ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অকুতোভয় জুলাই যোদ্ধা আজিজুর রহমানের সাক্ষাৎ


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অকুতোভয় জুলাই যোদ্ধা আজিজুর রহমানের সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মাথায় গুলির ক্ষতের পাশাপাশি শরীরে ৩৬টি স্পিন্টারের চিহ্ন নিয়ে যে অকুতোভয় যোদ্ধা তিনি, সেই শেখ আজিজুর রহমান বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এই তথ্য জানান।

এই সাক্ষাতের মাধ্যমে আজিজুর রহমানের দীর্ঘদিনের লালিত একটি স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। উপ-প্রেস সচিব জানান, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের উত্তাল মুহূর্তে মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন শেখ আজিজুর রহমান। তখন তিনি রক্তক্ষরণ ঠেকাতে মাথায় জাতীয় পতাকা বেঁধেছিলেন। আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সামনে ঐতিহাসিক ওই রক্তমাখা পতাকাটি তুলে দেন এই জুলাই যোদ্ধা।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে ‘গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরও শুধু ছাত্রদল করার কারণে মেলেনি জুলাই যোদ্ধার স্বীকৃতি’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ পায়। যখন প্রতিবেদনটি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে, তখন তিনি তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে আজিজুর রহমানের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখতে নির্দেশ দেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজিজুরের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করা হয়।

আরও পড়ুন: ইশরাকের পদত্যাগের পর স্ত্রীর রহস্যময় পোস্ট

সুজন মাহমুদ জানান, সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে আজিজুর রহমানের সংগ্রাম, কষ্ট ও আত্মত্যাগের কথা শুনেছেন। তিনি জানতে চান, আজিজুর কীভাবে আহত হয়েছেন, তাঁর লেখাপড়া কেমন, সিএনজি চালিয়ে শিক্ষাজীবনের খরচ কিভাবে চালান এবং বর্তমান চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। আজিজুরের কঠোর জীবন সংগ্রামের কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী গভীর সমবেদনাও জানান এবং ব্যথিত হন।

আজিজুর রহমান প্রধানমন্ত্রীকে রক্তমাখা পতাকাটি উপহার দিয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও আবেগাপ্লুত। আমার কষ্টের কথা তিনি নিজে শুনেছেন এবং খোঁজখবর নিয়েছেন। এটি আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত। এই রক্তমাখা পতাকাটি তাঁর হাতে তুলে দেওয়ার ইচ্ছা আমার বহুদিনের ছিল। আজ সেই ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।’

শেখ আজিজুর রহমান সরকারি বাঙলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। তাঁর বাড়ি নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মিরপুর-১০ নম্বর ফ্লাইওভারে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে আলোচনায় আসেন আজিজুর। আন্দোলনের একপর্যায়ে পুলিশের গুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন। মাথায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে তিনি প্রিয় জাতীয় পতাকাটি মাথায় বেঁধে নেন, ফলে পতাকাটি তাঁর রক্তে রঞ্জিত হয়। রক্তভেজা শরীর নিয়ে তিনি রাজপথ ছাড়েননি। পরে ১৯ জুলাই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। দুই দিনের রিমান্ড শেষে ২১ জুলাই তিনি মুক্তি পান।

আরও পড়ুন: সরকার ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী: আমানউল্লাহ আমান

ত্যাগ ও বীরত্বের নজির স্থাপন করলেও রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে টানা দুই বছর তিনি ‘জুলাই যোদ্ধা’র স্বীকৃতি পাননি। সংসার ও পড়াশোনার খরচ চালাতে জীবনসংগ্রামের মুখোমুখি হয়ে তাঁকে সিএনজি চালাতে হয়েছে। অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগে আজিজুর রহমানের ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের পথ সুগম হলো।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভূমধ্যসাগরীয় বন্দরে জাহাজে ড্রোন হামলার কথা নিশ্চিত করল মিশর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৭ পি.এম


ভূমধ্যসাগরীয় বন্দরে জাহাজে ড্রোন হামলার কথা নিশ্চিত করল মিশর

মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি অবকাঠামোগুলোতে হামলার আতঙ্ক এবার আছড়ে পড়েছে মিশরে।

পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত আরও জোরালো হওয়ার মাঝে, ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী দামিয়েত্তা বন্দরে দুটি জাহাজে ড্রোন হামলার খবর নিশ্চিত করেছে কায়রো। বৃহস্পতিবার, মিশর সরকারের পক্ষ থেকে এই তথ্য প্রদান করা হয়।

রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ‘মিডল ইস্ট নিউজ এজেন্সি’ (মেনা) জানিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে—মঙ্গলবার চালানো এক ড্রোন হামলার কারণেই বন্দরে অবস্থানরত ওই দুই জাহাজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী বা সংগঠন এই আকস্মিক হামলার দায় নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে মিশরের পেট্রোলিয়াম ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, ড্রোন হামলার পরে বন্দরে নোঙর করা একটি স্টোরেজ ভেসেল (মজুতকারী জাহাজ) এবং একটি রিগ্যাসিফিকেশন জাহাজে দাউ দাউ করে আগুন ধরে যায়।

তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। এ বিষয়ে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং ঘটনাস্থলে থাকা অগ্নিনির্বাপণ ও নিরাপত্তা দলের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নেভানো সম্ভব হয়েছে। পূর্ব-অনুমোদিত জরুরি অবস্থা ও র‍্যাপিড রেসপন্স বা দ্রুত প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনা অনুসারে পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১২ বছরের নাফিসকে বাঁচাতে ৩০ লাখ টাকা প্রয়োজন, মানবিক সহায়তার আবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

দেবাশীষ মন্ডল আশীষ, পিরোজপুর প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৪৮ পি.এম


১২ বছরের নাফিসকে বাঁচাতে ৩০ লাখ টাকা প্রয়োজন, মানবিক সহায়তার আবেদন

মাত্র ১২ বছর বয়সেই মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার ছোট্ট শিশু আব্দুল্লাহ আন নাফিস। যে বয়সে তার হাসি-আনন্দ এবং খেলাধুলায় কাটানোর কথা, সেই বয়সে হাসপাতালের বিছানায় দিন কাটাতে হচ্ছে তাকে।

নাফিস উপজেলার ডুমুরিয়া নেছারিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক মো. মুজিবুর রহমানের সন্তান। চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি তার শরীরে ব্লাড ক্যান্সার শনাক্ত হয়। প্রথমে রাজধানীর পিজি হাসপাতালে তার চিকিৎসা শুরু করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতের ভেলোরের সিএমসি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, নাফিসের সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয় রেডিয়েশন থেরাপি, উচ্চ ডোজ কেমোথেরাপি এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা করা প্রয়োজন। এই চিকিৎসা চালিয়ে যেতে প্রায় ৩০ লাখ টাকার প্রয়োজন হবে বলে জানিয়েছে তার পরিবার। পাশাপাশি, চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতে অন্তত ৯ থেকে ১০ মাস অবস্থান করতে হতে পারে।

সন্তানের চিকিৎসার খরচ জোগাতে ইতোমধ্যে জমি-জমা ও সঞ্চয় বিক্রি করে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন নাফিসের বাবা। এখন তার পরিবারের আর চিকিৎসার ব্যয় বহন করার সামর্থ্য নেই। সন্তানের জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান এবং হৃদয়বান মানুষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

কান্নায় ভেঙে পড়া নাফিসের বাবা বলেন, “আমার ছেলেটাকে বাঁচাতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন।” নাফিসের চিকিৎসায় সহায়তা করার জন্য সমাজের বিত্তবান এবং হৃদয়বান ব্যক্তিরা, প্রবাসী বাংলাদেশিরা, বিভিন্ন সামাজিক এবং মানবিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষের প্রতি সহায়তা এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তার পরিবার। তাদের আশা, সম্মিলিত সহযোগিতার মাধ্যমে ফিরে আসবে ছোট্ট নাফিসের মুখে হাসি।

সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম সোনালী ব্যাংক: ০৫০৬৬০১০২৬০৪৯, ইসলামী ব্যাংক: ২০৫০৩১৬০২০০০২৬৫১১।

অর্থের অভাবে যেন একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন থেমে না যায়, ছোট্ট নাফিসের চিকিৎসায় যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তার পরিবার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অনিয়মের অভিযোগে তিন খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, বরখাস্ত ৩ খাদ্য কর্মকর্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৩ পি.এম


অনিয়মের অভিযোগে তিন খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, বরখাস্ত ৩ খাদ্য কর্মকর্তা

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহম্মেদের মন্তব্য ‘সবাই মিলেমিশে খাই’ নিয়ে একটি ভিডিও ভাইরালের পর ৩ খাদ্য কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া, এই ঘটনার তদন্তের জন্য তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে খাদ্য অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) জয়পুরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাকিল আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সাময়িক বরখাস্ত খাদ্য কর্মকর্তারা হলেন কালাই উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহম্মেদ, উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক মো. মাহমুদুন্নবী সরকার এবং সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক আব্দুল মোমিন।

খাদ্য অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, কালাই উপজেলায় ওএমএস কর্মসূচির আওতায় প্রতিদিন ২ টন চাল ও ২ টন আটা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরকারি নির্ধারিত মূল্যে একজন সুবিধাভোগী ২৭০ টাকায় ৫ কেজি চাল ও ৫ কেজি আটা ক্রয় করতে পারেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন দুই টন আটার বিপরীতে বিক্রয়কেন্দ্রে ৪০ বস্তা আটা থাকার কথা থাকলেও সেখানে নিয়মিতভাবে মাত্র ২০ বস্তা রাখা হতো। ফলস্বরূপ, শত শত নিম্নআয়ের মানুষ দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সত্ত্বেও চাল পেলেও আটা না পেয়ে হতাশ হচ্ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে যে, বাকি ২০ বস্তা আটা খোলাবাজারে বেশি দামে বিক্রি করে আত্মসাৎ করা হতো।

স্থানীয় সাবেরা বিবি বলেন, “আমরা সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতাম। পরে বলা হতো আটা শেষ। কিন্তু চাল পাওয়া যেত। তবে পরে জানতে পারি, বরাদ্দ অনুযায়ী আটা বিক্রিই করা হচ্ছিল না। গরিব মানুষের হক এভাবে লুটপাট হবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।”

খাদ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ওএমএসের আটা কম দেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহম্মেদের ‘সবাই মিলেমিশে খাই’ মন্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে। যা নিয়ে দেশব্যাপী সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওটি প্রকাশের পরই সিদ্ধান্ত নিয়েছে খাদ্য বিভাগ।

জয়পুরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাকিল আহমেদ বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পরই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বরখাস্তের পাশাপাশি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রাবাসের ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ল, হাসপাতালে শিক্ষার্থী আহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


ছাত্রাবাসের ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ল, হাসপাতালে শিক্ষার্থী আহত

বরিশাল সরকারি বিএম কলেজের ছাত্রাবাসের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ার কারণে এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে মহাত্মা অশ্বিনী কুমার (ডিগ্রি) হলের ডি ব্লকে এই ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, শতবর্ষী ডিগ্রি হলটি বর্তমানে অত্যন্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনের বিভিন্ন কক্ষের ছাদ থেকে অনেক দিন ধরেই পলেস্তারা খসে পড়ছে এবং কিছু কিছু স্থানে রড বের হয়ে ঝুলছে। সামান্য বৃষ্টিতেই ভবনের ছাদ থেকে পানি চুঁইয়ে পড়ছে। দীর্ঘদিন ধরে এই ভবনটি ব্যবহারের অযোগ্য ও বিপজ্জনক অবস্থায় থাকলেও শিক্ষার্থীদের এখানে বসবাস করতে বাধ্য হতে হচ্ছে। ঘটনার পর সাধারণ শিক্ষার্থীরা হল সুপারের কক্ষে গিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন। দুর্ঘটনায় আহত হিসাববিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিকেলের দিকে তিনি ইনকোর্স পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এই সময় বিকট শব্দে ছাদের পলেস্তারা খসে তার ওপর পড়ে যায়। তিনি বলেছেন, একটুর জন্য এটি মাথার ওপর পড়েনি। দীর্ঘদিন ধরে হল প্রশাসনকে তিনি এ ও ডি ব্লকের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কথা জানালেও কর্তৃপক্ষ শুধু আশ্বাস দিয়ে আসছে। ডিগ্রি হলের আরেক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেছেন, এই ছাত্রাবাসটিকে যেন এক মরণফাঁদ বলা হয়। এখানে প্রায়ই ছাদ ধসে পলেস্তারা খসে পড়ছে। যদি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন থেকে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা না হয়, তাহলে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। ডিগ্রি হলের সুপার এস এম আসাদুজ্জামান বলেছেন, ভবনটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ— এটি কর্তৃপক্ষের জানা। শিক্ষার্থীরা তার সঙ্গে দেখা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আপাতত জরাজীর্ণ কক্ষগুলো থেকে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ কক্ষে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। বিষয়টি কলেজ অধ্যক্ষ ও প্রকৌশল দপ্তরকে জানানো হয়েছে। বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, পলেস্তারা পড়ে শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তারা খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডিগ্রি হলের পুরোনো ভবনটির সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের বিষয়টি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরকে আগেই জানানো হয়েছিল। তারা জানিয়েছেন, ভবনটি নিয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%