্জেম হোসেন, তারেক জিয়া পরিষদ নেত্রকোণা জেলা শাখার সভাপতি মীর্জা আজিজুর রহমান হাবলু এবং জেলা ছাত্রদলের সভাপতি অনিক মাহবুব চৌধুরীসহ স্থানীয় সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠান শেষে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ৫ শতাধিক বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহ, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : চলতি বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে গড়াই নদীর শৈলকুপা অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কিছু বছরে উপজেলার সারুটিয়া ও ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের প্রায় ৫টি গ্রামের কয়েকশ' বিঘা ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। নদী পাড়ের বাসিন্দারা ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। অনেকেই তাদের বাড়িঘর ছেড়ে দিয়েছেন। চলতি বর্ষা মৌসুমে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে প্রমত্তা গড়াইয়ের শৈলকুপা অংশের দক্ষিণ পাড়ে নতুন তিনটি জায়গায় ভাঙন শুরু হয়েছে।
সারুটিয়া ইউনিয়নের বুরুড়িয়া গ্রামের কয়েকশ' বিঘা ফসলি জমি গড়াই নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন রোধে বুরুড়িয়া গ্রামের বেশ কয়েকটি পয়েন্টে জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (ওয়াপদা) এসব জিও ব্যাগ ফেলার কাজ করছে। নদী পাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে অনেকেই তাদের বসত ভিটা ছেড়ে আশ্রয় নিয়েছেন অন্য এলাকায়।
এছাড়া নদীর তীরে মাজদিয়া, উলুবাড়িয়া, বন্দেখালী ও কাশিনাথপুর ঘাট এলাকায় নতুন করে গড়াই নদীতে ভাঙন শুরু হয়েছে। বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গড়াই নদীর পানি বাড়ার কারণে নদীতে তীব্র স্রোত সৃষ্টি হয়েছে। স্রোতের কারণে উলুবাড়িয়া গ্রামের নদী ঘেঁষা কয়েকটি জায়গায় প্রায় শতাধিক বিঘা ফসলি জমি নদী গর্ভে চলে গেছে। ফসলি জমি হারিয়ে স্থানীয়রা এখন তাদের বসতভিটার ক্ষতির শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক হাফিজুর রহমান বাসস’কে বলেছেন, "আমাদের এলাকার নদী পাড়ের সব ফসলি জমি নদীতে চলে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে এই ভাঙন চলছে। আগে সরকার কিছু পদক্ষেপ নিলে এমন ভাঙন হতো না। এখন নতুন সরকার এসেছে। আমরা দাবি জানাচ্ছি, যেন দ্রুত ভাঙন রোধে সরকার পদক্ষেপ নেয়।"
আলম খান নামে অন্য এক কৃষক বলেছেন, "আমাদের বসতি ভিটা ছাড়া আর কোনো জমি অবশিষ্ট নেই। সব গড়াই নদী গিলে খেয়েছে। যদি বসত ভিটাও নদীতে চলে যায়, তাহলে আমরা যাবো কোথায়?"
উলুবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. শাহিন আলম জানিয়েছেন, "গত ১০ বছরে গড়াই নদীর ভাঙন এতোটা বেড়েছে, যে বুরুড়িয়া ও উলুবাড়িয়া গ্রামের মৌজার অনেক জমি এখন নদীর বিপরীত পাড়ে চলে গেছে। নদী আগে যেখানে ছিল, তার থেকে ভাঙতে ভাঙতে প্রায় আধা কিলোমিটার দক্ষিণে সরে এসেছে।"
স্থানীয় বাসিন্দা সেলিম হোসনে বাসস’কে বলেছেন, "উলুবাড়িয়া গ্রামের নদী পাড়ের অনেক বাসিন্দা ভাঙন আতঙ্কে বাড়ি ঘর ফেলে অন্য এলাকায় চলে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে কয়েকটি জায়গায় জিও ব্যাগ ফেলা হলেও ভাঙন রোধ করা যাচ্ছে না। আমরা দিন রাত আতঙ্কে থাকতে বাধ্য হচ্ছি।"
জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (ওয়াপদা) তথ্য অনুযায়ী, শৈলকূপা উপজেলার সারুটিয়া ইউনিয়নের বরুড়িয়া, ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের উলুবাড়িয়া, মাজদিয়া, বন্দেখালী ও কাশিনাথপুর ঘাট এলাকায় অন্তত সাড়ে ৫ কিলোমিটার নদীর পাড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। সাড়ে ৫ কিলোমিটার নদীপাড়ের ৫টি পয়েন্টে ভাঙনের তীব্রতা বেশি। এসব পয়েন্টে বেশ কয়েক বছর ধরেই জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। ভাঙনের তোড়ে অন্তত ৬শ’ একর ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (ওয়াপদা) ঝিনাইদের প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস বাসস’কে বলেছেন, "গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে গড়াই নদীতে ভাঙন চলে আসছে। শৈলকূপার কয়েকটি গ্রামের মৌজাভুক্ত জমি এরই মধ্যে নদীর গর্ভে চলে গেছে। নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে এমনটা ঘটেছে।"
তিনি আরও বলেছেন, "ভাঙন রোধে একটি স্থায়ী প্রকল্প প্রণয়ন এবং এ বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের (ফিজিবিলিটি স্টাডি) কাজ শুরুর অনুমোদন পেয়েছি। সম্ভাব্যতা যাচাইও শেষ পর্যায়ে। আশা করছি, আগামী শীত মৌসুমে আমরা ভাঙন কবলিত এলাকায় স্থায়ী বা টেকসই ব্লকের বাঁধ বসানোর কাজ শুরু করতে পারব।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণভোটের রায়, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
আজ ৫ আগস্ট (বুধবার) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কাঁঠালিয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে উপজেলা সদরে এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভ মিছিলটি কাঁঠালিয়ার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়। এতে জামায়াতে ইসলামী কাঁঠালিয়া উপজেলা শাখার বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা অংশ নেন।
মিছিল পরবর্তী সমাবেশে বক্তারা বলেন, গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। পাশাপাশি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনার জন্য সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
সমাবেশ থেকে নেতৃবৃন্দ তাঁদের দাবিগুলো দ্রুত মেনে নেওয়ার জন্য জোর দাবি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লালমনিরহাট, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার সীমান্তে আজ পৃথক দু’টি অভিযানে ৩৫৫ বোতল ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ, ৬ কেজি গাঁজা এবং ১টি মোটরসাইকেল জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার দুপুরে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বনচৌকি ও গোড়কমন্ডল বিওপির টহলদল পৃথক দু’টি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এসব মাদক ও মোটরসাইকেল জব্দ করে।
বিজিবি জানায়, হাতীবান্ধা উপজেলার পূর্ব আমঝোল সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালালে চোরাকারবারিরা বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে ৩৫৫ বোতল ভারতীয় ইস্কাপ সিরাপ ফেলে ভারতে পালিয়ে যায়। এছাড়া কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার মধ্যটারী এলাকায় আরেক অভিযানে ১টি মোটরসাইকেলের তেলের ট্যাংক ও সিটের ভেতরে বিশেষ লুকিয়ে রাখা ৬ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জব্দ আলামতের মোট সরকারি সিজার মূল্য ৩ লাখ ১৩ হাজার টাকা। এ ঘটনায় জড়িত চোরাকারবারিদের শনাক্তে কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তথ্য সংগ্রহ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়নের (১৫ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল মেহেদী ইমাম বাসস’কে বলেন, সীমান্তে চোরাচালান, মাদক পাচার ও অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে বিজিবি’র গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেটে চার বছর বয়সী শিশু ফাহিমা আক্তার হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জাকির হোসেনকে আদালত থেকে পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে।
সিলেটের বহুল আলোচিত এই শিশু হত্যার ঘটনায় জাকির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে আদালত তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানাও করেছে। এই মামলায় জাকিরের দুই ভাই জয়নাল আহমদ ও আবুল কালাম বেকসুর খালাস পেয়েছেন।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটার তিন মাসের মাথায় বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট), সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু উবায়দা এ রায় দেন। উল্লেখ্য, মামলার এক মাস পাঁচদিনের মধ্যে আদালতে পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করেছিল।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, জাকির হোসেনকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার দায়ে এবং মরদেহ গুমে সহায়তা করার জন্য তার দুই ভাই জয়নাল ও আবুল কালামকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
নিহত শিশু ফাহিমা আক্তার সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে ছিলেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জাকির হোসেনের বয়স ৩০ বছর, এবং তিনি ফাহিমার পরিবারের প্রতিবেশী নিহত তোতা মিয়ার ছেলে।
গত ৬ মে, ফাহিমা বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের দু’দিন পর ৮ মে রাতে, ফাহিমার মরদেহ পাশের ডোবা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। ১১ মে রাতে, ফাহিমাকে হত্যার অভিযোগে তার প্রতিবেশী চাচা জাকির হোসেনকে (৩০) গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পর, পুলিশের কাছে ও আদালতে ১৬৪ ধারায় জাকির এ ঘটনার বিষয়ে ভয়াবহ বর্ণনা দিয়েছেন।
জবানবন্দিতে জাকির হোসেন জানিয়েছেন, সিগারেট আনার কথা বলে ফাহিমাকে দোকানে পাঠান। দোকান থেকে ফেরার পর, ঘর ফাঁকা থাকার সুযোগে তিনি ফাহিমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এসময় ফাহিমা জ্ঞান হারালে, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন জাকির। পরে, মরদেহ গুম করতে না পেরে বাড়ির কাছে একটি পুকুর সংলগ্ন ডোবায় ফেলে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ