প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিলেটে চার বছর বয়সী শিশু ফাহিমা আক্তার হত্যার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জাকির হোসেনকে আদালত থেকে পুলিশ নিয়ে যাচ্ছে।
সিলেটের বহুল আলোচিত এই শিশু হত্যার ঘটনায় জাকির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একইসঙ্গে আদালত তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানাও করেছে। এই মামলায় জাকিরের দুই ভাই জয়নাল আহমদ ও আবুল কালাম বেকসুর খালাস পেয়েছেন।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটার তিন মাসের মাথায় বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট), সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু উবায়দা এ রায় দেন। উল্লেখ্য, মামলার এক মাস পাঁচদিনের মধ্যে আদালতে পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করেছিল।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, জাকির হোসেনকে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার দায়ে এবং মরদেহ গুমে সহায়তা করার জন্য তার দুই ভাই জয়নাল ও আবুল কালামকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
নিহত শিশু ফাহিমা আক্তার সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের মেয়ে ছিলেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জাকির হোসেনের বয়স ৩০ বছর, এবং তিনি ফাহিমার পরিবারের প্রতিবেশী নিহত তোতা মিয়ার ছেলে।
গত ৬ মে, ফাহিমা বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। নিখোঁজের দু’দিন পর ৮ মে রাতে, ফাহিমার মরদেহ পাশের ডোবা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। ১১ মে রাতে, ফাহিমাকে হত্যার অভিযোগে তার প্রতিবেশী চাচা জাকির হোসেনকে (৩০) গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পর, পুলিশের কাছে ও আদালতে ১৬৪ ধারায় জাকির এ ঘটনার বিষয়ে ভয়াবহ বর্ণনা দিয়েছেন।
জবানবন্দিতে জাকির হোসেন জানিয়েছেন, সিগারেট আনার কথা বলে ফাহিমাকে দোকানে পাঠান। দোকান থেকে ফেরার পর, ঘর ফাঁকা থাকার সুযোগে তিনি ফাহিমাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এসময় ফাহিমা জ্ঞান হারালে, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন জাকির। পরে, মরদেহ গুম করতে না পেরে বাড়ির কাছে একটি পুকুর সংলগ্ন ডোবায় ফেলে দেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন