বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:৫৩ পি.এম
জয়পুরহাটের কালাই উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহম্মেদের মন্তব্য ‘সবাই মিলেমিশে খাই’ নিয়ে একটি ভিডিও ভাইরালের পর ৩ খাদ্য কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া, এই ঘটনার তদন্তের জন্য তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে খাদ্য অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) জয়পুরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাকিল আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সাময়িক বরখাস্ত খাদ্য কর্মকর্তারা হলেন কালাই উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহম্মেদ, উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক মো. মাহমুদুন্নবী সরকার এবং সহকারী উপখাদ্য পরিদর্শক আব্দুল মোমিন।
খাদ্য অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, কালাই উপজেলায় ওএমএস কর্মসূচির আওতায় প্রতিদিন ২ টন চাল ও ২ টন আটা বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরকারি নির্ধারিত মূল্যে একজন সুবিধাভোগী ২৭০ টাকায় ৫ কেজি চাল ও ৫ কেজি আটা ক্রয় করতে পারেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রতিদিন দুই টন আটার বিপরীতে বিক্রয়কেন্দ্রে ৪০ বস্তা আটা থাকার কথা থাকলেও সেখানে নিয়মিতভাবে মাত্র ২০ বস্তা রাখা হতো। ফলস্বরূপ, শত শত নিম্নআয়ের মানুষ দীর্ঘসময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সত্ত্বেও চাল পেলেও আটা না পেয়ে হতাশ হচ্ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে যে, বাকি ২০ বস্তা আটা খোলাবাজারে বেশি দামে বিক্রি করে আত্মসাৎ করা হতো।
স্থানীয় সাবেরা বিবি বলেন, “আমরা সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতাম। পরে বলা হতো আটা শেষ। কিন্তু চাল পাওয়া যেত। তবে পরে জানতে পারি, বরাদ্দ অনুযায়ী আটা বিক্রিই করা হচ্ছিল না। গরিব মানুষের হক এভাবে লুটপাট হবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।”
খাদ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ওএমএসের আটা কম দেওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা হুমায়ূন আহম্মেদের ‘সবাই মিলেমিশে খাই’ মন্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে। যা নিয়ে দেশব্যাপী সমালোচনা শুরু হয়। ভিডিওটি প্রকাশের পরই সিদ্ধান্ত নিয়েছে খাদ্য বিভাগ।
জয়পুরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক শাকিল আহমেদ বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পরই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের বরখাস্তের পাশাপাশি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিভাগীয় ব্যবস্থার পাশাপাশি প্রয়োজন হলে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।”
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল সরকারি বিএম কলেজের ছাত্রাবাসের ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ার কারণে এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে মহাত্মা অশ্বিনী কুমার (ডিগ্রি) হলের ডি ব্লকে এই ঘটনা ঘটে। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, শতবর্ষী ডিগ্রি হলটি বর্তমানে অত্যন্ত জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ভবনের বিভিন্ন কক্ষের ছাদ থেকে অনেক দিন ধরেই পলেস্তারা খসে পড়ছে এবং কিছু কিছু স্থানে রড বের হয়ে ঝুলছে। সামান্য বৃষ্টিতেই ভবনের ছাদ থেকে পানি চুঁইয়ে পড়ছে। দীর্ঘদিন ধরে এই ভবনটি ব্যবহারের অযোগ্য ও বিপজ্জনক অবস্থায় থাকলেও শিক্ষার্থীদের এখানে বসবাস করতে বাধ্য হতে হচ্ছে। ঘটনার পর সাধারণ শিক্ষার্থীরা হল সুপারের কক্ষে গিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন। দুর্ঘটনায় আহত হিসাববিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিকেলের দিকে তিনি ইনকোর্স পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এই সময় বিকট শব্দে ছাদের পলেস্তারা খসে তার ওপর পড়ে যায়। তিনি বলেছেন, একটুর জন্য এটি মাথার ওপর পড়েনি। দীর্ঘদিন ধরে হল প্রশাসনকে তিনি এ ও ডি ব্লকের ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কথা জানালেও কর্তৃপক্ষ শুধু আশ্বাস দিয়ে আসছে। ডিগ্রি হলের আরেক আবাসিক শিক্ষার্থী বলেছেন, এই ছাত্রাবাসটিকে যেন এক মরণফাঁদ বলা হয়। এখানে প্রায়ই ছাদ ধসে পলেস্তারা খসে পড়ছে। যদি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন থেকে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা না হয়, তাহলে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। ডিগ্রি হলের সুপার এস এম আসাদুজ্জামান বলেছেন, ভবনটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ— এটি কর্তৃপক্ষের জানা। শিক্ষার্থীরা তার সঙ্গে দেখা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আপাতত জরাজীর্ণ কক্ষগুলো থেকে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ কক্ষে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। বিষয়টি কলেজ অধ্যক্ষ ও প্রকৌশল দপ্তরকে জানানো হয়েছে। বিএম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, পলেস্তারা পড়ে শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তারা খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ডিগ্রি হলের পুরোনো ভবনটির সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের বিষয়টি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরকে আগেই জানানো হয়েছিল। তারা জানিয়েছেন, ভবনটি নিয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের সমস্যা ও উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবীব দুলু। তিনি জানান, আইসিইউ শয্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, জনবল নিয়োগ এবং নিরাপত্তা জোরদার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রমেক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে তিনি এসব পরিকল্পনার কথা সাংবাদিকদের জানালেন।
মন্ত্রী জানান, আগামী দুই মাসের মধ্যে হাসপাতালের আইসিইউ শয্যা ১০টি বাড়িয়ে মোট ২০টিতে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া রোগীর স্বজনদের থাকার উপযোগী ব্যবস্থা দ্রুত নিশ্চিত করা হবে। অস্ত্রোপচার কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে অ্যানেসথেশিয়ার ওষুধের সংকট দূর করার জন্য প্রয়োজনীয় সরবরাহের ব্যবস্থা করার কথাও তিনি বলেন।
মন্ত্রী আরও জানান, হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য প্রায় দুই কোটি মানুষের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পরেও এখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নেই। আগামী এক মাসের মধ্যে হাসপাতালের পুরো এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি এক সপ্তাহের মধ্যে হাসপাতালের এলাকা আলোকসজ্জা করার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে চুরি-ছিনতাইসহ অপরাধ কমানো যায়। জলাবদ্ধতা নিরসন ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে সিটি করপোরেশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও তিনি জানান।
জনবল সংকট প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে হাসপাতালের আউটসোর্সিং জনবল খুবই কম। স্থানীয় ব্যক্তিদের এবং প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সহযোগিতায় অতিরিক্ত ৫০ জন আউটসোর্সিং কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। এতে রোগীদের সেবা আরও সহজ হবে এবং দালালচক্রের দৌরাত্ম্য কমবে। তাঁরা বলেন, সকল কর্মচারীর জন্য নির্ধারিত পোশাক ও পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক হবে।
অন্যদিকে, স্বাস্থ্যখাতে জনবল সংকট নিরসনে সরকার কঠোর পরিশ্রম করছে। দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নির্মাণাধীন অবকাঠামো রয়েছে, কিন্তু জনবল সংকটের কারণে সেগুলো চালু করা যাচ্ছে না। এর সমাধানে দ্রুত নিয়োগ কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
আসাদুল হাবীব দুলু বলেন, গত ১৭ বছরে স্বাস্থ্যখাতে অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার সৃষ্টি হয়েছে। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে তিনি উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে মন্ত্রী জানান, রমেক ক্যাম্পাসে একটি অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প চালু হয়েছে। চিকিৎসক ও নার্সদের সময়মতো দায়িত্ব পালন এবং রোগীদের সঙ্গে আন্তরিক আচরণের নির্দেশনাও তিনি দেন।
লাশ পরিবহনে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে হাসপাতালের তালিকাভুক্ত অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে নির্ধারিত ভাড়ায় সেবা দেওয়া হবে এবং চালানের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের ব্যবস্থা চালু করা হবে।
মন্ত্রী জানান, হাসপাতাল প্রাঙ্গণে নির্মাণাধীন ১৫ তলাবিশিষ্ট ৪৬০ শয্যার ক্যান্সার, কিডনি ও হৃদরোগ বিশেষায়িত ভবনের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অকেজো চিকিৎসা সরঞ্জাম নিলামের মাধ্যমে অপসারণের উদ্যোগও নেওয়া হবে।
সভায় বিভাগের কমিশনার শহিদুল ইসলাম, রমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আশিকুর রহমান, রমেকের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. আনোয়ার হোসেন, রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সকালে, মন্ত্রী হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের সঙ্গে প্রায় চার ঘণ্টার একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন এবং পরে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে ট্রাস্টের নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।
পুনর্গঠিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। গত ২৭ জুলাই এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮-এর ১৩ ধারার বিধান অনুযায়ী নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।
পুনর্গঠিত কমিটির সদস্যরা হলেন- ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. ফজলুর রহমান, কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী এবং নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুক।
এ ছাড়া, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব পদাধিকারবলে নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, পুনর্গঠিত নির্বাহী কমিটি ট্রাস্টের আইন, বিধিমালা এবং ট্রাস্টি বোর্ডের অর্পিত দায়িত্ব ও নির্দেশনা বাস্তবায়ন, ট্রাস্টের সার্বিক কার্যক্রম তদারকি, ট্রাস্ট ও এর অধীনস্থ বাণিজ্যিক ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, চলমান প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ, হিসাব নিরীক্ষা, ভবিষ্যৎ কৌশল নির্ধারণ এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে।
সরকার আশা করছে, পুনর্গঠিত এই নির্বাহী কমিটির মাধ্যমে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রেমঘটিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিবির ও রাকসুসংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে লাইব্রেরিতে ঢুকে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী। এই কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে এ গণস্বাক্ষর কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়।
জানা গেছে, গত ২৭ জুলাই রাকসু ভবনে হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতে শিবির ও রাকসুসংশ্লিষ্টরা লাইব্রেরিতে ঢুকে শিক্ষার্থীদের মারধর করেন। হামলার এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষীদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করা হচ্ছে। এই কর্মসূচি তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচির সমাপ্তির পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর একটি স্মারকলিপি জমা দেওয়া হবে।
কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবির হাসান হিমেল বলেন, "আমরা বুধবার মানববন্ধনের পাশাপাশি আজ সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এ গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছি, যা সরাসরি উপাচার্য বরাবর প্রদান করা হবে।"
তিনি আরও বলেন, "আগামী ২ আগস্ট আমাদের রাবি ক্যাম্পাসে রুহুল কবির রিজভী আসার কথা রয়েছে। আমাদের সেই কর্মসূচি বানচাল করার উদ্দেশ্যে হয়তো শিবির এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাতে পারে।"
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, "রাকসুর কাজ হলো শিক্ষার্থীদের সেবায় নিয়োজিত থাকা। কিন্তু রাকসু নেতাকর্মীরা সেই দায়িত্ব ভুলে শিবিরের সঙ্গে লাইব্রেরিতে, যেখানে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করে, সেখানে হামলা চালিয়েছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা গতকাল মানববন্ধন করেছি এবং আজ সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করেছি। আমরা চাই, এ হামলায় জড়িত রাকসু ও শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করুক।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ